০২:৫১ এম
ডালাসের সেমিফাইনালে লা রোহারা ফরাসিদের কোণঠাসা করে ফেলেছে, ফলে তারা ফাইনালের টিকিট পাওয়ার পথে আরও সুবিধাজনক অবস্থানে চলে এসেছে। প্রথমার্ধে তারা ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে থাকার পর, দ্বিতীয়ার্ধের আগমনে স্পেন ব্যবধান দ্বিগুণ করেছে। ম্যাচের ৫৪ মিনিটে রাইট ব্যাক পেড্রো পোরোর দুর্দান্ত ও চোখ ধাঁধানো গোলের মাধ্যমে তারা ২-০ ব্যবধানে বিজয়ী হয়েছে লুইস দে লা ফুয়েন্তের দল। এই গোলের পরে ফরাসিদের এখন শঙ্কার অবস্থায় পড়তে হয়েছে, কারণ তারা ম্যাচ থেকে একপ্রকার ছিটকে যাওয়ার আশঙ্কায় রয়েছে।
দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই, ফরাসি কোচ দিদিয়ের দেশম কার্ডের ঝুঁকিতে থাকা আদ্রিয়েন রাবিওকে উঠিয়ে মানু কোনেকে মাঠে নামিয়েছিলেন। তবে কোচের এই কৌশল মাঠের পরিস্থিতিতে খুব একটা প্রভাব ফেলতে পারেনি। ম্যাচের ৫৪ মিনিটে, মাঝমাঠ থেকে দানি ওলমোর একটি চমৎকার টার্নিং পাস পেয়ে বক্সে থাকা পেড্রো পোরো। টটেনহ্যামের রাইট ব্যাক পেড্রো কোন ভুল না করে নিখুঁত শটে বলটি ফরাসি জালে জড়িয়ে দিতে সক্ষম হন। পুরো টুর্নামেন্টে মাত্র ১ গোল হজম করা স্পেনের বিপক্ষে ফ্রান্স এখন দুই গোলে পিছিয়ে পড়ে চরম বিপদে রয়েছে।
স্পেনের আধিপত্য এখানেই শেষ হয়নি। ম্যাচের ৬০ মিনিটে ফরাসি রক্ষণভাগকে ফাঁকি দিয়ে তরুণ তুর্কি লামিন ইয়ামাল জালে বল জড়িয়ে দেন। তখন স্প্যানিশ সমর্থকরা ৩-০ গোলের উল্লাসে মাতোয়ারা, কিন্তু লাইন্সম্যান তখন অফসাইডের পতাকা তুলে দেন। ফলে রেফারি গোলটি বাতিল করে দেন এবং কিলিয়ান এমবাপ্পের দল বড় লজ্জার হাত থেকে এ যাত্রায় রক্ষা পায়। তবে অফসাইডের কারণে গোল না পেলেও, স্পেনের আক্রমণাত্মক ফুটবলের সামনে ফ্রান্সকে অসহায় দেখাচ্ছে।
আরও পড়ুন: ‘রডের বদলে বাঁশ’: তাহেরীর নির্বাচনী এলাকার সমস্যা নিয়ে প্রতিবাদী স্ট্যাটাস
পুরো ম্যাচজুড়ে স্পেনের দুই মিডফিল্ডার রদ্রি এবং ফ্যাবিয়ান রুইজ অসাধারণ খেলছেন। ফরাসিদের প্রতিটি কাউন্টার অ্যাটাক মাঝমাঠে রুখে দিয়ে তারা স্পেনের আক্রমণভাগের দিকে বল সরিয়ে দিচ্ছেন। অন্যদিকে, ফ্রান্সের উইঙ্গার ব্রাডলি বারকোলা অথবা অধিনায়ক এমবাপ্পে বারবার স্পেনের ডিফেন্সের সামনে খেই হারাচ্ছেন। ম্যাচ জয়ের জন্য ফ্রান্সের অলৌকিক কিছু করা প্রয়োজন, যা এই স্প্যানিশ ডিফেন্সের বিপক্ষে অসম্ভব বলেই মনে হচ্ছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন