ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

এবারের বাজেট জনবান্ধব, নিত্যপণ্যের দাম বাড়েনি: পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী


এবারের বাজেট জনবান্ধব, নিত্যপণ্যের দাম বাড়েনি: পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী

পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ বলেছেন, এবারের বাজেট বাংলাদেশের ইতিহাসের সর্বোচ্চ বাজেট। বিরোধী দলও বলছে, এটা কল্পনা ও স্বপ্নের বাজেট। তবে এই কল্পনা না থাকলে স্বপ্ন বাস্তবায়ন সম্ভব নয়।

শনিবার (২০ জুন) পঞ্চগড়ের বোদা উপজেলা পরিষদ চত্বরে বিভিন্ন প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মাঝে মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ টাকা, চাল ও ছাগল বিতরণ অনুষ্ঠান শেষে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রতি বছর বাজেটের পর নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম বাড়ার অভিযোগ থাকতে দেখা যায়, তবে এবারের বাজেটে এমন কোনো চাপ সৃষ্টি হয়নি। তাই এটিকে আমরা জনবান্ধব বাজেট বলছি। সরকার গঠনের মাত্র চার মাস হয়েছে। এই চার মাসে আমরা দেশের সাধারণ মানুষের পাশে থাকার চেষ্টা করেছি।

আরও পড়ুন: রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুলের সুইজারল্যান্ডের প্রতি বাংলাদেশে বিনিয়োগ ও বাণিজ্য সম্প্রসারণের আহ্বান

তিনি বলেন, নিজস্ব তহবিলসহ সরকার দেশের মানুষের জন্য বরাদ্দ দিচ্ছে। আমরা তা সংসদ সদস্য হিসেবে পৌঁছে দেওয়ার চেষ্টা করছি। একই সঙ্গে people's সুখ-দুঃখে পাশে থাকার চেষ্টা করছি।

পঞ্চগড়ের দেবীগঞ্জে আটকে থাকা অর্থনৈতিক অঞ্চলের কার্যক্রম চলমান রয়েছে বলেও জানান পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী।

এর আগে, মানবিক সহায়তা বিতরণ অনুষ্ঠানে উপজেলার ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মাঝে ১ লাখ ৬৮ হাজার টাকা, ৪১ মেট্রিক টন চাল ও পরিবারগুলোকে স্বাবলম্বী করতে ৬০টি পরিবারের মাঝে ছাগল বিতরণ করা হয়।

অনুষ্ঠান শেষে প্রতিমন্ত্রী বোদা ও দেবীগঞ্জ উপজেলার নদী ভাঙন এলাকা পরিদর্শন ও বাঁধের সম্ভাব্য এলাকা যাচাই, বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের উন্নয়নমূলক কার্যক্রম উদ্বোধন করেন।

আরও পড়ুন: ২০৩৪ সালের মধ্যে জিডিপি ১ ট্রিলিয়ন ডলার ছাড়াবে প্রধানমন্ত্রীর আশা

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

হাসিনা দেশের অর্থনীতিকে লুট করে নিয়ে গেছে: মুক্তিযুদ্ধমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শনিবার, ২০ই জুন, ২০২৬ ইং

০৫:১৮ পি.এম


হাসিনা দেশের অর্থনীতিকে লুট করে নিয়ে গেছে: মুক্তিযুদ্ধমন্ত্রী

মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী অ্যাডভোকেট আহমেদ আযম খান বলেছেন, শেখ হাসিনা সরকার দেশের অর্থনীতিকে লুট করে নিয়ে গেছে। ব্যাংক বীমা থেকে শুরু করে সব কিছু তলানিতে রেখে গেছে। এমন মন্তব্য করেন তিনি।

তিনি শনিবার দুপুরে উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে উপজেলা প্রশাসন ও কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের আয়োজনে এক অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হয়ে বক্তৃতা করার সময় এ কথা বলেন।

মন্ত্রী আরও উল্লেখ করেন, বিএনপি সরকার গঠনের পর থেকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে ভঙ্গুর অর্থনীতি আবার সোজা হয়ে দাঁড়াচ্ছে। ইতোমধ্যে উন্নয়ন কার্যক্রম শুরু হয়ে গেছে। দেশ এগিয়ে যাচ্ছে।

এ সময় অনুষ্ঠানে টাঙ্গাইলের বাসাইলে কৃষকদের মাঝে বিনামূল্যে রোপা আমন ধানের বীজ, সার ও গাছের চারা বিতরণ করা হয়। ২০২৫-২৬ ও ২০২৬-২৭ মৌসুমের সরকারি কৃষি সহায়তার অংশ হিসেবে এই সুবিধা পেয়েছেন এলাকার ছোট ও মাঝারি কৃষকেরা।

এছাড়া, বাসাইল উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. ইকবাল হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রীর সহধর্মিণী বেগম নার্গিস সিদ্দিকী, টাঙ্গাইল (সখীপুর ও বাসাইল) সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার এ কে এম মামুনুর রশীদ, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. শাহজাহান আলী, উপজেলা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মামুন আল জাহাঙ্গীরসহ অন্যরা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

৫ বছর পরে নারায়ণগঞ্জের রিসোর্টে ‘মুতা বিয়ে’ প্রসঙ্গে মুখ খুললেন মামুনুল হক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শনিবার, ২০ই জুন, ২০২৬ ইং

০৫:১৯ পি.এম


৫ বছর পরে নারায়ণগঞ্জের রিসোর্টে ‘মুতা বিয়ে’ প্রসঙ্গে মুখ খুললেন মামুনুল হক

পাঁচ বছর পরে নারায়ণগঞ্জের রয়েল রিসোর্টের বহুল আলোচিত ‘৫০১ নম্বর কক্ষ’ প্রসঙ্গে ব্যাখ্যা প্রদান করেছেন বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মামুনুল হক। তিনি দাবি করেছেন, ‘৫০১’ ছিল ফ্যাসিবাদী হাসিনার ব্যর্থ প্রজেক্ট এবং ওই ঘটনার মাধ্যমে তাকে রাজনৈতিকভাবে ধ্বংস করার চেষ্টা করা হয়েছিল।

শনিবার (২০ জুন) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এ বিষয়ে মন্তব্য করেন।

মামুনুল হক জানিয়েছেন, ২০২১ সালের ৩ এপ্রিল তিনি তার স্ত্রী জান্নাত আরা (ঝর্ণা) কে নিয়ে নারায়ণগঞ্জের রয়েল রিসোর্টের ৫০১ নম্বর কক্ষে অবস্থান করছিলেন। এ সময় পুলিশের নেতৃত্বে স্থানীয় আওয়ামী লীগের কর্মী, সাংবাদিক ও অন্যান্যরা সেখানে উপস্থিত হয়ে তাকে এবং তার স্ত্রীকে হেনস্তা করে। রিসোর্টের রিসেপশন থেকে বলে দেওয়া হয় যে পুরো রিসোর্ট পুলিশ ঘিরে ফেলেছে। কক্ষের দরজা খুলে দেওয়ার পর অনেকেই জোরপূর্বক কক্ষে প্রবেশ করে এবং বিভিন্ন ডিভাইসের মাধ্যমে লাইভ সম্প্রচার শুরু করে। এমনকি তাকে এবং তার স্ত্রীকে নানান উপায়ে হেনস্তা করা হয়। পরিস্থিতি থেকে স্ত্রীকে রক্ষা করতে তিনি ওয়াশরুমে রাখেন। এর পরে নারী পুলিশ সদস্য এসে ওয়াশরুমে প্রবেশ করেন এবং সেখান থেকেও লাইভ সম্প্রচার চালান।

তিনি আরও জানান, জিজ্ঞাসাবাদের সময় তিনি এবং জান্নাত আরা উভয়েই নিজেদের বৈবাহিক সম্পর্কের কথা স্পষ্টভাবে জানান এবং সেটি বিভিন্ন মাধ্যমে প্রচারিত করা হয়। তার দাবি, প্রথমে পুলিশ তার মোবাইল ফোন নিয়ে নেয়। পরে এক অতিরিক্ত পুলিশ সুপার তথ্য যাচাইয়ের জন্য ফোনটি ফেরত দেন এবং পরিচিতজনদের সঙ্গে কথা বলে আশ্বস্ত হন। তবে, পরে ডিজিএফআই কর্মকর্তারা এসে তাদের থানায় নেওয়ার নির্দেশ দেন বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির আরও জানিয়েছেন, রিসোর্টের বাইরে তখন হাজার হাজার মানুষ জড়ো হয়েছিল। তিনি তাদের শান্ত করার চেষ্টা করেন এবং পুলিশ সদস্যদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ভূমিকা রাখেন। একই সঙ্গে তিনি অভিযোগ করেন, তার ফেসবুক আইডির লাইভ সুবিধা প্রযুক্তিগতভাবে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল।

জান্নাত আরার সঙ্গে বিয়ে প্রসঙ্গে মামুনুল হক ফেসবুকে উল্লেখ করেন, জান্নাত আরা পূর্বে তার ঘনিষ্ঠ সহকর্মী হাফেজ শহিদুল ইসলামের স্ত্রী ছিলেন। তাদের দুটি সন্তানও রয়েছে। পরবর্তীতে পারস্পরিক সম্মতিতে তাদের বিবাহবিচ্ছেদ ঘটে।

তার দাবি, বিবাহবিচ্ছেদের পরে জান্নাত আরা তার সঙ্গে যোগাযোগ করেন এবং এক পর্যায়ে তিনি তাকে বিয়ের প্রস্তাব দেন। তবে, তিনি আগে থেকেই জানিয়ে দেন যে ইসলাম অনুযায়ী একাধিক স্ত্রীর মধ্যে সমতা রক্ষার যে বাধ্যবাধকতা রয়েছে, তা পুরোপুরি বাস্তবায়ন করতে পারবেন না। এরপর জান্নাত আরা সম্মতি দিলে শরিয়ত অনুযায়ী তাদের বিয়ে সম্পন্ন হয় বলে তিনি দাবি করেন।

বিয়ের পর তিনি জান্নাত আরাকে একটি কোরআন শিক্ষাকেন্দ্রে ভর্তি করিয়ে দেন এবং পরে তিনি সেলাই ও নারীদের বিভিন্ন প্রশিক্ষণমূলক কাজে যুক্ত হন বলেও উল্লেখ করেন মাওলানা মামুনুল হক।

বিয়ে গোপন রাখার কারণ হিসেবে মাওলানা মামুনুল হক বলেন, উপমহাদেশে একাধিক বিয়ে সামাজিকভাবে জটিল বিষয়। তাই প্রথম পারিবারিক অস্থিরতা তৈরি করতে চাননি। একই সঙ্গে রাষ্ট্রীয় আইনে প্রথম স্ত্রীর অনুমতির বিষয়টি জটিলতা সৃষ্টি করেছিল বলে তিনি উল্লেখ করেন।

তার দাবি, ইসলামে কাবিন বাধ্যতামূলক নয় এবং তার প্রথম বিয়েতেও কাবিন হয়নি। তবে, তার একাধিক বিয়ের বিষয়টি ঘনিষ্ঠজনেরা জানতেন বলেও তিনি দাবি করেন।

রিসোর্টে অন্য নাম ব্যবহারের ব্যাখ্যা দিতে গিয়ে মাওলানা মামুনুল হক জানান, তার পরিচয়পত্রে প্রথম স্ত্রী আমিনা তাইয়েবার নাম ছিল। অন্যদিকে, জান্নাত আরার পরিচয়পত্রে তার সাবেক স্বামী শহিদুল ইসলামের নাম ছিল। এ কারণে তারা আলোচনার ভিত্তিতে প্রথম স্ত্রীর নাম ব্যবহার করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন বলেও তিনি দাবি করেন।

প্রথম স্ত্রীকে ফোনে শহিদুল ইসলামের স্ত্রী হিসাবে পরিচয় দেওয়ার বিষয়েও তিনি ব্যাখ্যা দিয়েছেন। তার ভাষ্যমতে, প্রথম স্ত্রী আগে থেকেই জান্নাত আরাকে শহিদুল ইসলামের স্ত্রী হিসেবে চিনতেন। তাই বিষয়টি শান্তভাবে উপস্থাপনের জন্য তিনি সেই পরিচয় ব্যবহার করেছিলেন।

ব্যক্তিগত গোপনীয়তা লঙ্ঘনের অভিযোগ তুলে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির প্রশ্ন তোলেন, তিনি বা জান্নাত আরা কোনো আইন ভঙ্গ করেছেন কি না? তিনি অভিযোগ করেন, পুলিশ তাদের কক্ষে প্রবেশ করে এবং পরবর্তীতে রাষ্ট্রীয়ভাবে ব্যক্তিগত কল রেকর্ড ফাঁস করা হয়। এসব কর্মকাণ্ডের বৈধতা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তিনি।

তার দাবি, তিনি রাষ্ট্রীয় আইন কিংবা শরিয়তের আইন কোনোটিই লঙ্ঘন করেননি। তারপরও তাকে লক্ষ্য করে অভিযান চালানো হয়েছে।

গোয়েন্দা সংস্থার ভূমিকা নিয়ে অভিযোগ করে পোস্টে মামুনুল হক দাবি করেন, রিসোর্ট ঘটনার পর তৎকালীন এনএসআই মহাপরিচালক তার সঙ্গে বৈঠক করেন এবং তাকে আল্লামা জুনায়েদ বাবুনগরীর বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়ার প্রস্তাব দেন। তবে তিনি ওই প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেন বলে দাবি করেন।

তিনি আরও অভিযোগ করেন, জান্নাত আরা, তার বাবা, সাবেক স্বামী ও পরিবারের সদস্যদের ওপর বিভিন্ন ধরনের চাপ প্রয়োগ করা হয়েছিল। জান্নাত আরাকে দীর্ঘ সময় হেফাজতে রাখা হয়েছিল বলেও তিনি দাবি করেন।

আদালত ও সাক্ষ্য প্রসঙ্গে মামুনুল হক বলেন, জান্নাত আরার ছেলে আব্দুর রহমানকে বিভ্রান্তিকর বক্তব্য দিতে উৎসাহিত করা হয়েছিল। তবে আদালতে সাক্ষ্য দেওয়ার সময় তিনি প্রকৃত ঘটনা তুলে ধরেন। এতে সংশ্লিষ্টদের পরিকল্পনা ব্যর্থ হয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি।

‘মুতা বিয়ে’ প্রসঙ্গে ফেসবুকে মামুনুল হক জানান, তার বিরুদ্ধে ‘চুক্তিভিত্তিক বিয়ে’, ‘সাময়িক বিয়ে’ বা ‘মুতা বিয়ে’র যে অভিযোগ প্রচার করা হয়েছিল তা সম্পূর্ণ মিথ্যা। তিনি দাবি করেন, জান্নাত আরার সঙ্গে তার বিয়ে ছিল শরিয়তসম্মত ইসলামি বিয়ে।

জান্নাত আরার বর্তমান অবস্থান প্রসঙ্গে মামুনুল হক জানান, ২০১৯ থেকে ২০২৫ সাল পর্যন্ত তাদের বৈবাহিক সম্পর্ক ছিল। তবে ২০২১ সালের ঘটনার পর বিভিন্ন মনোমালিন্যের কারণে আলোচনার মাধ্যমে ২০২৫ সালের মার্চে তাদের বিচ্ছেদ ঘটে।

তিনি দাবি করেন, বিচ্ছেদের আগ পর্যন্ত এবং নিজের কারাবাসকালেও জান্নাত আরার ভরণপোষণসহ প্রাপ্য অধিকার নিশ্চিত করেছিলেন।

দীর্ঘ ফেসবুক পোস্টে চরিত্র হননের অভিযোগ তুলে মামুনুল হক দাবি করেন, রাজনৈতিক ও আদর্শগত মতপার্থক্যের কারণে তার বিরুদ্ধে চরিত্রহননের চেষ্টা হয়েছে। আদালতেও তাকে হয়রানির শিকার হতে হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।

তার ভাষ্য, বিভিন্ন সময় তাকে দিয়ে ইসলামের বিরুদ্ধে কিংবা আল্লামা বাবুনগরীর বিরুদ্ধে বক্তব্য দেওয়ানোর চেষ্টা করা হলেও তিনি তা মানেননি।

পোস্টের একটি বড় অংশে মামুনুল হক হজরত আয়েশা (রা.)-এর বিরুদ্ধে অপবাদ রটনার ঐতিহাসিক প্রসঙ্গ তুলে ধরেন। তিনি বলেন, কুৎসা রটনাকারীদের কথা বলে সত্যকে আড়াল করা যায় না। তবে তিনি স্পষ্ট করেন যে, নিজে তার সঙ্গে হযরত আয়েশা (রা.)-এর কোনও তুলনা করছেন না, বরং ঘটনার একটি অংশ থেকে অনুপ্রেরণা নিচ্ছেন।

মাওলানা মামুনুল হক দাবি করেন, তার বিরুদ্ধে প্রচারণা ছিল তৎকালীন সরকারের বৃহত্তর রাজনৈতিক প্রকল্পের অংশ। তিনি খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে অতীতে পরিচালিত চরিত্রহননের প্রচারণার উদাহরণ দিয়েছেন। একই সঙ্গে রাজনৈতিক মতভিন্নতার কারণে ইসলামপন্থি কিছু ব্যক্তি তার বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছেন বলেও মন্তব্য করেন।

পোস্টের এক পর্যায়ে পবিত্র কোরআনের সূরা আল ইমরানের ৬১ নম্বর আয়াত উদ্ধৃত করে তিনি ‘মুবাহালা’র আহ্বান জানিয়ে বলেন, তার বক্তব্যকে মিথ্যা প্রমাণ করতে চাইলে যে কেউ তার সঙ্গে এ ধরনের চ্যালেঞ্জে অংশ নিতে পারেন।

‘৫০১’ কে বিজয়ের প্রতীক হিসেবে ঘোষণা দিয়ে মামুনুল হক জানান, ‘৫০১ তার কাছে কোনো নেতিবাচক বিষয় নয়। বরং এটি তার ভাষায় ‘ফ্যাসিস্ট হাসিনা ও তার দোসরদের পরাজয়ের দলিল। ৫০১ কে তারা বিজয়ের প্রতীক হিসেবে গ্রহণ করছেন এবং ভবিষ্যতে এটি উদযাপন করবেন। যেখানে এ প্রসঙ্গ উত্থাপিত হবে, সেখানে ‘৫০১’-এর বার্তা পৌঁছে দেওয়ার কথাও উল্লেখ করেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

গাইবান্ধায় পরিবেশ দিবস উপলক্ষে বৃক্ষরোপণ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ২০ই জুন, ২০২৬ ইং

০৫:২২ পি.এম


গাইবান্ধায় পরিবেশ দিবস উপলক্ষে বৃক্ষরোপণ

বিশ্ব পরিবেশ দিবস উপলক্ষে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির অংশ হিসেবে গাইবান্ধায় ফলদ বৃক্ষরোপণ করা হয়েছে।

শনিবার (২০ জুন) দুপুরে শহরের ব্রিজ রোডে পরিবর্তন পাঠাগার চত্বরে আম, জাম, লিচু, পেয়ারা, আমড়াসহ বিভিন্ন প্রজাতির ফলদ গাছের চারা রোপণ করেন গাইবান্ধা পরিবেশ আন্দোলনের উদ্যোগে সংগঠনের নেতৃবৃন্দ ও পরিবেশপ্রেমীরা।

বৃক্ষরোপণ অনুষ্ঠান শেষে আলোচনা সভায় বক্তব্য দেন পরিবেশ আন্দোলন জেলা শাখার আহ্বায়ক ওয়াজিউর রহমান রাফেল, ইব্রাহিম খলিল নান্নু, মুক্তিযোদ্ধা মারুফ আক্তার, সাহানা বিনতে আজিজ মিতা, রিকতু প্রসাদ, নাবিল আহমেদসহ অন্যান্যরা।

বক্তারা বলেন, জলবায়ু পরিবর্তন, তাপমাত্রা বৃদ্ধি এবং পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় বৃক্ষের কোনো বিকল্প নেই। তারা বলেন, সুস্থ ও বাসযোগ্য পৃথিবী গড়ে তুলতে প্রত্যেক মানুষকে অন্তত একটি করে গাছ রোপণের পাশাপাশি তার পরিচর্যার দায়িত্বও নিতে হবে।

বক্তারা আরও বলেন, ফলদ ও বনজ বৃক্ষ শুধুমাত্র পরিবেশের সৌন্দর্যই বৃদ্ধি করে না, বরং মানুষের খাদ্য ও পুষ্টি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি সবুজ, নিরাপদ ও বাসযোগ্য বাংলাদেশ গড়ে তুলতে সম্মিলিতভাবে বৃক্ষরোপণ আন্দোলনকে আরও বেগবান করার আহ্বান জানান বক্তারা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বিগত সরকার অনেক পরিসংখ্যানকে প্রভাবিত করেছে: পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শনিবার, ২০ই জুন, ২০২৬ ইং

০৫:২৩ পি.এম


বিগত সরকার অনেক পরিসংখ্যানকে প্রভাবিত করেছে: পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী

পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী জোনায়েদ আব্দুর রহিম সাকি মন্তব্য করেছেন যে, 'বিগত সরকার অনেক পরিসংখ্যানে প্রভাব ফেলেছে।'

তিনি শনিবার (২০ জুন) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে মূল্যস্ফীতি ও জিডিপি সম্পর্কিত বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) এক মতবিনিময় সভার সময় এ কথা বলেছেন।

পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, 'বর্তমান সরকার অতীতের সরকারের মতো ভুল তথ্য দিয়ে জনগণকে বিভ্রান্ত করতে চায় না। আমরা যথাযথ তথ্যের ওপর সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছি। তথ্য সঠিক হলে পরিকল্পনাও বাস্তবসম্মত হবে।'

তিনি জানিয়েছেন, 'নির্ভুল মূল্যস্ফীতির হার কিংবা জিডিপির সূচক নির্ণয়ে অতীতের সব তথ্য-উপাত্ত পুনরায় যাচাই-বাছাই করা হবে।' জনগণের আস্থা ফেরাতে বিবিএসের তথ্যকে চ্যালেঞ্জ জানিয়েছে সরকার। তথ্য নিয়ে কাজ করা সেকেন্ডারি প্রতিষ্ঠানগুলো যাতে নির্ভুল উপাত্ত পায়, সে লক্ষ্যে দুটি নতুন টেকনিক্যাল কমিটি গঠন করা হচ্ছে।

এ ছাড়াও, এসময় প্রতিমন্ত্রী 'রিয়েল টাইম ডেটা' পেতে দেশীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর সক্ষমতা বৃদ্ধি করার পরামর্শও দেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%