০৮:১৪ পি.এম
সুশাসন প্রতিষ্ঠা, প্রাতিষ্ঠানিক দক্ষতা বৃদ্ধি ও জনস্বার্থ নিশ্চিতকরণে অর্থ মন্ত্রণালয়ের মূল্যায়নে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ রেগুলেটরি কমিশন (বিটিআরসি) দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে। ২০২৩-২৪ অর্থবছরের জন্য নির্বাচিত ৩০টি রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠান ও স্বায়ত্তশাসিত সংস্থার মধ্যে ৩.১৭ স্কোর নিয়ে সংস্থাটি দ্বিতীয় স্থান অর্জন করেছে।
অর্থ বিভাগের মনিটরিং সেলের ‘Strengthening of State-owned Enterprises Governance’ শীর্ষক স্কিমের আওতায় এই মূল্যায়ন সম্পন্ন হয়েছে। মূল্যায়ন কার্যক্রম তদারকি করে মনিটরিং সেল ও সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে গঠিত ‘Independent Performance Evaluation Committee (IPEC)’।
মূল্যায়নের সময় আর্থিক ব্যবস্থাপনা, করপোরেট সুশাসন, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা, পরিচালন দক্ষতা এবং জনস্বার্থমূলক নীতি বাস্তবায়নের মতো সূচকগুলোকে বিবেচনায় নেওয়া হয়।
আরও পড়ুন: যাত্রাবাড়ীতে ছিনতাই সন্দেহে গণপিটুনিতে আহত যুবক নিশাত মিয়ার মৃত্যু
গত ৪ অক্টোবর বিটিআরসির মহাপরিচালক মো. মেহেদি-উল-সহিদের হাতে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকৃতি ও সম্মাননা ক্রেস্ট তুলে দেন অর্থ মন্ত্রণালয়ের মনিটরিং সেলের মহাপরিচালক রহিমা বেগম।
টেলিযোগাযোগ খাতের উন্নয়ন, সুশাসন নিশ্চিতকরণ এবং গ্রাহকসেবার মানোন্নয়নের পাশাপাশি বিটিআরসি সরকারের রাজস্ব আহরণেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। অর্থ বিভাগের মনিটরিং সেলের নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রার তুলনায় সংস্থাটি ধারাবাহিকভাবে বেশি রাজস্ব আহরণ করতে সক্ষম হয়েছে।
২০২৩-২৪ অর্থবছরে বিটিআরসির রাজস্ব আহরণের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৩ হাজার ৫৫৫ কোটি টাকা। বিপরীতে ওই অর্থবছরে রাজস্ব আহরণ হয়েছে ৪ হাজার ৪৩৪ কোটি টাকা। প্রতিষ্ঠার পর থেকে ২০২৫ সালের জুন পর্যন্ত সংস্থাটির মোট রাজস্ব আহরণের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৭৫ হাজার ৮৮২ কোটি টাকা, যেখানে মোট রাজস্ব আহরণ হয়েছে ৮১ হাজার ৮৯১ কোটি টাকা।
সুশাসন ও গ্রাহকসেবা নিশ্চিত করতে বিটিআরসি ডিজিটাল সেবার সম্প্রসারণ, তরঙ্গ ব্যবস্থাপনা, ডিজিটাল অবকাঠামো উন্নয়নে গাইডলাইন ও নীতিমালা প্রণয়ন, ভয়েস ও ইন্টারনেট ট্যারিফ ব্যবস্থাপনা এবং ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেটে ‘এক দেশ, এক রেট’ বাস্তবায়নসহ বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালনা করছে।
আরও পড়ুন: গণভোটের রায় না মানলে তারেক রহমানের ক্ষমতায় থাকার অধিকার নেই: জুনায়েদ
এছাড়া গণশুনানি, কোয়ালিটি অব সার্ভিস (কিউওএস) যাচাই, মোবাইল টাওয়ারের রেডিয়েশন পরিমাপ, ওয়ান-স্টপ সার্ভিস, অবৈধ টেলিযোগাযোগ সরঞ্জাম প্রতিরোধে অভিযান এবং গ্রাহকদের অভিযোগ নিষ্পত্তির মতো কার্যক্রমও সংস্থাটি পরিচালনা করছে।
স্বচ্ছ লাইসেন্সিং ও রেগুলেটরি কাঠামো, গ্রাহক স্বার্থ ও সেবা মনিটরিং, অভিযোগ ব্যবস্থাপনা, সাশ্রয়ী ও যুক্তিসংগত মূল্য নির্ধারণ, অবকাঠামো ও নেটওয়ার্কের দক্ষতা বৃদ্ধি এবং ডিজিটাল নিরাপত্তা ও ডিজিটাল লিটারেসি উন্নয়নেও বিভিন্ন কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।
সামাজিক দায়বদ্ধতা তহবিলের (এসওএফ) মাধ্যমে প্রত্যন্ত অঞ্চলে সেবা সম্প্রসারণ ও টেলিকম অবকাঠামো উন্নয়ন এবং আন্তর্জাতিক টেলিকমিউনিকেশন ইউনিয়ন (আইটিইউ) ও এশিয়া প্যাসিফিক টেলিকমিউনিটি (এপিটি)-এর মতো আন্তর্জাতিক সংস্থার সঙ্গে কাজ করে বৈশ্বিক মান অনুযায়ী প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা বৃদ্ধির কার্যক্রমও পরিচালনা করছে বিটিআরসি।
আরও পড়ুন: বিয়ের ১৫ দিনের মাথায় সড়কে প্রাণ গেল ইতালি প্রবাসী তানভীরের
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন