প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবায় বিজিবির সঙ্গে চোরাকারবারি চক্রের সংঘর্ষের ঘটনাটি ঘটেছে।
বুধবার (৩ জুন) বিকেলে উপজেলার বায়েক ইউনিয়নের নয়নপুর বাজারে সংঘর্ষের সেই ঘটনা সংঘটিত হয়।
এ সময় একে অপরের গাড়ি ভাঙচুরের অভিযোগ উত্থাপিত হয়েছে। অন্যদিকে, বিজিবির পক্ষে দাবি করা হয়েছে যে চোরাকারবারিরা নিজেদের গাড়ি ভেঙে বিজিবির ওপর অভিযোগ চাপানোর চেষ্টা করছে।
এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, দুপুরের দিকে সীমান্ত এলাকা থেকে একটি হলুদ পিকআপে করে একটি চক্র ভারতীয় চোরাইপণ্য নিয়ে আসে। বিষয়টি স্থানীয় বিজিবি ক্যাম্পের সদস্যরা টের পেয়ে গাড়িটি আটক করেন।
এ সময় বিজিবির সাথে চোরাকারবারিরা বাকবিতণ্ডায় জড়ায়। একপর্যায়ে, চোরাকারবারিরা নিজেদের মালামালকে চোরাইপণ্য নয়, বৈধ পণ্য বলে দাবি করে। বিজিবির দাবি হচ্ছে যে এগুলো চোরাই পণ্য।
এ নিয়ে উভয় পক্ষের বাকবিতণ্ডা ও সংঘর্ষে জড়িয়ে গাড়িগুলোর ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। বিজিবির দাবি এই ঘটনায় চোরাকারবারিরা নিজেদের গাড়ির গ্লাস ভাঙচুর করে এবং বিজিবির বিরুদ্ধে অভিযোগ করে।
শেষে, আটককৃত ভারতীয় পণ্যগুলো ছেড়ে দেয় বিজিবি।
এ বিষয়ে সুলতানপুর ৬০ বিজিবি অধিনায়ক লে. কর্ণেল এস.এম এম শরীফুল ইসলাম জানান, স্থানীয় বিজিবি ক্যাম্পের জোয়ানরা ভারতীয় চোরাইপণ্যবাহী হলুদ পিকআপটি আটক করে কসবা উপজেলার নয়নপুর বাজারে। এ সময় চোরাকারবারিরা সংঘবদ্ধ হয়ে বিজিবি সদস্যদের সঙ্গে মব সৃষ্টি করে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে।
ঘটনাস্থলের পরিবেশ জটিল হয়ে পড়লে বিজিবি চোরাই পণ্যবাহী পিকআপটি ছেড়ে দেয়। উক্ত এলাকায় গুলি করার মতো পরিবেশ তৈরি হয়েছিল। গুলি এবং রক্তপাত এড়াতে মালামালগুলো ছেড়ে দেওয়া হয়। বিষয়টি অধিকতর তদন্ত সাপেক্ষে চোরাকারবারিদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করবে বিজিবি।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন