ঢাকা রবিবার, ১৮ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
রবিবার, ১৮ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় বিজিবি ও চোরাকারবারিদের মধ্যে সংঘর্ষ


ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় বিজিবি ও চোরাকারবারিদের মধ্যে সংঘর্ষ

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবায় বিজিবির সঙ্গে চোরাকারবারি চক্রের সংঘর্ষের ঘটনাটি ঘটেছে।

বুধবার (৩ জুন) বিকেলে উপজেলার বায়েক ইউনিয়নের নয়নপুর বাজারে সংঘর্ষের সেই ঘটনা সংঘটিত হয়।

এ সময় একে অপরের গাড়ি ভাঙচুরের অভিযোগ উত্থাপিত হয়েছে। অন্যদিকে, বিজিবির পক্ষে দাবি করা হয়েছে যে চোরাকারবারিরা নিজেদের গাড়ি ভেঙে বিজিবির ওপর অভিযোগ চাপানোর চেষ্টা করছে।

আরও পড়ুন: উখিয়ার অগ্নিকাণ্ডে নাহিদ ও তার পরিবারের খোঁজ নেই, হতাহতদের তালিকা নেই

এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, দুপুরের দিকে সীমান্ত এলাকা থেকে একটি হলুদ পিকআপে করে একটি চক্র ভারতীয় চোরাইপণ্য নিয়ে আসে। বিষয়টি স্থানীয় বিজিবি ক্যাম্পের সদস্যরা টের পেয়ে গাড়িটি আটক করেন।

এ সময় বিজিবির সাথে চোরাকারবারিরা বাকবিতণ্ডায় জড়ায়। একপর্যায়ে, চোরাকারবারিরা নিজেদের মালামালকে চোরাইপণ্য নয়, বৈধ পণ্য বলে দাবি করে। বিজিবির দাবি হচ্ছে যে এগুলো চোরাই পণ্য।

এ নিয়ে উভয় পক্ষের বাকবিতণ্ডা ও সংঘর্ষে জড়িয়ে গাড়িগুলোর ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। বিজিবির দাবি এই ঘটনায় চোরাকারবারিরা নিজেদের গাড়ির গ্লাস ভাঙচুর করে এবং বিজিবির বিরুদ্ধে অভিযোগ করে।

আরও পড়ুন: কক্সবাজারে নিখোঁজ নাহিদুরের স্ত্রী ও দুই মেয়ের সন্ধান চায় পরিবার

শেষে, আটককৃত ভারতীয় পণ্যগুলো ছেড়ে দেয় বিজিবি।

এ বিষয়ে সুলতানপুর ৬০ বিজিবি অধিনায়ক লে. কর্ণেল এস.এম এম শরীফুল ইসলাম জানান, স্থানীয় বিজিবি ক্যাম্পের জোয়ানরা ভারতীয় চোরাইপণ্যবাহী হলুদ পিকআপটি আটক করে কসবা উপজেলার নয়নপুর বাজারে। এ সময় চোরাকারবারিরা সংঘবদ্ধ হয়ে বিজিবি সদস্যদের সঙ্গে মব সৃষ্টি করে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে।

ঘটনাস্থলের পরিবেশ জটিল হয়ে পড়লে বিজিবি চোরাই পণ্যবাহী পিকআপটি ছেড়ে দেয়। উক্ত এলাকায় গুলি করার মতো পরিবেশ তৈরি হয়েছিল। গুলি এবং রক্তপাত এড়াতে মালামালগুলো ছেড়ে দেওয়া হয়। বিষয়টি অধিকতর তদন্ত সাপেক্ষে চোরাকারবারিদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করবে বিজিবি।

আরও পড়ুন: ফেনীতে মাদক সেবনের অভিযোগে ছাত্রদলের দুই নেতা সহ ৪ জন গ্রেপ্তার

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

প্রকল্পে দেরি হলে শাস্তি: সব মন্ত্রণালয়ে আসছে ড্যাশবোর্ড মনিটরিং ব্যবস্থা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ৩ই জুন, ২০২৬ ইং

০৮:৪৭ পি.এম


প্রকল্পে দেরি হলে শাস্তি: সব মন্ত্রণালয়ে আসছে ড্যাশবোর্ড মনিটরিং ব্যবস্থা

অর্থনীতি ও প্রশাসনিক ব্যবস্থাপনায় বড় ধরনের ডিজিটাল সংস্কার ও কঠোর নজরদারি ব্যবস্থা চালুর ঘোষণা দিয়েছেন পরিকল্পনা ও অর্থমন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী।

তিনি জানিয়েছেন, সরকারি উন্নয়ন প্রকল্পগুলোর অগ্রগতি প্রতিদিন পর্যবেক্ষণের জন্য সব মন্ত্রণালয়, এমনকি প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়েও ডিজিটাল ট্র্যাকিং ড্যাশবোর্ড স্থাপন করা হবে। এর পাশাপাশি প্রকল্প বাস্তবায়নে গাফিলতির জন্য সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে তাৎক্ষণিক শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

মঙ্গলবার ইকোনমিক রিপোর্টার্স ফোরাম (ইআরএফ) আয়োজিত ‘বাজেট ২০২৬-২৭: প্রত্যাশা ও বাস্তবতা’ শীর্ষক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, বাজেট বাস্তবায়নের ধীরগতির মূল সমস্যা বরাদ্দ নয়, বরং বাস্তবায়ন সক্ষমতা। তার ভাষায়, “বরাদ্দ কোনও সমস্যা নয়। আমাদের সমস্যা হলো- আমরা কত দ্রুত তা বাস্তবায়ন করতে পারি।”

তিনি জানান, প্রকল্প বাস্তবায়নে বাধাগুলো চিহ্নিত করে একটি নতুন তদারকি কাঠামো তৈরি করা হয়েছে, যার মাধ্যমে ব্যর্থতা বা স্থবিরতার জন্য দায়ী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

নতুন প্রকল্প অনুমোদন নীতি সম্পর্কে মন্ত্রী জানান, কর্মকর্তাদের জবাবদিহি নিশ্চিত করতে সরকার চারটি মানদণ্ডে প্রকল্প অনুমোদন দেবে। সেগুলো হলো- ব্যয়-সাশ্রয়ীতা, বিনিয়োগের রিটার্ন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং পরিবেশগত প্রভাব। এই চার মানদণ্ড পূরণে ব্যর্থ প্রকল্প অনুমোদন পাবে না বলেও তিনি স্পষ্ট করেন।

তিনি আরও জানান, পূর্ববর্তী প্রশাসন থেকে পাওয়া প্রায় এক হাজার ৩০০টি প্রকল্প এই মানদণ্ডে পুনর্মূল্যায়ন করা হচ্ছে। যেসব প্রকল্প অযোগ্য বলে বিবেচিত হবে, সেগুলো বাতিল করা হবে এবং যেসব প্রকল্পে ইতোমধ্যেই বড় অঙ্কের অর্থ ব্যয় হয়েছে, সেগুলোর উদ্দেশ্য পরিবর্তন করে পুনর্গঠন করা হবে।

মন্ত্রী দেশের ব্যাংক ও আর্থিক খাতে আস্থা পুনরুদ্ধারকে সরকারের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য হিসেবে উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, অনেক ব্যাংক বর্তমানে মূলধন ঘাটতিতে রয়েছে এবং মুদ্রার অবমূল্যায়নসহ বিভিন্ন কারণে বেসরকারি খাতও চাপের মধ্যে রয়েছে।

তিনি জানান, আন্তর্জাতিক অর্থায়ন করপোরেশন-আইএফসি-সহ বিভিন্ন সংস্থার সঙ্গে ব্যাংক পুনঃমূলধনীকরণ নিয়ে আলোচনা হয়েছে। পাশাপাশি ‘জেপি মরগান চেজ’-এর মতো আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানও এই উদ্যোগে আগ্রহ দেখিয়েছে।

মন্ত্রী বলেন, আমানতকারীরা যখন নিশ্চিত হবেন যে প্রয়োজন হলে তাদের টাকা তুলতে পারবেন, তখনই ব্যাংকিং খাতে আস্থা ফিরে আসবে।

তিনি আরও জানান, আগামী দুই সপ্তাহের মধ্যে যোগ্যতার ভিত্তিতে নতুন চেয়ারম্যান ও কমিশনার নিয়োগের মাধ্যমে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন পুনর্গঠন করা হবে।

অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জ ও বাজেট কৌশল প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, দারিদ্র্য বৃদ্ধি, কর্মসংস্থান সংকোচন, বিনিয়োগ হ্রাস এবং মূলধনী যন্ত্রপাতি আমদানি কমে যাওয়ার কারণে এবারের জাতীয় বাজেট প্রস্তুত করা অত্যন্ত কঠিন হয়ে পড়েছে।

তার দাবি, আগের দুই প্রশাসন থেকে একটি দুর্বল অর্থনীতি উত্তরাধিকার হিসেবে পাওয়া গেছে, যা পুনর্গঠনের চেষ্টা চলছে। বাজেটের আকারকে সমর্থন করে তিনি বলেন, অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড পুনরুজ্জীবিত করতে অতিরিক্ত ব্যয় প্রয়োজন। তিনি এই কৌশলকে ‘টিউবওয়েল চালুর আগে পানি ওঠানোর জন্য প্রাইমিং করার’ সঙ্গে তুলনা করেন।

তিনি জানান, আসন্ন অর্থবছরে ঝুঁকিপূর্ণ ও দরিদ্র জনগোষ্ঠীকে সহায়তার জন্য ‘ফ্যামিলি কার্ড’ কর্মসূচির আওতায় ১৪ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়া হবে।

এছাড়া খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কৃষকদের সহায়তায় ‘ফার্মার্স কার্ড’ বিতরণ কার্যক্রমও শুরু হয়েছে।

মন্ত্রী বাংলাদেশিদের স্বাস্থ্যসেবায় ব্যয় সম্পর্কে বলেন, স্বাস্থ্যসেবায় বাংলাদেশিরা এমনকি স্বল্প আয়ের দেশগুলোর তুলনায় বেশি ব্যয় করেন, যা প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবার দুর্বলতা নির্দেশ করে।

এই সমস্যা সমাধানে বেসরকারি সংস্থা ও এনজিওর মাধ্যমে বড় পরিসরে প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা কর্মসূচি চালুর পরিকল্পনার কথা জানান তিনি।

মন্ত্রী আরও বলেন, সৃজনশীল অর্থনীতিকে উৎসাহিত করতে সরকার দক্ষতা উন্নয়ন, পণ্যের মানোন্নয়ন এবং অ্যামাজন ও ইবে’র মতো আন্তর্জাতিক অনলাইন মার্কেটপ্লেসে প্রবেশে সহায়তা দেবে।

মন্ত্রী ব্যবসা পরিচালনায় জটিলতা কমানোর জন্য লিসেন্স ও অনুমোদন প্রক্রিয়া সহজ করার পরিকল্পনা জানিয়েছেন। তিনি বলেন, একটি ‘সিঙ্গেল-পয়েন্ট অনুমোদন ব্যবস্থা’ চালু করা হবে, যেখানে নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যে সব অনুমোদন দিতে হবে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কোনও দফতর সাড়া না দিলে সেটিকে স্বয়ংক্রিয় অনুমোদন হিসেবে গণ্য করা হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

দুই হাত দূর থেকে স্বাস্থ্যমন্ত্রীর চামচে ফুঁ, আলোচনায় চিকিৎসক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ৩ই জুন, ২০২৬ ইং

০৮:৪৮ পি.এম


দুই হাত দূর থেকে স্বাস্থ্যমন্ত্রীর চামচে ফুঁ, আলোচনায় চিকিৎসক

কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ (কুমেক) হাসপাতালে স্বাস্থ্যমন্ত্রীর খাবারের চামচে দুই হাত দূর থেকে ফুঁ দেওয়ার একটি ঘটনা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা তৈরি করেছে। ভাইরাল হওয়া সেই ভিডিওটিতে দেখা যায় কুমেক হাসপাতালের জুনিয়র কনসালট্যান্ট ডা. জি আর এম জিহাদুল ইসলাম রিয়াজকে ফুঁ দিতে।

এই ঘটনা ঘটে ২৫ মে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে, যখন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন আকস্মিক পরিদর্শনে আসেন। তিনি বিভিন্ন ওয়ার্ডের পরিবেশ, পরিচ্ছন্নতা এবং চিকিৎসাসেবার মান লক্ষ্য করেন। পাশাপাশি রোগীদের জন্য প্রস্তুত করা খাবারের গুণগত মান যাচাই করতে তিনি রান্নাঘরে গিয়ে নিজেই খাবার পরীক্ষা করেন।

পরিদর্শনের একপর্যায়ে মন্ত্রী দেখতে পান তরকারি গরম আছে, তখন তিনি চামচে ফুঁ দিয়ে ঠান্ডা করার চেষ্টা করেন। তখন তার পাশে থাকা ডা. জিহাদুল ইসলাম রিয়াজও দুই হাত দূর থেকে একই চামচে ফুঁ দেন। এই ঘটনাটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে বিষয়টি নিয়ে নানা আলোচনা এবং সমালোচনা শুরু হয়।

জানা গেছে, ডা. রিয়াজ কুমিল্লার দেবিদ্বার উপজেলার খয়রাবাদ এলাকার বাসিন্দা। বর্তমানে তিনি কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জুনিয়র কনসালট্যান্ট হিসেবে কর্মরত আছেন। ছাত্রজীবনে তিনি কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ শাখা studentদলের সভাপতি ছিলেন। ৩২তম বিশেষ বিসিএসের মাধ্যমে সরকারি চাকরিতে যোগদান করেন। কর্মজীবনের শুরুর দিকে তিনি কক্সবাজার সদর হাসপাতালে আবাসিক মেডিকেল কর্মকর্তা (আরএমও) হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। পরে দেবিদ্বার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে জুনিয়র কনসালট্যান্ট হিসেবে যোগ দেন। এরপর ওএসডি হিসেবে মহাখালীর স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে দায়িত্ব পালনের পর তিনি পুনরায় কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে যোগদান করেন।

এদিকে এই ঘটনায় ডা. জিহাদুল ইসলাম রিয়াজ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করে বলেন, "আমি মন্ত্রীর পাশে ছিলাম। তিনি যে খাবারটি পরীক্ষা করার জন্য নিয়েছিলেন, সেটি অনেক গরম ছিল। তাই স্বাভাবিকভাবেই ঠান্ডা করার জন্য ফুঁ দিয়েছিলাম। পরে দেখলাম বিষয়টি নিয়ে ব্যাপক সমালোচনা হচ্ছে এবং বিভিন্ন ফেসবুক পেজে পোস্ট করা হয়েছে।"

তিনি আরও বলেন, "মন্ত্রীকে তোষামোদ করার কোনো উদ্দেশ্য আমার ছিল না। আমি শুধু গরম খাবারটি ঠান্ডা করার জন্য ফুঁ দিয়েছিলাম। অন্য কোনো উদ্দেশ্য ছিল না।" সমালোচনার পরিপ্রেক্ষিতে তিনি বলেন, "মানুষ বিষয়টিকে যেভাবে দেখেছে, তা আমি আগে ভাবিনি। আমরা পাশাপাশি থাকলে অনেক সময় হঠাৎ করে কিছু কাজ করে ফেলি, কিন্তু সেগুলো এতটা চিন্তা করে করা হয় না। এখন বুঝতে পারছি, এ ধরনের বিষয়েও মানুষ অনেক গুরুত্ব দেয়। ভবিষ্যতে এ ধরনের বিষয়ে আরও সচেতন থাকব।"

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নারায়ণগঞ্জে আধুনিক পানি শোধনাগার স্থাপন নিয়ে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ৩ই জুন, ২০২৬ ইং

০৮:৫৩ পি.এম


নারায়ণগঞ্জে আধুনিক পানি শোধনাগার স্থাপন নিয়ে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

নারায়ণগঞ্জ নগরীতে নিরাপদ, নিরবচ্ছিন্ন এবং টেকসই পানি সরবরাহ নিশ্চিত করার লক্ষ্য নিয়ে আধুনিক পানি শোধনাগার স্থাপনের উদ্যোগ নিয়ে একটি মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বুধবার (৩ জুন) দুপুরে নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক অ্যাডভোকেট মো. সাখাওয়াত হোসেন খানের সঙ্গে পাওয়ার চায়না ইন্টারন্যাশনালের প্রতিনিধিদলের সৌজন্য সাক্ষাৎ ও মতবিনিময় সভার আয়োজন করা হয়।

সভায় সম্ভাব্য প্রকল্প বাস্তবায়ন, সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর এবং নগরীর ক্রমবর্ধমান পানি চাহিদা পূরণে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। একই সঙ্গে বিদ্যমান পানি সরবরাহ ব্যবস্থার সক্ষমতা এবং নিরাপদ পানির উৎস নিশ্চিত করার বিষয়গুলোও গুরুত্ব পায়।

আলোচনায় জানানো হয়, বর্তমানে নারায়ণগঞ্জ নগরীতে দৈনিক প্রায় ১২ কোটি লিটার পানির চাহিদা রয়েছে। নগরায়ণ, জনসংখ্যা বৃদ্ধি এবং অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড সম্প্রসারণের ফলে ভবিষ্যতে এ চাহিদা বেড়ে দৈনিক প্রায় ৫১.২ কোটি লিটারে পৌঁছাতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এই বাস্তবতায় আধুনিক পানি শোধনাগার স্থাপনের প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্ব আরোপ করা হয়।

সভায় প্রকল্পের কারিগরি, আর্থিক ও বাস্তবায়ন কাঠামো নিয়ে প্রাথমিক মতবিনিময় অনুষ্ঠিত হয়। সংশ্লিষ্টরা আশা প্রকাশ করেন, প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে নারায়ণগঞ্জের পানি সরবরাহ ব্যবস্থায় নতুন দিগন্তের সূচনা হবে এবং ভবিষ্যৎ চাহিদা মোকাবিলায় একটি টেকসই ভিত্তি তৈরি হবে।

সভায় উপস্থিত ছিলেন তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী মো. আজগর হোসেন, নগর পরিকল্পনাবিদ মো. মঈনুল ইসলাম। পাওয়ার চায়না ইন্টারন্যাশনালের পক্ষে হান কোন ও মোহাম্মদ মকবুল হোসেন উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কলকাতার মেয়র পদ থেকে সরে দাঁড়ালেন মমতার ঘনিষ্ঠ সহযোগী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বুধবার, ৩ই জুন, ২০২৬ ইং

০৮:৫৪ পি.এম


কলকাতার মেয়র পদ থেকে সরে দাঁড়ালেন মমতার ঘনিষ্ঠ সহযোগী

পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভায় হারের মাস না পেরোতেই তৃণমূল কংগ্রেস (টিএমসি) দ্বিতীয় ধাক্কা খেল। এবার কলকাতা পৌরসভাও তাদের হাতছাড়া হয়েছে।

কলকাতার মেয়রের পদ থেকে পদত্যাগ করেছেন প্রবীণ টিএমসি নেতা এবং মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অত্যন্ত বিশ্বস্ত সহযোগী ফিরহাদ হাকিম।

তৃণমূলের পরাজয়ের পর দলে চলমান অভ্যন্তরীণ সংকট এবং বিদ্রোহের জের ধরে তিনি এই পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নিয়ে থাকেন।

আনন্দবাজারের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বুধবার (৩ জুন) মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর ডাকে প্রশাসনিক বৈঠকে যোগ দিতে তৃণমূলের বেশ কয়েকজন বিধায়ক নবান্নে গিয়েছিলেন। তাঁদের মধ্যে ছিলেন কলকাতা বন্দরের বিধায়ক ফিরহাদও।

সেখান থেকে ফিরে মেয়র পদ থেকে পদত্যাগের সিদ্ধান্ত ঘোষণা করেন ফিরহাদ।

টিএমসি বিধায়ক কুণাল জানিয়েছেন, "পৌরসভায় এই মুহূর্তে কাজ করা যাচ্ছে না।" সেটাই তৃণমূলনেত্রী মমতাকে গিয়ে জানিয়েছিলেন ফিরহাদ।

কুণাল আরও জানান, ‘নেত্রী বারণ করেছিলেন।

কিন্তু ফিরহাদ সম্মানের সঙ্গে সরে দাঁড়াতে চেয়েছেন। এর পরে তিনি (মমতা) সম্মতি দিয়েছেন।’

তৃণমূলের অভ্যন্তরে ক্রমবর্ধমান অনিশ্চয়তার সঙ্গে সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলিতে কলকাতা পৌরসভাতে (কেএমসি) দলের কাউন্সিলরদের একের পর এক পদত্যাগের মধ্যেই ফিরহাদ হাকিমের পদত্যাগপত্র জমা পড়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪১
জোহর ১১:৪৫
আসর ০৩:৫৩
মাগরিব ০৫:৩০
ইশা ০৬:৪১
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:৩০
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%