০৬:২১ পি.এম
সড়ক পরিবহন, রেল ও নৌপরিবহন মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন যে, চট্টগ্রাম বন্দরে বে-টার্মিনাল ২০৩০ সালের মধ্যে চালু হবে।
বুধবার (১০ জুন) জাতীয় সংসদে চট্টগ্রাম-১৫ আসনের সংসদ সদস্য শাহজাহান চৌধুরী প্রশ্ন করেন, '২০২৪-২৫ সালে চট্টগ্রাম বন্দরে কনটেইনার হ্যান্ডলিংয়ের গড় সময় কত দিন ছিল? কলম্বো, সিঙ্গাপুরের তুলনায় আমাদের টার্নঅ্যারাউন্ড টাইম তিনগুণ বেশি কেন? বে-টার্মিনাল ও পতেঙ্গা কনটেইনার টার্মিনাল কবে পুরোপুরি চালু হবে এবং তাতে জট কত শতাংশ কমবে?'
এ বিষয়ে জবাবে মন্ত্রী শেখ রবিউল বলেন, 'চট্টগ্রাম বন্দরের কার্গো ওঠা-নামা করতে গড় সময় কমে এখন ২ দশমিক ১৩ দিন লাগছে। বে-টার্মিনাল চালু হলে চট্টগ্রাম বন্দরে কনটেইনার হ্যান্ডলিংয়ের সক্ষমতা বৃদ্ধি পাবে এবং মাদার ভেসেল প্রবেশে জোয়ার-ভাটার নির্ভরতা ও নাব্য সংকট দূর হবে। এর ফলে বন্দরের সামগ্রিক জট পুরোপুরি নিরসন সম্ভব হবে।'
আরও পড়ুন: নেসেটে ১৯ আসন পেয়েও সংশয়: নেতানিয়াহুকে ক্ষমতাচ্যুত করতে পারবে তো আরব দলগুলো?
মন্ত্রী আরও জানিয়ে বলেন, সরকারের উদ্যোগে বন্দরের ব্যবস্থাপনায় গতি আনতে কাজ চলছে। এরইমধ্যে দেশের স্বার্থ রক্ষা করে কয়েকটি বিদেশি কোম্পানিকে টার্মিনাল পরিচালনার দায়িত্ব দেয়া হয়েছে। তিনি বলেন, 'মোংলা বন্দরে চীনের অর্থায়নে তিনটি টার্মিনাল তৈরি করা হবে। চলতি অর্থবছরে মোংলা বন্দর থেকে সরকারী কোষাগারে ১০০ কোটি টাকা রাজস্ব এসেছে।'
শেখ রবিউল আলম আরও বলেন, 'চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ বন্দরে জাহাজ ও কনটেইনার হ্যান্ডলিংয়ের জন্য আধুনিক ইক্যুইপমেন্ট সংযোজন ও বন্দর ব্যবস্থাপনা গতিশীল করার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিয়েছে। এতে কনটেইনার হ্যান্ডলিংয়ে জাহাজের গড় টার্নঅ্যারাউন্ড সময় এরই মধ্যে কমেছে এবং ভবিষ্যতে আরও কমবে বলে আশা করা যায়।'
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন