১০:৪৪ পি.এম
ভারতের তরুণদের জন্য নতুন প্লাটফর্ম ককরোচ (তেলাপোকা) জনতা পার্টির তীব্র আন্দোলনের মুখে কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান পদত্যাগে বাধ্য হয়েছেন। এই আন্দোলনে সফলতার জন্য আন্দোলনকারীদেরকে অভিনন্দন জানিয়েছেন বিরোধী দল কংগ্রেসের শীর্ষ নেতা রাহুল গান্ধী।
তবে তিনি আন্দোলনকারীদেরকে এখানেই থেমে না থেকে মোদি সরকারের পতনের জন্য লড়ে যেতে বলেছেন। আন্দোলনে কৃষক-শ্রমিকসহ সমাজের অন্যান্য অংশেরও অংশগ্রহণ করতে বলেছেন এই কংগ্রেস নেতা।
শনিবার (২৫ জুলাই) তার বাসভবন ১০ জনপথে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের একটি দলের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন রাহুল গান্ধী। পরে সারা দেশের শিক্ষার্থীদের অভিনন্দন জানিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে একটি পোস্টও করেন তিনি। গণতন্ত্র, সংবিধান ও নিজেদের ভবিষ্যৎ রক্ষায় রাজপথে নেমে লড়াই করার জন্য তিনি তরুণদের প্রশংসা করেছেন।
আরও পড়ুন: সড়ক দুর্ঘটনার শিকার ইবি কর্মচারী দিপু, মেডিকেল ভর্তি
সেখানে ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগকে ভারতের শিক্ষাব্যবস্থা পুনর্গঠনের পথে একটি বিশাল পদক্ষেপ হিসেবে উল্লেখ করেছেন রাহুল গান্ধী। তিনি লিখেছেন, “সারা দেশের শিক্ষার্থীদের জন্য আমরা গর্বিত।” গণতন্ত্র ও সংবিধান রক্ষায় যেসব তরুণ শিক্ষার্থীরা রাজপথে অনড় ছিলেন, তাদেরকে অন্তরের অন্তঃস্থল থেকে অভিনন্দন জানিয়েছেন তিনি।
তিনি শিক্ষার্থীদের এই আন্দোলনে সরকারের দমন-পীড়নের কড়া সমালোচনাও করেছেন। জরুরি অবস্থায় ভয় না পেয়ে সাংবিধানিক পদ্ধতির মাধ্যমে আন্দোলনকারীদের নিজেদের মর্যাদা রক্ষার আহ্বান জানান তিনি।
এসময় ভারতের কৃষক, শ্রমিক, দরিদ্র ও এ সরকারের হাতে নিপীড়িত প্রতিটি মানুষের প্রতি আহবান জানিয়ে রাহুল গান্ধী লেখেন, “সত্যিকারের সাহস হলো সাংবিধানিক পন্থায় নিজের মর্যাদার জন্য অবিচল থাকা। এই দুর্নীতিগ্রস্ত সরকারকে সরিয়ে দেওয়ার সময় এসেছে। ভয় পাবেন না!”
এদিকে, ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের সঙ্গে সঙ্গে ভারত সরকার শিক্ষার্থীদের অন্যান্য দাবিগুলোও মেনে নেওয়ায় ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি) আন্দোলন প্রত্যাহারের ঘোষণা দিয়েছে।
আরও পড়ুন: ইরানের প্রেসিডেন্ট: ‘কাপুরুষের মতো সবকিছু পণ্ড করেছে’ যুক্তরাষ্ট্র
তারা জানিয়েছেন, ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের পাশাপাশি সরকার তাদের অন্য দাবিগুলোও মেনে নিয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে করা পুলিশের মামলা তুলে নেওয়া, ভবিষ্যতে তাদের হয়রানি না করা এবং নিট প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনায় আত্মঘাতী শিক্ষার্থীদের পরিবারকে নিয়ম অনুযায়ী সর্বোচ্চ ক্ষতিপূরণ দেওয়া।
৩৬ দিন ধরে চলা এই আন্দোলনের পর সরকারের পক্ষ থেকে দাবিগুলো মেনে নেওয়ায়, সব বিক্ষোভকারীকে শান্তিপূর্ণভাবে প্রতিবাদস্থল ত্যাগ করে বাড়ি ফিরে যাওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি)।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন