১২:৪২ পি.এম
রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে যে, নতুন করে বন্যা ও ভূমিধসের আশঙ্কার কারণে চীন-নেপাল সীমান্তের কাছে অবস্থিত জিরং স্থলবন্দরের দিকে উদ্ধার অভিযান বর্তমানে স্থগিত রাখা হয়েছে।
এলাকায় একটি নতুন হ্রদ অথবা ‘ব্যারিয়ার লেক’ সৃষ্টি হয়েছে। ‘ব্যারিয়ার লেক’ হলো এমন একটি জলাধার, যা প্রাকৃতিকভাবে নদীর গতিপথ বা উপত্যকা বন্ধ হয়ে যাওয়ার ফলে গঠিত হয়। গত ৪৮ ঘণ্টায় এই হ্রদের পানির স্তর ক্রমাগত বৃদ্ধি পাচ্ছে। ফলে যেকোনো মুহূর্তে পানির প্রবল স্রোত নেমে এসে নতুন করে বন্যা বা ভূমিধস ঘটানোর সম্ভাবনা রয়েছে।
শুক্রবার সকালে চীনের রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম সিসিটিভি জানিয়েছে, নতুনভাবে তৈরি হওয়া হ্রদটি ক্রমাগত উপচে পড়ছে।
আরও পড়ুন: সরকারি বাসা থেকে ভাড়াটিয়া অপসারণের জন্য ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত সময় বেঁধে দিলো সরকার
এমন পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে যে, উদ্ধারকারী দলগুলো ক্ষতিগ্রস্ত জিরং স্থলবন্দরের দিকে অগ্রসর হতে পারছে না। উদ্ধার অভিযান পর্যবেক্ষণকারী সিসিটিভির একজন প্রতিবেদক বলেছেন, ‘আপাতত আমাদের এখানে থামতে হচ্ছে।’ তিনি আরো জানান, সামনের উদ্ধারকারী দলগুলোর কাছ থেকে জরুরি নির্দেশনা পাওয়া গেছে। এতে সব উদ্ধারকারী দলকে জিরং বন্দরের দিকে এগিয়ে যেতে নিষেধ করা হয়েছে।
সিসিটিভির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, হ্রদটি যেভাবে উপচে পড়ছে, তাতে নতুন করে আকস্মিক বন্যা বা ভূমিধসের আশঙ্কা রয়েছে। এই কারণে অনুসন্ধান ও উদ্ধারকাজের জন্য চিহ্নিত এলাকায় অগ্রসর হওয়া অত্যন্ত বিপজ্জনক হয়ে পড়েছে।
আরও পড়ুন: জাতীয় যুব পুরস্কার ২০২৬ পাচ্ছেন ১৪ জন: আমিনুল হক
সিসিটিভি জানিয়েছে, বর্তমানে বেশিরভাগ উদ্ধারকারী জিরং টাউনের লাওজিয়াং গ্রামের প্রবেশপথে অবস্থান করছেন। উল্লেখ্য, গ্রামটি চীন-নেপাল সীমান্ত থেকে প্রায় ৪ দশমিক ৩৫ মাইল দূরে অবস্থিত।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন