০৩:৪৭ পি.এম
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
হাবিবুর রশিদ, সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের প্রতিমন্ত্রী, নারীদের অংশগ্রহণ পরিবহন খাতে বৃদ্ধি বর্তমান সময়ের অন্যতম অগ্রাধিকার হিসেবে উল্লেখ করেছেন। তিনি উল্লেখ করেন, সামাজিক বাধা এবং প্রচলিত ধারণার কারণে পরিবহন খাতে নারীদের উপস্থিতি দীর্ঘদিন ধরেই সীমাবদ্ধ রয়েছে। তবে তিনি জানিয়েছেন যে, যদি নারীদের যথাযথ সুযোগ ও সহায়তা দেওয়া হয়, তাহলে তারা এসব বাধা অতিক্রম করে সফলতার সাথে এগিয়ে যেতে সক্ষম হতে পারেন।
মঙ্গলবার, রাজধানীর ব্র্যাক মিলনায়তনে নারী গাড়িচালকদের সনদ বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি আরো যোগ করেন। প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, প্রশিক্ষিত নারী চালকদের জন্য কর্মসংস্থান নিশ্চিত করাও সমান জরুরি। এ ক্ষেত্রে, ব্র্যাক বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে নারী চালকদের চাকরির সুযোগ তৈরি করার পাশাপাশি নিজেদের প্রতিষ্ঠানে ২৪ জন পেশাদার নারী চালক নিয়োগ দিয়েছে। আজকের আয়োজন প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত নারী চালকদের সম্ভাব্য নিয়োগদাতাদের সঙ্গে সংযুক্ত হওয়ার সুযোগ তৈরি করেছে, যা সত্যিই প্রশংসনীয় উদ্যোগ।
তিনি জানালেন, সরকারের বিশেষ অনুরোধে ব্র্যাক ২০০১ সাল থেকে সড়ক নিরাপত্তা কর্মসূচি বাস্তবায়ন করে আসছে। ২০১২ সাল থেকে পরিচালিত ব্র্যাক ড্রাইভিং স্কুলের ১৩টি প্রশিক্ষণকেন্দ্রের মাধ্যমে আজ পর্যন্ত প্রায় ১২ হাজার ৫০০ জনকে প্রাথমিক গাড়িচালনা, ১৩ হাজার ৫০০ জনকে নিরাপদ চালনা এবং ৪০৯ জনকে গাড়িচালনা প্রশিক্ষক হিসেবে প্রশিক্ষিত করা হয়েছে।
হাবিবুর রশিদ আরও বলেন, নারী চালক প্রশিক্ষণ, মোটরসাইকেল চালনা প্রশিক্ষণের পাশাপাশি, গবেষণা, মানসম্মত হেলমেট ব্যবহারে সচেতনতা গড়ে তোলা, দুর্ঘটনা-পরবর্তী জরুরি চিকিৎসাসেবা প্রদান এবং গণপরিবহন ও জনপরিসরে নারী ও কিশোরীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতেও ব্র্যাক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।
সড়ক পরিবহন প্রতিমন্ত্রী আরো বলেন, সরকার সড়ক নিরাপত্তা উন্নয়ন এবং নারী ক্ষমতায়নে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ রয়েছে। প্রযুক্তিনির্ভর ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা, নিরাপদ সড়ক অবকাঠামো উন্নয়ন, গণপরিবহন ব্যবস্থার আধুনিকায়ন এবং নারীদের জন্য নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করতে বিভিন্ন উদ্যোগ বাস্তবায়নে কাজ করা হচ্ছে।
ড্রাইভিং প্রশিক্ষণ সম্পন্ন করা নারী গ্র্যাজুয়েটদের অভিনন্দন জানিয়ে তিনি বলেছেন, তারা শুধু একটি পেশা বেছে নেননি, বরং সমাজে নারী সক্ষমতার সম্পর্কিত একটি শক্তিশালী উদাহরণ স্থাপন করেছেন। বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান যেমন সরকার, উন্নয়ন সহযোগী, বেসরকারি প্রতিষ্ঠান এবং ব্র্যাকের মতো সংস্থা সমন্বিতভাবে কাজ করলে একটি নিরাপদ, অন্তর্ভুক্তিমূলক এবং সমতাভিত্তিক বাংলাদেশ গড়ে তোলা সম্ভব হবে।
অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য আন্না মিনজ, বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআরটিএ) চেয়ারম্যান মোহাম্মদ হাবীবুর রহমান, ব্র্যাক এন্টারপ্রাইজেসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক তামারা হাসান আবেদ, ব্র্যাকের সড়ক নিরাপত্তা কর্মসূচির পরিচালক আহমেদ নাজমুল হুসেইন এবং প্রকল্প ব্যবস্থাপক এম খালিদ মাহমুদ।
অনুষ্ঠানে ব্র্যাক ড্রাইভিং স্কুলে সফলভাবে প্রশিক্ষণ সম্পন্ন করা ১০ জন নারীর হাতে আনুষ্ঠানিকভাবে সনদ তুলে দেওয়া হয়। তারা তিন মাসের নিবিড় আবাসিক প্রশিক্ষণের মাধ্যমে গাড়িচালনার তাত্ত্বিক ও ব্যবহারিক শিক্ষা গ্রহণ করেছেন। পাশাপাশি ইংরেজি ভাষায় যোগাযোগ দক্ষতা এবং জেন্ডার ও সুরক্ষা সম্পর্কে সচেতনতামূলক প্রশিক্ষণও পেয়েছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
এ বছর চাঁদপুর জেলায় ৩ লাখ ৬৬ হাজার ৮৮১ জন শিশুকে ভিটামিন-এ প্লাস ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে।
মঙ্গলবার (২৩ জুন) দুপুরে চাঁদপুর প্রেস ক্লাবের মিলনায়তনে জাতীয় পুষ্টিসেবা, জনস্বাস্থ্য পুষ্টি প্রতিষ্ঠান, স্বাস্থ্য অধিদপ্তর এবং স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সহযোগিতায় জাতীয় ভিটামিন-এ প্লাস ক্যাম্পেইন সফলভাবে বাস্তবায়নের উদ্দেশ্যে সাংবাদিকদের নিয়ে অবহিতকরণ ও কর্মপরিকল্পনা বিষয়ক ওরিয়েন্টেশন কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এ তথ্য জানান সিভিল সার্জন ডা. মোহাম্মদ নুর আলম দীন। এই অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন চাঁদপুর প্রেসক্লাবের সভাপতি সোহেল রুশদী।
সিভিল সার্জন ডা. মোহাম্মদ নুর আলম দীন বলেন, আগামী ২৮ জুন দেশে জাতীয় ভিটামিন-এ প্লাস ক্যাম্পেইন উদযাপিত হবে। ওইদিন, ৬ থেকে ১১ মাস বয়সী শিশুদের জন্য নীল রঙের ভিটামিন-এ ক্যাপসুল এবং ১২ থেকে ৫৯ মাস বয়সী শিশুদের জন্য একটি করে লাল রঙের ভিটামিন-এ ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে। শিশুর বয়স ছয় মাস পূর্ণ হওয়ার পর, মায়ের দুধের সঙ্গে পরিমাণ মতো ঘরে তৈরি সুষম খাবার খাওয়ানো জরুরি। চাঁদপুর জেলার ৮ উপজেলার দুটি পৌরসভায় ৬ থেকে ১১ মাস বয়সী ৪২ হাজার ৮ জন এবং ১২ থেকে ৫৯ মাস বয়সী ৩ লাখ ২৪ হাজার ৮৭৩ জন শিশুকে ভিটামিন-এ ক্যাপসুল দেওয়া হবে। ওইদিন সকাল ৮টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত ২ হাজার ৩৩২টি টিকা কেন্দ্রে বিরতিহীনভাবে এই কার্যক্রম চলবে।
তিনি আরও জানান, ভিটামিন-এ শিশুদের রাতকানা রোগ প্রতিরোধ, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি এবং অপুষ্টিজনিত জটিলতা হ্রাসে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। তাই প্রতিটি যোগ্য শিশুকে এ ক্যাম্পেইনের আওতায় আনা অত্যন্ত জরুরি। স্বাস্থ্য বিভাগের পাশাপাশি বিভিন্ন সরকারি এবং বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, জনপ্রতিনিধি এবং গণমাধ্যমকর্মীদের সহযোগিতা এ কার্যক্রম সফল করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
তিনি আরও বলেন, ক্যাম্পেইনের দিন যদি কোনো শিশু বাদ পড়ে যায়, তাদের খুঁজে বের করে ভিটামিন-এ ক্যাপসুল খাওয়ানো নিশ্চিত করতে বিশেষ ‘বাদপড়া শিশু অনুসন্ধান কার্যক্রম’ পরিচালনা করা হবে। এ কার্যক্রমের আওতায় মাঠপর্যায়ে প্রস্তুতকৃত ওয়ার্ড ম্যাপ অনুযায়ী প্রতিটি সাব-ব্লকে প্রতিদিন দুটি বিশেষ দল সকাল ৮টা থেকে কাজ শুরু করবে। প্রতিটি দলে দুইজন করে মাঠকর্মী থাকবেন। তারা প্রত্যন্ত এলাকায় গিয়ে প্রতিদিন গড়ে ২০ জন বাদপড়া শিশুকে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানোর লক্ষ্যে কাজ করবেন। চার দিনের মধ্যে পুরো ওয়ার্ডের অনুসন্ধান কার্যক্রম সম্পন্ন করার পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে।
সভাপতির বক্তৃতায় সোহেল রুশদী বলেন, জাতীয় ভিটামিন-এ প্লাস ক্যাম্পেইন শুধু একটি স্বাস্থ্য কর্মসূচি নয়, এটি শিশুদের সুস্থ ও নিরাপদ ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করার একটি গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ। এ কর্মসূচির সফলতা নির্ভর করে জনগণের সক্রিয় অংশগ্রহণ ও সচেতনতার ওপর। গণমাধ্যম সমাজের দর্পণ হিসেবে জনসচেতনতা তৈরিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। তাই ক্যাম্পেইন সম্পর্কে সঠিক তথ্য প্রচারের মাধ্যমে জেলার প্রতিটি অভিভাবকের কাছে বার্তা পৌঁছাতে সাংবাদিকদের আন্তরিকভাবে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি। তিনি একই সঙ্গে আশা করেন, স্বাস্থ্য বিভাগ, জনপ্রতিনিধি ও গণমাধ্যমের সমন্বিত প্রচেষ্টায় জেলার শতভাগ যোগ্য শিশুকে ভিটামিন-এ ক্যাপসুলের আওতায় আনা সম্ভব হবে।
এ ছাড়া কর্মশালায় বক্তব্য দেন চাঁদপুর প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক এম. এ. লতিফ, জেলা পরিবার পরিকল্পনা কার্যালয়ের উপপরিচালক মো. মোস্তফা কামাল, প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি রহিম বাদশা, আরটিভির স্টাফ রিপোর্টার শরীফ শরীফ চৌধুরী, প্রথম আলোর জেলা প্রতিনিধি আলম পলাশ, সময় টেলিভিশনের স্টাফ রিপোর্টার ফারুক আহমেদ, এখন টিভির প্রতিবেদক তালহা জুবায়ের।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন চাঁদপুর প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি কাজী শাহাদাত, সাংবাদিক এম ফরিদুল ইসলাম উকিল, এমরান হোসেন রাজন, বোরহান উদ্দিন ডালিম, সাইদ হোসেন অপু চৌধুরীসহ জেলার বিভিন্ন প্রিন্ট, ইলেকট্রনিক ও অনলাইন গণমাধ্যমের সাংবাদিকরা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
প্রেমিকের হাত ধরে পালিয়ে যাওয়া বগুড়ার আদমদীঘি থানার আলোচিত-সমালোচিত পুলিশ কনস্টেবল রানা মাসুদের মেয়েকে এক মাস ২২ দিন পর উদ্ধার করা হয়েছে। বগুড়া ডিবি পুলিশের একটি দল অভিযান চালিয়ে তাকে উদ্ধার করে। উদ্ধারকালে ওই কিশোরীকে অপহরণের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট থাকার অভিযোগে চারজনকে গ্রেফতার করা হয়, যার মধ্যে মূল অভিযুক্ত যুবকও রয়েছে।
মঙ্গলবার (২৩ জুন) ভোর ৪টা ১৫ মিনিটে জয়পুরহাট জেলার পাঁচবিবি উপজেলার দৈব নন্দপুর গ্রাম থেকে তাকে উদ্ধার করা হয়। গ্রেফতার হওয়া অভিযুক্ত যুবকের নাম শহীদ হোসেন (২০)।
বগুড়ার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার হোসাইন মোহাম্মদ রায়হান মঙ্গলবার (২৩ জুন) দুপুরে ডিবি কার্যালয় চত্বরে এক সংবাদ ব্রিফিংয়ে প্রতিবেদন দেন এই বিষয়ে। সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের উত্তরে তিনি জানান যে, উদ্ধার হওয়া কিশোরীর ডাক্তারি পরীক্ষা সম্পন্ন হবে এবং গ্রেফতারকৃত আসামিদের আদালতে পাঠানো হবে।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে যে, বগুড়ার আদমদীঘি থানায় কর্মরত পুলিশ কনস্টেবল রানা মাসুদের মেয়ের সঙ্গে শহীদ হোসেন নামের এক যুবকের প্রেম গড়ে ওঠে। একপর্যায়ে গত ১ মে ওই যুবক পুলিশ সদস্যের মেয়েকে নিয়ে পালিয়ে যায়। এই ঘটনার পরপরই কনস্টেবল রানা মাসুদ তার কর্মস্থল আদমদীঘি থানায় মামলা করার চেষ্টা করেন। কিন্তু আদমদীঘি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কামরুজ্জামান মামলা নেয়ার বিষয়ে অস্বীকৃতি জানান।
পরবর্তীতে কনস্টেবল রানা মাসুদ বাধ্য হয়ে বগুড়ার আদালতে মামলা দায়ের করেন। আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী গত ৭ মে আদমদীঘি থানায় মামলাটি রেকর্ড করা হয়। মামলায় অভিযুক্ত শহীদ হোসেনসহ মোট ছয়জনকে আসামি করা হয়।
কনস্টেবল রানা মাসুদের অভিযোগ, তার মেয়েকে আগে জয়পুরহাট জেলার পাঁচবিবি এলাকায় উদ্ধার করা হয়েছিল। সেখানে পাঁচবিবি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল হাফিজ ওই কিশোরীকে উদ্ধার করলেও তা তার বাবার কাছে ফিরিয়ে দেননি। এই বিষয়গুলো নিয়ে কনস্টেবল রানা মাসুদ পরবর্তীতে ঢাকা গিয়ে সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য দেন এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আদমদীঘি ও পাঁচবিবি থানার দুই ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার (ওসি) বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করেন। তিনি দাবি করেন যে, নিজে পুলিশ সদস্য হয়েও পুলিশের সহযোগিতা পাচ্ছেন না।
কনস্টেবল রানা মাসুদের বক্তব্য সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হলে তার পলাতক মেয়েও প্রেমিক শহীদ হোসেনকে সঙ্গে নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে একটি ভিডিও বার্তা দেয়। সেখানে সে উল্টো তার পিতার বিরুদ্ধে নির্যাতনের অভিযোগ তোলে। এই ঘটনার এক পর্যায়ে সম্প্রতি শৃঙ্খলাভঙ্গের কারণে কনস্টেবল রানা মাসুদকে চাকরি থেকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়।
মঙ্গলবার (২৩ জুন) সংবাদ ব্রিফিংয়ে বগুড়ার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার হোসাইন মোহাম্মদ রায়হান জানান, যেহেতু উদ্ধার হওয়া কিশোরীর বয়স ১৮ বছরের কম, তাই তাকে নিয়ে পালিয়ে যাওয়ার বিষয়টি আইনগতভাবে অপহরণজনিত অপরাধ হিসেবে বিবেচিত হবে। এই বিষয়ে সুনির্দিষ্ট মামলাও রয়েছে।
আরেক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘কন্যা অপহরণের পর তাকে উদ্ধার করার জন্য কনস্টেবল রানা মাসুদ বিধিবহির্ভূত আচরণ করায় তাকে চাকরি থেকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।’
ডিবি পুলিশের সংবাদ ব্রিফিংয়ের পর সেখানে উপস্থিত সাময়িক বরখাস্ত কনস্টেবল রানা মাসুদও সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন। তিনি তার মেয়েকে উদ্ধার করার জন্য ডিবি পুলিশ কর্মকর্তাদের ধন্যবাদ জানান।
তবে তিনি তার আগের দাবিতে অনড় থেকে মন্তব্য করেন, ‘ঘটনার পর যদি আদমদীঘি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মামলা নিতেন, তাহলে আমার মেয়ে আরও আগে উদ্ধার হতো।’ একই সঙ্গে তিনি জয়পুরহাট জেলার পাঁচবিবি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুর হাফিজের বিরুদ্ধে অসহযোগিতার অভিযোগ তুলে বলেন, ‘তিনি আমার মেয়েকে উদ্ধার করলেও তাকে ফিরিয়ে দেননি।’
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ