০৫:০৮ পি.এম
সাবেক প্রধান বিচারপতি এবিএম খায়রুল হক জামিনে মুক্তি পেয়েছেন।
কেরানীগঞ্জ বিশেষ কারাগার থেকে বুধবার (১৯ আগস্ট) তাকে মুক্তি দেওয়া হয়।
বিস্তারিত আসছে।
আরও পড়ুন: সৌদিতে আটকে পড়া ৪০ ওমরাহ পালনকারী দেশে ফিরলেন
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সাবেক প্রধান বিচারপতি এবিএম খায়রুল হক জামিনে মুক্তি পেয়েছেন।
কেরানীগঞ্জ বিশেষ কারাগার থেকে বুধবার (১৯ আগস্ট) তাকে মুক্তি দেওয়া হয়।
বিস্তারিত আসছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
পাকিস্তানের পাঞ্জাব প্রদেশে ২৮ বছর বয়সী এক টিকটকারকে গুলি করে হত্যা করে একদল অজ্ঞাত পরিচয় হামলাকারী। শামসু বিবি, যে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ‘আয়েশা গিলামনা’ নামে পরিচিত, তাকে খুন করা হয়েছে আর্থিকসংক্রান্ত বিরোধের কারণে বলে জানা গেছে।
আয়েশা গিলামানার টিকটকে প্রায় ১৩ লাখ অনুসারী ছিল এবং ইউটিউবেও তার প্রায় ১ লাখ ৭৬ হাজার সাবস্ক্রাইবার ছিল। টাইমস অব ইন্ডিয়ার একটি প্রতিবেদন অনুযায়ী, পাকিস্তানি পুলিশ জানিয়েছে, ট্যাক্সিলায় গাড়ি চালানোর সময় মোটরসাইকেলে থাকা দুই ব্যক্তি তাকে লক্ষ্য করে গুলি চালায়। ইতিমধ্যে এ ঘটনায় তিনজনকে আটক করা হয়েছে।
হত্যাকাণ্ডের পেছনে আসলে কী ছিল এবং আয়েশাকে কেন টার্গেট করা হয়েছিল, তা তদন্তকারীরা খতিয়ে দেখছেন।
আয়েশার বাবার করা অভিযোগ অনুযায়ী, গত ১৪ আগস্ট ১৫ বছর বয়সী ছোট বোন আসমিয়া বিবি এবং ভাই নিয়ামতুল্লাহকে নিয়ে আয়েশা বাড়ি থেকে বের হন। এর আগে তিনি কাশিফ ওরফে কাশী নামের এক ব্যক্তির ফোন পান, যে তাকে দ্রুত বাড়ি থেকে বের হতে বলেছিলেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
পরে, একটি গ্যাস স্টেশনের কাছে গাড়ি চালানোর সময় মোটরসাইকেলে থাকা দুই ব্যক্তি আয়েশার গাড়ির কাছে আসে। পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, মোটরসাইকেলের পিছনে থাকা ব্যক্তি গাড়িটিকে লক্ষ্য করে গুলি চালায়। একটি গুলি আয়েশার ঘাড়ে লাগে।
গুলিবিদ্ধ হওয়ার কারণে আয়েশা গাড়ির নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলেন এবং গাড়িটি একটি চলন্ত ডাম্প ট্রাকের সঙ্গে撞 করে। ঘটনাস্থলেই গাড়ির ভেতরে আয়েশার মৃত্যু ঘটে।
এসময়, তাঁর ছোট বোন আসমিয়াও গুরুতর আহত হন। পরবর্তীতে তাকে চিকিৎসার জন্য ইসলামাবাদের পাকিস্তান ইনস্টিটিউট অব মেডিকেল সায়েন্সেস হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।
আয়েশার মৃত্যুর ঘটনায় তদন্তের অংশ হিসেবে তিনজনকে আটক করেছে পুলিশ। ট্যাক্সিলা, অ্যাটক এবং খাইবার পাখতুনখোয়ার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালানোর পর তাদের আটক করা হয়।
তদন্ত সংশ্লিষ্টদের বরাত দিয়ে জানা গেছে, আটক তিনজন কাশিফ, কওসার ও জাভেদ নামের তিন ব্যক্তির ঘনিষ্ঠ আত্মীয়। আয়েশার পরিবারের অভিযোগে এই তিনজনের নাম উল্লেখ ছিল। তদন্তকারীরা বলছেন, আটক ব্যক্তিদের সঙ্গে অভিযোগে নাম থাকা ওই তিনজনের যোগাযোগের তথ্য পাওয়া গেছে।
তবে পুলিশ এখনও হত্যাকাণ্ডে আটক ব্যক্তিদের সরাসরি সম্পৃক্ততার বিষয়টি নিশ্চিত করেনি। তারা জিজ্ঞাসাবাদ করে ঘটনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট আরো তথ্য জানার চেষ্টা করছে।
হত্যাকাণ্ডের ঘটনাস্থল ঘিরে ইতিমধ্যে পুলিশ জিওফেন্সিং সম্পন্ন করেছে। এর মাধ্যমে ঘটনার সময় ও স্থানে কোন কোন মোবাইল ফোন সক্রিয় ছিল, তা শনাক্ত করার চেষ্টা করা হচ্ছে।
এ ছাড়া আয়েশার ব্যবহৃত মোবাইল ফোন ফরেনসিক পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছে। প্রাথমিকভাবে পাওয়া অবস্থানসংক্রান্ত তথ্য অনুযায়ী, অভিযোগে নাম থাকা কাশিফ, কওসার ও জাভেদ ঘটনার সময় মুরিতে অবস্থান করছিলেন বলে জানা গেছে।
এ কারণে তদন্তকারীরা এখন খতিয়ে দেখছেন, ঘটনার সময় ওই তিনজন সত্যিই সেখানে ছিলেন কি না এবং তাঁদের মোবাইল ফোন কে ব্যবহার করছিলেন।
তিনজনকে আটক এবং বিভিন্ন প্রযুক্তিগত তথ্য সংগ্রহ করার পরও আয়েশা গিলামানাকে হত্যার প্রকৃত কারণ এখনও স্পষ্ট নয়। কার নির্দেশে হামলা চালানো হয়েছিল, হামলাকারীরা কারা এবং এর পেছনে কী ধরনের বিরোধ ছিল—এসব প্রশ্নের উত্তর খুঁজছে পুলিশ।
তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত হত্যাকাণ্ডের কারণ বা আটক ব্যক্তিদের ভূমিকা নিয়ে নিশ্চিতভাবে কিছু বলা যাচ্ছে না। আয়েশার পরিবার ন্যায়বিচারের অপেক্ষায় রয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ভোলা, ১৯ আগস্ট, ২০২৬ : বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দলের ৪৬ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে ভোলায় বর্ণাঢ্য র্যালি অনুষ্ঠিত হয়েছে।
আজ বুধবার সকাল ১০ টায় ভোলা জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের উদ্যোগে এ র্যালির আয়োজন করা হয়।
জেলা স্বেচ্ছাসেবক দল, বিএনপি এবং অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মী এ র্যালিতে অংশ নেন। ব্যানার-ফেস্টুন নিয়ে নেতাকর্মীদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে র্যালিটি প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে।
র্যালিটি জেলা শহরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে। এ সময় নেতাকর্মীরা দলীয় বিভিন্ন স্লোগান দেন এবং পরস্পরকে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর শুভেচ্ছা জানান।
র্যালি শেষে শহরের কালীনাথ রায়ের বাজারের মহাজনপট্টিতে অবস্থিত দলীয় কার্যালয়ের সামনে সংক্ষিপ্ত বক্তব্য দেন, অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি জেলা BNP এর আহ্বায়ক এবং জেলা পরিষদ প্রশাসক আলহাজ্ব গোলাম নবী আলমগীর।
বিশেষ অতিথি ছিলেন, জেলা BNP এর যুগ্ম আহ্বায়ক হারুনুর রশিদ ট্রুম্যান, হুমায়ুন কবির সোপান, কবির হোসেন, সদর উপজেলা BNP এর সদস্য সচিব হেলাল উদ্দিন, ভোলা পৌর BNP এর সাংগঠনিক সম্পাদক লিয়াকত হোসেন, জেলা যুবদলের সভাপতি জামাল উদ্দিন লিটন, সাধারণ সম্পাদক আব্দুল কাদের সেলিম।
এ সময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক ইয়াকুব শাহ জুয়েল, জাকির হোসেন মনির, ওমর ফারুক ও সপন গোলাদারসহ স্বেচ্ছাসেবক দলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা।
এ সময় নেতাকর্মীরা স্বেচ্ছাসেবক দলের প্রতিষ্ঠার ইতিহাস, দলের আদর্শ এবং গণতান্ত্রিক আন্দোলনে সংগঠনটির ভূমিকা তুলে ধরেন। পাশাপাশি আগামী দিনে সংগঠনটিকে আরও শক্তিশালী, সুসংগঠিত এবং ঐক্যবদ্ধ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
র্যালিকে ঘিরে ভোলা জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতাকর্মীদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা গেছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন জানিয়েছেন, দেশের বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে শিগগিরই পিএইচডি প্রোগ্রাম চালুর উদ্দেশ্যে উদ্যোগ নেওয়া হবে। সোমবার রাজধানীর শেরাটন হোটেলে আমেরিকান ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি-বাংলাদেশের প্রথমবারের মতো আয়োজিত কিউএস বাংলাদেশ ফোরাম ২০২৬-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে তিনি এসব মন্তব্য করেন।
শিক্ষামন্ত্রী বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোয় পিএইচডি প্রোগ্রাম চালুর প্রয়োজনীয়তার গুরুত্ব তুলে ধরেন। তিনি প্রশ্ন করেন, কেন বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে পিএইচডি প্রোগ্রাম চালুর অনুমতি দেওয়া হবে না। এই প্রশ্নের উত্তরে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, দেশে গবেষণার জন্য দক্ষ শিক্ষক ও গবেষকের কোনো সংকট নেই। হাজার হাজার গবেষক নিজেদের দক্ষতা ও জ্ঞান দিয়ে দেশের উন্নয়নে কাজ করে চলেছেন। তিনি সবাইকে আহ্বান জানান, আগামীর বাংলাদেশ তৈরি করতে শিক্ষা, গবেষণা ও জ্ঞানভিত্তিক উন্নয়নে একসঙ্গে কাজ করতে হবে।
অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মামুন আহমেদ বলেন, বিশ্বব্যাপী বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর র্যাঙ্কিংয়ে বাংলাদেশের বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর অবস্থান এখনো অনেক পিছিয়ে। এই অবস্থার উন্নয়নের জন্য বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর শিক্ষার মান বৃদ্ধি করার পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের কাছে উচ্চশিক্ষার প্রতিষ্ঠানগুলোকে আরো আকর্ষণীয় করে তুলতে হবে।
কিউএসের শীর্ষ প্রতিনিধিদের মধ্যে বক্তব্য দেন সংস্থাটির ভাইস প্রেসিডেন্ট (স্ট্র্যাটেজিক অ্যান্ড ইন্টারন্যাশনাল এনগেজমেন্ট) ড. অশ্বিন ফার্নান্দেজ, চিফ কমার্শিয়াল অফিসার জেসন নিউম্যান এবং আঞ্চলিক অংশীদারত্ববিষয়ক (রিজিওনাল পার্টনারশিপ) পরিচালক রামি আওয়াদ।
অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন এআইইউবির ট্রাস্টি বোর্ডের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য ও এপিইবির সাধারণ সম্পাদক ইশতিয়াক আবেদীন। আরও বক্তব্য দেন এপিইবির সভাপতি মো. সবুর খান। অনুষ্ঠানের শেষে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন এআইইউবির প্রতিষ্ঠাতা সদস্য ও চেয়ারম্যান নাদিয়া আনোয়ার।
উদ্বোধনী পর্ব শেষে ‘কিউএস র্যাঙ্কিংস মেথোডলজি’ এবং ‘কিউএস র্যাঙ্কিংস ২০২৮ সাইকেল’ বিষয়ে দুটি আলাদা সেশন অনুষ্ঠিত হয়। পরে দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যদের অংশগ্রহণে ‘ফ্রম ক্যাম্পাস টু ক্যাপাবিলিটি: ক্লোজিং বাংলাদেশস ফিউচার স্কিলস গ্যাপ ইন দ্য এআই এরা’ এবং ‘এক্সিলারেটিং ডিজিটাল ট্রান্সফরমেশন ইন হায়ার এডুকেশন’ শীর্ষক দুটি প্যানেল আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। এসব আলোচনায় কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (এআই) যুগে শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ কর্মদক্ষতা, শিল্পের চাহিদার সঙ্গে শিক্ষার সমন্বয় এবং উচ্চশিক্ষায় প্রযুক্তির ব্যবহার ও ডিজিটাল রূপান্তরের বিষয়ে মতবিনিময় হয়।
অনুষ্ঠানের সমাপনী পর্বে ধন্যবাদ বক্তব্য দেন এআইইউবির সাবেক উপাচার্য, একাডেমিক উপদেষ্টা ও ট্রাস্টি বোর্ডের সদস্য কারমেন জিটা লামাগনা। ফোরামে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য, শিক্ষাবিদ, ট্রাস্টি বোর্ডের সদস্য, ইউজিসি সদস্য, নীতিনির্ধারক, সরকারি প্রতিনিধি, কূটনৈতিক মিশনের প্রতিনিধি, আন্তর্জাতিক সংস্থা ও উন্নয়ন সহযোগী এবং শিল্প খাতের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ১৯ আগস্ট, ২০২৬ : রাজধানী ঢাকার ধানমন্ডির সাতমসজিদ রোডে অবস্থিত ইচিগো রেস্টুরেন্টকে নিরাপদ খাদ্য আইন, ২০১৩ অনুযায়ী ১ লাখ টাকা জরিমানা করেছে বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ।
আজ বুধবার এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট (উপপরিচালক) বি. এম. রুহুল আমিন রিমনের নেতৃত্বে পরিচালিত মোবাইল কোর্টে দেখা যায়, রেস্টুরেন্টটির রান্নাঘরটি অত্যন্ত নোংরা ও অপরিষ্কার অবস্থায় পাওয়া গেছে। এ কারণেই জরিমানা করা হয়।
মোবাইল কোর্ট সূত্রে জানা যায় যে, রেস্টুরেন্টটির রান্নাঘরে কোনো ধরনের লেবেল সংযোজন না করে চাওমিনের হাফ-বয়েলড নুডলসসহ বিভিন্ন খাদ্য সংরক্ষণ করা হচ্ছিল। এছাড়া মজুদকৃত বিদেশি খাদ্যপণ্যের মোড়কে আমদানিকারকের প্রয়োজনীয় তথ্যও পাওয়া যায়নি। একই সঙ্গে রেস্টুরেন্ট কর্তৃপক্ষ ট্রেড লাইসেন্স, ফায়ার লাইসেন্স ও রেস্তোরাঁ নিবন্ধন সনদ প্রদর্শনে ব্যর্থ হয়েছে।
এসব অনিয়ম ও অপরাধের বিষয়ে দোষ স্বীকার করায় নিরাপদ খাদ্য আইন, ২০১৩ অনুযায়ী রেস্টুরেন্ট মালিককে ১ লাখ টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়। জরিমানার অর্থ তাৎক্ষণিকভাবে আদায় করা হয়েছে।
অভিযান প্রসঙ্গে বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট ও উপ-পরিচালক বি. এম. রুহুল আমিন রিমন মন্তব্য করেন, খাদ্য ব্যবসায়ীদের খাদ্য প্রস্তুত, সংরক্ষণ ও পরিবেশনের ক্ষেত্রে নিরাপদ খাদ্য ও স্বাস্থ্যবিধি যথাযথভাবে অনুসরণ করা প্রয়োজন। বিশেষ করে রান্নাঘরের পরিচ্ছন্নতা, খাদ্য সংরক্ষণে যথাযথ লেবেলিং এবং আমদানিকৃত খাদ্যপণ্যের মোড়কে প্রয়োজনীয় তথ্য নিশ্চিত করা ভোক্তাদের নিরাপত্তার সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত।
তিনি উল্লেখ করেন, খাদ্য নিরাপত্তার বিষয়ে কোনো ধরনের অবহেলা বা অনিয়ম মেনে নেওয়া হবে না। ভোক্তাদের জন্য নিরাপদ ও স্বাস্থ্যসম্মত খাদ্য নিশ্চিত করতে বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের এ ধরনের অভিযান নিয়মিতভাবে চলতে থাকবে।
অভিযানকালে বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের নিরাপদ খাদ্য অফিসার, ঢাকা মেট্রোপলিটন মেহরিন যারীন তাসনিম, নিরাপদ খাদ্য পরিদর্শক মো. আসলাম ভূইয়াসহ অন্যান্য সাপোর্ট স্টাফ এবং ব্যাটালিয়ন আনসার সদস্যদের সমন্বয়ে গঠিত একটি দল সেখানে উপস্থিত ছিল।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ