এস এম সাহান,ফরিদপুর জেলা প্রতিনিধি
০৯:০১ পি.এম
ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলায় একটি নির্মাণাধীন ভবনের ছাদ ধসে পড়ে। এতে চাপা পড়ে নিহত হয়েছেন হযরত বনি (৩০) নামে এক নির্মাণশ্রমিক।
শুক্রবার বিকেল পৌনে ৩টার দিকে উপজেলার ঘারুয়া ইউনিয়নের দক্ষিণ ডাঙ্গারপাড় এলাকায় শেখ কাওছারের নির্মাণাধীন একতলা ভবনের সামনে এই দুর্ঘটনাটি ঘটে।
নিহত হযরত বনি রাজশাহী জেলার তানোর উপজেলার বিল্লি বাজার এলাকার বাসিন্দা। তিনি মো. ফিরোজ বনির ছেলে ছিলেন।
স্থানীয় সূত্র ও পুলিশ জানায়, নির্মাণাধীন ভবনের ছাদের সেন্টারিং অপসারণের সময় হঠাৎ করে ছাদ ধসে পড়ে। এই ঘটনায় হযরত বনি ধ্বংসস্তূপের নিচে চাপা পড়েন। খবর পেয়ে ভাঙ্গা ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার অভিযানে অংশগ্রহণ করেন। দীর্ঘ প্রচেষ্টার পর সন্ধ্যা ৭টার দিকে তাঁকে ধ্বংসস্তূপ থেকে উদ্ধার করা হয়, তবে ঘটনাস্থলেই চিকিৎসকেরা তার মৃত্যু নিশ্চিত করেন।
খবর পেয়ে ভাঙ্গা থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মামুন হাওলাদার সঙ্গীয় ফোর্সসহ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত করেন এবং প্রয়োজনীয় আইনগত কার্যক্রম শুরু করেন।
পুলিশ জানিয়েছে, এই ঘটনায় আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বগুড়ার শেরপুরে শিশু রাজু হত্যার বিচার এবং হত্যা কান্ডে জড়িতদের ফাঁসির দাবিতে ঢাকা-বগুড়া মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেছেন এলাকাবাসী। শুক্রবার (৭ আগস্ট) দুপুরের সময়ে উপজেলার সীমাবাড়ী ইউনিয়নের ধনকুন্ডি এলাকায় এই কর্মসূচি পালন করা হয়।
বিক্ষুব্ধ এলাকাবাসী প্রায় এক ঘণ্টা মহাসড়ক অবরোধ করে রাখেন। এতে ঢাকা-বগুড়া মহাসড়কের উভয় পাশে প্রায় তিন কিলোমিটার পর্যন্ত তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়। ফলে দূরপাল্লার যাত্রীসহ বিভিন্ন যানবাহনের চালক ও যাত্রীরা দুর্ভোগে পড়েন।
এ বিষয়ে খবর পেয়ে শেরপুর হাইওয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে বিক্ষুব্ধ এলাকাবাসীর সঙ্গে কথা বলেন। পুলিশের ন্যায়বিচারের আশ্বাস দেওয়ার পর তারা অবরোধ তুলে নেন। এর ফলে মহাসড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়ে যায়।
এছাড়া, জানা গেছে, অটোরিকশা ছিনতাই দেখে ফেলায় শিশু রাজুকে হত্যা করা হয়েছে এবং তার মরদেহ পুঁতে রাখা হয় ধানক্ষেতে।
শেরপুর হাইওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ আইয়ুব হোসেন জানিয়েছেন, ‘এলাকাবাসী কিছু সময়ের জন্য মহাসড়ক অবরোধ করেছিলেন। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তাদের শান্ত করেছে। পরে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়েছে। বর্তমানে পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে।’
উল্লেখ্য, উপজেলার সীমাবাড়ী ইউনিয়নের ররোয়া গ্রামে গত ২ আগস্ট একটি অটোরিকশা ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটে। ওই ঘটনাটি দেখে ফেলায় শাহ আলমের ছেলে শিশু রাজু (১০) বিপদের সম্মুখীন হয় বলে অভিযোগ ওঠে। পরে ছিনতাইয়ের ঘটনায় গোপন রাখতে, ৩ আগস্ট শিশুটিকে অপহরণ করা হয় বলে অভিযোগ করেন তার স্বজনরা।
শিশুটি নিখোঁজ হওয়ার পর ওই রাতেই পরিবার শেরপুর থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন। এরপর পরিবারের সদস্য এবং স্থানীয়রা বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখোঁজি করলেও শিশুটির সন্ধান পাননি।
নিখোঁজের তিন দিন পরে, বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) বিকেলে, পাশের তাড়াশ উপজেলার তালম ইউনিয়নের গাবরগাড়ি এলাকার একটি ধানখেতে মাটিচাপা অবস্থায় শিশুর মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।
এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে শেরপুর উপজেলার ররোয়া গ্রামের মোস্তাকিম (২৫) এবং মির্জাপুর বাজার এলাকার আব্দুল করিমকে পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বরিশালের বাকেরগঞ্জ উপজেলার ১১টি ইউনিয়ন পরিষদের কার্যক্রম অচলাবস্থার মধ্যে পড়ায় নাগরিক সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন হাজারো সেবাগ্রহীতা, বিশেষ করে জন্ম নিবন্ধন, মৃত্যু নিবন্ধন, ওয়ারিশ সনদ, প্রত্যয়নপত্র, জাতীয় পরিচয়পত্র-সংক্রান্ত প্রত্যয়নসহ।
এই উদ্বেগজনক পরিস্থিতির জন্য উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মিলটন চন্দ্র পালের কিছু সিদ্ধান্তকে দায়ী করে অভিযোগ তুলেছেন সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এবং সচিবরা।
অভিযোগের মধ্যে উল্লেখ রয়েছে যে, গত ৩০ জুলাই অনুষ্ঠিত উপজেলা আইন-শৃঙ্খলা ও মাসিক সমন্বয় সভায় উপজেলার ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানদের আমন্ত্রণ জানানো হয়নি। এই কারণে তারা সভায় অংশ নিতে পারেননি। চেয়ারম্যানদের দাবি, তাদের কাউকেই দায়িত্ব হস্তান্তরের বিষয়ে লিখিতভাবে অবহিত করা হয়নি এবং তারা স্বেচ্ছায়ও কারো কাছে দায়িত্ব অর্পণ করেননি।
উপজেলার চরাদি, দাড়িয়াল, দুধল, ফরিদপুর, কবাই, নলুয়া, কলসকাঠি, গারুড়িয়া, ভরপাশা, রঙ্গশ্রী ও পাদ্রীশিবপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানরা জানান, সভায় আমন্ত্রণ না পাওয়ায় তারা বিস্মিত এবং ক্ষুব্ধ। তাদের ভাষ্য, পরিষদের চেয়ারম্যানদের দায়িত্বের মেয়াদ শেষ হলে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা চেয়ারম্যানদের পরিষদের সকল কার্যক্রম বন্ধ রাখার মৌখিক নির্দেশ দিয়েছেন সচিবদের মাধ্যমে। এ ঘটনার পর থেকেই ইউনিয়ন পরিষদগুলোর স্বাভাবিক কার্যক্রমে জটিলতা তৈরি হয়েছে এবং সাধারণ মানুষ চরম ভোগান্তির মধ্যে পড়েছেন।
কবাই ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জহিরুল হক বাদল তালুকদার বলেন, সারাদেশে বহু ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানের মেয়াদ শেষ হলেও কোথাও প্রশাসক নিয়োগের বিষয়টি আমাদের জানা নেই। যদি বাকেরগঞ্জে প্রশাসক নিয়োগের গেজেট হয়ে থাকে, সেটি আমাদের দেখানো হলে আমরা নিয়ম অনুযায়ী দায়িত্ব বুঝিয়ে দেব। তবে মাসিক আইন-শৃঙ্খলা সভায় আমন্ত্রণ না দিয়ে আমাদের অবজ্ঞা করা হয়েছে।
রঙ্গশ্রী ইউনিয়ন পরিষদ সচিব আবুল বাশার জনবানীকে জানান, গত ৪ আগস্ট ইউএনও তাদের কার্যালয়ে ডেকে ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানদের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দিতে এবং প্রশাসক নিয়োগের জন্য জেলা প্রশাসকের কাছে আবেদন করার কথা বলেন। তবে তারা এতে সম্মত না হওয়ায় বিষয়টি নিয়ে অস্বস্তিকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন ইউপি চেয়ারম্যান বলেন, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ইউএনও তার মনগড়া সিদ্ধান্তে চেয়ারম্যানদের পরিষদের কার্যক্রম বন্ধ রেখেছেন। পরিষদে নতুন কোনও নির্বাচিত চেয়ারম্যান না হওয়া পর্যন্ত সকল কার্যক্রম সাবেক চেয়ারম্যানদেরই করার কথা। তবে ইউএনও বিশেষ উদ্দেশ্য ও নিজের স্বার্থ হাসিলের লক্ষ্যে পরিষদে প্রশাসক নিয়োগে মরিয়া হয়ে উঠেছে।
এদিকে, চেয়ারম্যানদের সঙ্গে প্রশাসনিক জটিলতার প্রভাব পড়েছে সাধারণ মানুষের ওপর। দাড়িয়াল ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা খাদিজা বেগম জানান, তিনি তিন দিন ধরে ওয়ারিশ সনদের জন্য ইউনিয়ন পরিষদে গিয়েও সেবা পাননি।
এছাড়া, কয়েকজন চেয়ারম্যান অভিযোগ করেন যে, তাদের সঙ্গে কোনো ধরনের আলোচনা না করেই বিভিন্ন ইউনিয়ন পরিষদের নামে সরকারি বরাদ্দের অর্থ বণ্টনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তবে এই অভিযোগের পক্ষে তারা কোনো নথিপত্র উপস্থাপন করেননি এবং বিষয়টি স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মিলটন চন্দ্র পাল জনবানীকে বলেন, ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানদের মাসিক সভায় আমন্ত্রণ জানানোর দায়িত্ব সংশ্লিষ্ট নাজিরের। তাদের আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে কি না, সে বিষয়ে তিনি অবগত নন। প্রশাসক নিয়োগের গেজেট সংক্রান্ত প্রশ্নেরও তিনি সরাসরি জবাব দেননি।
স্থানীয়দের অভিযোগ, প্রশাসনিক এই অচলাবস্থা যদি দীর্ঘায়িত হয় তবে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ আরও বাড়বে। তারা দ্রুত বিষয়টির সুষ্ঠু তদন্ত এবং নাগরিক সেবা স্বাভাবিক করার জন্য সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
বরিশাল জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মো: মামুন খন্দকার জনবানীকে বলেন, বাকেরগঞ্জ বিভিন্ন ইউনিয়ন পরিষদের কার্যক্রম বন্ধ থাকার বিষয়টি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাই ভালো বলতে পারবেন। তিনি বিষয়টি এড়িয়ে গিয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাথে যোগাযোগ করতে বলেছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশ ও নেপাল মৎস্য খাতে ভিত্তি হিসেবে ভূমিকা রাখতে পারে বলে মন্তব্য করেন নেপালে নিযুক্ত বাংলাদেশি রাষ্ট্রদূত মো. শফিকুর রহমান।
শুক্রবার (৭ আগস্ট) নেপালের চিতওয়ানে অনুষ্ঠিত নেপাল ফিশারিজ (মৎস্য) ডেভেলপমেন্ট অ্যাসোসিয়েশন-এনএফডিএ-এর প্রথম বার্ষিক সাধারণ সভা ও সম্মেলনের উদ্বোধনী অধিবেশনে তিনি এ বক্তব্যটি দেন।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নেপাল সরকারের কৃষি, বন ও পরিবেশমন্ত্রী গীতা কুমারী চৌধুরী।
উদ্বোধনী অধিবেশনে রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশের মৎস্য খাতের ব্যাপক সাফল্যের প্রসঙ্গ তুলে ধরে বললেন, সমন্বিত নীতিগত উদ্যোগ, বৈজ্ঞানিক গবেষণা, বেসরকারি খাতের সক্রিয় অংশগ্রহণ এবং লাখো মৎস্যচাষি ও জেলেদের নিরলস প্রচেষ্টার মাধ্যমে বাংলাদেশ বর্তমানে বিশ্বের অন্যতম শীর্ষ মৎস্য উৎপাদনকারী দেশে পরিণত হয়েছে। তিনি বলেন, আধুনিক হ্যাচারি উন্নয়ন, জলজ চাষের সম্প্রসারণ, উন্মুক্ত জলাশয়ের কমিউনিটি-ভিত্তিক ব্যবস্থাপনা, সংরক্ষণমূলক উদ্যোগ, উন্নত খাদ্য ও রোগ ব্যবস্থাপনা, প্রযুক্তিগত উদ্ভাবন এবং সরকার, একাডেমিয়া ও বেসরকারি খাতের মধ্যে ঘনিষ্ঠ সহযোগিতাই বাংলাদেশের এই সাফল্যের মূল চালিকাশক্তি।
রাষ্ট্রদূত বলেন, বাংলাদেশ ও নেপালের দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক ও সহযোগিতার কথার উল্লেখ করে বলেন, হিমালয় থেকে উৎসারিত অভিন্ন নদী ব্যবস্থার মাধ্যমে দুই প্রতিবেশী দেশ একটি যৌথ পরিবেশগত পারস্পরিক বন্ধনে আবদ্ধ। এর ফলে মৎস্য ও জলজ চাষ খাতে সহযোগিতার ব্যাপক সম্ভাবনা বিদ্যমান। তিনি আশা প্রকাশ করেন যে, উভয় দেশের নতুন গনতান্ত্রিক নেতৃত্বের অধীনে বাংলাদেশ-নেপাল অংশীদারিত্বকে আরও শক্তিশালী করতে মৎস্য খাত একটি গুরুত্বপূর্ণ ভিত্তি হিসেবে ভূমিকা রাখতে পারে।
এ প্রসঙ্গে তিনি দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতা সম্প্রসারণে কতিপয় গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রের ওপর জোর দেন। এর মধ্যে রয়েছে— নেপালের জলাভূমি ও জলাধারে বাংলাদেশের সফল উন্মুক্ত জলাশয়ভিত্তিক মৎস্য উন্নয়ন মডেলের অভিযোজন, মাছের আহরণ-পরবর্তী প্রক্রিয়াজাতকরণ ও মূল্য সংযোজন, কারিগরি সহযোগিতা ও জ্ঞান বিনিময়, যৌথ গবেষণা, প্রশিক্ষণ কর্মসূচি, গবেষক ও বিজ্ঞানী মাঝে সংযোগবৃদ্ধি, মৎস্য বিশেষজ্ঞদের পারস্পরিক সহযোগিতা, বেসরকারি খাতের অংশীদারিত্ব ও বিনিয়োগ এবং বিশ্ববিদ্যালয়, গবেষণা প্রতিষ্ঠান ও মৎস্য সংগঠনসমূহের মধ্যে প্রাতিষ্ঠানিক সহযোগিতা।
রাষ্ট্রদূত জলবায়ু পরিবর্তনের ক্রমবর্ধমান চ্যালেঞ্জের প্রসঙ্গে জলজ প্রতিবেশ সংরক্ষণ, জীববৈচিত্র্য রক্ষা এবং ভবিষৎ প্রজন্মের জন্য মৎস্যসম্পদের দায়িত্বশীল ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করতে জলবায়ু-সহনশীল ও টেকসই জলজ চাষ প্রসারে গুরুত্বারোপ করেন।
রাষ্ট্রদূতের বক্তব্যের জবাবে নেপালের কৃষি, বন ও পরিবেশমন্ত্রী সম্ভাব্য সহযোগিতার বিভিন্ন ক্ষেত্র সম্পর্কে তার মতামতের প্রশংসা করেন এবং বাংলাদেশ সঙ্গে এ বিষয়ে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করার আগ্রহ প্রকাশ করেন।
রাষ্ট্রদূত তার বক্তব্যের শেষভাগে নেপাল মৎস্য (ফিশারিজ) ডেভেলপমেন্ট অ্যাসোসিয়েশনকে তাদের ঐতিহাসিক প্রথম সম্মেলন সফলভাবে আয়োজনের জন্য আন্তরিক অভিনন্দন জানান এবং ভবিষ্যতের সকল কার্যক্রমের সর্বাঙ্গীণ সাফল্য কামনা করেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
আসন্ন বাকেরগঞ্জ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে ভাইস চেয়ারম্যান পদে নির্বাচন করার আগ্রহ প্রকাশ করেছেন বাকেরগঞ্জ পৌর যুবদলের আহ্বায়ক মো. আতাউর রহমান রোমান। এ লক্ষ্যে তিনি দলীয় নেতাকর্মী, শুভানুধ্যায়ী এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের সঙ্গে মতবিনিময় ও গণসংযোগ চালিয়ে যাচ্ছেন।
বীর মুক্তিযোদ্ধা ও বাকেরগঞ্জের গণমানুষের নেতা আবুল হোসেন খান (এমপি'র) রাজনৈতিক আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে তিনি দীর্ঘদিন ধরে দলীয় কার্যক্রমে সক্রিয় রয়েছেন।
রাজনীতিতে ছাত্রজীবন থেকেই সক্রিয় আতাউর রহমান রোমান। তিনি বাকেরগঞ্জ সরকারি কলেজ ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। বর্তমানে তিনি বাকেরগঞ্জ পৌর যুবদলের আহ্বায়ক হিসেবে সাংগঠনিক দায়িত্ব পালন করছেন। দীর্ঘদিন ধরে তিনি স্থানীয় রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড, সামাজিক উদ্যোগ এবং জনসম্পৃক্ত বিভিন্ন কার্যক্রমে সক্রিয় রয়েছেন।
স্থানীয় রাজনৈতিক কর্মী ও সমর্থকদের ভাষ্য, রাজনৈতিক জীবনে নানা প্রতিকূলতা, হামলা-মামলা ও চাপের মুখেও তিনি দলীয় কার্যক্রম থেকে সরে যাননি। তৃণমূল পর্যায়ের নেতাকর্মীদের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ, সাংগঠনিক কার্যক্রমে সক্রিয় অংশগ্রহণ এবং সাধারণ মানুষের পাশে থাকার কারণে এলাকায় তাঁর গ্রহণযোগ্যতা তৈরি হয়েছে বলে তারা মনে করেন।
সমর্থকদের দাবি, গরিব, অসহায় ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের পাশে দাঁড়ানো, শিক্ষা, সামাজিক উন্নয়ন ও মানবিক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত থাকার কারণে তরুণদের মধ্যেও তিনি জনপ্রিয় হয়ে উঠেছেন। তাঁদের প্রত্যাশা, উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালনের সুযোগ পেলে তিনি এলাকার উন্নয়ন, সুশাসন নিশ্চিতকরণ এবং জনসেবায় কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারবেন।
এ বিষয়ে মো. আতাউর রহমান রোমান বলেন, “জনপ্রতিনিধি হওয়া আমার কাছে কোনো পদ বা মর্যাদার বিষয় নয়; এটি মানুষের সেবা করার একটি দায়িত্ব। দল যদি আমাকে মনোনয়ন দেয় এবং জনগণ যদি তাদের মূল্যবান ভোটে নির্বাচিত করেন, তাহলে বাকেরগঞ্জের উন্নয়ন, তরুণদের কর্মসংস্থান, শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা, মাদকমুক্তকরণ এবং সাধারণ মানুষের কল্যাণে সর্বোচ্চ আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করব।”
তিনি আরও বলেন, “আমি বিশ্বাস করি, রাজনীতির মূল উদ্দেশ্য হওয়া উচিত মানুষের পাশে দাঁড়ানো। সেই লক্ষ্য নিয়েই দীর্ঘদিন ধরে কাজ করে যাচ্ছি এবং ভবিষ্যতেও জনগণের আস্থা ও ভালোবাসা নিয়ে এগিয়ে যেতে চাই।”
এদিকে তাঁর সমর্থকদের প্রত্যাশা, উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালনের সুযোগ পেলে আতাউর রহমান রোমান তাঁর রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা, সাংগঠনিক দক্ষতা ও জনসম্পৃক্ততাকে কাজে লাগিয়ে বাকেরগঞ্জের উন্নয়ন ও জনসেবায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে সক্ষম হবেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ