এস এম সাহান, ফরিদপুর জেলা প্রতিনিধি
১২:৪৮ এম
ফরিদপুর জেলা অটোরিকশা ও অটোটেম্পো ড্রাইভার্স ইউনিয়নের (২০২৬-২০২৯) ত্রি-বার্ষিক নির্বাচনে সভাপতি পদে মোহাম্মদ মিন্টু শেখ এবং সাধারণ সম্পাদক পদে আব্দুল হাকিম মিয়া নির্বাচিত হয়েছেন।
শুক্রবার ফরিদপুর শহরের গোয়ালচামট এলাকার সারদা সুন্দরী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর পরিবেশে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত ভোটগ্রহণ শেষে রাতেই ভোট গণনা সম্পন্ন করে আনুষ্ঠানিক ফলাফল ঘোষণা করে নির্বাচন পরিচালনা কমিটি।
ঘোষিত ফলাফল অনুযায়ী, কার্যকরী সভাপতি পদে মোফাজ্জল শেখ, সহ-সভাপতি পদে আছির উদ্দিন মণ্ডল, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক পদে মজনু শেখ ও রিপন শেখ, যুগ্ম সম্পাদক পদে অহিদ মিয়া, সহ-সাধারণ সম্পাদক পদে মো. মজনু শেখ, সাংগঠনিক সম্পাদক পদে মোহাম্মদ রাশেদ মিয়া, কোষাধ্যক্ষ পদে মোহাম্মদ লিয়াকত আলী, দপ্তর সম্পাদক পদে শেখ তোতা এবং সড়ক সম্পাদক পদে শহীদুল্লাহ বাবলু, সাঈদ বেপারী, লাভলু খান ও লিটন মাতব্বর নির্বাচিত হয়েছেন।
নির্বাচন কমিশনার ইসমাইল হোসেন লাভলু ভোট গণনা শেষে আনুষ্ঠানিকভাবে ফলাফল ঘোষণা করেন। এ সময় সদস্য সচিব খায়রুল বাসার সবুজসহ নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
ফলাফল ঘোষণার পর নবনির্বাচিত নেতাদের নিয়ে একটি বিজয় মিছিল বের করা হয়। পরে নবনির্বাচিত সাধারণ সম্পাদক আব্দুল হাকিম মিয়া শ্রমিকদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে বলেন, ভোটাররা যে আস্থা ও বিশ্বাস রেখে তাকে নির্বাচিত করেছেন, সেই আস্থার মর্যাদা রক্ষায় তিনি সকলকে সঙ্গে নিয়ে ইউনিয়নের উন্নয়ন এবং শ্রমিকদের অধিকার ও কল্যাণে নিরলসভাবে কাজ করবেন।
এ সময় নবনির্বাচিত অন্যান্য নেতারাও তাদের প্রতি আস্থা রাখায় ভোটার ও শ্রমিকদের ধন্যবাদ জানান এবং আগামী দিনে ইউনিয়নের সার্বিক উন্নয়ন ও সদস্যদের স্বার্থ সংরক্ষণে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
চাটমোহর উপজেলার মূলগ্রাম ও ফৈলজানা ইউনিয়নে বিএনপি এর উদ্যোগে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ ও জামায়াতে ইসলামীর কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে পৃথক পৃথক বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
গত বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) বিকেলে উপজেলার মূলগ্রাম ইউনিয়ন বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের উদ্যোগে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের ঝটিকা মিছিলের প্রতিবাদে এবং নিষিদ্ধ ঘোষিত দলের নেতাকর্মীদের আটকের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সভা অনুষ্ঠিত হয়।
মিছিলটি চাটমোহর রেলবাজার ঘুরে চৌরাস্তা মোড়ে প্রতিবাদ সভা করে। মূলগ্রাম ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সভাপতি জাহাঙ্গীর আলম লিখন বিশ্বাসের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত প্রতিবাদ সভায় বক্তব্য দেন, বিএনপি নেতা আঃ কুদ্দুস আলো মাস্টার, অধ্যক্ষ মাহমুদুল আলম, ইউপি সদস্য আঃ কুদ্দুস রেজা, সাবেক ইউপি সদস্য আনোয়ার হোসেন, কাজী খোকন, শওকত আকবর, উপজেলা শ্রমিকদলের সভাপতি মোন্তাজ আহমেদ, উপজেলা কৃষকদলের আহবায়ক লিটন বিশ্বাস, ছাত্রদল নেতা রনি হোসেন, রাকিবুল ইসলাম, যুবদল নেতা আঃ কুদ্দুসসহ অন্যরা।
অপরদিকে, জামায়াতে ইসলামীর কর্তৃক ফৈলজানা ইউনিয়ন বিএনপির নেতা-কর্মীদের নামে মামলা দায়েরের প্রতিবাদে বৃহস্পতিবার বিকেলে ফৈলজানা ইউনিয়ন বিএনপি মোটরসাইকেল শোডাউন ও প্রতিবাদ সভা করেছে। প্রতিবাদ সভায় বক্তব্য দেন, বিএনপি নেতা আব্দুল জব্বার, আনার হোসেন জিন্নাহ, আশরাফ আলী, তফাজ্জল হোসেন মজনু, যুবদল নেতা আরিফ হোসেন, কাওসার আহমেদ, ইউপি সদস্য লোকমান হোসেনসহ অন্যান্যরা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
৯২ বছর পর বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে এসে দারুণভাবে শুরু করেছে মিসর। অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে শেষ-৩২ এর লড়াইয়ে প্রথমার্ধ শেষে ১-০ গোলে এগিয়ে রয়েছে মোহাম্মদ সালাহর নেতৃত্বাধীন দলটি। ডালাসে ম্যাচের ১৩ মিনিটে অস্ট্রেলিয়াকে লিড এনে দেন ইমান আশুর।
ফ্রি-কিক থেকে দারুণ একটি পরিকল্পিত আক্রমণ সাজিয়েছে মিসর। সালাহ সরাসরি শট না নিয়ে ছোট পাস দেন ইমান আশুরকে। আশুরের প্রথম শটটি প্রতিপক্ষের ডিফেন্ডারের গায়ে লেগে ফিরে আসে। কিন্তু ফিরতি বলে হেড থেকে জালেই বল জড়ান তিনি।
বিশ্বকাপ ইতিহাসে এটি মিসর এবং অস্ট্রেলিয়ার প্রথম ম্যাচ। শুধু তাই নয়, প্রতিযোগিতামূলক টুর্নামেন্টেও এটি দুটি দলের প্রথম দেখা। ২০১০ সালের সর্বশেষ প্রীতি ম্যাচে মিসর অস্ট্রেলিয়াকে ৩-০ গোলে পরাজিত করেছিল।
যদিও দুদলের জন্য এই ম্যাচটি ইতিহাস তৈরির সুযোগ। মিসরের বিশ্বকাপ ইতিহাসে এটি দ্বিতীয় নকআউট ম্যাচ। এর আগে তারা একবারই নকআউট পর্বে খেলেছিল ১৯৩৪ সালের বিশ্বকাপে। সেবার পুরো আসর সরাসরি নকআউট পদ্ধতিতে অনুষ্ঠিত হয়েছিল। সেবার প্রথম রাউন্ডে হাঙ্গেরির কাছে ৪-২ গোলে পরাজিত হয়ে বিদায় নিতে হয়েছিল মিসরকে।
অন্যদিকে আজকের ম্যাচে অস্ট্রেলিয়া জয়ী হলে ২০০২ সালে নিজেদের দেশে দক্ষিণ কোরিয়ার পর প্রথম এএফসি দল হিসেবে বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে জয়ী হওয়ার কীর্তি গড়বে তারা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাজশাহীর তানোরে কৃষিপণ্যর দরপতনের কারণে কৃষকেরা চরম সংকটের মধ্যে ও বিপাকে দিনপাত করছেন।
তাদের অবস্থা যে কতটা খারাপ, সেটা চোখে পড়ছে। মাথার ঘাম পায়ে ফেলে কৃষিপণ্য উৎপাদন করতে তারা দিনরাত পরিশ্রম করছেন। কিন্তু সুষ্ঠু বাজার ব্যবস্থা না থাকায় উৎপাদিত কৃষিপণ্যর ন্যায্যমূল্য পাচ্ছেন না কৃষক। ফলে, তারা একের পর এক লোকসানের মুখে পড়ছেন। জানা গেছে, আলুর পর এবার রোবো ধানে কৃষকরা চরম লোকসানে আক্রান্ত হয়েছে। একই সঙ্গে এ বছর আমেরও দরপতন ঘটছে। বাজারে উৎপাদন খরচের তুলনায় কৃষিপণ্যের দাম কম হওয়াতে কৃষকদের মধ্যে হতাশা ও ক্ষোভ বাড়ছে। অনেক কৃষক ব্যাংক ঋণের কিস্তি পরিশোধ করতে হিমশিম খাচ্ছেন। এছাড়া, কেউ কেউ শেষ সম্বলটুকুও হারিয়েছে। আবার কেউ এনজিও ঋণের টাকা পরিশোধে ব্যর্থ হয়ে এলাকা ছেড়ে চলে গেছে বলে একাধিক সূত্র নিশ্চিত করেছে।
তানোরে আলুর জমিতে রোপণ করা বোরো ধান কাটা-মাড়াই প্রক্রিয়া শেষের পথে। মাঠ থেকে নতুন ধান উঠছে। অপরদিকে গাছে ঝুলছে পাকা আম। কিন্তু কৃষকদের মুখে হাসির কোন চিহ্ন নেই। কারণ বাজারে ধান ও আমের দাম বর্তমানে সর্বনিম্ন পর্যায়ে নেমে এসেছে। উৎপাদন খরচ তুলতে না পারার শঙ্কায় তারা দিশেহারা হয়ে পড়ছেন। বাজারে প্রতি মণ (২৮ কেজি) ধান বিক্রি হচ্ছে মাত্র ৮০০ থেকে ৮৫০ টাকায়। কৃষকদের দাবি, বর্তমানে উৎপাদন খরচের সঙ্গে এ দাম কোনোভাবেই সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।
অনুসন্ধানে জানা গেছে, চলতি বছরের ৩ মে থেকে ধান এবং ১৫ মে থেকে চাল সংগ্রহ কার্যক্রম শুরু হয়েছে। যা ৩১ আগস্ট/২০২৬ পর্যন্ত চলবে। সরকার নির্ধারিত মূল্যে প্রতি কেজি বোরো ধান ৩৬ টাকা, সিদ্ধ চাল ৪৯ টাকা এবং আতপ চাল ৪৮ টাকার দরে কেনার নিয়ম নির্ধারণ করা হয়েছে। এই মৌসুমে তানোরে ১ হাজার ৮ মেট্রিকটন খাদ্যশস্য সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে, যা তানোর খাদ্যগুদামের এলএসডি আফরোজা নিশ্চিত করেছেন।
উপজেলার কলমা ইউনিয়নের বিল্লী গ্রামের কৃষক সারোয়ার জাহান চলতি মৌসুমে ২০ বিঘা জমিতে ব্রি-৭৬ জাতের বোরো ধান চাষ করেছেন। মঙ্গলবার, তিনি ধান কেটে মাড়াই শেষে স্থানীয় ব্যবসায়ীদের কাছে বিক্রির চেষ্টা করেন। তিনি জানান, ২০ বিঘা জমির ধান মেশিন দিয়ে কেটে কয়েকজন ব্যবসায়ীর কাছে বিক্রির জন্য গিয়েছিলেন। কিন্তু কেউ কিনতে রাজি হয়নি। পরে একজন ব্যবসায়ী ৮০০ টাকা মণ দরে ধান কিনতে রাজি হয়। এতে তার উৎপাদন খরচও উঠবে না এবং কমপক্ষে ৫০ হাজার টাকা লোকসান হবে। তানোর উপজেলার হাজারো কৃষক একই পরিস্থিতিতে রয়েছেন। তারা বলছেন, সেচ, সার, বীজ, কীটনাশক ও শ্রমিক খরচ বেড়ে যাওয়ার কারণে ধান উৎপাদনের ব্যয়ও বেড়েছে। কিন্তু বাজারে ন্যায্যমূল্য না থাকায় কৃষকরা চরম আর্থিক সংকটে পড়েছেন।
কৃষকদের অভিযোগ, গত বছরও আলুর ন্যায্যমূল্য না পাওয়ায় বহু কৃষক ব্যাপক ক্ষতির মুখে পড়েছিলেন। অনেকেই ব্যাংক ঋণের কিস্তি পরিশোধ করতে না পেরে আর্থিক সংকটে ভুগছেন। আলুতে চলতি বছরেও একই পরিস্থিতির আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। সরকারের নির্ধারিত দামে বাজারে ধান বিক্রি করা হচ্ছে না। সরকারি খাদ্যগুদামে ধান বিক্রি করতে গেলে বলা হচ্ছে, ধানের আদ্রতা নেই, আর বরাদ্দ শেষ হয়ে গেছে। তবে, ব্যবসায়ী ও চালকল মালিকদের মাধ্যমে অনৈতিক সুবিধা নিয়ে দেদারসে ধান ও চাল সংগ্রহ করা হচ্ছে। একের পর এক ফসলে লোকসান হওয়ার পরও কৃষকরা ব্যাংক থেকে ক্লোজিং চাপে পড়েছেন। অনেক চালকল মালিক ধান ক্রয়ে ধীরগতি অবলম্বন করছে। এর ফলে বাজারে ধানের চাহিদা কমে গিয়েছে এবং দাম নিম্নমুখী।
তাদের দাবি, জুলাই মাস থেকে ধানের বাজারে কিছুটা ইতিবাচক পরিবর্তন আসতে পারে। এ ব্যাপারে তানোর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সাইফুল্লাহ আহম্মেদ বলেছেন, "তাদের কাজ হচ্ছে চাষাবাদে রোগ বালাই আছে কি না।" আর ক্ষেতে রোগ বালাই হলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা জরুরি। দামের বিষয় কৃষি বিপণন বিভাগের কাজ নয়। তবে চলতি মৌসুমে বোরো চাষের লক্ষ্যমাত্রা ১৪ হাজার ২০০ হেক্টর নির্ধারণ করা হয়েছিল। কিন্তু চাষাবাদ হয়েছে ১৪ হাজার ১৩০ হেক্টর, ফলন আশানুরুপ হয়েছে বলেও তিনি দাবি করেছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাজশাহীতে স্কুটিতে লাগানো একটি ডিভাইস নিয়ে হুলস্থুল কাণ্ডের সৃষ্টি হয়েছে। স্কুটির মালিক যখন ডিভাইসটিকে বোমা মনে করে আতঙ্কিত হয়ে পড়েন, তখন আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে পুরো আরডিএ মার্কেট এলাকায়। এ ঘটনা ঘটে বৃহস্পতিবার রাত ১০টার দিকে নগরীর সাহেব বাজার আরডিএ মার্কেটের নিচতলার সাত নম্বর গলিতে। পুলিশের বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিট খবর পেয়ে গিয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে দেখেন ওই ডিভাইসটি আসলে মোটরসাইকেলের একটি মিউজিক ডিভাইস। পুলিশ জানিয়েছে, আতঙ্ক ছড়াতে ইচ্ছাকৃতভাবে এক যুবক এই কাজটি করেছেন। জনমনে আতঙ্ক সৃষ্টি করায় তাকে শনাক্ত করে আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে। প্রত্যক্ষদর্শীদের মতে, রাতের অজ্ঞাত এক যুবক ওই স্কুটিতে ডিভাইসটি লাগিয়ে দিয়ে চলে যান। এরপর স্কুটির মালিক সেটি দেখে বомбাশঙ্কায় আতঙ্কিত হয়ে পড়লেন। এর ফলে পুরো মার্কেটে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে এবং বিষয়টি পুলিশকেও জানানো হয়। রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশ (আরএমপি) বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিটের সদস্যরা ঘটনাস্থলে এসে পৌঁছান। আরএমপির মুখপাত্র উপপুলিশ কমিশনার গাজিউর রহমান বলেন, ‘স্কুটিতে লাগানো ডিভাইসটি আসলে একটি মিউজিক ডিভাইস। এটি মূলত মোটরসাইকেলের জন্য ব্যবহার করা হয়। আতঙ্ক ছড়ানোর উদ্দেশ্যে এক যুবক এই ডিভাইসটি ওই স্কুটিতে লাগিয়ে দেয়।’ বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিটের সদস্যরা গিয়ে নিশ্চিত করেন এটি একটি মিউজিক ডিভাইস। পরে পুলিশ সাধারণ মানুষকে আতঙ্কিত না হওয়ার পরামর্শ দিয়ে ফিরে আসে। গাজিউর রহমান জানান, জনমনে আতঙ্ক সৃষ্টি করা একটি অপরাধ। এই বিষয়ে অভিযোগ পাওয়ার পর তারা আইনি পদক্ষেপ নিতে প্রস্তুত।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ