০৫:৪২ এম
ইরানে টানা দশম রাতের মতো যুক্তরাষ্ট্র সামরিক হামলা চালিয়েছে। এই হামলার মূল লক্ষ্যবস্তু হলো ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন ঘাঁটিগুলো, পাশাপাশি অন্যান্য সামরিক স্থাপনাগুলোও এই হামলার লক্ষ্যবস্তু।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প স্পষ্টভাবে এই অভিযানকে ‘প্রতিশোধ’ হিসেবে চিহ্নিত করেছেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তিনি একটি মন্তব্য করেন, হরমুজ প্রণালিতে যদি বাণিজ্যিক জাহাজে হামলা হয়, তাহলে আরও কঠোরভাবে জবাব দেওয়া হবে।
এর আগে, ডোনাল্ড ট্রাম্প যুক্তরাষ্ট্রকে দীর্ঘমেয়াদি যুদ্ধে না জড়ানোর প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। তবে তার প্রশাসন বর্তমানে মার্কিন জনগণকে বোঝাচ্ছে যে, চলমান সম্প্রসারিত এই সামরিক অভিযান সম্পূর্ণ যুক্তিযুক্ত। যদিও জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধি এবং আসন্ন মধ্যবর্তী নির্বাচন নিয়ে উদ্বেগ রয়েছে, তবে ট্রাম্প প্রশাসনের কাছে এখন সেগুলো মুখ্য নয়। তাদের প্রধান লক্ষ্য হলো হরমুজ প্রণালিতে কথিত সন্ত্রাসবাদ এবং চুক্তি লঙ্ঘনের জন্য ইরানকে শাস্তি দেওয়া।
আরও পড়ুন: হুইপ আখতারুজ্জামান মিয়া: সমাজ সংস্কারে দায়িত্বশীলদের এগিয়ে আসার আহ্বান
হোয়াইট হাউস সোমবার ঘোষণা করেছে, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প অন্য কোনো সিদ্ধান্ত না নেওয়া পর্যন্ত ইরানে এই হামলা অব্যাহত থাকবে। তারপরও তেহরান ও ওয়াশিংটনের মধ্যে আলোচনা চলছে।
গত সপ্তাহান্তে ইরানের হামলায় একাধিক মার্কিন সেনা নিহত হওয়ার ঘটনায় প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প চরম ক্ষুব্ধ হয়ে কড়া হুঁশিয়ারি দিয়েছেন। তিনি উল্লেখ করেছেন, প্রতিটি আমেরিকান সেনা হত্যার জন্য তেহরানকে বহুগুণ বেশি মূল্য চোকাতে হবে।
আরও পড়ুন: সুদানে ড্রোন হামলায় নিহত ২১, আহত ৪০
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন