০৭:৫৩ পি.এম
গাজীপুর মহানগরের কোনাবাড়ী এলাকায় কৃষক লীগের এক নেতাকে আটক করার পর মোটা অঙ্কের অর্থের বিনিময়ে ছেড়ে দেওয়ার অভিযোগে অভিযুক্ত উপপরিদর্শক (এসআই) কামরুল হাসানকে গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ (জিএমপি) কোনাবাড়ী থানা থেকে প্রত্যাহার করেছে।
এটি ঘটেছে গাজীপুরের কোনাবাড়ী এলাকায়। রোববার (৫ জুলাই) বিকেলে তাকে জিএমপি সদর দপ্তরে সংযুক্ত করা হয়। অভিযোগের বিষয়ে প্রাথমিক তদন্তে সত্যতার ইঙ্গিত পাওয়ার পরই এই প্রশাসনিক সিদ্ধান্তটি নেওয়া হয়েছে বলে পুলিশ জানিয়েছে।
এর আগে, ৪ জুলাই ‘আটক কৃষক লীগ নেতাকে টাকা নিয়ে ছেড়ে দেওয়ার অভিযোগ এসআইয়ের বিরুদ্ধে’ শিরোনামে একটি প্রতিবেদন সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত হয়। সংবাদ প্রকাশের পর বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে আমলে নিয়ে জিএমপি প্রশাসন তদন্ত শুরু করে।
আরও পড়ুন: পূর্বধলায় যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত ২২ জুন রাতে কোনাবাড়ীর প্রতাবপুর এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে এসআই কামরুল হাসান ওয়ার্ড কৃষক লীগের সভাপতি মতিন মিয়াকে আটক করেন। পরে তার পরিবারের কাছ থেকে দুই লাখ টাকা নিয়ে তাকে ছেড়ে দেওয়ার অভিযোগ ওঠে। এই ঘটনার পরদিন থেকেই মতিন মিয়া আত্মগোপনে রয়েছেন বলে জানানো হয়েছে।
এদিকে, এই ঘটনায় নতুন এক অভিযোগ সামনে এসেছে। মতিন মিয়ার অবস্থান সম্পর্কে পুলিশকে তথ্য দেওয়ার সন্দেহভাজন স্থানীয় মুদি ব্যবসায়ী নূর মোহাম্মদকে ভয়ভীতি ও প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে। নূর মোহাম্মদ এই ব্যাপারে কোনাবাড়ী থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। অভিযোগে তিনি উল্লেখ করেন, মতিন মিয়ার ভাই মো. আলম তার দোকানে গিয়ে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করেন এবং তাকে প্রাণনাশের হুমকি দেন।
গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের সহকারী পুলিশ কমিশনার আবু নাসের মো. আল আমিন পুরো ঘটনার বিষয়ে বলেন, 'অভিযোগটি অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে। প্রাথমিক অনুসন্ধানে অভিযোগের কিছু সত্যতা পাওয়ায় এসআই কামরুল হাসানকে কোনাবাড়ী থানা থেকে প্রত্যাহার করে জিএমপি সদর দপ্তরে সংযুক্ত করা হয়েছে। তদন্ত শেষ হলে বিভাগীয় ও আইনগত বিধান অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।'
আরও পড়ুন: শিবচরে সংবাদ সংগ্রহে সাংবাদিকদের উপর হামলা ও প্রাণনাশের হুমকির প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন