মনিরুল ইসলাম , সাপাহার (নওগাঁ) প্রতিনিধি
০৩:১৬ পি.এম
নওগাঁর সাপাহার উপজেলার নিউমার্কেট এলাকার মোল্লা টেলিকমের কাদের মোল্লা নামে এক ব্যক্তি নিখোঁজ হয়েছেন। গত ৪ নভেম্বর ২০২৬ ইং তারিখ রাত ১০টার পর থেকে তাঁর কোনো খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে না। এ ঘটনায় পরিবারের পক্ষ থেকে সাপাহার থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়েছে।
পরিবার সূত্রে জানা যায়, নিখোঁজ হওয়ার পর থেকে আত্মীয়স্বজন ও পরিচিতজনদের কাছে খোঁজখবর নেওয়াসহ সম্ভাব্য বিভিন্ন স্থানে অনুসন্ধান চালানো হচ্ছে। কিন্তু এখন পর্যন্ত তাঁর কোনো সন্ধান মেলেনি। প্রিয়জনের অপেক্ষায় উদ্বিগ্ন সময় পার করছেন পরিবারের সদস্যরা।
এ অবস্থায় কাদের মোল্লার সন্ধান পেতে সাপাহারসহ আশপাশের এলাকার সর্বস্তরের মানুষের সহযোগিতা কামনা করেছে পরিবার। কোনো ব্যক্তি তাঁকে কোথাও দেখে থাকলে কিংবা তাঁর অবস্থান সম্পর্কে কোনো তথ্য জেনে থাকলে দ্রুত নিচের নম্বরগুলোতে যোগাযোগ করার জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ জানানো হয়েছে।
যোগাযোগ:
০১৭৩২-০৯৭১২৭ — কাদেরের বড় ভাই
০১৭৭৫০৫০৯৫৫ — কাদেরের ভাগ্নে
পরিবারের পক্ষ থেকে সবার প্রতি বিনীত অনুরোধ, একটি মানবিক সহযোগিতা হয়তো একজন নিখোঁজ মানুষকে তাঁর পরিবারের কাছে ফিরিয়ে দিতে পারে। তাই কাদের মোল্লার সন্ধানে সংবাদটি বেশি বেশি শেয়ার করে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিন।
আপনার একটি তথ্যই ফিরিয়ে দিতে পারে একটি পরিবারের মুখে হাসি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
যুক্তরাষ্ট্রের রাজনৈতিক ক্ষমতার পরিবর্তনের সঙ্গে ইউক্রেনকে দ্রুত খাপ খাইয়ে নিতে হবে। এই প্রেক্ষাপটে, দেশটির জন্য সামরিক ও আর্থিক সহায়তা বাড়ানোর লক্ষ্যে ওয়াশিংটনের সঙ্গে নতুনভাবে কার্যকর যোগাযোগ গড়ে তোলা প্রয়োজন। কিয়েভের প্রধান অগ্রাধিকার এখন রাশিয়ার বিরুদ্ধে যুদ্ধ চালিয়ে যেতে আকাশ প্রতিরক্ষাব্যবস্থা শক্তিশালী করা এবং প্যাট্রিয়ট ক্ষেপণাস্ত্রের সরবরাহ নিশ্চিত করা।
বৃহস্পতিবার সম্প্রচারিত এক সাক্ষাৎকারে এসব মন্তব্য করেছেন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি। যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে কংগ্রেসের নিয়ন্ত্রণ ডেমোক্র্যাটদের হাতে যাওয়ার পর নতুন রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে ইউক্রেনের কৌশল নির্ধারণের ওপর তিনি গুরুত্ব আরোপ করেন।
স্পেনে অনুষ্ঠিত আইবেরো-আমেরিকান সম্মেলনের ফাঁকে ইউক্রেনের টেলিভিশন চ্যানেল টিএসএনকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে জেলেনস্কি বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের রাজনৈতিক কাঠামোয় পরিবর্তনের বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণ করা আবশ্যক। ওয়াশিংটনের সঙ্গে সংলাপের ধরনও নতুন বাস্তবতার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ করতে হবে।
জেলেনস্কি যুক্তরাষ্ট্রের কাছে ১৬ বিলিয়ন ডলারের সহায়তা দাবি করেছেন। তিনি বলেন, ইউক্রেনের জন্য আরও সামরিক ও আর্থিক সহায়তা প্রয়োজন। নতুন সহায়তা প্যাকেজের পাশাপাশি ওয়াশিংটন যে ১৬ বিলিয়ন ডলারের সহায়তার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল, সেটিও আদায় করতে চায় কিয়েভ।
তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের রাজনৈতিক ক্ষমতার পরিবর্তনের বিষয়টি বুঝে দুই দলের সঙ্গেই সম্পর্ক জোরদার করতে হবে। ইউক্রেনকে দ্রুত নতুন রাজনৈতিক বাস্তবতার সঙ্গে মানিয়ে নিয়ে কাজ করতে হবে। তার মতে, যুক্তরাষ্ট্রের দুই প্রধান রাজনৈতিক দলের সমর্থন ধরে রাখতে পারলে ইউক্রেনের জন্য আরো সহায়তা পাওয়ার সুযোগ রয়েছে।
জেলেনস্কি বলেন, ‘আমাদের দ্রুত এগোতে হবে। যুক্তরাষ্ট্রে ক্ষমতার পরিবর্তন বুঝে সঠিক উপায়ে সংলাপ গড়ে তুলতে হবে। আমার বিশ্বাস, সমর্থন বাড়ানোর সুযোগ আমাদের রয়েছে।’
রাশিয়ার সঙ্গে যুদ্ধ দীর্ঘায়িত হওয়ায় ইউক্রেনের আকাশ প্রতিরক্ষাব্যবস্থা শক্তিশালী করা এখন সবচেয়ে জরুরি বলে জানিয়েছেন জেলেনস্কি। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রের তৈরি প্যাট্রিয়ট আকাশ প্রতিরক্ষাব্যবস্থার জন্য পর্যাপ্ত ক্ষেপণাস্ত্র সংগ্রহের ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন তিনি।
জেলেনস্কির ভাষায়, প্যাট্রিয়ট ক্ষেপণাস্ত্রের সংকট সমাধান করা না গেলে ইউক্রেনের পরিস্থিতি অত্যন্ত কঠিন হয়ে পড়বে। এ সমস্যা সমাধানে ইউরোপ, ইউরোপের বাইরের কয়েকটি দেশ এবং যুক্তরাষ্ট্রকে এগিয়ে আসতে হবে।
তিনি বলেন, ‘এ মুহূর্তে এটিই আমাদের এক নম্বর অগ্রাধিকার।’ সম্প্রতি ইউক্রেনের জন্য ২১০ কোটি ডলার মূল্যের ৫০০টি প্যাট্রিয়ট পিএসি-৩ ক্ষেপণাস্ত্র বিক্রির প্রস্তাব অনুমোদন করেছে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর। তবে এসব ক্ষেপণাস্ত্র সরবরাহ পেতে ২০৩০-এর দশকের শুরুর দিক পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হতে পারে।
গত ৩০ অক্টোবর যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর এ বিক্রির অনুমোদনের কথা জানায়। কানাডা, জার্মানি ও নরওয়ের অর্থায়নে যুক্তরাষ্ট্রের একটি কর্মসূচির আওতায় ক্ষেপণাস্ত্রগুলো কেনার পরিকল্পনা রয়েছে। এতে যুক্তরাষ্ট্রের নিজস্ব অর্থ ব্যয় হচ্ছে না।
এর আগে ইউক্রেন অভিযোগ করেছিল, রাশিয়ার ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত করার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এসব অস্ত্র সরবরাহে বিলম্ব হচ্ছে। জেলেনস্কি সতর্ক করেছিলেন, রুশ হামলা মোকাবিলায় প্রয়োজনীয় প্যাট্রিয়ট ক্ষেপণাস্ত্রের মজুত দ্রুত কমে আসছে।
ফলে বিক্রির অনুমোদন পাওয়া গেলেও দ্রুত ক্ষেপণাস্ত্র হাতে না পাওয়ায় কিয়েভের উদ্বেগ কাটছে না। প্যাট্রিয়ট ক্ষেপণাস্ত্রের পাশাপাশি আগামী পাঁচ থেকে ছয় মাসের জন্য পর্যাপ্তসংখ্যক সচল এফ-১৬ যুদ্ধবিমান নিশ্চিত করার চেষ্টা করছে ইউক্রেন।
জেলেনস্কি জানিয়েছেন, রাশিয়ার বিমান হামলা মোকাবিলা এবং আকাশ প্রতিরক্ষা জোরদার করতে এসব যুদ্ধবিমান গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। তাই আগামী কয়েক মাসের জন্য প্রয়োজনীয় যুদ্ধবিমান সচল রাখার ব্যবস্থা করতে কাজ করছে তার সরকার।
এদিকে, রাশিয়া ইউক্রেনের জ্বালানি অবকাঠামো লক্ষ্য করে হামলা অব্যাহত রেখেছে। সামনে আরেকটি শীত মৌসুম আসায় বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সরবরাহ নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে। জেলেনস্কি বলেছেন, রুশ হামলার কারণে রাজধানী কিয়েভের পরিস্থিতি সবচেয়ে কঠিন অবস্থায় রয়েছে। শীতের মধ্যে জ্বালানি অবকাঠামোয় হামলা অব্যাহত থাকলে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ আরও বাড়তে পারে।
যুদ্ধ-পরবর্তী ইউক্রেনের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ইউরোপীয় ইউনিয়ন, ন্যাটো এবং যুক্তরাষ্ট্রের কর্মকর্তারা আলোচনা করছেন বলেও জানিয়েছেন জেলেনস্কি। চলতি সপ্তাহে ব্রাসেলসে অনুষ্ঠিত বৈঠকে যুদ্ধ শেষ হওয়ার পর ইউক্রেনের নিরাপত্তা নিশ্চয়তা কীভাবে কার্যকর করা যায়, সে বিষয়ে বিভিন্ন প্রস্তাব নিয়ে আলোচনা হয়েছে। এ ক্ষেত্রে কিছু অগ্রগতিও হয়েছে বলে জানান তিনি।
যুক্তরাষ্ট্রের বিশেষ দূত জ্যারেড কুশনার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে এসব আলোচনাকে ফলপ্রসূ ও গুরুত্বপূর্ণ বলে উল্লেখ করেছেন। এদিকে, ইউক্রেন ও রাশিয়ার মধ্যে যুদ্ধ বন্ধের লক্ষ্যে যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বে আলোচনা আগামী সপ্তাহে সংযুক্ত আরব আমিরাতের আবুধাবিতে আবার শুরু হওয়ার কথা রয়েছে।
প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে জেলেনস্কির সম্পর্ক গত কয়েক বছরে নানা টানাপোড়েনের মধ্য দিয়ে গেছে। বিশেষ করে ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারিতে হোয়াইট হাউসে দুই নেতার বৈঠকে ইউক্রেনের প্রতি মার্কিন সহায়তা ও জেলেনস্কির কৃতজ্ঞতা প্রকাশ নিয়ে প্রকাশ্য বিতর্ক তৈরি হয়েছিল।
এরপর থেকে ওয়াশিংটনের সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক রাখা এবং যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক সহায়তা অব্যাহত রাখার জন্য চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট। যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে কংগ্রেসের নিয়ন্ত্রণ ডেমোক্র্যাটদের হাতে যাওয়ার পর সেই প্রচেষ্টায় নতুন মাত্রা যুক্ত হয়েছে। জেলেনস্কির মতে, ক্ষমতার পরিবর্তনের সঙ্গে তাল মিলিয়ে দুই দলের সঙ্গেই যোগাযোগ বাড়াতে হবে।
অন্যদিকে, ইউক্রেনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আন্দ্রি সিবিহাও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনের পর ইউক্রেনের জন্য নতুন সহায়তার সুযোগ তৈরির আশা প্রকাশ করেছেন। তবে তার মতে, যুক্তরাষ্ট্রকে বাদ দিয়ে রাশিয়ার সঙ্গে যুদ্ধের অবসান ঘটানো বাস্তবসম্মত নয়। পাশাপাশি ইউরোপেরও আরও কার্যকর ভূমিকা থাকা প্রয়োজন।
সব মিলিয়ে রাশিয়ার অব্যাহত হামলা, প্যাট্রিয়ট ক্ষেপণাস্ত্রের ঘাটতি, জ্বালানি অবকাঠামোর নিরাপত্তা এবং যুক্তরাষ্ট্রের পরিবর্তিত রাজনৈতিক পরিস্থিতি—সবকিছু বিবেচনায় নিয়ে নতুন কৌশল সাজাতে চাইছে কিয়েভ।
তথ্যসূত্র: রয়টার্স, অ্যাসোসিয়েটেড প্রেস, স্ট্রীট ইনসাইডার ও দ্য ওয়াশিংটন পোস্ট
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোর আন্তর্জাতিক ফুটবল থেকে বিদায়ের ঘোষণায় ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনো প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন। তিনি পর্তুগিজ মহাতারকার দীর্ঘ ও সফল ক্যারিয়ারের প্রশংসা করে ধন্যবাদ জানিয়েছেন বিশ্ব ফুটবলের সর্বোচ্চ সংস্থার প্রধান। একই সঙ্গে, রোনালদোর অর্জনকে ফুটবল ইতিহাসের একটি অবিস্মরণীয় অধ্যায় হিসেবে উল্লেখ করেছেন ইনফান্তিনো।
বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) ইনস্টাগ্রামের একটি বার্তায় ইনফান্তিনো বলেছেন, ‘ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোর মতো করে খুব কম খেলোয়াড়ই ফুটবল ভক্তদের হৃদয় স্পর্শ করতে পেরেছিল। অসাধারণ প্রতিভা, অটল সংকল্প এবং সম্ভাবনার সীমা ছাড়িয়ে যাওয়ার নিরন্তর আকাঙ্ক্ষা দ্বারা সংজ্ঞায়িত একটি ক্যারিয়ার।’
রোনালদো আন্তর্জাতিক ফুটবলে সর্বোচ্চ গোলদাতা হিসেবে পরিচিত। তিনি প্রথম খেলোয়াড় হিসেবে ছয়টি বিশ্বকাপে অংশ নেয়ার কীর্তি অর্জন করেছেন। এসব অর্জনের পাশাপাশি, নতুন প্রজন্মের ওপর তার প্রভাবের কথাও তুলে ধরেছেন ফিফা সভাপতি।
ইনফান্তিনো আরও উল্লেখ করেছেন, ‘ক্রিস্টিয়ানো এমন কিছু কীর্তি অর্জন করেছেন, যেটা সম্ভবত কখনও পুনরাবৃত্তি করা যাবে না। কিন্তু তার কীর্তি এসব রেকর্ড, শিরোপা ও গোলকেও ছাড়িয়ে যাওয়ার মতো। তিনি একটি প্রজন্মকে অনুপ্রেরণা দিয়ে গেছেন, লাখ লাখ ভক্তকে একত্রিত করেছেন, পর্তুগালের আশা ও গৌরবকে বিশ্বের সর্বশ্রেষ্ঠ মঞ্চে বহন করে নিয়ে গেছেন।’
শেষে রোনালদোকে ধন্যবাদ জানিয়ে ইনফান্তিনো বলেন, তার আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ার আজীবন ফুটবল ইতিহাসের অংশ হয়ে থাকবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসের উপলক্ষে শনিবার (৭ অক্টোবর) সারাদেশের বিভিন্ন স্থানে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রার আয়োজন করা হবে, এমনটি জানিয়েছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।
শুক্রবার (৬ নভেম্বর) রাজধানীর নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে বিপ্লব ও সংহতি দিবসের কর্মসূচি সম্পর্কে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এই তথ্য প্রদান করেন।
রিজভী জানান, শোভাযাত্রার উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। শোভাযাত্রাটি নয়াপল্টন থেকে শুরু হয়ে মানিক মিয়া অ্যাভিনিউতে গিয়ে শেষ হবে।
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব আরও বলেন, নির্বাচিত সরকারকে বাধাগ্রস্ত করার জন্য অভ্যন্তরীণ ও বাহ্যিক বিভিন্ন অপতৎপরতা চলছে। তিনি বিরোধী দলকে উসকানি দিয়ে ঘোলা পানিতে মাছ শিকার না করার আহ্বান জানান।
এ সময় রুহুল কবির রিজভী উল্লেখ করেন, পোশাকখাতের বিষয়ে ষড়যন্ত্র নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর উদ্বেগ প্রমাণিত হয়েছে। তিনি জানান, যেকোনো অরাজক পরিস্থিতি মোকাবেলার ক্ষমতা সরকারের রয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সুনামগঞ্জের দিরাই উপজেলার ৭নং জগদল ইউনিয়নের একজন পরিচিত ব্যবসায়ী ও সরকারি লাইসেন্সপ্রাপ্ত ঠিকাদার মোঃ আবু সাহেব। তিনি শুভ এন্টারপ্রাইজের স্বত্বাধিকারী হিসেবে সততা, নিষ্ঠা ও দায়িত্বশীলতার সঙ্গে সরকারি বিভিন্ন ভবন নির্মাণ ও উন্নয়নমূলক কাজের ঠিকাদারি করে আসছেন।
একজন সরকারি লাইসেন্সপ্রাপ্ত ঠিকাদার হিসেবে কাজের প্রতি আন্তরিকতা, পেশাগত দক্ষতা এবং সততার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের মাধ্যমে তিনি নিজের কর্মক্ষেত্রে আরও এগিয়ে যাবেন—এমনটাই প্রত্যাশা।
আমরা আশা করি, তাঁর সততা, নিষ্ঠা ও কর্মদক্ষতার মাধ্যমে ভবিষ্যতেও দিরাই উপজেলা ও ৭নং জগদল ইউনিয়নের সুনাম ও মর্যাদা অক্ষুণ্ণ রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবেন।
তাঁর ব্যবসায়িক জীবনের উত্তরোত্তর সফলতা, সমৃদ্ধি এবং ব্যক্তিগত জীবনের উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ কামনা করছি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ