ঢাকা শনিবার, ১৭ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০১ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৬ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শনিবার, ১৭ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০১ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

নীলফামারীতে কনস্টেবল সাইফুলের পদোন্নতি, র‍্যাংক ব্যাজ পরালেন পুলিশ সুপার


নীলফামারীতে কনস্টেবল সাইফুলের পদোন্নতি, র‍্যাংক ব্যাজ পরালেন পুলিশ সুপার

নীলফামারী জেলার কনস্টেবল পদ থেকে এএসআই (নিরস্ত্র) পদে পদোন্নতি পাওয়া এক পুলিশ কর্মকর্তাকে র‍্যাংক ব্যাজ পরিয়ে দিয়েছেন পুলিশ সুপার মো. ফরহাদ হোসেন খান।

শনিবার, ৩ অক্টোবর ২০২৬ খ্রিস্টাব্দে, নীলফামারী পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে পদোন্নতিপ্রাপ্ত পুলিশ কর্মকর্তা মো. সাইফুল ইসলামকে র‍্যাংক ব্যাজ পরানো হয়। এই অনুষ্ঠানে পুলিশ সুপার মো. ফরহাদ হোসেন খান পদোন্নতি পাওয়া কর্মকর্তা মো. সাইফুল ইসলামকে অভিনন্দন জানান।

পুলিশ সুপার মো. ফরহাদ হোসেন খান এ সময় সাইফুল ইসলামকে পেশাদারিত্ব, সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের জন্য আহ্বান জানান। তিনি দায়িত্ব পালনে বিভিন্ন দিকনির্দেশনা প্রদান করেন।

আরও পড়ুন: জকিগঞ্জ উপজেলা আইন শৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভায় নিরাপত্তা ও উন্নয়ন নিয়ে আলোচনা

অনুষ্ঠানে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) মোহসিনসহ রিজার্ভ অফিসের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

এনসিটি ইজারা চুক্তির খসড়া বাতিলের দাবি, সোমবার চট্টগ্রাম বন্দরে অবস্থান কর্মসূচির আহ্বান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ৩ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৪:১১ পি.এম


এনসিটি ইজারা চুক্তির খসড়া বাতিলের দাবি, সোমবার চট্টগ্রাম বন্দরে অবস্থান কর্মসূচির আহ্বান

চট্টগ্রাম বন্দরের প্রধান স্থাপনা নিউমুরিং টার্মিনাল এনসিটি ইজারায় চুক্তি প্রক্রিয়া নিয়ে সরকারের তাড়াহুড়োর কারণ সম্পর্কে প্রশ্ন তুলেছেন আন্দোলনরত বন্দর রক্ষা কমিটির নেতৃবৃন্দ।

কমিটির চলমান আন্দোলন কর্মসূচির অংশ হিসেবে আগামী ৫ অক্টোবর সোমবার চট্টগ্রাম বন্দর মেইন গেইটে দিনব্যাপী পূর্বঘোষিত অবস্থান কর্মসূচি সফল করার আহ্বান জানানো হয়েছে।

আজ শনিবার (৩ অক্টোবর) চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবে অনুষ্ঠিত এক সংবাদ সম্মেলনে বন্দর রক্ষা কমিটির নেতারা এই আহ্বান জানান।

নিউমুরিং কনটেইনার টার্মিনাল (এনসিটি) এবং ওভারফ্লো কনটেইনার ইয়ার্ড পরিচালনা ও রক্ষণাবেক্ষণের জন্য বিদেশি অপারেটর ডিপি ওয়ার্ল্ডের সঙ্গে প্রস্তাবিত ১৫ বছরের কনসেশন খসড়া চুক্তি প্রক্রিয়া বাতিল করার পাশাপাশি চট্টগ্রাম কনটেইনার টার্মিনাল (সিসিটি) ইজারা দেওয়ার উদ্যোগ বন্ধের দাবি জানায় কমিটি।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে কমিটির সদস্য সচিব ফজলুল কবির মিন্টু বলেন, গত ১ অক্টোবর অনুষ্ঠিত অর্থনৈতিক বিষয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির সভায় এনসিটি ও ওভারফ্লো ইয়ার্ড পরিচালনা ও রক্ষণাবেক্ষণের জন্য একটি বিদেশি কোম্পানির সঙ্গে ১৫ বছরের কনসেশন চুক্তির খসড়ায় নীতিগত অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

তিনি উল্লেখ করেন, জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ ও কৌশলগত এই অবকাঠামো নিয়ে প্রস্তাবটি ‘বিবিধ’ এজেন্ডায় উপস্থাপন করা হয়েছে। এ বিষয়ে প্রশ্ন তুলে তিনি বলেন, এত গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয় কেন মূল এজেন্ডায় বিস্তারিতভাবে উপস্থাপন ও আলোচনা করা হয়নি।

তিনি আরও বলেন, চট্টগ্রাম বন্দর দেশের বৈদেশিক বাণিজ্য, আমদানি-রপ্তানি, রাজস্ব, শিল্প ও ব্যবসা-বাণিজ্যের সঙ্গে সরাসরি সম্পৃক্ত একটি জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো।

এনসিটি বন্দরের অন্যতম প্রধান কনটেইনার টার্মিনাল। এটি ১৫ বছরের জন্য কনসেশন বা ইজারায় দেওয়ার বিষয়টি সাধারণ প্রশাসনিক বা বাণিজ্যিক সিদ্ধান্ত হিসেবে গণ্য করা যায় না।

এ ধরনের সিদ্ধান্তের আগে রাষ্ট্রীয় ব্যবস্থাপনায় এনসিটি পরিচালনার সম্ভাব্য আয়, সক্ষমতা বৃদ্ধি, আধুনিক প্রযুক্তি ও অটোমেশনের ব্যবহার, দক্ষতা উন্নয়ন এবং কনসেশনে দিলে রাষ্ট্রের সম্ভাব্য আর্থিক সুবিধা- এসব বিষয়ে পূর্ণাঙ্গ ও স্বচ্ছ তুলনামূলক মূল্যায়ন জনসম্মুখে প্রকাশ করা প্রয়োজন।

তিনি বলেন, বর্তমান সরকার দায়িত্ব নেওয়ার মাত্র কয়েক মাসের মধ্যে দেশের অর্থনৈতিক পুনর্গঠন, কর্মসংস্থান বৃদ্ধি, শিল্পের বিকাশ, বিনিয়োগ ও উৎপাদনশীলতা বাড়ানোর মতো গুরুত্বপূর্ণ চ্যালেঞ্জের সময়ে এনসিটি ও সিসিটির মতো কৌশলগত অবকাঠামো দীর্ঘমেয়াদি কনসেশনে দেওয়ার ক্ষেত্রে এত তাড়াহুড়োর প্রয়োজন কেন, তা জনগণের সামনে পরিষ্কার করা দরকার।

এ ধরনের চুক্তি দেশের অর্থনীতি, রাজস্ব, কর্মসংস্থান ও জাতীয় কৌশলগত স্বার্থে কী ধরনের সুবিধা ও ঝুঁকি তৈরি করতে পারে, তার পূর্ণাঙ্গ মূল্যায়ন জনসমক্ষে প্রকাশ না করে সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত নয়।

তিনি আরও বলেন, বন্দর রক্ষা কমিটি দীর্ঘদিন ধরে শান্তিপূর্ণ ও গণতান্ত্রিকভাবে তাদের উদ্বেগ ও দাবি তুলে ধরছে। এ বিষয়ে আলোচনার জন্য প্রধানমন্ত্রী সঙ্গে বৈঠকের আগ্রহ প্রকাশ করা হয়েছে এবং প্রয়োজনে জাতীয় সংলাপের প্রস্তাবও দেওয়া হয়েছে। তবে এখনও সরকারের পক্ষ থেকে কার্যকর কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি।

বন্দর রক্ষা কমিটি জানায়, তাদের আন্দোলন সরকারের বিরুদ্ধে নয়। জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে জনগণের উদ্বেগ তুলে ধরা, রাষ্ট্রীয় সম্পদ ও জাতীয় স্বার্থ রক্ষা এবং সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করাই তাদের আন্দোলনের উদ্দেশ্য।

এ কারণে এনসিটি ও ওভারফ্লো ইয়ার্ডের প্রস্তাবিত ১৫ বছরের কনসেশন চুক্তির প্রক্রিয়া অবিলম্বে বাতিল, সিসিটি ইজারা দেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু করার জন্য চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষকে দেওয়া নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের চিঠি প্রত্যাহার এবং অন্তর্বর্তী সরকারের সময় বন্দর শ্রমিক নেতাদের বিরুদ্ধে দায়ের করা হয়রানিমূলক ও মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের দাবি জানানো হয়েছে।

একই সঙ্গে এনসিটি ও সিসিটি ইজারাবিরোধী আন্দোলনে যুক্ত শ্রমিক ও শ্রমিক নেতাদের হয়রানিমূলক বদলি বা অন্য কোনো ধরনের প্রশাসনিক হয়রানি না করার দাবি জানানো হয়েছে।

সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, আগামী ৫ অক্টোবর সোমবার চট্টগ্রাম বন্দরের প্রধান গেইটে দিনব্যাপী অবস্থান কর্মসূচি পালন করবে বন্দর রক্ষা কমিটি। এর মধ্যে সরকার এনসিটি ও সিসিটি ইজারা প্রদানের উদ্যোগ বাতিলের সুস্পষ্ট ঘোষণা না দিলে অবস্থান কর্মসূচি থেকে বৃহত্তর আন্দোলনের পরবর্তী কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।

দলমত নির্বিশেষে সব শ্রেণি-পেশার মানুষকে জাতীয় সম্পদ রক্ষার এই আন্দোলনে যুক্ত হওয়ার আহ্বান জানায় কমিটি।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দল চট্টগ্রাম বিভাগীয় সাধারণ সম্পাদক সাবেক বন্দর সিবিএ সেক্রেটারি কাজী শেখ নুরুল্লাহ বাহার, টিইউসি চট্টগ্রাম জেলা কমিটির সভাপতি তপন দত্ত, শ্রমিক ফেডারেশনের সভাপতি এস কে খোদা তোতন, জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দল কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক শ ম জামাল উদ্দিন, টিইউসি চট্টগ্রাম জেলা যুগ্ম সম্পাদক ইফতেখার কামাল খান, শ্রমিক কর্মচারী ঐক্য পরিষদ (স্কপ) চট্টগ্রামের যুগ্ম সমন্বয়ক রবিউল হক শিমুল ও খোরশেদ আলম, জাতীয়তাবাদী ডক শ্রমিক দলের সভাপতি মো. হারুন, সাধারণ সম্পাদক তসলিম হোসেন সেলিম, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দল চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিটির সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক আব্দুল বাতেন, সাংগঠনিক সম্পাদক ইব্রাহীম ফরাজী, বিএফটিইউসির যুগ্ম সম্পাদক রিজওয়ানুর রহমান খান, জাতীয়তাবাদী বন্দর শ্রমিক দল নেতা আব্দুর রউফ লিটন, জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দল চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিটির প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক আবু বক্কর সিদ্দিকীসহ বিভিন্ন শ্রমিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

টঙ্গীতে মাদকের বিস্তার, বাড়ছে ছিনতাই-অস্ত্রের ব্যবহার; ৯ মাসে ৪০২ মামলা, গ্রেপ্তার ৯৫৬, অভিযানের পরও থামছে না অপরাধ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ৩ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৪:১১ পি.এম


টঙ্গীতে মাদকের বিস্তার, বাড়ছে ছিনতাই-অস্ত্রের ব্যবহার; ৯ মাসে ৪০২ মামলা, গ্রেপ্তার ৯৫৬, অভিযানের পরও থামছে না অপরাধ

মাদক কারবার ঠেকাতে একের পর এক অভিযান পরিচালিত হচ্ছে, গ্রেপ্তার হচ্ছে শত শত আসামি এবং উদ্ধার হচ্ছে মাদক ও দেশীয় অস্ত্র। তবুও গাজীপুরের টঙ্গীতে মাদক ও ছিনতাইয়ের ঘটনা থামছে না। মাদক ব্যবসার নিয়ন্ত্রণকে কেন্দ্র করে অপরাধীচক্রের মধ্যে বিরোধ, অস্ত্রের ব্যবহার এবং হামলার অভিযোগ সামনে আসছে। পুলিশের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, চলতি বছরের প্রথম ৯ মাসে টঙ্গীর পূর্ব ও পশ্চিম থানায় মাদক ও ছিনতাই-ডাকাতির ৪০২টি মামলা দায়ের করা হয়েছে। এসব মামলায় ৯৫৬ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, জানুয়ারি থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত টঙ্গী পূর্ব থানায় ডাকাতি ও ছিনতাইয়ের ৫৬টি এবং মাদকসংক্রান্ত ১৪৬টি মামলা দায়ের হয়েছে। এসব মাদক মামলায় ৫৩৩ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। একই সময়ে টঙ্গী পশ্চিম থানায় ডাকাতি ও ছিনতাইয়ের ৪০টি এবং মাদকসংক্রান্ত ১৬৬টি মামলা হয়েছে।

মামলা ও গ্রেপ্তারের এই পরিসংখ্যানের পরও মাদক কারবার পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে না আসায় অপরাধের মূল উৎস নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, টঙ্গীর বস্তি, রেললাইনসংলগ্ন এলাকা, শিল্পকারখানার আশপাশ এবং ঘনবসতিপূর্ণ বিভিন্ন এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে মাদকের কারবার চলছে। মাদক ব্যবসার নিয়ন্ত্রণ ও আধিপত্যকে কেন্দ্র করে একাধিক পক্ষের মধ্যে বিরোধও তৈরি হচ্ছে।

স্থানীয়দের মতে, মাদকের কারবার এখন শুধু সেবন ও বিক্রির মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই। এর সঙ্গে ছিনতাই, চাঁদাবাজি, অস্ত্রের ব্যবহার ও সংঘর্ষের মতো অপরাধের যোগসূত্র তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে রাতের বেলায় রেললাইন, স্টেশনসংলগ্ন এলাকা ও নির্জন সড়কে ছিনতাইয়ের আতঙ্কে সাধারণ মানুষকে সতর্ক থাকতে হচ্ছে।

সাম্প্রতিক কয়েকটি ঘটনার পর মাদক ও অপরাধীচক্রের বিরোধের অভিযোগ নতুন করে সামনে এসেছে। গোপালপুর এলাকায় নূরুল ইসলাম নামে এক ব্যক্তিকে আলেকেরটেক এলাকায় ধারালো অস্ত্র দিয়ে হামলা ও দুই পায়ের রগ কেটে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়দের একটি অংশের দাবি, মাদক ব্যবসার নিয়ন্ত্রণ নিয়ে বিরোধ এ হত্যাকাণ্ডের নেপথ্যে থাকতে পারে। তবে হত্যার প্রকৃত কারণ তদন্তের মাধ্যমে নিশ্চিত হওয়া প্রয়োজন।

এ ছাড়া টঙ্গীর ব্যাংকের মাঠ এলাকায় রেলস্টেশনের সামনে এক যুবক নিহত হওয়ার ঘটনাতেও স্থানীয়ভাবে মাদক ও অপরাধীচক্রের বিরোধের বিষয়টি আলোচনায় আসে। তবে এ ঘটনার প্রকৃত কারণ ও জড়িতদের ভূমিকা তদন্তের মাধ্যমে নির্ধারণ করা প্রয়োজন।

মাদকবিরোধী অভিযানে হাজী মাজার বস্তি, এরশাদনগরসহ টঙ্গীর বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়েছে পুলিশ ও সংশ্লিষ্ট আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। এসব অভিযানে মাদক ও দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে এবং একাধিক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। সম্প্রতি একটি হত্যা মামলার তদন্তে টঙ্গীর একটি বাড়ি থেকে সাতটি দেশীয় অস্ত্র উদ্ধারের কথাও জানিয়েছে পুলিশ।

অভিযানের সময় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে বাধার মুখে পড়ার ঘটনাও ঘটছে। গত সেপ্টেম্বর মাসে টঙ্গী রেলস্টেশন এলাকায় পুলিশের ওপর হামলা করে হাতকড়াসহ এক আসামিকে ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগ ওঠে। এতে স্থানীয়দের মধ্যে অপরাধীচক্রের প্রভাব ও সাহস নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।

সংশ্লিষ্টদের মতে, শুধু মাদকসেবী ও খুচরা বিক্রেতাদের গ্রেপ্তার করে এ সমস্যার স্থায়ী সমাধান হবে না। মাদকের মূল সরবরাহকারী, অর্থের জোগানদাতা, পরিবহনকারী এবং স্থানীয় পৃষ্ঠপোষকদের শনাক্ত করা জরুরি। একই সঙ্গে মাদক কারবারের অর্থের সঙ্গে ছিনতাই ও অস্ত্রধারী চক্রের কোনো যোগসূত্র রয়েছে কি না, তা তদন্তের আওতায় আনা প্রয়োজন।

গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের অপরাধ দক্ষিণ বিভাগের উপ-কমিশনার শফিকুল ইসলাম খান বলেন, "মাদকদ্রব্য ও সন্ত্রাস দমনে নিয়মিত অভিযান চলছে। মাদক ও অস্ত্র উদ্ধার করার পাশাপাশি অপরাধীদের গ্রেপ্তার করা হচ্ছে। হাজী মাজার বস্তিসহ বিভিন্ন এলাকায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।"

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আখতারুজ্জামানের রিমান্ড শুনানিতে সাংবাদিকদের প্রবেশে পুলিশের বাধা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ৩ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৪:১২ পি.এম


আখতারুজ্জামানের রিমান্ড শুনানিতে সাংবাদিকদের প্রবেশে পুলিশের বাধা

মেজর (অব.) আখতারুজ্জামানের রিমান্ড শুনানিতে সাংবাদিকদের আদালতকক্ষে প্রবেশ করতে দেওয়া হয়নি। শনিবার (৩ অক্টোবর) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আলবিরুনী মীরের আদালতে প্রবেশের সময় দায়িত্বরত পুলিশ সদস্যরা সাংবাদিকদের বাধা দেন।

সাংবাদিকদের আদালতে প্রবেশে বাধা দেওয়ার কারণ জানতে চাইলে দায়িত্বরত উপপরিদর্শক কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি। ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) প্রসিকিউশন বিভাগের উপকমিশনার মহীউদ্দিন মাহমুদ সোহেলের বক্তব্য জানতে তার মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলেও তিনি কোনো সাড়া দেননি।

এর আগে শুক্রবার (২ অক্টোবর) সন্ধ্যায় ঢাকার ক্যান্টনমেন্ট এলাকার বাসা থেকে আখতারুজ্জামানকে গ্রেপ্তার করে গোয়েন্দা পুলিশ। পরে তাকে বিমানবন্দর থানায় হস্তান্তর করা হয়।

শনিবার বেলা পৌনে একটার দিকে আখতারুজ্জামানকে আদালতে হাজির করা হয়। পরে তাকে ঢাকার চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের অষ্টম তলায় মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আলবিরুনী মীরের আদালতে নেওয়া হয়। তাকে আদালতে হাজির করার প্রেক্ষাপটে সেখানে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়।

আখতারুজ্জামানকে আদালতে হাজির করার খবর পেয়ে অর্ধশতাধিক সাংবাদিক আদালত প্রাঙ্গণে উপস্থিত হন। তবে নিচ থেকেই পুলিশ সদস্যরা তাদের প্রবেশে বাধা দেন। পরে সাংবাদিকেরা আদালতের দিকে যেতে পারলেও প্রবেশপথে দায়িত্বরত পুলিশ সদস্যরা তাদের আটকে দেন।

এদিকে আখতারুজ্জামানের রিমান্ড শুনানি শুরু হয়। রাষ্ট্রপক্ষে ঢাকা মহানগর পাবলিক প্রসিকিউটর ওমর ফারুক ফারুকী রিমান্ডের পক্ষে যুক্তি উপস্থাপন করেন। আসামিপক্ষে আইনজীবী আবদুর রাজ্জাকসহ কয়েকজন আইনজীবী রিমান্ড বাতিল করে জামিনের আবেদন করেন। আদালতের অনুমতি নিয়ে আখতারুজ্জামানও বক্তব্য দেন। শুনানি শেষে আদালত তার এক দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

শুনানি শেষে এক সাংবাদিক জানান, তিনি আখতারুজ্জামানকে আদালতে হাজির করার আগেই সাড়ে ১২টার দিকে এজলাসে অবস্থান করছিলেন। তার ভাষ্য, আখতারুজ্জামানকে পৌনে একটার দিকে এজলাসে তোলার পর ডিসি মহীউদ্দিন মাহমুদ সোহেল তাকে বাইরে যেতে বলেন। কারণ জানতে চাইলে তাকে বলা হয়, এটি আদালতের আদেশ।

আখতারুজ্জামানের আইনজীবী আবদুর রাজ্জাক মন্তব্য করেন, ‘আজকে ডিসি প্রসিকিউশন সাংবাদিক ও আইনজীবীদের আদালত এবং আদালতের বারান্দায় ঢুকতে দেননি। এটি আমি মনে করি নিন্দনীয় ঘটনা।’ তিনি জানান, কোনো কিছু গোপন করার উদ্দেশ্যে সাংবাদিকদের প্রবেশে বিধিনিষেধ দেওয়া হয়েছে কি না, তা তিনি জানেন না।

আবদুর রাজ্জাক আরও বলেন, সাধারণত ছুটির দিনে মামলার শুনানি বেলা তিনটা থেকে সাড়ে তিনটার দিকে হয়। কিন্তু এদিন খুব দ্রুত শুনানি হয়েছে। প্রসিকিউশন ও পাবলিক প্রসিকিউটর আগে আদালতে আসার বিষয়েও তিনি প্রশ্ন তোলেন। তার মতে, শুনানিতে আখতারুজ্জামান বক্তব্য দিয়েছেন; সাংবাদিকেরা সেখানে থাকলে তা ভালো হতো।

তবে সাংবাদিকদের আদালতে প্রবেশে বাধা দেওয়ার বিষয়ে ভিন্ন বক্তব্য দিয়েছেন রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ওমর ফারুক ফারুকী। তিনি জানান, সাংবাদিকদের আদালতে ঢুকতে দেওয়ার ক্ষেত্রে ডিসি প্রসিকিউশন কোনো বাধা দেননি।

ওমর ফারুক ফারুকী আরও বলেন, শুনানির সময় আখতারুজ্জামানের আচরণ ছিল মারমুখী। প্রসিকিউশন, বিচারক ও পুলিশের প্রতি তার আচরণও মারমুখী ছিল বলে দাবি করেন তিনি। তার বক্তব্য, আখতারুজ্জামান নিজেই বলেছিলেন, আইনজীবী ছাড়া যেন কেউ আদালতে না থাকেন। মূলত তার এই বক্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে বিচারক সবাইকে আদালতকক্ষ থেকে বের হয়ে যেতে বলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ফুটপাত দখলকারীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেবে ডিএনসিসি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ৩ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৪:১৩ পি.এম


ফুটপাত দখলকারীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেবে ডিএনসিসি

রাজধানীর মিরপুর-১০ নম্বরে যদি কেউ ফুটপাত দখল করে দোকান বা স্থাপনা স্থাপন করে, তাহলে তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে এবং মালামাল জব্দ করা হবে বলে জানায় ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি)। শনিবার (৩ অক্টোবর) ডিএনসিসির একটি জরুরি বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য প্রকাশ করা হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের প্রশাসক শফিকুল ইসলাম খান মিল্টনের নির্দেশে একটি মনিটরিং টিম গঠন করা হয়েছে। এই টিমটি নিয়মিতভাবে এলাকা পর্যবেক্ষণ করবে।

যদি কেউ ফুটপাত দখল করে দোকান বা স্থাপনা স্থাপন করে, তাহলে বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে যে তাদের মালামাল ও সরঞ্জাম জব্দ করা হবে এবং আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৬ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪১
জোহর ১১:৪৫
আসর ০৩:৫৩
মাগরিব ০৫:৩১
ইশা ০৬:৪২
সূর্যোদয় : ০৫:৫৬ সূর্যাস্ত : ০৫:৩১
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%