রবিবার, ২৭শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
১২:৪৬ এম
পাবনা-২ আসনের সংসদ সদস্য এবং স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি এডভোকেট এ.কে.এম সেলিম রেজা হাবিব বলেছেন যে, সকল সম্প্রদায়ের মানুষের ধর্মীয় অনুষ্ঠান নির্বিঘ্নে পালনের অধিকার রয়েছে।
তিনি উল্লেখ করেন যে, তাদের ধর্মীয় অনুষ্ঠান পালনে উদ্বিগ্ন হওয়ার কোনো কারণ নেই। ধর্মীয় অনুষ্ঠান পালনের জন্য আলাদাভাবে নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণের প্রয়োজনও নেই। কারণ, যে কোন সম্প্রদায় তার ধর্মীয় অনুষ্ঠান স্বাধীনভাবে এবং উৎসবমুখর পরিবেশে পালন করা স্বাভাবিক।
তবে, যদি কোনো গোষ্ঠী বা চক্র ধর্মীয় অনুষ্ঠান পালনে বিঘ্ন সৃষ্টি করে, তাহলে তাদের জন্য জেল হাজতে যাওয়ার ব্যবস্থা হবে। আসন্ন শারদীয় দুর্গাপূজা উদযাপন উপলক্ষে শনিবার সকালে সুজানগর থানার উদ্যোগে স্থানীয় অডিটোরিয়ামে অনুষ্ঠিত মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই কথা বলেন।
সুজানগর থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ মোজাফফর হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সুজানগর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মীর রাশেদুজ্জামান রাশেদ এবং সহকারী পুলিশ সুপার (সুজানগর সার্কেল) মোঃ সাদিক আহমদ। এছাড়াও, পাবনা জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক কোমল চন্দ্র সরকার, সুজানগর উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি সুবোধ কুমার নাটো, সাধারণ সম্পাদক চিত্তরঞ্জন সাহা, উপজেলা বিএনপি নেতা এডভোকেট আব্দুস সুবাহান, হাবিবুর রহমান মাস্টার ও কামাল হোসেন বিশ্বাসসহ অনেকে বক্তব্য রাখেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বিশ্ব পর্যটন দিবসের উপলক্ষে বান্দরবান জেলা প্রশাসন পর্যটকদের জন্য বিশেষ সুবিধা প্রদান করেছে, যাতে তারা পাহাড়ের সৌন্দর্য উপভোগ করতে পারেন। এই উপলক্ষে নীলাচল, মেঘলা, চিম্বুক ও প্রান্তিক লেক পর্যটনকেন্দ্রে প্রবেশের জন্য কোনো ফি দিতে হবে না।
শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় বান্দরবান জেলা প্রশাসক মো. সানিউল ফেরদৌস এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
জেলা প্রশাসনের তথ্য অনুযায়ী, আন্তর্জাতিক পর্যটন দিবসের জন্য আগামীকাল (২৭ সেপ্টেম্বর) নীলাচল, মেঘলা, চিম্বুক ও প্রান্তিক লেক পর্যটনকেন্দ্রে দর্শনার্থীদের জন্য কোনো প্রবেশ ফি লাগবে না। এর ফলে পরিবার ও বন্ধুদের সঙ্গে দর্শনার্থীরা বিনামূল্যে এসব পর্যটনকেন্দ্রে ঘুরে বেড়াতে পারবেন। এতে জনপ্রতি ২০০ টাকা সাশ্রয় হবে।
জেলা প্রশাসক মো. সানিউল ফেরদৌস জানিয়েছেন, আন্তর্জাতিক পর্যটন দিবস উপলক্ষে আগামীকাল (রোববার) দিনব্যাপী জেলা প্রশাসন পরিচালিত নীলাচল, মেঘলা, চিম্বুক ও প্রান্তিক লেক পর্যটনকেন্দ্রে দর্শনার্থীদের জন্য কোনো প্রবেশ ফি আরোপ করা হবে না।
তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক পর্যটন দিবসকে সামনে রেখে পর্যটকদের জন্য এই বিশেষ সুবিধা প্রদান করা হয়েছে। ফলে আগামীকাল (রোববার) দিনব্যাপী দেশ-বিদেশের পর্যটকরা বান্দরবানের এই চারটি পর্যটনকেন্দ্রে বিনামূল্যে প্রবেশের সুযোগ পাবেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাজধানীর মোহাম্মদপুরের চাঁদ উদ্যান বেরিবাঁধসংলগ্ন চাঁদ উদ্যান হাউজিং এলাকায় জমি নিয়ে বিরোধের কারণে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগ উঠেছে। শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে ৯টা থেকে ১০টার মধ্যে এই ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে মোহাম্মদপুর থানার একটি টহল দল ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
মোহাম্মদপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল হালিম জানান, শনিবার সকাল সাড়ে ৯টা থেকে ১০টার মধ্যে ঘটনাটি ঘটে। পুলিশের একটি টিম খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ঘটনাস্থলে পৌঁছে।
প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, ওই এলাকায় দুটি বস্তি ছিল এবং আনুমানিক ১৭ কাঠা জমি নিয়ে একাধিক পক্ষের বিরোধ রয়েছে। একটি পক্ষ দাবি করছে যে হামলা ও ভাঙচুর হওয়া জমিটি তাদের।
ওসি আরও বলেন, ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর থেকে আলম নামের এক প্রবাসী দেশের বাইরে রয়েছেন। জমিটি তার দখলে ছিল। সেখানে থাকা দুটি বস্তির একটি তিনি আগেই দখলমুক্ত করেন। এরপর জমিটি খালি ছিল। অন্যপক্ষ খালি জমিটি দখলে নেওয়ার চেষ্টা করায় বিরোধের সৃষ্টি হয়। এই বিরোধের ফলস্বরূপ হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে।
তবে হামলা ও ভাঙচুরের সঙ্গে কারা জড়িত, তা এখনও নিশ্চিত নয়। একাধিক পক্ষের জমি ওই এলাকায় রয়েছে। জমি বা দখলসংক্রান্ত বিষয়ে পুলিশ পদক্ষেপ নিতে পারে না। তবে আইনশৃঙ্খলার অবনতি হলে পুলিশ ব্যবস্থা নেবে।
এ বিষয়ে তেজগাঁও জোনের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার (এডিসি) জুয়েল রানা জানান, দীর্ঘদিন ধরে জনৈক আলম ওই জমির দখলে ছিলেন। ঘটনার সময় জনি ও রেজাউলের নেতৃত্বে আনুমানিক ১৫০ থেকে ২০০ জন লোক বেআইনিভাবে জমিতে প্রবেশ করে টিনের বেড়া ভেঙে ফেলে। পরে তারা ভেতরে প্রবেশ করে অফিসে ভাঙচুর চালায় এবং সীমানায় নতুন করে টিনের বেড়া দিয়ে জমিটি দখলের চেষ্টা করে। উভয়পক্ষই ওই জমির মালিকানা নিয়ে নিজেদের কাগজপত্র রয়েছে বলে দাবি করছে।
এদিকে স্থানীয় ও গোয়েন্দা সূত্রে জানা যায়, চাঁদ উদ্যান হাউজিংয়ের চেয়ারম্যান আওয়ামী লীগ সমর্থিত আলম হোসেনের জমি দখল করতে ভোলা জেলা চরফ্যাশন উপজেলার যুবদলের সভাপতি শহিদুল আলম প্রিন্স এবং ভোলা দক্ষিণ আইচা থানা বিএনপির সভাপতি রেজাউল করিম খন্দকার আসেন। তাদের সঙ্গে স্থানীয় বিএনপির নেতাকর্মী এবং ভাড়াটে সন্ত্রাসীরা ছিলেন বলে সূত্রের দাবি।
সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, ক্রয়সূত্রে ওই জমির মালিক কেন্দ্রীয় যুবদলের সহ-সভাপতি মালিক সাঈদ ইকবাল মাহমুদ টিটু, মো. শহিদুল আলম প্রিন্স, কাজী মনজুর হোসেন ও রেজাউল করিম খন্দকার। দীর্ঘদিন ধরে জমিটি তাদের বুঝিয়ে দেওয়া হয়নি। এ কারণে তারা জমি দখলে নিতে আসেন বলে জানা যায়।
এ সময় জমির একপাশে থাকা আলম হোসেনের দোতলা অফিসের ভেতরে থাকা সব মালামাল বিএনপির স্থানীয় নেতাকর্মী ও ভাড়াটে সন্ত্রাসীরা লুট করে নিয়ে যায় বলে স্থানীয় ও গোয়েন্দা সূত্রে অভিযোগ করা হয়েছে। পরে মোহাম্মদপুর থানার একটি টহল দল ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
পুলিশের পক্ষ থেকে বিরোধের সমাধানের লক্ষ্যে উভয়পক্ষকে তাদের বৈধ কাগজপত্র নিয়ে থানায় আসার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
গাজীপুরে একটি সম্পূর্ণ রিসোর্ট ভাড়া নিয়ে ‘ডিজে পার্টি’ আয়োজনের আড়ালে মাদক সেবন ও রাতভর মাদক কেনাবেচার সংবাদ পেয়ে অভিযান পরিচালনা করে মাদকদ্রব্য অধিদপ্তরের সদস্যরা। শুক্রবার রাতে গাজীপুরের পূবাইল এলাকার ‘পূবাইল রিসোর্ট ক্লাবে’ এ অভিযানটি পরিচালিত হয়।
তদন্তসংশ্লিষ্ট সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, ‘সনিক প্লাস’ নামের ব্যানারে আয়োজিত ডিজে পার্টিতে ৬০০ জনের উপস্থিতি থাকার কথা ছিল। তাদের মধ্যে বেশিরভাগই কিশোর-কিশোরী ছিল।
মাদকদ্রব্য সরবরাহের তথ্যের ভিত্তিতে সেখানে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর ও এসআরবির সদস্যরা যৌথ অভিযান পরিচালনা করেন। অভিযানের ফলস্বরূপ অনুষ্ঠান আয়োজনে জড়িত চারজনকে গ্রেফতার করা হয়। তাদের কাছ থেকে কোকেন, কুশ মাদক এবং বিভিন্ন নেশাজাতীয় বড়ি উদ্ধার করা হয়।
গ্রেফতার হওয়া ব্যক্তিরা হলেন মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান (২৯), তুষার আহমেদ (৩২), মহিদুল ইসলাম (২৮) ও কাসফিয়া নিশাত (২৫)। তদন্তসংশ্লিষ্ট একটি সূত্র জানায়, এই চারজন ডিজে পার্টির আয়োজক ছিলেন এবং তারা অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণকারী কিশোর-কিশোরীদের মাদক সরবরাহ করেন। পরবর্তীতে শনিবার তাদের বিরুদ্ধে জিএমপি পূবাইল থানায় মাদক আইনে মামলা দায়ের করা হয়। মামলার বাদী হলেন মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের পরিদর্শক মুহাম্মদ মাহবুবুল আলম।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানাচ্ছে, সম্প্রতি ডিজে পার্টি ও অন্যান্য বিনোদনমূলক আয়োজনকে মাদক সরবরাহ ও সেবনের সুযোগ হিসেবে ব্যবহারের চেষ্টা করা হচ্ছে। মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের ঢাকা গোয়েন্দা বিভাগ জানিয়েছে, এ ধরনের আয়োজনে একাধিক অভিযান চালিয়ে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ সিনথেটিক মাদকদ্রব্য উদ্ধার করা হয়েছে।
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর ঢাকা গোয়েন্দা বিভাগের উপপরিচালক মেহেদী হাসান বলেন, প্রাথমিক অনুসন্ধানে দেখা গেছে, কিছু ক্ষেত্রে বিনোদনমূলক পার্টি, ডিজে ইভেন্ট ও ব্যক্তিগত আয়োজনকে মাদক সরবরাহ ও সেবনের সুযোগ হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে। বিশেষ করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও বিভিন্ন অনলাইন প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে এসব আয়োজনের প্রচার, অংশগ্রহণকারীদের সঙ্গে যোগাযোগ এবং মাদক সরবরাহের সম্ভাব্য নেটওয়ার্কের বিষয়গুলো গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে।
গাজীপুরের ভাওয়াল রিসোর্টে গত এপ্রিল মাসে অভিযান চালিয়ে দেশি-বিদেশি অবৈধ মদসহ বিভিন্ন ধরনের মাদকদ্রব্য উদ্ধার করা হয়েছিল। গাজীপুর সদর উপজেলার নলজানি এলাকায় ওই রিসোর্টে একটি ডিজে পার্টি চলাকালীন জেলা প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে নিয়ে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর অভিযান পরিচালনা করে।
রাতভর অভিযানে ৯টি এক্সটেসি, ৫ গ্রাম কুশ, ১৬৫ গ্রাম ক্যানাবিস চকলেট, ১০১টি বিয়ার ও ৩ বোতল ভদকা জব্দ করা হয়। এ ঘটনায় জাহিদুল ইসলাম, ফয়জুল ইসলাম খান, ইফতিয়ার কাসেম, জিহাদ আহম্মেদ, রেদোয়ান হাসান চৌধুরী ও আবির হোসেনকে গ্রেফতার করা হয়। তাদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়।
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক এমদাদুল ইসলাম তখন জানিয়েছিলেন, ডিজে পার্টিতে অংশ নেওয়া তরুণ-তরুণীদের মধ্যে বিভিন্ন মাদকদ্রব্য সরবরাহ করা হয়েছিল। জাহিদুল আলম ওই আয়োজনের জন্য রিসোর্টটি ভাড়া নিয়েছিলেন।
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা জানান, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচার-প্রচারণা চালিয়ে কিশোর-কিশোরীদের কাছে টিকিট বিক্রি করা হয়। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে গোপনীয় গ্রুপ খুলে যারা বিভিন্ন সময় এ ধরনের অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেছিলেন, তাদের যুক্ত করা হয়। এ ধরনের অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণের জন্য জনপ্রতি ৬ হাজার থেকে ১২ হাজার টাকা পর্যন্ত টিকিটের দাম নেওয়া হয়।
কর্মকর্তারা আরও জানান, অনুষ্ঠান শুরুর পর আয়োজকদের নির্ধারিত মাদক সরবরাহকারীরা ভেতরে ঘুরে ঘুরে অংশগ্রহণকারীদের কাছে নানা ধরনের মাদকদ্রব্য বিক্রি করেন। সেখানে মাদক সেবনের সব ধরনের আয়োজন থাকে।
তদন্তসংশ্লিষ্ট সূত্র বলছে, ঢাকা, গাজীপুর ও কক্সবাজারের বড় বড় রিসোর্টে প্রতি মাসেই এ ধরনের ডিজে পার্টির আয়োজন করা হয়। একাধিক গ্রুপ এ আয়োজনের সঙ্গে জড়িত। জড়িত ব্যক্তিদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।
ডিজে পার্টির আড়ালে মাদক বিক্রির এ ধরনের আয়োজনের জন্য রিসোর্ট ভাড়া না দিতে গাজীপুরের রিসোর্টগুলোকে সর্তক করেছে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর। মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের গাজীপুরের উপপরিচালক এমদাদুল হক বলেন, এ ধরনের আয়োজনের তথ্য পেয়ে গাজীপুরের সব রিসোর্ট কর্তৃপক্ষকে লিখিতভাবে সর্তক করা হয়েছে যাতে এ ধরনের আয়োজনের জন্য তারা রিসোর্ট ভাড়া না দেয়। তিনি উল্লেখ করেন, যারা এ ধরনের আয়োজনের সঙ্গে যুক্ত হবেন, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকার কেরানীগঞ্জের কেন্দ্রীয় কারাগারে অসুস্থ হয়ে মো. পরশ (৩৫) নামের একজন কয়েদির মৃত্যু ঘটেছে। শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৫টার দিকে কারাগারে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়ার পর কারারক্ষীরা তাকে দ্রুত ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
কারারক্ষী আতিয়ার সেখ জানিয়েছেন, কারাগারে অসুস্থ হয়ে পড়ার পর পরশকে হাসপাতালে পাঠানো হয়। চিকিৎসকরা সেখানে তাকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। তিনি উল্লেখ করেন, পরশ কেন্দ্রীয় কারাগারের কয়েদি ছিলেন। তার কয়েদি নম্বর ২১১/এ এবং বাবার নাম মো. লিয়াকত। তবে, তিনি কোন মামলায় কারাগারে ছিলেন, তা তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।
ঢামেক হাসপাতাল পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ (পরিদর্শক) হাবিবুর রহমান জানিয়েছেন, পরশের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। বিষয়টি কারা কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করা হবে এবং ময়নাতদন্তের পর মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ