ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

লিবিয়ায় অভিবাসীবিরোধী বিক্ষোভ, আতঙ্কে প্রবাসীরা


লিবিয়ায় অভিবাসীবিরোধী বিক্ষোভ, আতঙ্কে প্রবাসীরা

লিবিয়ায় অভিবাসীবিরোধী বিক্ষোভ, বর্ণবাদী প্রচারণা এবং ‘পুনর্বাসন ষড়যন্ত্র’ সংক্রান্ত গুজবের কারণে আফ্রিকার সাহারা-দক্ষিণাঞ্চলীয় দেশগুলোর অভিবাসীরা আতঙ্কের মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন। এই পরিস্থিতিতে তাদের জীবনযাপন আরও কঠিন হয়ে উঠেছে, যেহেতু তারা আগে থেকেই অনিশ্চিত ও ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় রয়েছেন।

রাজধানী ত্রিপোলিতে অভিবাসীদের বিরুদ্ধে বিক্ষোভের মাত্রা বৃদ্ধি পাওয়ায় তাদের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিদ্বেষমূলক প্রচারণা, প্রাণনাশের হুমকি এবং সহায়তা সংস্থার কার্যালয়ে হামলার ঘটনায় পরিস্থিতি আরও জটিল হয়েছে।

১ অক্টোবরকে ত্রিপোলিতে বিদেশি অভিবাসীদের জন্য ‘শেষ সময়সীমা’ হিসেবে প্রচার করা হয়েছিল। এর আগে কয়েক সপ্তাহ ধরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের বিভিন্ন গ্রুপ ও পেজ থেকে লিবীয়দের প্রকাশ্যে অভিবাসীবিরোধী বিক্ষোভে অংশ নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়। এসব পোস্টে বর্ণবাদী গালিগালাজের পাশাপাশি আফ্রিকার সাহারা-দক্ষিণাঞ্চলীয়, আরব ও এশীয় অভিবাসীদের অবমাননাকরভাবে উপস্থাপন করা হয়।

আরও পড়ুন: মোহসেন রেজায়ির কাছে জেডি ভ্যান্সের চিঠি, যুদ্ধবিরতি আলোচনা নিয়ে কী আছে তাতে

অভিবাসীদের অধিকার নিয়ে কাজ করা সংগঠন ‘রিফিউজি ইন লিবিয়া’ জানিয়েছে, নির্ধারিত বিক্ষোভের কয়েক দিন আগে তাদের কাছে একটি হাতে লেখা হুমকিপত্র পৌঁছায়, যার সঙ্গে একটি গুলি ছিল। চিঠিতে কৃষ্ণাঙ্গদের লক্ষ্য করে হুমকি দেওয়া হয়।

তবে ১ অক্টোবর ঘিরে বড় ধরনের বিক্ষোভ হয়নি। ওই সময় বেতন বকেয়া থাকার প্রতিবাদে প্রধানমন্ত্রী আবদুল হামিদ দাবাইবার সরকারের বিরুদ্ধে শিক্ষকদের বড় ধরনের ধর্মঘট পরিস্থিতির কেন্দ্রবিন্দুতে চলে আসে। দাবাইবার নেতৃত্বাধীন জাতীয় ঐক্যের সরকার (জিএনইউ) দেশটির পশ্চিমাঞ্চল নিয়ন্ত্রণ করে।

এরপরও ২ ও ৯ অক্টোবর ত্রিপোলির শহীদ চত্বরে বিক্ষোভ করেন কয়েক ডজন মানুষ। তাদের স্লোগান ছিল, ‘লিবিয়া লিবীয়দের জন্য’ এবং ‘পুনর্বাসন চাই না’। গত এপ্রিল থেকে ত্রিপোলির কেন্দ্রীয় এলাকায় মাসে একাধিকবার এ ধরনের বিক্ষোভ হচ্ছে, যা অভিবাসীদের বিরুদ্ধে বিদ্বেষ ক্রমেই বাড়াচ্ছে।

আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, ত্রিপোলি ও আশপাশের এলাকায় সাহারা-দক্ষিণাঞ্চলীয় আফ্রিকার প্রায় ৭ লাখ মানুষ বসবাস করেন। তাদের মধ্যে প্রায় ৩ লাখ ৩৫ হাজার সুদানের নাগরিক, যাঁরা যুদ্ধের কারণে নিজ দেশ ছেড়ে পালিয়ে এসেছেন।

আরও পড়ুন: ইসরাইলের অস্তিত্ব রক্ষায় ফিলিস্তিনিদের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ: নিবন্ধ

ইউরোপে যাওয়ার আশায় থাকা অভিবাসীদের জন্য লিবিয়ার রাজধানী এখন গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রে পরিণত হয়েছে। চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে আগস্ট পর্যন্ত ভূমধ্যসাগর পাড়ি দিয়ে ইতালিতে পৌঁছানো প্রায় ১৯ হাজার অভিবাসীর ৮০ শতাংশের যাত্রা শুরু হয়েছিল লিবিয়া থেকে। তাদের ৯০ শতাংশেরও বেশি যাত্রা করেছিলেন পশ্চিম লিবিয়ার বিভিন্ন উপকূল থেকে। ত্রিপোলি ও জুয়ারার মধ্যবর্তী উপকূলীয় অঞ্চল দীর্ঘদিন ধরেই অভিবাসীদের নৌযাত্রার অন্যতম প্রধান পথ হিসেবে পরিচিত।

অভিবাসীদের সহায়তা কেন্দ্রে হামলা

মানব পাচারকারী চক্রের শোষণ, নির্বিচার আটক, অপহরণ, নির্যাতন ও দাসত্বের মতো গুরুতর ঝুঁকির মধ্যে রয়েছেন লিবিয়ার অভিবাসীরা। জাতিসংঘের ভাষ্য অনুযায়ী, দেশটিতে তাদের বিরুদ্ধে মানবাধিকার লঙ্ঘন ও নির্যাতনের ঘটনা পদ্ধতিগত রূপ নিয়েছে। সমুদ্রপথে ইউরোপে যাওয়ার চেষ্টার সময়ও তাদের সহিংসতার মুখে পড়তে হয়। এ পরিস্থিতির মধ্যে তারা নিজেদের বাসস্থান ও কর্মস্থলেও নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন।

ত্রিপোলির পূর্বাঞ্চলে বসবাসরত সিয়েরা লিওনের ৩৭ বছর বয়সী অভিবাসী অ্যালবার্ট জি বলেন, লিবীয়রা ক্রমেই অভিবাসীদের সঙ্গে যা খুশি তা করার সুযোগ পাচ্ছেন বলে তার মনে হচ্ছে। এ ক্ষেত্রে তাদের আইন মেনে চলার বাধ্যবাধকতা যেন নেই।

আরও পড়ুন: এয়ারবাস ব্রিটেন-জাপান-ইতালির যুদ্ধবিমান প্রকল্পে যুক্ত হতে প্রস্তুত

তিনি বলেন, অভিবাসীদের জন্য নির্যাতন ও কারাবাসের ঝুঁকি আগে থেকেই পরিচিত সমস্যা। এখন এর সঙ্গে যোগ হয়েছে জনসমাগমস্থলে যেতে না পারা এবং জীবিকা নির্বাহের জন্য কাজ খুঁজে পেতে বাধার মতো দৈনন্দিন সংকট। বসন্তকালে প্রথম দফার বিক্ষোভ শুরুর পর থেকেই শত্রুতাপূর্ণ পরিবেশ তৈরি হতে থাকে। গ্রীষ্মের শুরুতে পরিস্থিতি তাঁর কাছে সত্যিকার অর্থেই ভীতিকর হয়ে ওঠে।

গত জুনে বিপুলসংখ্যক লিবীয় প্রথমবারের মতো কথিত ‘পুনর্বাসন পরিকল্পনার’ বিরুদ্ধে বিক্ষোভ করেন। তাদের অভিযোগ ছিল, অভিবাসীরা যাতে লিবিয়া ছেড়ে যেতে না পারেন, সে জন্য জাতিসংঘের উদ্যোগে এই পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।

তবে আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা (আইওএম) এবং জাতিসংঘের শরণার্থীবিষয়ক সংস্থা ইউএনএইচসিআর এ অভিযোগ দৃঢ়ভাবে অস্বীকার করেছে। তা সত্ত্বেও ৪ জুন শত শত বিক্ষোভকারী ত্রিপোলিতে ইউএনএইচসিআরের কার্যালয়ের প্রবেশপথ অবরোধ করেন। তাদের অভিযোগ, আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলো লিবিয়ার জনমিতিক কাঠামো বদলে দেওয়ার চেষ্টা করছে।

বিক্ষোভের পাশাপাশি অভিবাসীদের ওপর হামলা এবং তাদের ব্যাপক ধরপাকড়ের ঘটনাও ঘটে। পশ্চিম লিবিয়ার বিভিন্ন শহরে পুলিশ ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলো সাহারা-দক্ষিণাঞ্চলীয় আফ্রিকার বহু মানুষকে আটক করে। এতে অনেকে কয়েক দিন ঘরের বাইরে বের হতেও ভয় পান।

আরও পড়ুন: যুক্তরাজ্য ১৬ দেশে ভ্রমণের জন্য সতর্কতা জারি

গ্রীষ্মকালে অস্থিরতা কিছুটা কমলেও ছোট ছোট জমায়েত ও বিচ্ছিন্ন সহিংসতার ঘটনা অব্যাহত থাকে। গত ৭ সেপ্টেম্বর পশ্চিম ত্রিপোলিতে আইওএম পরিচালিত অভিবাসী সহায়তা কেন্দ্রে একদল লিবীয় হামলা চালান। এতে হতাহতের খবর পাওয়া না গেলেও সাহারা-দক্ষিণাঞ্চলীয় আফ্রিকার অভিবাসীদের মধ্যে নতুন করে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।

অ্যালবার্ট বলেন, কর্তৃপক্ষ যদি আইওএমের একটি শিবিরে হামলার সুযোগ দেয়, তাহলে বহু মানুষের জীবন বিপন্ন হবে। কারণ, অভিবাসীদের জন্য নিরাপদ আশ্রয়ের জায়গা বলে আর কিছু থাকবে না।

কর্তৃপক্ষের নিষ্ক্রিয়তা নিয়ে প্রশ্ন

হামলার পর জাতীয় ঐক্যের সরকার জানায়, শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভের অধিকার কখনোই হামলা, ভাঙচুর কিংবা মানুষের জীবন বিপন্ন করার হুমকিকে বৈধতা দেয় না। এসব ঘটনায় জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে বলেও সতর্ক করে সরকার। তবে হামলার পর কী পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে, সে বিষয়ে মিডল ইস্ট আইয়ের প্রশ্নের জবাব দেয়নি লিবিয়ার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।

আরও পড়ুন: সৌদি আরবের পূর্বাঞ্চলে হুতিদের ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত করেছে জোট

এদিকে বসন্তকালে তৈরি হওয়া ফেসবুক ও এক্সের বিভিন্ন জনপ্রিয় পেজে এখনও বিদ্বেষমূলক বক্তব্য ছড়ানো হচ্ছে এবং বিক্ষোভে অংশ নিতে মানুষকে আহ্বান জানানো হচ্ছে। ‘লিবিয়ান নিউজ—নো টু দ্য রিসেটেলমেন্ট ইন লিবিয়া’ নামের একটি ফেসবুক গ্রুপে প্রায় ৭৬ হাজার সদস্য রয়েছেন। ‘দ্য ত্রিপোলি অ্যাক্টিভিস্টস মুভমেন্ট’ নামের আরেকটি গ্রুপের সদস্যসংখ্যা প্রায় ৩৯ হাজার। এসব গ্রুপে প্রতিদিন অভিবাসীদের লক্ষ্য করে বিদ্বেষপূর্ণ বক্তব্য প্রকাশ করা হচ্ছে।

এই আন্দোলনের পেছনে কারা রয়েছেন এবং এর কার্যক্রম কতটা সমন্বিতভাবে পরিচালিত হচ্ছে, তা এখনও স্পষ্ট নয়। তবে বিবিসির আগস্টের এক অনুসন্ধানে উঠে এসেছে, জুনের বিক্ষোভের পেছনে অনলাইনে ছড়ানো গুজবের ভূমিকা ছিল।

অন্যদিকে আইনজীবী থুরাইয়া আল-তুয়াইবি ও সাংবাদিক সালমা আল-শাবের মতো পরিচিত ব্যক্তিরা বিভিন্ন বিক্ষোভে নেতৃত্ব দিচ্ছেন। তারা এসব কর্মসূচিকে ‘শান্তিপূর্ণ’ বলে দাবি করলেও এর ফলে আন্দোলন আরও গতি পাচ্ছে।

লিবিয়ার মানবাধিকারকর্মী আহমেদ হামজা বলেন, মিথ্যা ও বিভ্রান্তিকর তথ্যের ওপর ভিত্তি করে পরিচালিত এসব প্রচারণা এখনও অব্যাহত রয়েছে। এ ধরনের অপরাধমূলক আন্দোলনের পক্ষে প্রচার চালানো কিংবা এর সমন্বয় করার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের কর্মকাণ্ড লিবিয়ার দণ্ডবিধি অনুযায়ী শাস্তিযোগ্য অপরাধ।

আরও পড়ুন: ট্রাম্পের দাবি, আলাস্কার নির্বাচনে ডেমোক্র্যাট প্রার্থীকে বাদ দিতে হবে

হামজা স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও অন্যান্য কর্তৃপক্ষের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলে বলেন, পরিস্থিতি মোকাবিলায় তাদের মধ্যে নিষ্ক্রিয়তা, যোগসাজশ এবং সন্দেহজনক নীরবতা দেখা যাচ্ছে।

অভিবাসীরাও একই ধরনের অভিযোগ করছেন। তাদের ভাষ্য, জাতীয় ঐক্যের সরকার লিবিয়ায় তাঁদের বসবাস ও কাজ করার সুযোগ দিলেও ত্রিপোলিতে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পারেনি। কিছু ক্ষেত্রে সরকার তাদের কাজে নিয়োগও দিয়েছে।

‘লিবিয়ায় কখনো নিরাপদ বোধ করিনি’

ক্যামেরুনের এক শরণার্থী কিংসলি (ছদ্মনাম) গত চার বছর ধরে ত্রিপোলিতে বসবাস করছেন। তিনি মিডল ইস্ট আইকে বলেন, লিবিয়ায় কখনোই নিজেকে নিরাপদ মনে হয়নি তার।

২০২৪ ও ২০২৫ সালে নিরাপত্তা বাহিনীর হাতে দুইবার আটক হয়েছিলেন তিনি। কিংসলির অভিযোগ, অর্থ দেওয়ার পরই তিনি মুক্তি পান। তার ভাষায়, যারা তাকে আটক করেছিল, তারা ছিল ‘অপহরণকারী’। অপরাধী চক্রের পাশাপাশি রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর বিরুদ্ধেও সাধারণ মানুষকে জিম্মি করে অর্থ আদায়ের অভিযোগ রয়েছে।

কিংসলি বলেন, এখন অধিকাংশ লিবীয়কেই তার কাছে হুমকি বলে মনে হয়।

অনলাইনে বিদ্বেষমূলক প্রচারণার প্রধান লক্ষ্য সাহারা-দক্ষিণাঞ্চলীয় আফ্রিকার মানুষ হলেও ফিলিস্তিনি, সিরীয় ও বাংলাদেশি অভিবাসীরাও এর শিকার হচ্ছেন। এসব সম্প্রদায়ের মানুষের উল্লেখযোগ্য অংশ পূর্ব লিবিয়ায় বসবাস করলেও ত্রিপোলিতেও তাদের উপস্থিতি বাড়ছে।

অভিবাসীদের অভিযোগ, বর্তমান বৈরী পরিবেশে স্থানীয়দের কাছ থেকে অধিকার লঙ্ঘন ও অসম্মানজনক আচরণের ঘটনাও বেড়েছে। এসব ঘটনার সঙ্গে সরাসরি ‘পুনর্বাসনবিরোধী’ আন্দোলনের সম্পর্ক না থাকলেও তাদের দুর্ভোগ কমছে না।

অ্যালবার্ট জানান, গত সপ্তাহে একটি নির্মাণস্থলে দুই দিন কাজ করেও তিনি কোনো পারিশ্রমিক পাননি। ফলে খালি পেটে তাকে বাড়ি ফিরতে হয়েছে।

নতুন করে বিক্ষোভের কোনো তারিখ ঘোষণা করা হয়নি। তবে ‘পুনর্বাসনবিরোধী’ আন্দোলনকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা এখনও বিরাজ করছে। পরিস্থিতির আরও অবনতির আশঙ্কা রয়েছে।

মানবাধিকারকর্মী আহমেদ হামজা সতর্ক করে বলেন, কর্তৃপক্ষকে নিজেদের দায়িত্ব পালন করতে হবে। অন্যথায় পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যেতে পারে। এখন পর্যন্ত বৈরী পরিস্থিতির কারণে বিপুলসংখ্যক অভিবাসী ত্রিপোলি ছেড়ে যাননি। তবে কেউ কেউ বিকল্প গন্তব্যের কথা ভাবছেন।

আইওএমের স্বেচ্ছায় নিজ দেশে ফিরে যাওয়ার কর্মসূচির আওতায় ২০২৫ সালে প্রায় ১৬ হাজার অভিবাসী সহায়তা পেয়েছেন। অন্যদিকে, একই বছর লিবীয় কর্তৃপক্ষ ৩৭ হাজারের বেশি অভিবাসীকে বহিষ্কার করেছে।

অ্যালবার্ট বলেন, তিউনিসিয়া বা আলজেরিয়াতেও পরিস্থিতি ভয়াবহ হতে পারে। তারপরও তিনি লিবিয়ার তুলনায় ওই দেশগুলোতে থাকতে বেশি আগ্রহী। লিবিয়ায় আগামী মাসগুলোতে তাদের জন্য কী অপেক্ষা করছে, তা তিনি জানেন না বলেও জানান।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

তথ্যমন্ত্রীর সঙ্গে প্রধান তথ্য কমিশনার ও দুই কমিশনারের সাক্ষাৎ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ১৮ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৩:৫০ পি.এম


তথ্যমন্ত্রীর সঙ্গে প্রধান তথ্য কমিশনার ও দুই কমিশনারের সাক্ষাৎ

নবনিযুক্ত প্রধান তথ্য কমিশনার অধ্যাপক ড. নাহরিন ইসলাম খান এবং তথ্য কমিশনের নবনিযুক্ত দুই সদস্য সাংবাদিক এস. এ. এম মাহফুজুর রহমান ও সাংবাদিক খান মোহাম্মদ আবুল হোসেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী আন্দালিভ রহমান পার্থের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন।

এই সাক্ষাৎটি রোববার (১৮ অক্টোবর) দুপুর ১২টার দিকে সচিবালয়ে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রীর দপ্তরে অনুষ্ঠিত হয়।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের সচিব মাহবুবা ফারজানা এবং মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মো. শাহ আলম।

সাক্ষাৎকালে নবনিযুক্ত তথ্য কমিশনের সদস্যবৃন্দ জনগণের অবাধ তথ্য অধিকার নিশ্চিতকরণের পাশাপাশি বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করেন।

এর আগে, শনিবার (১৭ অক্টোবর) তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের পৃথক দুটি প্রজ্ঞাপনে সরকার তথ্য কমিশনের নতুন প্রধান তথ্য কমিশনার হিসেবে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূগোল ও পরিবেশ বিভাগের অধ্যাপক ড. নাহরিন ইসলাম খানকে নিয়োগ দেয়। একইসঙ্গে সাংবাদিক এস. এ. এম মাহফুজুর রহমান এবং সাংবাদিক খান মোহাম্মদ আবুল হোসেনকে তথ্য কমিশনের তথ্য কমিশনার হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়।

রাষ্ট্রপতি ‘তথ্য অধিকার আইন, ২০০৯’ এর ১৫(১) ধারা অনুযায়ী তাদের এই পদে নিয়োগ প্রদান করেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জিয়ানগরে প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিলের নগদ অর্থ এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ফ্যান বিতরণ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

জিয়ানগর (পিরোজপুর) প্রতিনিধি

রবিবার, ১৮ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৩:৫৩ পি.এম


জিয়ানগরে প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিলের নগদ অর্থ এবং  শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ফ্যান বিতরণ
 
 
পিরোজপুরের জিয়ানগরে প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ ও কল্যাণ তহবিল থেকে অসহায় পরিবারের মাঝে নগদ অর্থ  এবং উপজেলা পরিষদের উন্নয়ন তহবিলের আওতায় বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ফ্যান বিতরণ করা হয়েছে।
 
রোববার উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ( ভারপ্রাপ্ত) মোঃ ওয়ালিউর রহমান রুবেলের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে এসব সহায়তা বিতরণ করেন পিরোজপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য মাসুদ সাঈদী।
 
অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ ও কল্যাণ তহবিল থেকে ১২০টি অসহায় পরিবারের প্রত্যেককে ২ হাজার টাকা করে এবং আরও দুটি পরিবারকে ৫ হাজার টাকা করে নগদ অর্থ সহায়তা দেওয়া হয়।
 
এ ছাড়া সংসদ সদস্য মাসুদ সাঈদীর ব্যক্তিগত তহবিল থেকে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ফ্যান বিতরণ করা হয়।
 
এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মহিউদ্দিন, উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা হাফিজুর রহমান, উপজেলা জামায়াতের সাবেক আমির ও জেলা কর্মপরিষদ সদস্য মো. হাবিবুর রহমান, উপজেলা জামায়াতের বর্তমান আমির মাওলানা আলী হোসেন, উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি তৌহিদুর রহমান রাতুল সহ উপজেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে আগত শিক্ষক এবং রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।
 
প্রধান অতিথি সংসদ সদস্য মাসুদ সাঈদী তার বক্তব্যে সরকারি দলকে উদ্দেশ্য করে বলেন, “আসুন, আমার কোনো ভুল হলে আমাকে বলুন, আমি নিজেকে শুধরে নেব। ভালো কাজে সহযোগিতা করুন। রাজনীতি হোক দেশ ও মানুষের কল্যাণে।”
 
তিনি দেশ ও মানুষের কল্যাণে সবাইকে একসঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানান। (মোঃ হাফিজুর রহমান, ০১৯৭৯৩২৯১৮৭)
 
 
 

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

২৩ মামলার আসামি বগা আদালতে আত্মসমর্পণ, জামিন নামঞ্জুর

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ১৮ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৪:১২ পি.এম


২৩ মামলার আসামি বগা আদালতে আত্মসমর্পণ, জামিন নামঞ্জুর

পুলিশের তালিকাভুক্ত সন্ত্রাসী হিসেবে চিহ্নিত কিশোর গ্যাং নেতা ওয়াকিল হোসেন, যিনি বগা নামেই পরিচিত, আদালতে আত্মসমর্পণ করেছেন। তিনি ২৩ মামলার আসামি।

রোববার (১৮ অক্টোবর) দুপুরে চট্টগ্রাম অতিরিক্ত চিফ চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মহিদুল ইসলামের আদালতে আত্মসমর্পণের পর জামিনের আবেদন করেন তিনি।

আদালত তার জামিনের আবেদন নামঞ্জুর করে তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

পুলিশের উপকমিশনার (প্রসিকিউশন) হাসান ইকবাল চৌধুরী জানান, চাঁদাবাজির একটি মামলায় আত্মসমর্পণ করে জামিনের আবেদন করেন আসামি ওয়াকিল। আদালত তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছে।

ওয়াকিলের বিরুদ্ধে হত্যা, অস্ত্র, মাদক, চাঁদাবাজি, দখলসহ বিভিন্ন অভিযোগে মোট ২৩টি মামলা রয়েছে।

গত ৪ সেপ্টেম্বর সকালে ওয়াকিলকে গ্রেপ্তার করতে গেলে পুলিশের ওপর হামলার ঘটনা ঘটে। এই হামলায় ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবদুর রহিমসহ ছয় পুলিশ সদস্য আহত হন এবং পুলিশের একটি গাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

এ ঘটনায় ওয়াকিলকে প্রধান আসামি করে ১৪ জনের নাম উল্লেখ করা হয় এবং অজ্ঞাতনামা আরও ১৫০ থেকে ২০০ জনকে আসামি করে মামলা দায়ের করে পুলিশ।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

৬০ হাজার কোটি টাকার ১৫ স্কিমে বিতরণ ১১ হাজার ৯৬০ কোটি, বরাদ্দের বড় অংশ অব্যবহৃত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ১৮ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৪:১২ পি.এম


৬০ হাজার কোটি টাকার ১৫ স্কিমে বিতরণ ১১ হাজার ৯৬০ কোটি, বরাদ্দের বড় অংশ অব্যবহৃত

কর্মসংস্থান সৃষ্টি, ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তাদের সহায়তা, কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি, রপ্তানি এবং গ্রামীণ অর্থনীতি সচল রাখার উদ্দেশ্যে গঠিত ৬০ হাজার কোটি টাকার ১৫টি অর্থায়ন স্কিমের বিপরীতে বিতরণ হয়েছে ১১ হাজার ৯৫৯ কোটি ৮২ লাখ টাকা। এছাড়া, ২ হাজার ৫৫৯ কোটি ৯৭ লাখ টাকা বিতরণের প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। সব মিলিয়ে বিতরণ ও প্রক্রিয়াধীন অর্থের পরিমাণ ১৪ হাজার ৫১৯ কোটি ৭৯ লাখ টাকা। এই হিসাব অনুযায়ী, মোট বরাদ্দের প্রায় ২৪ দশমিক ২০ শতাংশ বিতরণ হয়েছে অথবা বিতরণের প্রক্রিয়ায় রয়েছে। বাকি প্রায় ৭৫ দশমিক ৮০ শতাংশ অর্থ এখনও বিতরণ করা সম্ভব হয়নি। গত ১৫ অক্টোবর ১৫টি স্কিমের অগ্রগতির হিসাব থেকে এসব তথ্য পাওয়া গেছে।

দুই ধরনের স্কিম রয়েছে: পুনঃঅর্থায়ন এবং প্রাক্‌-অর্থায়ন। কিছু স্কিমে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ অর্থ বিতরণ হলেও একাধিক স্কিমে বিতরণের অগ্রগতি সীমিত। তিনটি স্কিমের বিপরীতে এখনও কোনো অর্থ বিতরণের তথ্য নেই। তবে প্রি-শিপমেন্ট ক্রেডিট পুনঃঅর্থায়ন স্কিমে ৫ হাজার কোটি টাকার বরাদ্দের বিপরীতে বিতরণ করা হয়েছে ৬ হাজার ৯১৭ কোটি টাকা।

সর্বোচ্চ বিতরণ তিনটি স্কিমে:

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, প্রি-শিপমেন্ট ক্রেডিট পুনঃঅর্থায়ন স্কিমে বরাদ্দ রয়েছে ৫ হাজার কোটি টাকা। এর বিপরীতে বিতরণ দেখানো হয়েছে ৬ হাজার ৯১৭ কোটি টাকা, যা বরাদ্দের তুলনায় বেশি।

কটেজ ও মাইক্রো খাতে উদ্যোক্তা সৃষ্টির জন্য বিশেষ স্কিমে ৫ হাজার কোটি টাকার বরাদ্দের বিপরীতে বিতরণ হয়েছে ২ হাজার ৫০০ কোটি টাকা। সিএমএসএমই খাতে চলতি মূলধন পুনঃঅর্থায়ন তহবিলে ৫ হাজার কোটি টাকার বরাদ্দের বিপরীতে বিতরণ হয়েছে ৯০৭ কোটি ৭৩ লাখ টাকা।

বৃহৎ শিল্প ও সেবা খাতের সহায়ক প্রাক্‌-অর্থায়ন স্কিমে বরাদ্দ ২০ হাজার কোটি টাকা। এর বিপরীতে ৫৬০ কোটি ৯৩ লাখ টাকা বিতরণ করা হয়েছে এবং ৯২৯ কোটি ৫০ লাখ টাকা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। ১৫টি স্কিমের মধ্যে এটিই সর্বোচ্চ বরাদ্দের স্কিম, তবে বরাদ্দের তুলনায় বিতরণের পরিমাণ এখনও অনেক কম।

কৃষি ও কর্মসংস্থানভিত্তিক স্কিমের অগ্রগতি ধীরগতির:

দেশের কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি ও পল্লী অঞ্চলে অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে খাদ্যনিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যে গঠিত পুনঃঅর্থায়ন স্কিমে বরাদ্দ রয়েছে ১০ হাজার কোটি টাকা। এ স্কিমের বিপরীতে বিতরণ হয়েছে ২৯২ কোটি ৯০ লাখ টাকা। বিপুল বরাদ্দের তুলনায় বিতরণের পরিমাণ কম হওয়ায় এ স্কিমের বাস্তবায়ন অগ্রগতি নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

বৈদেশিক কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যে অর্থায়ন স্কিমে ১ হাজার কোটি টাকার বরাদ্দের বিপরীতে বিতরণ হয়েছে ২০০ কোটি টাকা। দেশের উত্তরাঞ্চলে কৃষিভিত্তিক বিশেষ অর্থনৈতিক কেন্দ্র সৃষ্টির লক্ষ্যে গঠিত বিশেষ পুনঃঅর্থায়ন স্কিমে ৩ হাজার কোটি টাকার বরাদ্দ থাকলেও বিতরণ হয়েছে মাত্র ৪৮ কোটি ৬৭ লাখ টাকা।

স্টার্টআপ খাতে অর্থায়নের জন্য গঠিত স্কিমে ৫০০ কোটি টাকার বরাদ্দের বিপরীতে বিতরণ হয়েছে ৩২ কোটি ৫৯ লাখ টাকা। সারণিতে এ স্কিমে আরও ৫ কোটি টাকা প্রক্রিয়াধীন দেখানো হয়েছে।

তিন স্কিমে বিতরণ শূন্য:

১৫টি স্কিমের মধ্যে তিনটির বিপরীতে ১৫ অক্টোবর পর্যন্ত কোনো অর্থ বিতরণের তথ্য নেই। এগুলো হলো—রপ্তানি বহুমুখীকরণ খাতে পুনঃঅর্থায়ন স্কিম, গ্রামীণ অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে গতিশীলতা আনয়নের জন্য অর্থায়ন স্কিম এবং হিমায়িত চিংড়ি ও অন্যান্য মাছ রপ্তানিমুখী খাতে অর্থায়নের নিমিত্ত স্কিম।

রপ্তানি বহুমুখীকরণ খাতে পুনঃঅর্থায়ন স্কিমে বরাদ্দ রয়েছে ৩ হাজার কোটি টাকা। গ্রামীণ অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে গতিশীলতা আনয়নের স্কিমে বরাদ্দ ১ হাজার কোটি টাকা। হিমায়িত চিংড়ি ও অন্যান্য মাছ রপ্তানিমুখী খাতের স্কিমে বরাদ্দ রয়েছে ২ হাজার কোটি টাকা।

এই তিন স্কিমে মোট বরাদ্দ ৬ হাজার কোটি টাকা। নির্ধারিত তারিখ পর্যন্ত এসব স্কিমে অর্থ বিতরণ হয়নি।

অন্যান্য স্কিমের চিত্র:

সৃজনশীল অর্থনীতির (ক্রিয়েটিভ ইকোনমি) জন্য গঠিত প্রাক্‌-অর্থায়ন স্কিমে ৫০০ কোটি টাকার বরাদ্দের বিপরীতে ৫০০ কোটি টাকা বিতরণ করা হয়েছে।

রপ্তানি ও কর্মসংস্থানসহ বিভিন্ন খাতে সহায়তার পাশাপাশি গ্রিন ফ্যাক্টরি বিল্ডিং এবং গ্রিন ইন্ডাস্ট্রিজ খাতে পুনঃঅর্থায়ন স্কিমে ১ হাজার কোটি টাকার বরাদ্দের বিপরীতে ৫২৭ কোটি ৪৭ লাখ টাকা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। তবে এ স্কিমের বিপরীতে কোনো অর্থ বিতরণ করা হয়নি।

চামড়াজাত পণ্য এবং পাদুকা রপ্তানিমুখী খাতে অর্থায়নের নিমিত্ত গঠিত স্কিমে ২ হাজার কোটি টাকার বরাদ্দের বিপরীতে ৯৮ কোটি টাকা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। অন্যদিকে, বেকার যুবকদের কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যে অর্থায়ন স্কিমে ১ হাজার কোটি টাকার বরাদ্দের বিপরীতে ১ হাজার কোটি টাকা প্রক্রিয়াধীন দেখানো হয়েছে। অর্থাৎ এ স্কিমের পুরো বরাদ্দই বিতরণের প্রক্রিয়ায় রয়েছে।

বরাদ্দের পূর্ণ ব্যবহার নিশ্চিত করার প্রশ্ন:

১৫টি স্কিমে মোট ৬০ হাজার কোটি টাকার বরাদ্দের বিপরীতে বিতরণ ও প্রক্রিয়াধীন অর্থের সম্মিলিত পরিমাণ ১৪ হাজার ৫১৯ কোটি ৭৯ লাখ টাকা। অর্থাৎ বরাদ্দের তুলনায় অগ্রগতি এখনও এক-চতুর্থাংশেরও কম।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৫
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%