ঢাকা শুক্রবার, ৩০শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শুক্রবার, ৩০শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

বাগমারার আব্দুল বারী ওমরাহ হজ পালনের জন্য সৌদি যাচ্ছেন


বাগমারার আব্দুল বারী ওমরাহ হজ পালনের জন্য সৌদি যাচ্ছেন

পবিত্র ওমরাহ হজ পালনের উদ্দেশ্যে সৌদি আরব যাচ্ছেন ৫৫ রাজশাহী-৪ (বাগমারা) আসনের মাননীয় সংসদ সদস্য, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ এবং কৃষি মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য ডাঃ মোঃ আব্দুল বারী।

তিনি আজ ৯ অক্টোবর, ২০২৬ (শুক্রবার) রাতে বাংলাদেশ বিমান এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইটে ঢাকা থেকে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ত্যাগ করবেন।

সফরসূচি অনুযায়ী, সৌদি আরবে ওমরাহর আনুষ্ঠনিকতা ও অবস্থান শেষে আগামী ২৪ অক্টোবর, ২০২৬ তার দেশে ফেরার পরিকল্পনা রয়েছে।

আরও পড়ুন: কোম্পানীগঞ্জে যাত্রা শুরু করল ‘চাইনা মার্কেট’

দেশত্যাগের প্রাক্কালে ডাঃ মোঃ আব্দুল বারী এক বিবৃতিতে তাঁর নির্বাচনী এলাকা বাগমারা সহ দেশ ও প্রবাসে অবস্থানরত শুভাকাঙ্ক্ষী, শুভানুধ্যায়ী এবং সর্বসাধারণের কাছে দোয়া চেয়েছেন। তিনি আশা প্রকাশ করেছেন যে, তিনি সুস্থ ও নিরাপদে ওমরাহ পালন সম্পন্ন করে পুনরায় জনগণের সেবায় আত্মনিয়োগ করতে পারবেন।

এছাড়াও, আসন্ন শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে বাগমারা সহ দেশের সকল সনাতন ধর্মাবলম্বীদের আন্তরিক শুভেচ্ছা ও শারদীয় অভিনন্দন জানিয়েছেন সংসদ সদস্য।

সফরকালীন সময়ে নির্বাচনী এলাকার সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি বজায় রাখতে এবং দৈনন্দিন প্রশাসনিক কাজ সুচারুভাবে সম্পন্ন করতে সংশ্লিষ্ট সরকারি কর্মকর্তা ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের সততা, সতর্কতা ও শৃঙ্খলার সাথে দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।

আরও পড়ুন: রাজবাড়ীতে নিষিদ্ধ আ.লীগ নেতা মো. ফরিদ হোসেন গ্রেফতার

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ধামইরহাটে নবীন আইনজীবীদের আনন্দ ভ্রমন ও বরণ অনুষ্ঠান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ৯ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১১:৩৩ পি.এম


ধামইরহাটে নবীন আইনজীবীদের আনন্দ ভ্রমন ও বরণ অনুষ্ঠান

নওগাঁর ধামইরহাটে অনুষ্ঠিত হয়েছে আনন্দ ভ্রমন ও নবীন বরণ অনুষ্ঠান। এই আয়োজনটি নওগাঁ জেলা জাতীয়তাবাদি আইনজীবি ফোরামের উদ্যোগে ২০২৬ ব্যাচের নবীন আইনজীবিদের জন্য করা হয়।

৯ অক্টোবর, দিনব্যাপী ঐতিহ্যবাহী আলতাদিঘী জাতীয় উদ্যানে অনুষ্ঠিত এই আনন্দ ভ্রমনের তত্ত্বাবধানে ছিলেন জেলা বার এসোসিয়েশনের সিনিয়র আইনজীবি ও অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর (এপিপি) এড. মামুনুর রশীদ (২)। এই অনুষ্ঠানে ৮৬ জন নবীন আইনজীবিকে সম্মাননা প্রদান করা হয়।

প্রত্যেক নবীন আইনজীবিকে এপিপি এড. মামুনুর রশীদ (২) কর্তৃক প্রদত্ত উপহার হিসেবে গাউন তুলে দেন জেলা জাতীয়তাবাদি আইনজীবি ফোরামের আহবায়ক এড. জাকারিয়া হোসেন (১)। অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন নওগাঁ জজকোর্টের পাবলিক প্রসিকিউটর এড. কুমার বিশ্বজিত সরকার, সাবেক পিপি ও সিনিয়র আইনজীবি এ.জেড এম রফিকুল আলম, সাবেক পিপি শাহরিয়ার শিমু, সিনিয়র আইনজীবি মর্তুজা মাহতাব উদ্দিন, এস এম আব্দুর রহমান, আফজাল হোসেন (১), সংগঠনের যুগ্ম আহবায়ক সৈয়দ তাজুল ইসলাম, সদস্য সচিব এম এম শাহ আলম, নবীন আইনজীবি রকিবুল রকি, অনামিকা আকতার, রবিউল আমিন, মমিনুল ইসলাম মোমিন।

এ সময় আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ধামইরহাট উপজেলা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি কে,এম নায়েকব আলী, সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব হানজালা, পৌর বিএনপির সভাপতি সহিদুর রহমান সরকার, সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুর রহমান মীরসহ জেলা বারের সিনিয়র আইনজীবিবৃন্দ।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

দুদকের মামলায় সাবেক এমপি রেজাউল হকের বিরুদ্ধে অভিযোগ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ৯ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১১:৩৬ পি.এম


দুদকের মামলায় সাবেক এমপি রেজাউল হকের বিরুদ্ধে অভিযোগ

কুষ্টিয়ার কুষ্টিয়া-১ (দৌলতপুর) আসনের কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সাবেক সংসদ সদস্য আলহাজ্ব রেজাউল হক চৌধুরীর বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) কুষ্টিয়া সমন্বিত জেলা কার্যালয় ৫৭ লাখ ৬ হাজার ৬০০ টাকার সম্পদের তথ্য গোপন এবং ২ কোটি ৬৬ লাখ ৭২ হাজার ৫৩৫ টাকার জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগে মামলা দায়ের করেছে।

মামলাটি বুধবার (৭ অক্টোবর) বেলা ১১টায় করা হয়েছে, যা দুদক আইন, ২০০৪-এর ২৬(২) ও ২৭(১) ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে। মামলার নথিতে উল্লেখ করা হয়েছে যে, কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের দৌলতপুরের সাবেক সংসদ সদস্য রেজাউল হক চৌধুরী তার দাখিল করা সম্পদ বিবরণীতে স্থাবর সম্পদ ২ কোটি ৫২ লাখ ১৬ হাজার ৪শ টাকা এবং অস্থাবর সম্পদ ৫৬ লাখ ২৯ হাজার ৩৮ টাকা দেখিয়েছেন।

তবে, নথি যাচাইয়ের সময় তার নামে স্থাবর সম্পদ ২ কোটি ৭৪ লাখ ২৩ হাজার টাকা এবং অস্থাবর সম্পদ ৯১ লাখ ২৯ হাজার ৩৮ টাকা পাওয়া গেছে। দুদকের হিসাব অনুযায়ী, দায়-দেনা বাদ দিয়ে তার মোট সম্পদ ৩ কোটি ৫ লাখ ৩৫ হাজার ৮৩ টাকা। পারিবারিক ব্যয়সহ মোট অর্জিত সম্পদের পরিমাণ ৩ কোটি ৪৩ লাখ ৪৭ হাজার ৮৩ টাকা। বিপরীতে, তার গ্রহণযোগ্য মোট আয় ৭৬ লাখ ৭৪ হাজার ৫৪৮ টাকা। এতে উল্লেখ করা হয়েছে যে, ২ কোটি ৬৬ লাখ ৭২ হাজার ৫৩৫ টাকার সম্পদ জ্ঞাত আয়ের সঙ্গে অসঙ্গতিপূর্ণ।

দুদক জানিয়েছে, সম্পদ বিবরণী যাচাইয়ের পর অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা পাওয়ার পর গত ১ অক্টোবর প্রধান কার্যালয় থেকে মামলার অনুমোদন দেওয়া হয়। অভিযোগের সময়কাল ১৯৮৫ সাল থেকে ২৬ আগস্ট ২০২৫ পর্যন্ত নির্ধারণ করা হয়েছে। মামলার বাদী হিসেবে দুদকের কুষ্টিয়া সমন্বিত জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মো. বুলবুল আহমেদ রয়েছেন। তদন্তে নতুন কোনো সম্পদ বা অন্য কারও সম্পৃক্ততা পাওয়া গেলে তাদেরও মামলায় অন্তর্ভুক্ত করার বিষয়টি নথিতে উল্লেখ করা হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ট্রলার চালকের পাশাপাশি মাদকবিক্রিতে ধরা, ১৭ কেজি গাঁজা উদ্ধার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ৯ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১১:৩৭ পি.এম


ট্রলার চালকের পাশাপাশি মাদকবিক্রিতে ধরা, ১৭ কেজি গাঁজা উদ্ধার

নড়াইলের লোহাগড়া উপজেলার কোটাকোল এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে ১৭ কেজি ৫০০ গ্রাম গাঁজাসহ একজন ব্যক্তিকে গ্রেফতার করেছে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর (ডিএনসি)। আটক হওয়া যুবক তৈয়ব আলী মোল্লা (২৪) লোহাগড়ার মঙ্গলপুর উত্তরপাড়ার বাসিন্দা বালা মোল্ল্যার ছেলে। বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) দুপুরে আদালতের মাধ্যমে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। এর আগে, বুধবার রাত ৯টার দিকে বিশেষ অভিযান চালিয়ে ডিএনসির সদস্যরা তৈয়বকে আটক করেন। নড়াইলের বড়দিয়া খেয়াঘাট থেকে গোপালগঞ্জের মধুমতী খেয়াঘাট পর্যন্ত ট্রলারযোগে যাত্রী পারাপারের পাশাপাশি তৈয়ব আলী দীর্ঘ আড়াই বছর ধরে গাঁজাসহ মাদক বেচাকেনা করে আসছিল। এই কাজে তার আপন চাচাতো ভাই আকরাম মোল্লা (৪৬) তাকে সহযোগিতা করতেন। তবে অভিযানের সময় আকরাম পলাতক ছিলেন।

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর নড়াইল জেলা কার্যালয়ের উপপরিচালক গোলক মজুমদার জানান, তৈয়ব মোল্লা পেশায় ট্রলার চালক। নদীকেন্দ্রিক যোগাযোগ ব্যবস্থা থাকার কারণে তৈয়ব ও তার চাচাতো ভাই একত্রে লোহাগড়ার তেলকাড়া, মহাজন ঘাট, কোটাকোল ঘাটসহ আশেপাশের এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে মাদক বেচাকেনা এবং চোরাচালান করে আসছিলেন।

বুধবার রাতে খেয়াঘাটস্থ কোটাকোল বাইতুল ফালাহ দাখিল মাদরাসার সামনে পাকা রাস্তায় অভিযান চালিয়ে খয়েরি রংয়ের ব্যাগের মধ্যে টেপ দিয়ে মোড়ানো সাত পেটি গাঁজা উদ্ধার করা হয়। প্রতি প্যাকেটের ওজন ছিল দুই কেজি ৫০০ গ্রাম করে, ফলে মোট ১৭ কেজি ৫০০ গ্রাম গাঁজা উদ্ধার হয়েছে। উদ্ধারকৃত গাঁজার বাজার মূল্য প্রায় সাত লাখ টাকা। গ্রেফতারকৃত তৈয়ব আলীর বিরুদ্ধে পূর্বে কোনো মামলা ছিল না। তবে পলাতক আকরাম মোল্লার বিরুদ্ধে ২০১৯ সালে লোহাগড়া থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে একটি মামলা রয়েছে। আকরামকে গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

এদিকে, সাড়ে ১৭ কেজি গাঁজা জব্দের ঘটনায় তৈয়ব আলী ও আকরামকে আসামি করে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে ডিএনসির পরিদর্শক আব্দুল মান্নান বাদী হয়ে বুধবার রাত ২টার দিকে লোহাগড়া থানায় মামলা দায়ের করেছেন। জেলা কার্যালয়ের উপপরিচালক গোলক মজুমদার জানান, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর সবসময় মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করে অভিযান চালিয়ে যাবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কয়রার ডাকঘর আছে, নিরাপদ ভবন নেই; চরম ঝুঁকিতে ডাকঘর

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ৯ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১১:৩৭ পি.এম


কয়রার ডাকঘর আছে, নিরাপদ ভবন নেই; চরম ঝুঁকিতে ডাকঘর

খুলনার কয়রা উপজেলার ৪ নম্বর কয়রা ব্রাঞ্চ পোস্ট অফিসের ভবনটি দীর্ঘদিন সংস্কার না করায় বর্তমানে জরাজীর্ণ ও ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় রয়েছে। ভবনের ছাদের পলেস্তারা খসে পড়ার কারণে লোহার রড বেরিয়ে এসেছে। মরিচা ধরা রডসহ ছাদের পলেস্তারা যে কোনো সময় মেঝেতে ভেঙে পড়ে বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটানোর সম্ভাবনা রয়েছে। এই ঝুঁকির মধ্যেই ডাক বিভাগের কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছেন কর্মরত কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।

শুধু ভবনটি নয়, অফিসের আসবাবপত্র এবং বিভিন্ন উপকরণও দীর্ঘদিনের ব্যবহারে নষ্ট হয়ে গেছে। অনেকগুলো ভেঙে যাওয়ায় সেগুলো ব্যবহার অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। ফলে প্রয়োজনীয় দাপ্তরিক কাজ করতে গিয়ে প্রতিনিয়ত ভোগান্তিতে পড়ছেন কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। উপজেলা পোস্ট অফিস সূত্রে জানা গেছে, কয়রা উপজেলায় মোট ১৭টি ব্রাঞ্চ পোস্ট অফিস রয়েছে। এর মধ্যে ৪ নম্বর কয়রা ব্রাঞ্চ পোস্ট অফিসটি ১৯৭৫ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। প্রতিষ্ঠার পর দীর্ঘদিন নিজস্ব ভবন না থাকায় পাশের একটি মাদ্রাসার কক্ষে ডাকঘরের কার্যক্রম পরিচালিত হতো। পরে ২০১১ সালের দিকে নিজস্ব জায়গায় নির্মাণ করা হয় বর্তমান ভবনটি। নির্মাণের কয়েক বছর পর ২০১৭ সালের দিকে ভবনটি একবার সংস্কার করা হলেও বর্তমানে সেটিও ব্যবহারের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে ভবনটির এমন বেহাল অবস্থা চললেও সংস্কারের জন্য কার্যকর কোনো উদ্যোগ দেখা যায়নি। ফলে ডাকঘরের কর্মীদের পাশাপাশি সেবা নিতে আসা সাধারণ মানুষও ঝুঁকির মধ্যে পড়ছেন। ৪ নম্বর কয়রা ব্রাঞ্চ পোস্ট অফিসের ডাক পিয়ন মোঃ রফিকুল ইসলাম বলেন, “জরাজীর্ণ এই ভবনে বসে কাজ করার মতো পরিবেশ নেই। ছাদের পলেস্তারা খসে পড়ছে। যেকোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। ২০১১ সালের দিকে ভবনটি নির্মাণ করা হয়। ২০১৭ সালের দিকে একবার নামমাত্র সংস্কার করা হলেও তা মানসম্মত হয়নি। বর্তমানে ভবনটি পুরোপুরি অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। পোস্ট মাস্টার মোঃ. মহিববুল্লাহ বলেন, “অফিসের অবস্থা খুবই খারাপ। বর্তমানে পাশের মাদ্রাসার একটি কক্ষে বসে অফিসের কার্যক্রম চালাতে হচ্ছে। চাকরির স্বার্থে অনেক কষ্ট করে আমরা দায়িত্ব পালন করছি। পোস্ট অফিসের উদ্যোক্তা সালাহউদ্দীন (মুকুল) বলেন, অফিসের আসবাবপত্র থেকে শুরু করে বিভিন্ন যন্ত্রাংশ নষ্ট হয়ে গেছে। এগুলো দিয়ে এখন ঠিকমতো কাজ করা যায় না। সংশ্লিষ্ট দপ্তরে বারবার জানানো হলেও এখনো মেরামতের উদ্যোগ নেওয়া হয়নি।

কয়রা উপজেলা পোস্ট মাস্টার সৈয়দ মিজানুর রহমান বলেন, ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ সরেজমিনে এসে বিভিন্ন ব্রাঞ্চ পোস্ট অফিসের অবস্থা পর্যবেক্ষণ করেছেন। আমরা জরাজীর্ণ ভবনগুলোর তালিকা করে পাঠিয়েছি। ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা পেলে সংস্কারের কাজ শুরু হবে। খুলনা বিভাগের ডেপুটি পোস্ট মাস্টার জেনারেল মোঃ মিরাজুল হক বলেন, ব্রাঞ্চ পোস্ট অফিসের ভবনগুলো প্রকল্পের মাধ্যমে নির্মাণ করা হয়। এর আগে ‘গ্রামীণ ডাকঘর নির্মাণ’ নামে একটি প্রকল্প ছিল। বর্তমানে নতুন কোনো প্রকল্প নেই। নতুন প্রকল্পের জন্য প্রস্তাবনা পাঠানো হয়েছে। প্রকল্প পাস হলে পর্যায়ক্রমে ব্রাঞ্চ পোস্ট অফিসগুলোর সংস্কারের কাজ শুরু হবে। স্থানীয়দের দাবি, কোনো দুর্ঘটনা ঘটার আগেই ৪ নম্বর কয়রা ব্রাঞ্চ পোস্ট অফিসের ঝুঁকিপূর্ণ ভবনটি দ্রুত সংস্কার অথবা নতুন ভবন নির্মাণ করা হোক। একই সঙ্গে নষ্ট আসবাবপত্র ও প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি সরবরাহ করে ডাকসেবার স্বাভাবিক পরিবেশ নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন তারা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৪
মাগরিব ০৫:২১
ইশা ০৬:৩৩
সূর্যোদয় : ০৬:০৩ সূর্যাস্ত : ০৫:২১
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%