ঢাকা সোমবার, ২৬শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১০ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৫ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
সোমবার, ২৬শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১০ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

ইরানকে শক্তিশালী ক্ষেপণাস্ত্র দিচ্ছে চীন


ইরানকে শক্তিশালী ক্ষেপণাস্ত্র দিচ্ছে চীন

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চলমান তীব্র সামরিক উত্তেজনার মধ্যে ইরানকে অতিউন্নত ও ভয়াবহ ক্ষমতার কাঁধে বহনযোগ্য আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা (ম্যানপ্যাডস) দিচ্ছে চীন। আন্তর্জাতিক বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে নিশ্চিত করা হয়েছে যে, আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই চীনের তৈরি এই উচ্চপ্রযুক্তির ক্ষেপণাস্ত্রগুলোর প্রথম চালান তেহরানের কাছে পৌঁছাতে পারে। এই বিষয়টি সম্পর্কে অবগত একাধিক কূটনৈতিক ও সামরিক সূত্র জানিয়েছে।

সামরিক বিশেষজ্ঞদের মতে, মার্কিন বাহিনীর সম্ভাব্য হামলা রুখতে এবং নিজেদের আকাশসীমাকে দুর্ভেদ্য দুর্গে পরিণত করার জন্য চীনের কাছে এই ভয়ংকর প্রযুক্তির অস্ত্র চেয়েছে তেহরান। চুক্তির আওতায় আনুমানিক ৬ থেকে ৭ কোটি মার্কিন ডলার মূল্যের সামরিক সহযোগিতা অনুযায়ী ইরান পেতে যাচ্ছে চীনের তৈরি আধুনিক ‘কিউডব্লিউ-১২’ এবং ‘এফএন-১৬’ মডেলের অন্তত ৩০০ থেকে ৪০০টি উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন ক্ষেপণাস্ত্র।

কিউডব্লিউ-১২ ও এফএন-১৬ হলো ইনফ্রারেড প্রযুক্তিতে নিয়ন্ত্রিত অত্যন্ত নিখুঁত ও আধুনিক ভূমি থেকে আকাশে নিক্ষেপযোগ্য ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা। এগুলোর নিমেষে নিচু দিয়ে উড়ে আসা আধুনিক যুদ্ধবিমান, সমরাস্ত্রবাহী হেলিকাপ্টার এবং ছোট আকারের আত্মঘাতী ড্রোন ধ্বংস করার অবিশ্বাস্য ক্ষমতা রয়েছে। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, অত্যন্ত হালকা হওয়ায় এই বিধ্বংসী অস্ত্রগুলো দ্রুত স্থান পরিবর্তন করা যায় এবং ক্ষুদ্র সেনাদল দিয়ে নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব। ফলে মার্কিন বা শত্রুভাবাপন্ন বিমান বাহিনীর জন্য বোমারু বিমান চালিয়ে বা স্যাটেলাইট ট্র্যাকিংয়ের মাধ্যমে এগুলো ধ্বংস করা প্রায় অসম্ভব হয়ে উঠবে।

আরও পড়ুন: ৬০ হাজার কোটি টাকায় কুমিল্লা–ঢাকা নতুন রেলপথ নির্মাণের পরিকল্পনা

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সাম্প্রতিক হামলায় ইরানের স্থায়ী ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা অবকাঠামোগুলোর যেসব ক্ষতি হয়েছিল, চীনা এই ভয়ংকর ক্ষেপণাস্ত্র হাতে পেলে তেহরান অতি দ্রুত সেই দুর্বলতা কাটিয়ে উঠতে পারবে। ফলে মার্কিন বাহিনীর জন্য ইরানের অভ্যন্তরীণ গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি কেন্দ্র এবং সামরিক ঘাঁটিতে হামলা চালানো চরম ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠবে, এমনটাই মনে করেন সামরিক বিশ্লেষকেরা।

তবে চীনের পক্ষ থেকে এই চুক্তির বিষয়টি এবং সামরিক সরবরাহের ব্যাপারে অস্বীকার করা হয়েছে। চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে দাবি করেছে, ইরানকে কোনো ধরনের বিধ্বংসী অস্ত্র সরবরাহের খবর ভিত্তিহীন। তারা দাবি করেছেন যে, চীন সংঘাত নয় বরং অঞ্চলে শান্তি প্রতিষ্ঠার পক্ষে কাজ করছে।

গোয়েন্দা সূত্রগুলো জানিয়েছে, প্রথম ধাপে পশ্চিম চীনের উরুমকি থেকে বিশেষ উড়োজাহাজে করে এবং পরবর্তীতে গোপন স্থলপথ ব্যবহার করে এই ক্ষেপণাস্ত্রগুলো ইরানে পৌঁছানোর প্রক্রিয়া চূড়ান্ত করা হয়েছে। চীনা অস্ত্রের এই অনুপ্রবেশ মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন ও ইরানি বাহিনীর মধ্যে রক্তক্ষয়ী যুদ্ধকে আরও দীর্ঘ ও ভয়াবহ রূপ দিতে পারে, এ নিয়ে চরম উৎকণ্ঠা তৈরি হয়েছে।

আরও পড়ুন: দীর্ঘদিনের ক্ষমতার অবসান, সার্বিয়ার নির্বাচনে শিক্ষার্থীদের নেতৃত্বে জয়

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নারী ইস্যুতে প্রশ্নের মুখে জামায়াতের নৈতিক অবস্থান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ২৯শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৭:০৪ পি.এম


নারী ইস্যুতে প্রশ্নের মুখে জামায়াতের নৈতিক অবস্থান

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী দীর্ঘদিন ধরে নিজেদেরকে দেশের প্রচলিত রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে একটি নৈতিক বিকল্প হিসেবে তুলে ধরছে। দলটি বলছে, ধর্মভিত্তিক রাজনীতি হলে দেশে সুশাসন প্রতিষ্ঠা হবে, জবাবদিহি বাড়বে এবং রাজনীতিতে নৈতিকতার মানও উন্নত হবে। কিন্তু এখন সেই দাবির প্রথম বড় পরীক্ষা শুরু হয়েছে।

সম্প্রতি নৈতিক অসদাচরণের অভিযোগে সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। এর পরে তার বিরুদ্ধে নিজের কর্মীদের ওপর হামলার অভিযোগও উঠে এসেছে। এই সকল ঘটনায় জামায়াতকে অস্বস্তিকর পরিস্থিতিতে পড়তে হয়েছে। জনসমালোচনা এবং গণমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার পর দলটি ওই সংসদ সদস্যকে বহিষ্কার করে। তবে এই ঘটনা একটি বড় প্রশ্নও সামনে এনেছে। যদি কোনো দল নিজেদের অন্যদের চেয়ে বেশি নৈতিক দাবি করে, তবে তাদের দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থাও কি এমন হওয়া উচিত নয় যে, শুরুতেই এ ধরনের ঘটনা ঠেকানো যাবে? কারণ, ক্ষমতা মানুষের চরিত্র তৈরি করে না, বরং মানুষের আসল চরিত্র প্রকাশ করে।

আরও উদ্বেগের বিষয় হলো, নারীদের বিষয়ে দলটির শীর্ষ নেতৃত্বের অবস্থান। জামায়াতের শীর্ষ নেতৃবৃন্দ প্রকাশ্যে বলেছেন, ইসলাম ধর্ম অনুযায়ী কোনো নারী তাদের দলের নেতৃত্ব দিতে পারে না। এছাড়া, সরাসরি নির্বাচিত সংসদীয় আসনে জামায়াত কোনো নারী প্রার্থীও দেয়নি। এসব অবস্থান থেকেই বোঝা যায় রাজনৈতিক নেতৃত্বে নারীদের ভূমিকা সম্পর্কে দলটির দৃষ্টিভঙ্গি কী। এই বিতর্ক আরও বেড়ে যায়, যখন বিভিন্ন গণমাধ্যমে খবর উঠে আসে যে, জামায়াতের শীর্ষ নেতৃবৃন্দ মাতৃত্বকালীন ছুটির পর নারীদের কর্মঘণ্টা কমানোর এবং মায়েদের ঘরে থাকতে অর্থনৈতিক প্রণোদনা দেওয়ার কথা বলেছেন। যদিও পরে তারা উল্লেখ করেন, তাদের ওই মন্তব্য ভুলভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে।

এটি নিয়ে বিতর্ক থাকলেও একটি বিষয় স্পষ্ট। জামায়াতের জ্যেষ্ঠ নেতারা বারবার এমন একটি সমাজব্যবস্থার কথা বলেছেন, যেখানে নারীর মূল ভূমিকা ঘর-সংসার ও পারিবারিক দায়িত্বের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে। জনজীবন এবং নেতৃত্বে নারী-পুরুষের সমান অংশগ্রহণের বিষয়টি সেখানে গুরুত্ব পায় না। এই দৃষ্টিভঙ্গি আজকের বাংলাদেশের বাস্তবতা এবং নারী ও তরুণদের আকাক্ষার সঙ্গে অনেকটাই অসঙ্গতিপূর্ণ।

বাংলাদেশের অর্থনীতিতে নারীরা কোনো গৌণ ভূমিকা পালন করে না। বরং তারা দেশের অর্থনীতির অন্যতম প্রধান শক্তি। তৈরি পোশাক শিল্প, যা দেশের রপ্তানি খাতকে পাল্টে দিয়েছে, সেখানে নারীদের অবদান সবচেয়ে বেশি। এছাড়া, ব্যাংকিং, স্বাস্থ্যসেবা, শিক্ষা, কৃষি, উদ্যোক্তা খাত এবং সরকারি প্রশাসনে নারীরা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন। প্রতিদিন তাদের কাজ দেশের অর্থনীতিকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে। তাই নারীদের সুযোগ সীমিত করা পারিবারিক মূল্যবোধ রক্ষার উপায় নয়। বরং এতে বাংলাদেশের উন্নয়নের সবচেয়ে বড় অর্জনগুলো ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার ঝুঁকি তৈরি হয়।

ইতিহাস এই বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা দেয়। আদর্শের নামে যেসব সমাজ পরিকল্পিতভাবে নারীদের অধিকার সীমিত করেছে, তারা বেশিরভাগই উন্নতি করতে সক্ষম হয়নি। তালেবান শাসিত আফগানিস্তান এর সবচেয়ে উৎকৃষ্ট উদাহরণ। সেখানে নারীদের শিক্ষা, চাকরি এবং জনজীবন থেকে দূরে রাখা হয়েছে। এর ফলে শুধুমাত্র বিশ্বজুড়ে সমালোচনা নয়, বরং দেশটির অর্থনীতি আরও দুর্বল হয়েছে। রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং দারিদ্র্য বেড়েছে। বাংলাদেশ যদিও সেই অবস্থায় নেই, তবে ইতিহাসের শিক্ষা স্পষ্ট। যখন কোনো রাজনৈতিক শক্তি নারীদের সুযোগ ও স্বাধীনতা বাড়ানোর বদলে তা সীমিত করতে চায়, তখন গণতন্ত্র এবং উন্নয়ন-দু’টিই ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

বর্তমান তরুণ প্রজন্মই বাংলাদেশের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ গড়ে তুলছে। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে দেশে রাজনীতিতে পরিবর্তন আনা তরুণরা প্রযুক্তির সঙ্গে যুক্ত, বিশ্বমানের খবর সম্পর্কে সচেতন এবং রাজনৈতিক দ্বিচারিতা নিয়ে খুবই সন্দিহান। তারা শুধু নৈতিকতার দাবি শুনতে চান না। তারা চান স্বচ্ছ প্রতিষ্ঠান, সবার জন্য সমান সুযোগ এবং জবাবদিহিমূলক নেতৃত্ব। কোন রাজনৈতিক দল কি বলছে, তার চেয়ে তারা বেশি গুরুত্ব দেয়, সেই দল বাস্তবে কি করছে এবং কী ধরনের নীতি অনুসরণ করছে।

এই রাজনীতি, যা দেশের অর্ধেক জনগণকে নেতৃত্বের জন্য অযোগ্য মনে করে, সেই রাজনীতি আজকের তরুণ প্রজন্মের কাছে গ্রহণযোগ্য হওয়ার সম্ভাবনা কম। কারণ, এই প্রজন্ম সমান অধিকারকে দয়া বা বিশেষ সুবিধা হিসেবে দেখে না। তারা এটিকে গণতন্ত্রের একটি মৌলিক নীতি বলে মনে করে। এই হিসাবে জামায়াতের সামনে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ আগত।

ধর্মীয় প্রতীক ব্যবহার বা নিজেদের অন্যদের চেয়ে বেশি নৈতিক হিসেবে দাবি করলেই নৈতিক গ্রহণযোগ্যতা পাওয়া যায় না। এর প্রমাণ কাজের মাধ্যমে দিতে হয়। এজন্য প্রয়োজন স্বচ্ছ প্রতিষ্ঠান, সবার জন্য একইভাবে জবাবদিহি এবং প্রতিটি নাগরিকের প্রতি সমান সম্মান।

জামায়াত যদি সত্যিই নিজেদের অন্যান্য রাজনৈতিক দলগুলোর থেকে আলাদা প্রমাণ করতে চায়, তবে তারা শুধু কোনো কেলেঙ্কারির পর সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে দল থেকে বহিষ্কার করলেই হবে না। দলটিকে নিজেদের রাজনীতির ভেতরের বড় বড় অসঙ্গতিগুলোরও মুখোমুখি হতে হবে। যেমন, একদিকে নৈতিকতার কথা বলা, অন্যদিকে অসদাচরণ ঠেকাতে ব্যর্থ হওয়া। আবার একদিকে ন্যায়ের কথা বলা, অন্যদিকে নেতৃত্বে নারীদের সমান সুযোগ না দেওয়া।

বাংলাদেশের মানুষ নৈতিক রাজনীতির অনেক প্রতিশ্রুতি শুনেছে। এখন তারা প্রতিশ্রুতি নয়, তার বাস্তব প্রমাণ দেখতে চান।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ব্রাজিলিয়ান ফুটবলারের পারফরম্যান্সে মুগ্ধ চেলসির নতুন কোচ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ২৯শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৭:০৫ পি.এম


ব্রাজিলিয়ান ফুটবলারের পারফরম্যান্সে মুগ্ধ চেলসির নতুন কোচ

চেলসির নতুন বস ব্রাজিলিয়ান তারকা জোয়াও পেদ্রোর ভূয়সী প্রশংসা করেছেন।

 

ক্লাব ফুটবলের নতুন মৌসুম শুরু হতে আর বেশি দিন নেই। ইতিমধ্যে বিভিন্ন দলগুলো নিজেদের গুছিয়ে নিতে শুরু করেছে।

সর্বশেষ মুহূর্তে প্রস্তুতি হিসেবে প্রাক-মৌসুম প্রীতি ম্যাচে নিজেদের ঝালিয়ে নিচ্ছে। প্রাক-মৌসুমের প্রস্তুতির অংশ হিসেবে ব্রাজিলিয়ান তারকা স্ট্রাইকার জোয়াও পেদ্রোর অনবদ্য পারফরম্যান্সে মুগ্ধ হয়ে চেলসি কোচ জাবি আলোনসো তাকে গোল করার জন্য ‘খুবই ক্ষুধার্ত’ বলে অভিহিত করেছেন।

২০২৬ বিশ্বকাপের ব্রাজিল দলের বাইরে থাকার পরে পেদ্রো ক্লাব ফুটবলে নিজের যোগ্যতা প্রমাণে মরিয়া হয়ে উঠেছেন। গত মঙ্গলবার, ওয়েস্টার্ন সিডনি ওয়ান্ডারার্সের সাথে অনুষ্ঠিত প্রীতি ম্যাচে তিনি বদলি হিসেবে মাঠে নেমে মাত্র ৯ মিনিটের মধ্যে হ্যাটট্রিক সম্পন্ন করেন।

জাবি আলোনসোর অধীনে চেলসির অধ্যায়ে এটি তার প্রথম ম্যাচেই আলো ছড়ানো।

পেদ্রোর এই ঝোড়ো হ্যাটট্রিকের ওপর ভর করে চেলসি ৬-৪ ব্যবধানে এক রোমাঞ্চকর জয় তুলে নেয় ব্লুজরা।

চেলসির অফিশিয়াল ওয়েবসাইটে প্রকাশিত চেলসি এফসি নিউজে আলোনসো পেদ্রোর প্রশংসা করে বলেছেন, ‘সে অত্যন্ত ক্ষুধার্ত—জোয়াও নতুন মৌসুমটিকে দুর্দান্ত করতে দারুণভাবে সংকল্পবদ্ধ। গত বছর অনেক গোল করার পরও সে আরো বেশি গোল করতে চায়।

তবে তাকে একা নয়, পুরো দলের বাকিদেরও গোল করার এ ক্ষুধা রাখতে হবে।’

নতুন ম্যানেজার জাবি আলোনসোর আক্রমণাত্মক কৌশল এবং জোয়াও পেদ্রোর এই বিধ্বংসী ফর্ম চেলসি সমর্থকদের আগামী প্রিমিয়ার লিগ মৌসুমের জন্য আশাবাদী করে তুলছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

শাপলা চত্বর হত্যাকাণ্ডের মামলায় লতিফ সিদ্দিকীকে গ্রেপ্তার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ২৯শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৭:০৮ পি.এম


শাপলা চত্বর হত্যাকাণ্ডের মামলায় লতিফ সিদ্দিকীকে গ্রেপ্তার

শাপলা চত্বর হত্যাযজ্ঞের মামলায় গ্রেপ্তার হয়েছেন সাবেক মন্ত্রী লতিফ সিদ্দিকী। বুধবার (২৯ জুলাই) রাজধানীর গুলশানের বাসা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার শফিকুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানিয়েছেন, সাবেক বস্ত্র ও পাট মন্ত্রী আব্দুল লতিফ সিদ্দিকীকে রাজধানীর গুলশান থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে ইতোমধ্যে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

লোহিত সাগরে বাণিজ্যিক জাহাজে শুল্ক আরোপের পরিকল্পনা হুথিদের, নেপথ্যে ইরানের কলকাঠি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বুধবার, ২৯শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৭:০৯ পি.এম


লোহিত সাগরে বাণিজ্যিক জাহাজে শুল্ক আরোপের পরিকল্পনা হুথিদের, নেপথ্যে ইরানের কলকাঠি

সৌদি আরবের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক নৌ-অবরোধ ঘোষণার মাত্র এক সপ্তাহের মাথায়, লোহিত সাগরের দক্ষিণাঞ্চল দিয়ে চলাচলকারী বাণিজ্যিক জাহাজগুলোর ওপর বাধ্যতামূলক ফি বা শুল্ক আরোপের মারাত্মক পরিকল্পনা গ্রহণ করছে ইয়েমেনের সশস্ত্রগোষ্ঠী হুথি। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম রয়টার্স কে নিশ্চিত করে সংশ্লিষ্ট আঞ্চলিক সূত্রগুলো তথ্য দিয়েছে, মূলত বাব আল-মানদেব প্রণালি দিয়ে চলাচলকারী বেশির ভাগ জাহাজের ওপর এই শুল্ক আরোপের বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

চলমান ইরান যুদ্ধের পটভূমিতে, পারস্য উপসাগরের বাইরে আন্তর্জাতিক জ্বালানি সরবরাহ রুট ও অন্যান্য পণ্যবাহী নৌযানের ওপর হামলা জোরদার করার অংশ হিসেবেই হুথিদের এই নতুন পদক্ষেপকে দেখা হচ্ছে। তবে, এই শুল্কব্যবস্থা আনুষ্ঠানিকভাবে কবে থেকে কার্যকর করা হবে, সে বিষয়ে এখনো নির্দিষ্ট কোনো সময়সীমা জানা যায়নি।

রয়টার্সের তথ্যমতে, জুলাই মাসে, ইরানের প্রয়াত সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির শেষকৃত্য অনুষ্ঠানে যোগ দিতে তেহরান সফর করেন হুথির শীর্ষ কর্মকর্তারা। তেহরানের উচ্চপর্যায়ের বৈঠকের ওপর রয়টার্সকে দেওয়া তথ্যে দুই আঞ্চলিক কর্মকর্তা জানান, সফররত হুথি প্রতিনিধিদের সঙ্গে মিটিংয়ে বাব আল-মানদেব দিয়ে জাহাজ চলাচলের ওপর শুল্ক আরোপের বিষয়টি নিয়ে সরাসরি আলোচনা করেন ইরানি কর্মকর্তারা।

আন্তর্জাতিক জলসীমায় সাধারণ নীতি বা শুল্ক আদায়ের এই সংস্কৃতিকে স্বাভাবিক হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করা এবং একই সাথে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ওপর বৈশ্বিক অর্থনৈতিক চাপ বাড়ানোই এই ব্যবস্থার মূল উদ্দেশ্য। তবে, কৌশলগত সমঝোতার অংশ হিসেবে, চীনা জাহাজগুলোকে এই ফি বা শুল্ক থেকে সম্পূর্ণ অব্যাহতি দেওয়া হবে এবং হুথিরা এই ছাড়ের সিদ্ধান্তে পূর্ণ সমর্থন জানিয়েছে। বিশ্বের সবচেয়ে বড় সৌদি তেলের ক্রেতা দেশ চীন ইতিমধ্যে হুথিদের সঙ্গে সরাসরি কথা বলে লোহিত সাগরে নিজেদের তেলবাহী ট্যাংকারগুলোর নিরাপদ চলাচল নিশ্চিত করেছে।

ইয়েমেনের বাব আল-মানদেবে এই শুল্ক নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ গঠনের জন্য, তেহরান থেকে ফেরত আসা হুথি কর্মকর্তাদের সঙ্গে সরাসরি ইরানি সামরিক ও প্রযুক্তিগত উপদেষ্টারা ইয়েমেনে পৌঁছেছেন বলে আঞ্চলিক এক আরব কর্মকর্তা নিশ্চিত করেছেন। এই বিষয়ে, ইয়েমেনের আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত সরকারের মনোনীত পররাষ্ট্রমন্ত্রী আফরা আল-জউবা রয়টার্সকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে বলেছেন, হুথিরা যেকোনোভাবেই লোহিত সাগরের ওপর নিজস্ব নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করতে চাইছে এবং তারা সফল হলে সেখানে চলাচলকারী জাহাজগুলোর কাছ থেকে জোরপূর্বক শুল্ক আদায় করার চেষ্টা করবে।

যদিও আন্তর্জাতিক পর্যায়ের বিস্তৃত নৌশক্তি বাণিজ্যিক জাহাজগুলোকে পর্যাপ্ত সুরক্ষা দিতে বর্তমানে হিমশিম খাচ্ছে, এবং এর বিপরীতে রাজনৈতিক সদিচ্ছার ঘাটতি রয়েছে, তবুও পারস্য উপসাগরীয় ও ইউরোপীয় দেশগুলোর তীব্র বিরোধিতার মুখে পড়তে পারে হুথিদের এই পদক্ষেপ। অন্যদিকে, ওমান প্রস্তাবিত হরমুজ প্রণালির আঞ্চলিক যৌথ ব্যবস্থাপনা ও স্বেচ্ছাসেবী ফি ব্যবস্থার প্রস্তাব ইরান বুধবার বাতিল করে দিলে দুই অঞ্চলের দীর্ঘদিনের অচলাবস্থা কাটানোর আশা ভেস্তে যায়।

ইয়েমেনের দক্ষিণাঞ্চলীয় বাব আল-মানদেব প্রণালি বন্ধ বা সেখানে শুল্ক আরোপের ঘটনায় সরাসরি চরম হুমকির মুখে পড়ছে প্রতিবেশী দেশ সৌদি আরব। হরমুজ প্রণালির একমাত্র বিকল্প হিসেবে এই রুটটি বন্ধ হলে দেশটিতে চরম জ্বালানিসংকট তৈরির ঝুঁকি প্রবল হচ্ছে। গত ২০২০ সাল থেকে গাজা যুদ্ধের সমর্থনে শুরু হওয়া হুথি হামলার পর থেকে লোহিত সাগরের জাহাজ চলাচল এখনও স্বাভাবিক হয়নি। গত বছরের অক্টোবরে, গাজায় যুদ্ধবিরতির মাধ্যমে সেই হামলার সমাপ্তি ঘটলেও, চলতি সপ্তাহের শুরুতেই সৌদি আরবের জিজান বন্দরের কাছে অন্তত একটি সৌদি তেলবাহী ট্যাংকারে হামলা চালিয়েছে হুথিরা, যার দায় তারা আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকারও করেছে।

জাতিসংঘের প্যানেল অব বিশেষজ্ঞ দলের ২০২৪ সালের একটি প্রতিবেদন অনুযায়ী, হুথিরা এর আগেও লোহিত সাগর ও এডেন উপসাগর দিয়ে যাতায়াতকারী নির্দিষ্ট কিছু শিপিং এজেন্সির কাছ থেকে নিরাপদ পারাপারের বিনিময়ে কোটি কোটি ডলার শুল্ক আদায় করেছিল বলে অভিযোগ রয়েছে। অনিশ্চিত সেই সূত্রের তথ্যানুযায়ী, তখন তারা প্রতি মাসে প্রায় ১৮ কোটি ডলার বা ১৮০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার পর্যন্ত অবৈধ শুল্ক আদায় করেছিল।

বিশ্ব বাণিজ্যের ক্ষেত্রে বাব আল-মানদেব প্রণালি ব্যবহার করে এশিয়ায় পৌঁছাতে গড়ে ১৬ দিন সময় লাগে, যেখানে বিকল্প হিসেবে উত্তর লোহিত সাগর, সুয়েজ খাল ও দক্ষিণ আফ্রিকা ঘুরে জাহাজ পাঠাতে গড়ে দীর্ঘ ৫০ দিন সময় লেগে যায়।

হুথিদের গণমাধ্যম দফতর থেকে এই নতুন শুল্কব্যবস্থার বিষয়ে জানতে চাওয়া হলে, তারা কোনো মন্তব্য করতে রাজি হয়নি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৫ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৫
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৭
মাগরিব ০৫:২৪
ইশা ০৬:৩৫
সূর্যোদয় : ০৬:০১ সূর্যাস্ত : ০৫:২৪
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%