০৫:১২ পি.এম
শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন জানিয়েছেন, দেশের বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে শিগগিরই পিএইচডি প্রোগ্রাম চালুর উদ্দেশ্যে উদ্যোগ নেওয়া হবে। সোমবার রাজধানীর শেরাটন হোটেলে আমেরিকান ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি-বাংলাদেশের প্রথমবারের মতো আয়োজিত কিউএস বাংলাদেশ ফোরাম ২০২৬-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে তিনি এসব মন্তব্য করেন।
শিক্ষামন্ত্রী বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোয় পিএইচডি প্রোগ্রাম চালুর প্রয়োজনীয়তার গুরুত্ব তুলে ধরেন। তিনি প্রশ্ন করেন, কেন বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে পিএইচডি প্রোগ্রাম চালুর অনুমতি দেওয়া হবে না। এই প্রশ্নের উত্তরে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, দেশে গবেষণার জন্য দক্ষ শিক্ষক ও গবেষকের কোনো সংকট নেই। হাজার হাজার গবেষক নিজেদের দক্ষতা ও জ্ঞান দিয়ে দেশের উন্নয়নে কাজ করে চলেছেন। তিনি সবাইকে আহ্বান জানান, আগামীর বাংলাদেশ তৈরি করতে শিক্ষা, গবেষণা ও জ্ঞানভিত্তিক উন্নয়নে একসঙ্গে কাজ করতে হবে।
অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মামুন আহমেদ বলেন, বিশ্বব্যাপী বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর র্যাঙ্কিংয়ে বাংলাদেশের বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর অবস্থান এখনো অনেক পিছিয়ে। এই অবস্থার উন্নয়নের জন্য বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর শিক্ষার মান বৃদ্ধি করার পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের কাছে উচ্চশিক্ষার প্রতিষ্ঠানগুলোকে আরো আকর্ষণীয় করে তুলতে হবে।
আরও পড়ুন: কুমিল্লায় পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় ২ জন নিহত
কিউএসের শীর্ষ প্রতিনিধিদের মধ্যে বক্তব্য দেন সংস্থাটির ভাইস প্রেসিডেন্ট (স্ট্র্যাটেজিক অ্যান্ড ইন্টারন্যাশনাল এনগেজমেন্ট) ড. অশ্বিন ফার্নান্দেজ, চিফ কমার্শিয়াল অফিসার জেসন নিউম্যান এবং আঞ্চলিক অংশীদারত্ববিষয়ক (রিজিওনাল পার্টনারশিপ) পরিচালক রামি আওয়াদ।
অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন এআইইউবির ট্রাস্টি বোর্ডের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য ও এপিইবির সাধারণ সম্পাদক ইশতিয়াক আবেদীন। আরও বক্তব্য দেন এপিইবির সভাপতি মো. সবুর খান। অনুষ্ঠানের শেষে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন এআইইউবির প্রতিষ্ঠাতা সদস্য ও চেয়ারম্যান নাদিয়া আনোয়ার।
উদ্বোধনী পর্ব শেষে ‘কিউএস র্যাঙ্কিংস মেথোডলজি’ এবং ‘কিউএস র্যাঙ্কিংস ২০২৮ সাইকেল’ বিষয়ে দুটি আলাদা সেশন অনুষ্ঠিত হয়। পরে দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যদের অংশগ্রহণে ‘ফ্রম ক্যাম্পাস টু ক্যাপাবিলিটি: ক্লোজিং বাংলাদেশস ফিউচার স্কিলস গ্যাপ ইন দ্য এআই এরা’ এবং ‘এক্সিলারেটিং ডিজিটাল ট্রান্সফরমেশন ইন হায়ার এডুকেশন’ শীর্ষক দুটি প্যানেল আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। এসব আলোচনায় কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (এআই) যুগে শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ কর্মদক্ষতা, শিল্পের চাহিদার সঙ্গে শিক্ষার সমন্বয় এবং উচ্চশিক্ষায় প্রযুক্তির ব্যবহার ও ডিজিটাল রূপান্তরের বিষয়ে মতবিনিময় হয়।
অনুষ্ঠানের সমাপনী পর্বে ধন্যবাদ বক্তব্য দেন এআইইউবির সাবেক উপাচার্য, একাডেমিক উপদেষ্টা ও ট্রাস্টি বোর্ডের সদস্য কারমেন জিটা লামাগনা। ফোরামে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য, শিক্ষাবিদ, ট্রাস্টি বোর্ডের সদস্য, ইউজিসি সদস্য, নীতিনির্ধারক, সরকারি প্রতিনিধি, কূটনৈতিক মিশনের প্রতিনিধি, আন্তর্জাতিক সংস্থা ও উন্নয়ন সহযোগী এবং শিল্প খাতের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
আরও পড়ুন: ডেঙ্গুতে মারা গেলেন ডিবি পুলিশের কনস্টেবল পারভেজ রানা
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন