ঢাকা সোমবার, ১৯ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
সোমবার, ১৯ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

কাঁঠালিয়ায় গাঁজা-ইয়াবাসহ আটক ৩


কাঁঠালিয়ায় গাঁজা-ইয়াবাসহ আটক ৩

ঝালকাঠির কাঁঠালিয়ায় পৃথক অভিযান পরিচালনা করে পুলিশ তিনজনকে আটক করেছে, যাদের কাছে ৩৯ পোটলা গাঁজা এবং আট পিস ইয়াবা পাওয়া গেছে।

মঙ্গলবার সন্ধ্যায়, উপজেলার পশ্চিম চেঁচরি ও পশ্চিম আউড়া গ্রামে এই অভিযানগুলো পরিচালিত হয়।

পুলিশের সূত্রে জানা গেছে, পশ্চিম চেঁচরি গ্রামের মৃত সুলতান মোল্লার ছেলে মতিউর রহমান মোল্লাকে ৩৯ পোটলা গাঁজাসহ আটক করা হয়েছে। কাঁঠালিয়া থানার উপপরিদর্শক (এসআই) জসিম উদ্দিনের নেতৃত্বে, সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আলতাফ হোসেনসহ পুলিশের একটি দল এই অভিযানটি পরিচালনা করে।

আরও পড়ুন: হবিগঞ্জে জয়ন্তিকা এক্সপ্রেস ট্রেনের ইঞ্জিনে আগুন, ১০ যাত্রী আহত

অন্যদিকে, পশ্চিম আউড়া গ্রামে পৃথক অভিযানে আট পিস ইয়াবাসহ অন্তর হাওলাদার ও মো. জাহিদুল ইসলামকে আটক করা হয়েছে। অন্তর হাওলাদার ওই গ্রামের হুমায়ুন হাওলাদারের ছেলে এবং জাহিদুল ইসলামের বাবার নাম রব, যা পুলিশ সূত্রে নিশ্চিত করা হয়েছে।

পুলিশ জানায়, এসআই মোহন ও এএসআই আলতাফ হোসেনের নেতৃত্বে অভিযান পরিচালনা করে তাদের আটক করা হয়। আটককৃতদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে এবং পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে।

 

আরও পড়ুন: রাবিতে ডেঙ্গু সচেতনতায় হাল্ট প্রাইজের নতুন কর্মসূচি

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সুতা আমদানিতে বন্ড সুবিধা প্রত্যাহার করল এনবিআর

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ৯ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৬:৫৩ এম


সুতা আমদানিতে বন্ড সুবিধা প্রত্যাহার করল এনবিআর
রফতানিমুখী পোশাক কারখানাগুলোর জন্য শুল্কমুক্ত সুবিধায় সুতা আমদানিতে কড়াকড়ি করেছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। নতুন বিধান অনুযায়ী, বন্ড সুবিধার আওতায় ১০ থেকে ৩০ কাউন্ট কটন সুতা আমদানির সুবিধা পুরোপুরি প্রত্যাহার করা হয়েছে। তবে সংশ্লিষ্ট পোশাক কারখানা প্রয়োজনে ব্যাংক গ্যারান্টি সাপেক্ষে এ সুতা আমদানি করতে পারবে। গতকাল মঙ্গলবার এ বিষয়ে এনবিআর একটি সাধারণ আদেশ জারি করেছে
এদিকে এনবিআরের এ সিদ্ধান্তে দ্বিমুখী অবস্থান নিয়েছে তৈরি পোশাক ও নিট পোশাক এবং বস্ত্রকল মালিকদের তিন সংগঠন— বিজিএমইএ, বিকেএমইএ ও বিটিএমএ। বিটিএমএ এনবিআরের এ সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানালেও এর বিরোধিতা করেছে বিজিএমইএ ও বিকেএমইএ নেতারা। 


নতুন আদেশ বলছে, ব্যাংক গ্যারান্টির মাধ্যমে সুতা আমদানির পর তা কেবল অবমুক্ত হবে তখন, যখন ওই সুতার মাধ্যমে তৈরি পণ্যের রফতানি আয় দেশে আসবে। এ ছাড়া এ আমদানি এবং অবমুক্তির জন্য বিজিএমইএ, বিকেএমইএ অথবা বিটিএমএ— এই তিনটি বাণিজ্য সংগঠনের যেকোনো একটির প্রত্যয়ন কাস্টমস স্টেশনে জমা দেওয়া বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।
 
এ সিদ্ধান্তের ফলে, বন্ডেড রফতানিমুখী কারখানাগুলোকে এখন থেকে ব্যাংক গ্যারান্টি দিয়ে কাঁচামাল আমদানির ক্ষেত্রে নন-বন্ডেড কারখানাগুলো বর্তমানে যে প্রক্রিয়া অনুসরণ করে, সেটিই অনুসরণ করার বিধান হলো। ১০ থেকে ৩০ কাউন্ট সুতা দেশের মোট সুতা আমদানির প্রায় ৬০ শতাংশ। গত বছর ৩০ হাজার কোটি টাকা মূল্যের সুতা আমদানি হয়েছে। ব্যাংক গ্যারান্টির মাধ্যমে আমদানি করতে হলে এ ক্ষেত্রে খরচ বেড়ে যাওয়ার শঙ্কা রয়েছে পোশাক রফতানিকারকদের।
স্থানীয় শিল্প সুরক্ষা এবং বন্ড সুবিধার ‘অপব্যবহার রোধে’ বাণিজ্য মন্ত্রণালয়, ট্যারিফ কমিশন এবং অন্য অংশীজনরা দীর্ঘদিন ধরে এ বিষয়ে কাজ করে আসছিলেন। অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের একটি সুপারিশ এনবিআরের কাছে পাঠানোও হয়। তবে তা তখন আলোর মুখ দেখেনি।
 
পরবর্তী সময়ে বিএনপি সরকার এসে এ বিষয়ে একটি আন্তঃমন্ত্রণালয় কমিটি করে দেয়, যার প্রধান করা হয় বাণিজ্যমন্ত্রীকে। গত ২০ আগস্ট প্রথম সভা হয় এ কমিটির। সেখানে পরীক্ষামূলকভাবে, নির্দিষ্ট এইচএস কোডের (৫২০৫, ৫২০৬ ও ৫২০৭) আওতায় ১০-৩০ কাউন্ট সুতা আমদানিতে এই শর্ত প্রযোজ্য হওয়ার সিদ্ধান্ত হয়। সে অনুযায়ীই আদেশ জারি করল এনবিআর যা জারির সঙ্গে সঙ্গেই তা কার্যকর হওয়ার কথা বলা হয়েছে। তবে আদেশ জারির তারিখের আগে যেসব চালানের ইতিমধ্যে জাহাজিকরণ সম্পন্ন হয়েছে, সেসব ক্ষেত্রে এ বিধিনিষেধ প্রযোজ্য হবে না বলে আদেশে তুলে ধরা হয়।
 
বিজিএমইএ ও বিকেএমইএর ক্ষোভ
 
এদিকে এনবিআরের এ সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করেছে পোশাক খাতের শীর্ষ দুই সংগঠন বিজিএমইএ এবং বিকেএমইএ। তাদের অভিযোগ, একটি ‘স্বার্থান্বেষী মহল’ সুতা আমদানিতে বন্ড সুবিধা প্রত্যাহার করে স্থানীয় মিল থেকে সুতা কেনা বাধ্যতামূলক করার ‘আত্মঘাতী সিদ্ধান্ত’ নিয়েছে, যা দেশের তৈরি পোশাক (আরএমজি) খাতকে ধ্বংসের দিকে ঠেলে দিচ্ছে।
 
সোমবার বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে পাঠানো এক যৌথ চিঠিতে দুই সংগঠনের নেতারা এ অযৌক্তিক সিদ্ধান্ত অবিলম্বে প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছেন, যা কোনো পূর্ব আলোচনা ছাড়াই নেওয়া হয়েছে বলে তাদের ভাষ্য।
 
আরও পড়ুন
পোশাক খাতের নেতাদের দাবি, ওই বৈঠকে এ বিষয়ে কোনো আলোচনাই হয়নি। বৈঠকের পর বিষয়টি উত্থাপিত হলে বিজিএমইএ, বিকেএমইএ ও বিটিএমএকে যৌথ পরামর্শের মাধ্যমে সিদ্ধান্ত নিয়ে মন্ত্রণালয়কে জানাতে অনুরোধ করা হয়েছিল। বৈঠকের আলোচ্যসূচির বাইরের এই বিষয়টি কার্যবিবরণীতে অন্তর্ভুক্ত করায় ব্যবসায়ী নেতারা ‘চরম’ বিস্ময় ও অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন।
 
চিঠিতে বলা হয়, এটি বাস্তবায়িত হলে দেশের তৈরি পোশাক শিল্প ‘ধ্বংস হয়ে যাবে’। দীর্ঘদিনের প্রচলিত বন্ড ব্যবস্থা হঠাৎ পরিবর্তন করা বা ডি-বন্ডিং ব্যবস্থা চালু করা বিদেশি ক্রেতাদের কাছে ভুল বার্তা দেবে এবং দেশের রফতানি কার্যক্রমে মারাত্মক বিঘ্ন ঘটাবে।
 
এ সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে কোনো পদক্ষেপ না নেওয়ার অনুরোধ জানিয়ে বাণিজ্য সচিব এবং এনবিআরের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের কাছেও চিঠির অনুলিপি পাঠানো হয়েছে।
 
বিটিএমএ কী বলছে?
 
দেশের বৈদেশিক মুদ্রার নিরাপত্তার স্বার্থে ব্যাংক গ্যারান্টি অবমুক্তির সঙ্গে রফতানি আয় প্রত্যাবাসনের শর্ত যুক্ত করার প্রসঙ্গে বিটিএমএ বলছে, সম্প্রতি প্রাপ্ত তথ্যমতে, প্রায় ৭ বিলিয়ন ডলার রফতানি দেশে প্রত্যাবাসিত না হওয়ার বিষয়টি ‘অত্যন্ত উদ্বেগজনক’।
 
‘এ ব্যবস্থা কার্যকর হলে রফতানি আয় দেশে ফেরত আনার আর্থিক বাধ্যবাধকতা সৃষ্টি হবে এবং বৈদেশিক মুদ্রার প্রত্যাবশন না হওয়ার ঝুঁকি হ্রাস পাবে।’
 
২০২৫ সালের সেপ্টেম্বর মাসে জারিকৃত প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী নন-বন্ডেড (বন্ড লাইসেন্সবিহীন) রফতানিকারকদের জন্য ব্যাংক গ্যারান্টির মাধ্যমে সুতাসহ প্রয়োজনীয় কাঁচামাল আমদানির সুযোগ দেওয়ার বিষয়টি তুলে ধরেছে টেক্সটাইল মিল মালিকদের সংগঠন।
 
তারা বলেছে, ‘আমাদের দেশের সরাসরি রফতানিকারকদের সমিতির পক্ষ থেকেও এই উদ্যোগকে স্বাগত জানানো হয়। ‘বর্তমানে একই সুবিধা বন্ডেড প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য করা হয়েছে। ফলে এ ব্যবস্থার কারণে সুতা আমদানি বা রফতানি কার্যক্রম বাধাগ্রস্ত হওয়ার কোনো যৌক্তিক কারণ নেই।’
 
বিটিএমএ বলছে, ‘এর মাধ্যমে টেক্সটাইল শিল্পের সুরক্ষা, কর্মসংস্থান বৃদ্ধি, বৈদেশিক মুদ্রা সংরক্ষণ এবং বন্ড ব্যবস্থায় শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। এর সঙ্গে রফতানি আয়ের পূর্ণ প্রত্যাবাসনের শর্ত যুক্ত করার ফলে সরকারের এ উদ্যোগ আরও কার্যকর ও জাতীয় অর্থনৈতিক স্বার্থের জন্য অধিকতর ফলপ্রসূ হবে।’

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সিএএস কাপ গলফ টুর্নামেন্টের পুরস্কার বিতরণ করলেন সেনাপ্রধান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ৯ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৭:১৪ এম


সিএএস কাপ গলফ টুর্নামেন্টের পুরস্কার বিতরণ করলেন সেনাপ্রধান

ঢাকা সেনানিবাসের কুর্মিটোলা গলফ ক্লাবে ২য় চিফ অব আর্মি স্টাফ (সিএএস) কাপ প্রফেশনাল গলফ টুর্নামেন্ট-২০২৬-এর সমাপনী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ মঙ্গলবার আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে টুর্নামেন্টের বিজয়ীদের মধ্যে পুরস্কার বিতরণ করেন। পুরস্কার বিতরণ শেষে প্রধান অতিথি উপস্থিত সবার উদ্দেশে মূল্যবান বক্তব্য প্রদান করেন। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি এ ধরনের প্রতিযোগিতার আয়োজন দেশের গলফ অঙ্গনের উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন এবং এ আয়োজনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সবাইকে ধন্যবাদ জানান।

এই টুর্নামেন্টের প্রফেশনাল বিভাগে অসাধারণ নৈপুণ্য প্রদর্শন করে জনাব মোহাম্মদ সিদ্দিকুর রহমান চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করেন এবং জনাব আকবর হোসেন রানারআপ হন। অন্যদিকে, অ্যামেচার বিভাগে মো. শরিফ হোসেন চ্যাম্পিয়ন হওয়ার কৃতিত্ব অর্জন করেন।

সমাপনী অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ গলফ ফেডারেশনের মহাসচিব, সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট ও জয়েন্ট সেক্রেটারি; বাংলাদেশ প্রফেশনাল গলফার্স অ্যাসোসিয়েশনের প্রেসিডেন্ট ও মহাসচিব; ঊর্ধ্বতন সামরিক কর্মকর্তাগণ; আমন্ত্রিত অতিথিবৃন্দ; কুর্মিটোলা গলফ ক্লাবের কর্মকর্তাগণ এবং গণমাধ্যমের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। আজ মঙ্গলবার আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

 

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জলবায়ু ক্ষতির হিসাবেও উপেক্ষিত মানুষের মানসিক ক্ষত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ৯ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৭:৪১ এম


জলবায়ু ক্ষতির হিসাবেও উপেক্ষিত মানুষের মানসিক ক্ষত

জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে যে ক্ষতি হচ্ছে, তা কেবল ঘরবাড়ি, রাস্তা, বাঁধ অথবা ফসলের ক্ষয়ক্ষতিতে সীমাবদ্ধ নয়। মানুষের মৃত্যু, শারীরিক অক্ষমতা, মানসিক স্বাস্থ্যঝুঁকি, পুষ্টিহীনতা, সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য ও পরিচয় হারানো, পেশাগত সংকট এবং সামাজিক বন্ধন ভেঙে যাওয়াও জলবায়ু পরিবর্তনের অন্যতম বড় ক্ষতি। এই ক্ষতির অর্থ দিয়ে সম্পূর্ণ মূল্যায়ন বা পুনরুদ্ধার করা সম্ভব নয়। বিশেষজ্ঞরা তাই স্থানীয় সরকার ব্যবস্থার বাজেট ও পরিকল্পনায় ‘নন-ইকোনমিক লস’ অন্তর্ভুক্ত করার তাগিদ দিয়েছেন।

‘ফলাফল থেকে পদক্ষেপে: অ-অর্থনৈতিক ক্ষতি ও ক্ষয়ক্ষতি পূরণের পথ এবং নীতি সমন্বয় জোরদারকরণ’ শীর্ষক এক সভায় বক্তারা এই তাগিদ প্রদান করেন। মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) খুলনায় সিএসএস আভা সেন্টারে বেসরকারি সংস্থা জাগ্রত যুব সংঘ-জেজেএস’র উদ্যোগে ‘লস অ্যান্ড ড্যামেজ স্পেশাল ইনিশিয়েটিভ’ প্রকল্পের আওতায় এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় মুখ্য আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন খুলনার অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার (সার্বিক) আবু সায়েদ মো. মঞ্জুর আলম।

এ সময় জেজেএস’র নির্বাহী পরিচালক এটিএম জাকির হোসেনের সভাপতিত্বে আলোচনা করেন খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবেশবিজ্ঞান ডিসিপ্লিনের অধ্যাপক ড. সালমা বেগম, উন্নয়ন অধ্যয়ন ডিসিপ্লিনের সহযোগী অধ্যাপক ড. মো. হাসান হাওলাদার, কুয়েটের অধ্যাপক ড. আনজুম তাবাসসুম, বেলার সমন্বয়কারী মাহফুজুর রহমান মুকুল, আইআরভি’র সমন্বয়কারী কাজী জাভেদ খালিদ পাশা, খুলনা মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের উপপরিচালক সুরাইয়া সিদ্দিকা।

এ সময় উপকূলীয় অঞ্চল থেকে খুলনা শহরে এসে বস্তিতে বসবাসকারী কিছু বক্তা তাদের অভিজ্ঞতা শেয়ার করেন, যেমন ময়না আক্তার, আয়শা আক্তার মেঘলা, লাবনী আক্তার, আছিয়া সুলতানা এবং অ্যাডাম ফাউন্ডেশনের মো. জিল্লুর রহমান।

আলোচনায় বিশেষ গুরুত্ব পায় জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের ক্ষয়ক্ষতি, যা আর্থিকভাবে মূল্যায়ন করা কঠিন। বিশেষ করে মৃত্যু, শারীরিক ও মানসিক ক্ষতি, বসতভিটা ও আবাসস্থল হারানো, পেশাগত পরিচয়ের সংকট, সামাজিক ও পারিবারিক বন্ধন দুর্বল হয়ে যাওয়া এবং সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য হারানোর বিষয়গুলো।

বক্তারা স্থানীয় সরকার ব্যবস্থায় নন-ইকোনমিক লসকে গুরুত্ব দিয়ে ইউনিয়ন পরিষদ, পৌরসভা ও সিটি করপোরেশনের বাজেট ও পরিকল্পনায় এই বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত করার প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেন।

আলোচনায় আরও উঠে আসে, বাস্তুচ্যুতির কারণে শিশুদের শিক্ষা ব্যাহত হচ্ছে। দারিদ্র্যের চাপে শিশুশ্রম ও বাল্যবিয়ের ঝুঁকি বৃদ্ধি পাচ্ছে। একই সঙ্গে স্বাস্থ্যঝুঁকি, রোগব্যাধি এবং শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্যের অবনতিও ঘটছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কৃষি গুচ্ছের ভর্তি পরীক্ষা ২ জানুয়ারি, নেতৃত্বে শেকৃবি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ৯ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৮:৩৬ এম


কৃষি গুচ্ছের ভর্তি পরীক্ষা ২ জানুয়ারি, নেতৃত্বে শেকৃবি

দেশের কৃষি গুচ্ছভুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষের স্নাতক প্রথম বর্ষের ভর্তি পরীক্ষা আগামী ২ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। এবারের ভর্তি কার্যক্রমের নেতৃত্ব দিচ্ছে শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় (শেকৃবি)।

এ তথ্য কৃষি গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষা কমিটির সূত্রে জানা গেছে।

সূত্রে উল্লেখ করা হয়, শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষার সুষ্ঠু আয়োজন ও সমন্বয়ের দায়িত্বে থাকবে। ভর্তি পরীক্ষার তারিখ নির্ধারণসহ পরবর্তী কার্যক্রম নিয়ে সংশ্লিষ্ট বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে সমন্বয় করা হচ্ছে।

ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণের জন্য যোগ্যতা, আবেদন প্রক্রিয়া, আসনসংখ্যা, পরীক্ষার সময় ও কেন্দ্রসংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য পরে ভর্তি পরীক্ষা কমিটির পক্ষ থেকে জানানো হবে।

শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আব্দুল লতিফ মন্তব্য করেন, "কৃষি গুচ্ছের ভর্তি পরীক্ষা সুষ্ঠু, স্বচ্ছ ও সুন্দরভাবে সম্পন্ন করতে শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করবে।" তিনি আরও বলেন, পরীক্ষার্থীরা যেন নির্বিঘ্নে ও সুন্দর পরিবেশে পরীক্ষায় অংশ নিতে পারে, সে বিষয়ে প্রয়োজনীয় সব প্রস্তুতি নেওয়া হবে।

উল্লেখ্য, কৃষি গুচ্ছ পদ্ধতির মাধ্যমে দেশের কৃষি ও কৃষিসংশ্লিষ্ট উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে সমন্বিতভাবে শিক্ষার্থী ভর্তি করা হয়ে থাকে। এর ফলে প্রতিবছর দেশের বিভিন্ন প্রান্তের বিপুলসংখ্যক শিক্ষার্থী এ ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%