ঢাকা শনিবার, ১৭ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০১ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৬ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শনিবার, ১৭ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০১ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

মতপার্থক্য, গঠনমূলক সমালোচনা ও শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদই গণতন্ত্রের সৌন্দর্য: রাষ্ট্রপতি


মতপার্থক্য, গঠনমূলক সমালোচনা ও শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদই গণতন্ত্রের সৌন্দর্য: রাষ্ট্রপতি

রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর মন্তব্য করেছেন যে, রাজনীতিতে মতপার্থক্য, গঠনমূলক সমালোচনা এবং শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদই গণতন্ত্রের প্রকৃত সৌন্দর্য। তিনি আরও বলেন, "প্রতিহিংসার রাজনীতি গণতন্ত্রের বিকাশকে ব্যাহত করে।"

বুধবার (৭ অক্টোবর) সকালে হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (হাবিপ্রবি) উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম এনামুল্লাহর নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধিদল বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে গেলে তিনি এসব কথা বলেন।

সাক্ষাৎকালে হাবিপ্রবি উপাচার্য রাষ্ট্রপতিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের সার্বিক একাডেমিক কার্যক্রম সম্পর্কে অবহিত করেন। তিনি জানান, বর্তমানে বিশ্ববিদ্যালয়টিতে প্রায় ১৫ হাজার শিক্ষার্থী অধ্যয়নরত রয়েছে। এছাড়া, অবকাঠামোগত উন্নয়নে ৬০০ কোটি টাকা সরকারি বরাদ্দের বিষয়টিও রাষ্ট্রপতিকে অবহিত করেন।

আরও পড়ুন: ‘জনপ্রতিনিধিদের সব সমস্যা সমাধান সম্ভব নয়, নাগরিকদের এগিয়ে আসতে হবে’

উপাচার্য শূন্য পদে শিক্ষক নিয়োগ, ছাত্রীদের আবাসন সংকটসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন সমস্যা সমাধানে রাষ্ট্রপতির সহযোগিতা কামনা করেন।

রাষ্ট্রপতি এসব সমস্যা সমাধানে প্রতিনিধিদলকে আশ্বস্ত করেন। একই সঙ্গে, তিনি তুলনামূলকভাবে পিছিয়ে থাকা দেশের উত্তরাঞ্চলে উচ্চশিক্ষার প্রসারে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার মান সমুন্নত রাখার আহ্বান জানান।

সাক্ষাৎকালে হাবিপ্রবি উপাচার্য বিশ্ববিদ্যালয়ের আসন্ন সমাবর্তন অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রপতিকে আনুষ্ঠানিকভাবে আমন্ত্রণ জানান। রাষ্ট্রপতি আমন্ত্রণ গ্রহণ করে অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকার আশ্বাস দেন।

এ সময় রাষ্ট্রপতির সামরিক সচিব, সচিব ও প্রেস সচিব এবং হাবিপ্রবির উপ-উপাচার্য, ট্রেজারার ও রেজিস্ট্রার উপস্থিত ছিলেন।

আরও পড়ুন: মহাসচিবসহ দুই শীর্ষ নেতা বহিষ্কার, আমিনুল ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

হাবিপ্রবিতে ব্লাস্ট প্রতিরোধী নতুন ধানের জাত উদ্ভাবনে সম্ভাবনা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ৭ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৪:১০ পি.এম


হাবিপ্রবিতে ব্লাস্ট প্রতিরোধী নতুন ধানের জাত উদ্ভাবনে সম্ভাবনা

হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (হাবিপ্রবি) একদল গবেষক উচ্চ ফলনশীল, মরণঘাতী ব্লাস্ট রোগ প্রতিরোধী এবং চরাঞ্চল উপযোগী ধানের নতুন জাত উদ্ভাবনের পথে অগ্রসর হচ্ছেন। দিনাজপুরে বাংলাদেশ পাট গবেষণা ইনস্টিটিউটের (বিজেআরআই) গবেষণা মাঠে পরিচালিত এই গবেষণার ট্রায়াল সফলভাবে সম্পন্ন হলে দেশের খাদ্য নিরাপত্তা ও কৃষি অর্থনীতিতে নতুন অধ্যায়ের সূচনা হবে বলে মনে করা হচ্ছে।

গবেষণাটি পরিচালিত হচ্ছে হাবিপ্রবির প্ল্যান্ট প্যাথলজি বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. মামুনুর রশীদ, এগ্রোনমি বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. মমিনুর রহমান এবং জেনেটিক্স অ্যান্ড প্ল্যান্ট ব্রিডিং বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. আরিফুজ্জামান – এই তিন শিক্ষকের যৌথ তত্ত্বাবধানে। এগ্রোনমি বিভাগের মাস্টার্স ডিগ্রীতে অধ্যয়নরত তিনজন শিক্ষার্থী– মোছা. আজিজা খাতুন, মো. শামসুল আলম মানিক ও মো. মাসুম রেজা– তিনটি আলাদা প্রজেক্টে কাজ করছেন।

প্রথম প্রজেক্টে মোছা. আজিজা খাতুন বিলুপ্তপ্রায় ৬টি দেশীয় ধান নিয়ে গবেষণা করছেন। এই ধানগুলো ক্ষতিকর ব্লাস্ট রোগের বিরুদ্ধে ১০০ শতাংশ প্রতিরোধ ক্ষমতা প্রদর্শন করেছে। দ্বিতীয় প্রজেক্টে মো. শামসুল আলম মানিক চরাঞ্চলের প্রতিকূল পরিবেশে কম সেচ ও সীমিত নাইট্রোজেন সার ব্যবহার করে আমন ধানের উচ্চ ফলনের সম্ভাবনা নিয়ে কাজ করছেন। তৃতীয় প্রজেক্টে মো. মাসুম রেজা সনাতন প্রজনন পদ্ধতিতে ষষ্ঠ প্রজন্মের উন্নত লাইন এবং উচ্চ পুষ্টিগুণসম্পন্ন ‘ফাইন ব্ল্যাক রাইস’ (চিকন কালো ধান) উদ্ভাবনের ট্রায়াল চালিয়ে যাচ্ছেন।

সম্প্রতি পাট গবেষণা ইনস্টিটিউটের গবেষণা মাঠে চলমান প্রজেক্টগুলো সরেজমিনে পরিদর্শন করেন হাবিপ্রবির ট্রেজারার অধ্যাপক ড. মো. মাসুদুল হাসান খান, দিনাজপুর জেলা বীজ প্রত্যয়ন অফিসার কৃষিবিদ মো. জাফর ইকবাল এবং দিনাজপুর আঞ্চলিক ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটের (ব্রি) বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. সৈয়দ জাহিদ হাসান। এ সময় গবেষক দল ও বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরাও উপস্থিত ছিলেন।

কৃষিবিদ মো. জাফর ইকবাল পরিদর্শনকালে বলেন, এখানে জেনেটিক রিসোর্স সমৃদ্ধকরণ ও প্রোডাক্টিভিটি বৃদ্ধির লক্ষ্যে যে ট্রায়ালগুলো স্থাপন করা হয়েছে, তা অত্যন্ত প্রশংসনীয় উদ্যোগ। কোনো উদ্ভাবনকে জাত হিসেবে আত্মপ্রকাশ করতে হলে বিদ্যমান জাতগুলোর চেয়ে এগ্রোনমিক বৈশিষ্ট্য ও ফলনে অন্তত ১০ শতাংশ বেশি অর্জন দেখাতে হয়। ফসল কাটার পর কাঙ্ক্ষিত প্যারামিটারগুলো পূরণ হলে জাতীয় বীজ বোর্ডে (এনএসবি) আবেদন করা যাবে। পরবর্তীতে বীজ প্রত্যয়ন এজেন্সির অধীনে দেশে বহু-আঞ্চলিক ট্রায়াল সফল হলে এটি কৃষকদের জন্য নতুন হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে অবমুক্ত করা হবে।

ড. সৈয়দ জাহিদ হাসান এই গবেষণার ভূয়সী প্রশংসা করে বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় ও গবেষণাপ্রতিষ্ঠানের এমন যৌথ উদ্যোগ কৃষক পর্যায়ে বৈপ্লবিক পরিবর্তন আনবে।

প্রধান গবেষক অধ্যাপক ড. মো. মামুনুর রশীদ বলেন, দিনাজপুর ব্লাস্ট রোগের হটস্পট হওয়ায় জলবায়ু পরিবর্তনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় রোগপ্রতিরোধী ও চর এলাকার উপযোগী নতুন জাত উদ্ভাবনই আমাদের মূল লক্ষ্য।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আলফাডাঙ্গায় বকেয়া ও চাষাবাদে ক্ষতিপূরণের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

কবির হোসেন, আলফাডাঙ্গা (ফরিদপুর) প্রতিনিধি

বুধবার, ৭ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৪:১৪ পি.এম


আলফাডাঙ্গায় বকেয়া ও চাষাবাদে ক্ষতিপূরণের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন

ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গায় বকেয়া বেতন-ভাতা, বোনাস ও ছুটির টাকাসহ ২৪ লাখ ৮৭ হাজার টাকা পরিশোধ এবং ঘাস ও ভুট্টা চাষে হওয়া আর্থিক ক্ষতির ক্ষতিপূরণের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন করেছেন মো. নাসিরুজ্জামান। একই সঙ্গে পাওনা অর্থ আদায় ও নিরাপত্তার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন তিনি।

বুধবার (৭ অক্টোবর) দুপুরে আলফাডাঙ্গা ডাকবাংলোসংলগ্ন এলাকায় এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে নাসিরুজ্জামান বলেন, ২০১৯ সালের ১৯ অক্টোবর মোহাম্মদীয়ার এমডি মো. ইমামুল হক জনির ফোন পেয়ে ঢাকায় গিয়ে তার প্রতিষ্ঠানে লজিস্টিক ইনচার্জ হিসেবে কাজ শুরু করেন। পরে প্রতিষ্ঠানের পরিচালক মো. ইউসুফ আলামিনের সঙ্গে তার পরিচয় হয়। ইউসুফ আলামিনের অনুরোধে তিনি তার গরুর খামারের দায়িত্বও নেন।

নাসিরুজ্জামানের দাবি, শুরুতে মাসিক ৪৫ হাজার টাকা বেতনে কাজ করলেও পরবর্তীতে কাজের পরিধি বাড়ায় বেতন ৬০ থেকে ৬৫ হাজার টাকা করার আশ্বাস দেওয়া হয়। পাশাপাশি চাকরির সময়ের বাইরে খামারের কাজ করার দায়িত্বও দেওয়া হয়।

তিনি বলেন, ইউসুফ আলামিনের অনুরোধে বিভিন্ন এলাকায় জমি লিজ নিয়ে ঘাস ও ভুট্টা চাষ শুরু করেন। এ কাজে জমির লিজ, শ্রমিক, বীজ, যন্ত্রপাতি ও অন্যান্য খাতে বিপুল অর্থ ব্যয় করেন তিনি। উৎপাদিত ঘাস ও ভুট্টা নির্ধারিত দামে নেওয়ার কথা থাকলেও পরবর্তীতে তা নেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ করেন নাসিরুজ্জামান।

লিখিত বক্তব্যে তিনি জানান, বেতন বাবদ ১৯ লাখ ৮০ হাজার টাকা, বোনাস ১ লাখ ৩৫ হাজার টাকা, ছুটির টাকা ২ লাখ ৮২ হাজার টাকা এবং অন্যান্য পাওনা ৯০ হাজার টাকা—সব মিলিয়ে তার ২৪ লাখ ৮৭ হাজার টাকা পাওনা রয়েছে।

এ ছাড়া বিভিন্ন এলাকায় প্রায় ২১ একর, ২৫ একর, ৫ একর ৪০ শতাংশ, ১ একর, ৪ একর ও ৭ একর জমিতে ঘাস ও ভুট্টা চাষে জমির লিজ, শ্রমিক, বীজ, যন্ত্রপাতি ও অন্যান্য খাতে প্রায় ১ কোটি ১০ লাখ টাকা ব্যয় হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি। তবে চূড়ান্ত হিসাব ও সংশ্লিষ্ট কাগজপত্র যাচাইয়ের পর প্রকৃত ব্যয় ও ক্ষতির পরিমাণ নির্ধারণ করা সম্ভব হবে বলেও জানান তিনি।

নাসিরুজ্জামানের আরও অভিযোগ, আদিয়াত ফার্মের পক্ষ থেকে উৎপাদিত ঘাস না নেওয়ায় জমি পরিষ্কারসহ অতিরিক্ত প্রায় ৩৩ লাখ টাকা ব্যয় করতে হয়েছে। এতে তিনি বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছেন বলে দাবি করেন।

তিনি বলেন, পাওনা অর্থ পরিশোধের জন্য সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে আইনজীবীর মাধ্যমে নোটিশ দেওয়া হলেও এর কোনো জবাব পাওয়া যায়নি। পাশাপাশি তাকে বিভিন্নভাবে হুমকি দেওয়া হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।

সংবাদ সম্মেলনে নাসিরুজ্জামান তার বকেয়া পাওনা পরিশোধ, চাষাবাদে হওয়া আর্থিক ক্ষতির প্রতিকার এবং নিজের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেন।

এ বিষয়ে অভিযুক্ত মো. ইউসুফ আলামিনের বক্তব্য জানতে মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে ফোন বন্ধ থাকায় তার বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

চরফ্যাশনে পদত্যাগের এক বছর পরে পুনরায় পদে ফেরার চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে মাদ্রাসা শিক্ষকের বিরুদ্ধে অনিয়ম ও ভুয়া স্বাক্ষরের মাধ্যমে নিয়োগের তথ্য মিলেছে তদন্তে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

এইচ এম নোমান চরফ্যাশন

বুধবার, ৭ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৪:১৫ পি.এম


চরফ্যাশনে পদত্যাগের এক বছর পরে পুনরায় পদে ফেরার চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে মাদ্রাসা শিক্ষকের বিরুদ্ধে  অনিয়ম ও ভুয়া স্বাক্ষরের মাধ্যমে নিয়োগের তথ্য মিলেছে তদন্তে

 

ভোলার চরফ্যাশন উপজেলার এওয়াজপুর অজুফিয়া আলিম মাদ্রাসার সহ-সুপার মোঃ ইকবাল হোসেনের বিরুদ্ধে চাকরি থেকে ইস্তফা দেওয়ার প্রায় এক বছর পর পুনরায় প্রতিষ্ঠানে ফেরার চেষ্টা এবং সরকারি বেতন-ভাতা উত্তোলনের চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে। প্রমাণের পক্ষে মাদ্রাসার হাজিরা খাতায় তার নামের পাশে ‘ইস্তফা’ উল্লেখ থাকা এবং পরবর্তী সময়ের ক্লাস রুটিনে তার নাম না থাকার বিষয়টি সামনে এসেছে।
নথিপত্র সূত্রে জানা যায়, শারীরিক অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে মোঃ ইকবাল হোসেন ২০২৫ সালের ৩১ আগস্ট চাকরি থেকে অব্যাহতি চেয়ে আবেদন করেন। এরপর মাদ্রাসার ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মোঃ শাহজাহান ও সভাপতি মোহাম্মদ শরীফ হোসেনের স্বাক্ষরে তার ইনডেক্স বাতিলের (ডিলিট) আবেদন মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তরে পাঠানো হয়। পদত্যাগের আবেদন ও ইনডেক্স বাতিলের প্রক্রিয়া চলার পর থেকে তিনি আর নিয়মিত একাডেমিক কার্যক্রমে অংশ নেননি বলে অভিযোগ রয়েছে।
মাদ্রাসা সংশ্লিষ্ট নথিতে হাজিরার খাতায় ইকবাল হোসেনের নামসংলগ্ন স্থানে ‘ইস্তফা’ লেখা রয়েছে এবং পরবর্তী সময়ের ক্লাস রুটিনেও তার নাম পাওয়া যায়নি। ফলে দায়িত্বে না থাকা এবং রুটিনে নাম না থাকার পরও কীভাবে তিনি পুনরায় প্রতিষ্ঠানে ফেরার চেষ্টা করছেন এবং বেতন-ভাতা উত্তোলনের সুযোগ তৈরি হচ্ছে, তা নিয়ে বিভিন্ন মহল থেকে প্রশ্ন উঠেছে।
এদিকে, মোঃ ইকবাল হোসেনের মূল নিয়োগ প্রক্রিয়া নিয়েও গুরুতর অনিয়মের অভিযোগ রয়েছে। উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মোঃ মহিউদ্দিনের করা একটি তদন্ত প্রতিবেদনে ২০২৪ সালের নিয়োগসংক্রান্ত রেজুলেশনে অনিয়মের তথ্য উঠে আসে। ওই প্রতিবেদনে বলা হয়, পরিচালনা পর্ষদের সাবেক সদস্য ও শিক্ষক প্রতিনিধিদের ভুয়া স্বাক্ষর ব্যবহার করে ওই নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হয়েছিল।
তদন্ত প্রতিবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়, মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালকের (ডিজি) প্রতিনিধি উপস্থিত না থাকা সত্ত্বেও নিয়মবহির্ভূতভাবে নিয়োগ প্রক্রিয়া চালানো হয়। তদন্তকালে অভিযুক্ত সহ-সুপারকে নিয়োগসংক্রান্ত মূল নথিপত্রসহ হাজির হতে বলা হলেও তিনি তা দেখাতে ব্যর্থ হন। এমনকি মাদ্রাসা অফিসের সংশ্লিষ্ট নথিপত্রেও তার নিয়োগের প্রয়োজনীয় মূল কাগজপত্র পাওয়া যায়নি।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, নিয়োগসংক্রান্ত অনিয়মের অভিযোগ এবং পদত্যাগের পর পুনরায় প্রতিষ্ঠানে ফেরার চেষ্টার বিষয়টি সমন্বিতভাবে তদন্ত করা প্রয়োজন। দায়িত্ব পালন না করে কোনো সরকারি অর্থ বা বেতন-ভাতা উত্তোলন করা হয়েছে কি না, সেটিও খতিয়ে দেখার আহ্বান জানিয়েছেন তারা। একই সঙ্গে মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তর ও সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ নথিপত্র যাচাই করে তার নিয়োগের বৈধতা, পদত্যাগের কার্যকারিতা এবং ইনডেক্সের বর্তমান অবস্থা পরিষ্কার করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে বলে তারা দাবি জানান।

ওই মাদ্রাসার সহকারী শিক্ষক আরবি মো: হেলাল উদ্দিন জানান," সহসুপার পদত্যাগ করার পর থেকে আমাদের হাজিরা খাতায় তার নামস্হানে ইস্তেফা লেখা রয়েছে এবং ক্লাস রুটিনে তার কোন নামও নেই। "


এওয়াজপুর অজুফিয়া আলিম মাদরাসার পদত্যাগকৃত সহসুপার মো: ইকবাল হোসাইন বলেন, " আমি নিজের ইচ্ছে পদত্যাগ করিনি,অসুস্থকালীন প্রতিষ্ঠান প্রধান ও দাতা সদস্য ছালাম জমাদার আমাকে জোর পূর্বক পদত্যাগে বাধ্য করেছে। "

এ বিষয়ে জানতে চাইলে মাদ্রাসার সদ্য বিলুপ্ত কমিটির সভাপতি অধ্যক্ষ মীর শরীফ হোসাইন বলেন,"সহসুপার মোহাম্মদ ইকবাল হোসাইন নিজে পদত্যাগ করেছেন।তার পদত্যাগের আবেদনটি ম্যানেজিং কমিটির সভায় গৃহীত হয়েছে। পাশাপাশি এমপিওভুক্ত তালিকা থেকে তার নাম কর্তনের জন্য যথাযথ কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদনও করা হয়েছে। "

এব্যাপারে বক্তব্য নিতে চরফ্যাশন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রুমানা আফরোজকে ফোন দেওয়া হয়েছে। রিসিভ না করায় বক্তব্য নেওয়া যায়নি।


উপজেলা প্রশাসনের একটি সূত্রে জানা গেছে, একটি মহল ওই সহসুপারের বেতন পাশ করাতে জোর তদবির করেছে। তবে এরিপোট লেখা পর্যন্ত তার বেতন পাশ হয়নি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রাজধানীতে ২৪ ঘণ্টায় গ্রেফতার ৪৬৫ জন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ৭ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৪:১৬ পি.এম


রাজধানীতে ২৪ ঘণ্টায় গ্রেফতার ৪৬৫ জন

রাজধানী ঢাকায় গত ২৪ ঘণ্টায় ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) নিয়মিত অভিযানের ফলস্বরূপ ৪৬৫ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। একই সময়ে ৭৩টি মামলা দায়ের করা হয়েছে।

গ্রেফতার হওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে রমনা বিভাগ থেকে ২১ জন, লালবাগ বিভাগ থেকে ৫৫ জন, ওয়ারী বিভাগ থেকে ৫৯ জন, মতিঝিল বিভাগ থেকে ৭৫ জন, তেজগাঁও বিভাগ থেকে ৬০ জন, মিরপুর বিভাগ থেকে ১১৪ জন, গুলশান বিভাগ থেকে ২৯ জন, উত্তরা বিভাগ থেকে ৪২ জন এবং গোয়েন্দা বিভাগ থেকে ১০ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

অভিযানের সময় ১টি বিদেশি পিস্তল, ২টি ম্যাগাজিন, ৮ রাউন্ড গুলি, ৪টি ছুড়ি, ১টি স্টিলের কাটার, ২৪৮৪ পিস ইয়াবা এবং ২ কেজি ৩৬০ গ্রাম গাঁজা উদ্ধার করা হয়।

ডিএমপির ডি‌সি (মি‌ডিয়া) মো. আকতার হে‌সেন জানিয়েছেন, গ্রেফতারদের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৬ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪১
জোহর ১১:৪৫
আসর ০৩:৫৩
মাগরিব ০৫:৩১
ইশা ০৬:৪২
সূর্যোদয় : ০৫:৫৬ সূর্যাস্ত : ০৫:৩১
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%