পারভিন আক্তার, স্টাফ রিপোর্ট নারায়ণগঞ্জ,
০৮:৩৪ পি.এম
সভাপতি মোহাম্মদ আবু সাঈদ ও সেক্রেটারি নাজিম হাসান স্বপ্ন
বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্র মজলিস নারায়ণগঞ্জ মহানগরীর আওতাধীন ফতুল্লা থানা শাখার সহযোগী সদস্য সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। (৬ নভেম্বর ২০২৬) শুক্রবার বিকালে মহানগর মজলিস কার্যালয়ে উক্ত সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে শাখা পুনর্গঠন কার্যক্রম পরিচালনা করেন সংগঠনের নারায়ণগঞ্জ মহানগর সভাপতি মুহাম্মদ শাহনেওয়াজ। ২০২৬-২৭ সেশনে ইসলামী ছাত্র মজলিসের ফতুল্লা থানা শাখার সভাপতি হিসেবে মোহাম্মদ আবু সাঈদ এবং সেক্রেটারি হিসেবে নাজিম হাসান স্বপ্ন দায়িত্বপ্রাপ্ত হন।
সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মুহাম্মদ শাহনেওয়াজ বলেন, সংগঠনের যেকোনো দায়িত্ব কোনো পদ-পদবি বা অর্জনের বিষয় নয়, বরং এটি সরাসরি মহান আল্লাহর পক্ষ থেকে অর্পিত এক বিশাল আমানত। কে কতটুকু দায়িত্ব পালন করেছি, কাল কেয়ামতের ময়দানে প্রতিটি মুহূর্তের হিসাব আল্লাহর কাছে পেশ করতে হবে। তাই আমাদের নিয়ত হতে হবে একবারে খাঁটি এবং প্রতিটি পদক্ষেপ পরিচালিত হতে হবে কেবলই রবের সন্তুষ্টি অর্জনের লক্ষ্যে। কোরআন ও সুন্নাহকে পাথেয় করে শিক্ষা, প্রশিক্ষণ ও দাওয়াতী তৎপরতার মাধ্যমে এই তরুণ ছাত্রসমাজকে আলোকিত চরিত্র ও জ্ঞান অর্জনের পথে সুসংগঠিত করতে হবে।
তিনি আরো বলেন - আমাদের মনে রাখতে হবে, একটি জাতির হৃদস্পন্দন হলো তার ছাত্রসমাজ। তারাই আগামীর সমাজ সংস্কার ও বিপ্লবের অগ্রনায়ক। তাই ইসলামী সমাজব্যবস্থা কায়েমের মহান লক্ষ্যে আমাদের প্রতিটি তরুণকে সৎ, যোগ্য ও বিচক্ষণ নেতৃত্বের সুষম গুণে গড়ে তুলতে হবে। এই ঈমানী ও আদর্শিক লড়াইয়ের ময়দানে সকল প্রতিকূলতায় সবর (ধৈর্য) ও অবিচলতাই হবে আমাদের চূড়ান্ত বিজয়ের আসল চাবিকাঠি।"
এসময় বিশেষ অতিথি হিসেবে আরও উপস্থিত ছিলেন ইসলামী ছাত্র মজলিসের নারায়ণগঞ্জ জেলা সাবেক সভাপতি মুফতি তৌফিক বিন হারিছ, খেলাফত মজলিস ফতুল্লা থানা সভাপতি জনাব আবু বকর, ছাত্র মজলিস মহানগর ক্যাম্পাস ও ছাত্রকল্যাণ সম্পাদক মুহাম্মদ সিয়াম, বায়তুলমাল ও প্রচার সম্পাদক মুহাম্মদ জাওয়াদুল ইসলাম, সদর থানা বায়তুলমাল সম্পাদক মুহাম্মদ ফয়সাল প্রমুখ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে (কুবি) কর্মরত সাংবাদিকদের সংগঠন কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় প্রেস ক্লাবের উদ্যোগে ‘তারুণ্যের ক্যানভাসে আগামীর সাংবাদিকতা’ শীর্ষক একটি দুই দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ কর্মশালা শুরু হয়েছে, যা সাংবাদিকদের পেশাগত দক্ষতা উন্নয়নে সহায়ক হবে।
শুক্রবার (৬ নভেম্বর) বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের ভার্চুয়াল ক্লাসরুমে এই কর্মশালার উদ্বোধন অনুষ্ঠিত হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আমজাদ হোসেন সরকার। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. শাহাদাৎ হোসেন। অনুষ্ঠানে বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষকবৃন্দও উপস্থিত ছিলেন।
কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে কর্মরত সাংবাদিকদের পাশাপাশি সাংবাদিকতায় আগ্রহী শিক্ষার্থীদের দক্ষ করে গড়ে তুলতে এই প্রশিক্ষণ কর্মশালার আয়োজন করা হয়েছে। ৬ ও ৭ নভেম্বর দুই দিনব্যাপী এই কর্মশালা অনুষ্ঠিত হবে।
কর্মশালার প্রথম দিনে প্রশিক্ষক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইনডিপেনডেন্ট টেলিভিশনের জ্যেষ্ঠ বার্তা সম্পাদক সঞ্জয় তরফদার, প্রথম আলোর উপ-বার্তা সম্পাদক কাজী আলিম-উজ-জামান এবং দ্য ডেইলি স্টারের সিনিয়র স্টাফ রিপোর্টার আহসান হাবিব। সঞ্জয় তরফদার সাংবাদিকতার প্রাথমিক ধারণা, সংবাদ সংগ্রহ ও লেখার মৌলিক কৌশল নিয়ে আলোচনা করেন। কাজী আলিম-উজ-জামান ফিচার লেখার কৌশল, বিষয় নির্বাচন ও লেখার গঠন নিয়ে প্রশিক্ষণ দেন। অন্যদিকে, আহসান হাবিব অনুসন্ধান সাংবাদিকতার বিভিন্ন দিক, তথ্য অনুসন্ধান, তথ্যের সত্যতা যাচাই এবং অনুসন্ধানী প্রতিবেদন তৈরির কৌশল তুলে ধরেন।
বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আমজাদ হোসেন সরকার বলেন, ‘সাংবাদিকতা এমন একটি পেশা, যেটিকে আমি দর্পণ হিসেবে দেখি। বিভাগ ও অনুষদের ঊর্ধ্বে উঠে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কার্যক্রম কতটা স্বচ্ছতার সঙ্গে পরিচালিত হচ্ছে, তা তুলে ধরাই সাংবাদিকতার অন্যতম দায়িত্ব। এ ধরনের কর্মশালার মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের চিন্তার উন্মেষ, মানসিকতার পরিবর্তন এবং সমাজের সামনে সঠিক ও সত্য তথ্য তুলে ধরার দক্ষতা তৈরি হবে। দুই দিনব্যাপী এ প্রশিক্ষণ থেকে শিক্ষার্থীরা অনেক বেশি উপকৃত হবে। বিশেষ করে কীভাবে একটি বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ তৈরি করতে হয়, সে বিষয়ে তারা বাস্তব ধারণা লাভ করতে পারবে।
তিনি আরও বলেন, সাংবাদিকদের নিয়ে প্রতি ছয় মাস বা এক বছর অন্তর অন্তত এ ধরনের প্রশিক্ষণ কর্মশালার আয়োজন করা হলে শিক্ষার্থীরা বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতার চর্চায় উৎসাহিত হবে। এর মাধ্যমে তারা ভবিষ্যতে দক্ষ সাংবাদিক হিসেবে নিজেদের গড়ে তুলতে পারবে।
কুবি প্রেস ক্লাবের সভাপতি এমদাদুল হক বলেন, আমাদের আজকের কর্মশালার শিরোনাম ‘তারুণ্যের ক্যানভাসে আগামীর সাংবাদিকতা’। তারুণ্য মানেই নতুন চিন্তা, নতুন সম্ভাবনা, সৃজনশীলতা এবং পরিবর্তনের জোয়ার। আর সেই তারুণ্যের হাতে যদি সঠিক জ্ঞান, দক্ষতা ও নৈতিকতার সমন্বয় ঘটানো যায়, তাহলে আগামীর সাংবাদিকতা আরও সমৃদ্ধ হয়ে উঠবে। সাংবাদিকতায় আগ্রহী শিক্ষার্থীদের দক্ষ করে গড়ে তোলাই এ প্রশিক্ষণ কর্মশালার উদ্দেশ্য।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সিলেট নগরের দক্ষিণ সুরমা এলাকা থেকে মো. নুরুল ইসলাম (৬৫) নামের একজন যুক্তরাষ্ট্রপ্রবাসীর রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শুক্রবার (৬ নভেম্বর) সকাল ১০টার দিকে কায়স্থরাইল এলাকার একটি বাসার দ্বিতীয় তলা থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
নিহত নুরুল ইসলাম কায়স্থরাইল এলাকার ২ নম্বর রোডের ২৫ নম্বর বাসায় বসবাস করতেন। তিনি ওই এলাকার মৃত আব্দুল গফুরের পুত্র।
নিহতের পরিবার ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার ভোরে ফজরের নামাজে অংশ নিতে যান নুরুল ইসলাম। নামাজ শেষে বাসায় ফিরে নাস্তা করে পুনরায় ঘুমিয়ে পড়েন। সকাল ১০টার দিকে তার স্ত্রী ঘুম থেকে উঠে তাকে বিছানায় না পেয়ে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। একপর্যায়ে বাথরুমে তার রক্তাক্ত মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন। তার গলায় কাটা দাগ ছিল। মরদেহের পাশে একটি বটিদা ও ছুরি পড়ে ছিল।
এ সময় স্ত্রীর চিৎকারে স্থানীয়রা ছুটে এসে পুলিশে খবর দেন। পরে দক্ষিণ সুরমা থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিক্যাল কলেজের মর্গে পাঠায়।
মরদেহ উদ্ধারের বিষয়টি কালের কণ্ঠকে নিশ্চিত করেছেন সিলেট মহানগর পুলিশের উপকমিশনার (গণমাধ্যম) মো. আফজাল হোসেন। তিনি বলেন, ‘মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ওসমানী মেডিক্যাল কলেজের মর্গে পাঠানো হয়েছে। ঘটনায় প্রকৃত কারণ অনুসন্ধানে পুলিশের তদন্ত চলমান রয়েছে।’
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সৌদি সরকার বিনা খরচে পবিত্র ওমরাহ পালনের সুযোগ প্রদান করছে। এই সুযোগের জন্য অংশগ্রহণ করতে হবে কুইজ প্রতিযোগিতায়। প্রতিযোগিতায় অংশ নিতে হবে দেশটির হজ ও ওমরাহ মন্ত্রণালয়ের অফিশিয়াল অ্যাপ ‘নুসুক’ এর মাধ্যমে।
প্রতিযোগিতা শুরু হবে পহেলা নভেম্বর থেকে এবং চলবে ৩০ নভেম্বর পর্যন্ত। প্রতিদিন লটারির মাধ্যমে নির্বাচিত বিজয়ীরা পাবেন সম্পূর্ণ বিনা খরচে ওমরাহ প্যাকেজ। এই প্যাকেজের মধ্যে রয়েছে যাওয়া-আসার বিমান টিকিট, ভিসা এবং মক্কা ও মদিনায় ১০ রাত থাকার ব্যবস্থা। বিজয়ী চাইলে আরো একজনকে সাথে নিয়ে যেতে পারবেন।
নুসুক অ্যাপের কুইজ প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণের প্রক্রিয়া নিম্নরূপ:
প্রথমে স্মার্টফোনে সৌদি হজ ও ওমরাহ মন্ত্রণালয়ের অফিশিয়াল Nusuk অ্যাপটি ডাউনলোড করতে হবে।
এরপর অ্যাপে প্রবেশ করে নিজের নাম, ই-মেইল, দেশের নাম এবং বৈধ পাসপোর্ট নম্বর দিয়ে সাইন-আপ করতে হবে। সাইন-আপের পর ই-মেইলে আসা ওটিপি (OTP) কোড দিয়ে অ্যাকাউন্ট ভ্যারিফাই করতে হবে।
এরপর অ্যাপের মেনু থেকে ‘Game Center’ বা ‘Nusuk Challenge’ অপশনে যেতে হবে।
সেখানে পবিত্র কোরআন, নবীজির সিরাত, ওমরাহর নিয়মকানুন বা ইসলামিক ইতিহাসের ওপর বিভিন্ন ক্যাটাগরি থেকে প্রশ্ন করা হয়। একটি বিষয় বেছে নিয়ে ডিজিটাল চাবি সংগ্রহ করতে হবে এবং এমসিকিউ (MCQ) প্রশ্নের সঠিক উত্তর দিতে হবে। সঠিক উত্তর দিলে নাম স্বয়ংক্রিয়ভাবে দৈনিক লটারির (Raffle Draw) তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হয়ে যাবে।
নিজের ইনভাইট কোড ব্যবহার করে বন্ধু বা পরিবারকে অ্যাপে আমন্ত্রণ জানালে অতিরিক্ত চাবি পাওয়া যায়, যা লটারিতে জেতার সুযোগ আরও বাড়িয়ে দেয়।
প্রতিযোগিতায় অংশ নিতে হলে অবশ্যই নুসুক-এর অফিশিয়াল অ্যাপ বা ভেরিফাইড মাধ্যম ব্যবহার করতে হবে। এছাড়া প্রতিদিন আরও ১০ জন পাবেন জমজমের পানির বিশেষ কার্ড।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
চট্টগ্রাম, ৬ নভেম্বর, ২০২৬ : ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন মন্তব্য করেছেন যে, ‘উন্নয়ন পরিকল্পনা গ্রহণের প্রক্রিয়ায় এমন সড়ক ও অবকাঠামোকে অগ্রাধিকার দেওয়া উচিত, যেগুলোর উন্নয়ন সর্বাধিক মানুষের জন্য উপকার বয়ে আনে। এজন্য স্থানীয় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ এবং এলাকাবাসীর সঙ্গে আলোচনা করে প্রয়োজনীয় অগ্রাধিকার নির্ধারণ করা প্রয়োজন।’
আজ চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের (চসিক) ১নম্বর দক্ষিণ পাহাড়তলী ও ২নম্বর জালালাবাদ ওয়ার্ডের ‘অবকাঠামোগত উন্নয়ন এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা’ বিষয়ক এক সমন্বয় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
প্রতিমন্ত্রী আরও জানান, ইতোমধ্যে দুটি ওয়ার্ডে বেশ কিছু সড়ক উন্নয়ন ও সংস্কারকাজ সম্পন্ন হয়েছে। অবশিষ্ট জনগুরুত্বপূর্ণ সড়কগুলোও ধাপে ধাপে উন্নয়নের আওতায় আনতে হবে। তিনি উল্লেখ করেন, এলাকার প্রকৃত সমস্যা সম্পর্কে স্থানীয় জনগণ ও রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ সবচেয়ে ভালোভাবে অবগত। কোথায় সড়ক সংস্কার প্রয়োজন, কোথায় নতুন সড়ক নির্মাণ করতে হবে, কোন এলাকায় পর্যাপ্ত সড়কবাতি নেই কিংবা কোন অবকাঠামোর অভাবে সাধারণ মানুষ দুর্ভোগ ভোগ করছেন—এসব বিষয় স্থানীয় পর্যায় থেকেই চিহ্নিত করতে হবে।
সভাপতির বক্তব্যে চসিক প্রশাসক ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, নগরীর প্রতিটি ওয়ার্ডে পরিকল্পিত ও সুষম উন্নয়ন নিশ্চিত করা সিটি করপোরেশনের মূল লক্ষ্য। দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে নগরীর বিভিন্ন এলাকার দীর্ঘদিনের অবহেলিত সড়ক, নালা-নর্দমা এবং অন্যান্য অবকাঠামো উন্নয়নে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে। বিশেষ করে যেসব এলাকার মানুষ দীর্ঘদিন ধরে যাতায়াতের দুর্ভোগে ছিলেন, সেসব এলাকায় প্রয়োজনীয় সড়ক নির্মাণ ও সংস্কারকাজ বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
মতবিনিময় পর্বে স্থানীয় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ ১ ও ২নং ওয়ার্ডে বাস্তবায়িত বিভিন্ন সড়ক ও অবকাঠামো উন্নয়নকাজে সন্তোষ প্রকাশ করেন। তারা একই সঙ্গে এলাকার অবশিষ্ট সমস্যাগুলো তুলে ধরে নতুন সড়ক নির্মাণ, পুরোনো সড়ক সংস্কার, ড্রেনেজ ব্যবস্থার উন্নয়ন, সড়কবাতি স্থাপন এবং বিভিন্ন জনগুরুত্বপূর্ণ স্থানে প্রয়োজনীয় অবকাঠামো নির্মাণের পরামর্শ দেন।
এ সময় স্থানীয় নেতৃবৃন্দ জানান, ইতোমধ্যে বাস্তবায়িত উন্নয়নকাজের ফলে বিভিন্ন এলাকায় যাতায়াতের সুবিধা বৃদ্ধি পেয়েছে। তবে দ্রুত নগরায়ণ ও জনসংখ্যা বৃদ্ধির কারণে নতুন কিছু সড়ক ও অবকাঠামো উন্নয়নের প্রয়োজনীয়তা সৃষ্টি হয়েছে। এসব কাজ পরিকল্পিতভাবে বাস্তবায়িত হলে এলাকার মানুষ আরও বেশি উপকৃত হবেন।
সভায় চসিকের ভারপ্রাপ্ত প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ও সচিব মোহাম্মদ আশরাফুল আমিন, প্রধান পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তা ক্যাপ্টেন শামীম মোহাম্মদ খান, প্রধান প্রকৌশলী আনিসুর রহমানসহ সংশ্লিষ্ট বিভাগের কর্মকর্তারা, ১ নম্বর দক্ষিণ পাহাড়তলী ও ২ নম্বর জালালাবাদ ওয়ার্ডের স্থানীয় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ ও গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ