ঢাকা শনিবার, ৩১শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৫ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ২০ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শনিবার, ৩১শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১৫ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

রংপুরের ঘটনায় অল্প সময়ে অপরাধী গ্রেপ্তার না হলে সুনাম ক্ষুণ্ন হতো: রিজভী


রংপুরের ঘটনায় অল্প সময়ে অপরাধী গ্রেপ্তার না হলে সুনাম ক্ষুণ্ন হতো: রিজভী

রংপুরে সাবেক শিক্ষক ও তার পরিবারের তিন সদস্যকে হত্যার ঘটনায় দ্রুত অপরাধীদের গ্রেপ্তার করা না হলে জাতীয় ও আন্তর্জাতিকভাবে দেশের সুনাম ক্ষুণ্ন হতো, এমন মন্তব্য করেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।

তিনি বুধবার (২৬ আগস্ট) পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে আয়োজিত দোয়া অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন।

রিজভী বলেন, "রংপুরের ঘটনা সবাইকে কাঁদিয়েছে। অল্প সময়ের মধ্যে অপরাধীদের গ্রেপ্তার করা না হলে দেশের সুনাম ক্ষুণ্ন হওয়ার আশঙ্কা ছিল।" তিনি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর প্রতি আহ্বান জানান, এ ঘটনার পেছনের কারণ খুঁজে বের করে তা নির্মূল করতে হবে।

আরও পড়ুন: পার্বত্য চট্টগ্রামে নিরাপত্তা হুমকির মুখে, শান্তি সুদূরপরাহত

তিনি আরও বলেন, "দেশে আইনের শাসন সুপ্রতিষ্ঠিত করতে হবে। অপরাধ করলেই তাকে আইনের আওতায় আনতে হবে। বর্তমান পরিস্থিতি থেকে আরও উত্তরণ ঘটাতে হবে।" তিনি আশা প্রকাশ করেন যে, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর নেতৃত্বে অপরাধীরা আইনের আওতায় আসবে।

মাদকবিরোধী অভিযান জোরদারের আহ্বান জানিয়ে রিজভী বলেন, "দেশের কোথাও কোনো ধরনের মাদক থাকা উচিত নয়। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কাছ থেকে মাদক কারবারীরা যেন কোনোভাবেই ছাড় না পায়—এটাই সবার প্রত্যাশা।"

পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে তিনি বলেন, "জাতীয় জীবনে মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর নীতি ও আদর্শ অনুসরণ করলে মানবজীবনে সফলতা অর্জন সম্ভব। এর মাধ্যমে ন্যায়ভিত্তিক সমাজ ও রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করা যাবে।"

রিজভী আরও বলেন, "বর্তমান সরকার সব ক্ষেত্রে জবাবদিহিতা নিশ্চিত করেছে। মন্ত্রী ও সংসদ সদস্যরা গণমাধ্যম, জনগণ এবং তৃণমূলের সামনে জবাবদিহি করছেন।"

আরও পড়ুন: রেজিস্ট্রেশনের আওতায় আসছে বিদেশি শ্রমিক

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সেই শার্ট নিয়ে সবশেষ যা জানা যাচ্ছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ২৬শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০২:০৯ পি.এম


সেই শার্ট নিয়ে সবশেষ যা জানা যাচ্ছে

রংপুরের চার খুনের ঘটনায় অভিযুক্ত আসামিদের বিরুদ্ধে ‘একাধিক প্রমাণ’ মিললেও শার্টের রহস্য নিয়ে মামলাটি ঘিরে বিতর্ক যেন কাটছেই না। 

পুলিশ কর্মকর্তা সনাতন চক্রবর্তী বলেছেন, ‘আসামি সিদ্ধার্থ দাসের শরীরে যে শার্ট দেখা গেছে, সেটি তার নয়। তিনি শার্টটি কিনেছেন আড়ং থেকে, একই শার্ট অন্য কেউ আড়ং থেকে কিনতেই পারেন।’

এই বক্তব্যের পর রংপুর ব্যুরো চিফ আড়ংয়ে যোগাযোগ করে কোনো কর্মকর্তার আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি। আড়ং থেকে এ বিষয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলায় সতর্কতা জারি করা হয়েছে।

তবে নাম প্রকাশ না করার শর্তে এক কর্মকর্তা বলেছেন, ‘আড়ংয়ে এখন এই শার্ট নেই। এই শার্ট নিয়মিত প্রোডাক্ট নয়। কোনো এক ফেস্টিভ্যালে আনা হয়েছিল। সেটা পূজাও হতে পারে, ঈদও হতে পারে। এখন স্টক আউট। দুই-এক মাসের মধ্যে এই শার্ট আউটলেটে আসেনি।’

এই মামলায় গ্রেপ্তার হওয়া দুই আসামি সিদ্ধার্থ ও মুগ্ধ নিজেদের দোষ স্বীকার করে আদালতে জবানবন্দি দিয়েছেন। তারা দীর্ঘদিন ধরে মাদকাসক্ত- এমন কথা গণমাধ্যমে তাদের আত্মীয়স্বজনও বলেছেন।

মরদেহ উদ্ধারের সময় পুলিশ এবং স্থানীয়দের সঙ্গে সিদ্ধার্থকে গণপতি চক্রবর্তীর বাড়িতে দেখা যায়। সে সময়ও তিনি টি-শার্ট পরা ছিলেন। সিদ্ধার্থের প্রতিবেশী একাধিক বন্ধু কালবেলাকে জানিয়েছেন, এই শার্ট কোনো দিন তারা সিদ্ধার্থকে পরতে দেখেননি। কিন্তু পুলিশ যখন তাকে গণমাধ্যমের সামনে হাজির করে, তখন তার শরীরে দেখা যায় পুলিশ কর্মকর্তা সনাতন চক্রবর্তীর মতো ঠিক একই রং ও ডিজাইনের আরেকটি শার্ট।

সনাতন চক্রবর্তী একাধিক গণমাধ্যমে বলেছেন, একই শার্ট আলাদা আলাদা লোক পরতেই পারে। তিনি ভিডিও বার্তায়ও নিজের অবস্থান পরিষ্কার করেন।

পুলিশ জানিয়েছে, আটক দুজনের মধ্যে একজন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর অভিযান টের পেয়ে পালিয়ে পার্শ্ববর্তী রেশম উন্নয়ন বোর্ডের তুতবাগানে লুকিয়ে পড়েন। পরে তুতবাগানের পাশেই দখীগঞ্জ শ্মশান থেকে তাকে আটক করা হয়।

মরদেহ উদ্ধারের সময় রংপুরভিত্তিক বিভিন্ন স্থানীয় ফেসবুক পেজের লাইভে এক ব্যক্তিকে এই শার্ট পরে সিঁড়ি বেয়ে উঠতে দেখা যায়। তার মুখে মাস্ক ছিল। তিনিই মূলত পুলিশ কর্মকর্তা সনাতন চক্রবর্তী।

রংপুর পুলিশের একটি সূত্র জানিয়েছে, দুই সন্দেহভাজনকে গ্রেপ্তারের পর তাদের শরীরে নখের আঁচড় দেখা যায়। বিশেষ করে ডিবির সোর্স ডিবিকে সিদ্ধার্থের বিষয়ে বলেছিল, তার গায়ে নখের আঁচড় দেখা গেছে। এরপর ডিবিতে আনার পর পোশাক খুলে তার শরীর পরীক্ষা করা হয়।

এর আগে শনিবার সংবাদ সম্মেলনে পুলিশ কমিশনার বলেন, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তার দুজন হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছেন।

পুলিশ কমিশনার বলেন, জিজ্ঞাসাবাদে অভিযুক্তরা জানান, বৃহস্পতিবার রাতে মুগ্ধ ও সিদ্ধার্থ এক মাদক কারবারির কাছ থেকে ইয়াবা কিনে গণপতি চক্রবর্তীর বাসার পাশেই সীমান্ত নামের একজনের বাসায় বসে ইয়াবা সেবন করেন। পরে রাতের শেষ দিকে তারা দেবু নামের এক ব্যক্তির নির্মাণাধীন ভবনের ছাদ থেকে গণপতি চক্রবর্তীর বাড়ির ছাদে যান। সেখানে ইয়াবা সেবনের সময় শব্দ শুনে গণপতি চক্রবর্তী খালি গায়ে ও গলায় গামছা নিয়ে ছাদে আসেন।

এ সময় পুলিশ কমিশনারকে প্রশ্ন করা হয়, অভিযুক্তরা ইয়াবা সেবনের জন্য দেবু নামের ওই ব্যক্তির নির্মাণাধীন তিনতলার পুরো ফাঁকা ‘স্পেস’ ও ছাদ ব্যবহার না করে গণপতি চক্রবর্তীর বাসার ছাদে কেন গেলেন?

এ সময় তিনি বলেন, ‘এত অল্প সময়ে এই হত্যাকাণ্ড নিয়ে মামলার যতটুকু অগ্রগতি হয়েছে, আমি আলহামদুলিল্লাহ বলব। আমি আপনাদের বলব, পুলিশের ভালো কাজগুলোর প্রশংসা করবেন এবং নেগেটিভ কাজের সমালোচনা করবেন। শেষে কথাটা বলব, আমার ওপর আস্থা রাখতে পারেন।’ এই কথা বলে তিনি ব্রিফিং শেষ করেন।

রোববার (২৩ আগস্ট) বিকেল ৫টার দিকে দুই আসামিকে আদালতে হাজির করা হয়। পরে মুখ্য মহানগর হাকিম আদালতের বিচারক মো. রফিকুল ইসলামের কাছে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন তারা।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও কোতোয়ালি থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মিলন চ্যাটার্জি।

তিনি গণমাধ্যমকে বলেন, ‘গ্রেপ্তার দুই যুবক আদালতে হত্যাকাণ্ডের দায় স্বীকার করে জবানবন্দি দিয়েছেন। তারা নিজেদের দায় স্বীকার করায় তাদের আর রিমান্ডে নেওয়ার প্রয়োজন হয়নি।’

এ ঘটনায় নিহত গণপতি চক্রবর্তীর বড় ভাই গোপীনাথ চক্রবর্তী বাদী হয়ে রোববার কোতোয়ালি থানায় অজ্ঞাতনামা আসামিদের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা করেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বাজার খরচ কমানোর ১০ সহজ কৌশল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বুধবার, ২৬শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০২:১০ পি.এম


বাজার খরচ কমানোর ১০ সহজ কৌশল

যুক্তরাষ্ট্রে নিত্যপ্রয়োজনীয় খাবারের দাম বাড়তে থাকায় পরিবারের মাসিক বাজার খরচ কমানো অনেকের জন্যই বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। মার্কিন কৃষি বিভাগের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, ২০২৬ সালের জুলাইয়ে ঘরে রান্নার জন্য কেনা খাবারের দাম আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় ২ দশমিক ৭ শতাংশ বেড়েছে।

তবে কিছু সহজ কৌশল মেনে চললে বাজার খরচ অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব। বিশেষ করে বাংলাদেশি পরিবারগুলো নিয়মিত কেনে এমন চাল, ডাল, মাংস, সবজি ও মসলার ক্ষেত্রে পরিকল্পিতভাবে কেনাকাটা করলে সাশ্রয় করা যেতে পারে।

১. কম দামের দোকান খুঁজে নিন

একই পণ্যের দাম সব দোকানে সমান নয়। দুধ, ডিম, চাল, সবজি ও মাংসের মতো নিয়মিত কেনা পণ্যের এককপ্রতি দাম বিভিন্ন দোকানে তুলনা করে কেনাকাটা করা ভালো।

২. দেশি দোকানের দামও তুলনা করুন

বাংলাদেশি বা অন্যান্য দেশি খাবারের দোকানে শাক, করলা, কাঁচামরিচসহ বিভিন্ন সবজির দাম তুলনা করে দেখতে পারেন। কিছু ক্ষেত্রে এসব দোকানে বড় দোকানের চেয়ে দাম কম হতে পারে।

৩. সদস্য কার্ড ও ছাড়ের সুবিধা নিন

অনেক গ্রোসারি দোকানে সদস্য কার্ড বা মোবাইল সুবিধার মাধ্যমে বিশেষ দাম, কুপন ও ছাড় দেওয়া হয়। বাজারে যাওয়ার আগে সপ্তাহের ছাড়গুলো দেখে নিলে অপ্রয়োজনীয় পণ্য কেনার প্রবণতাও কমে।

৪. মাংস বড় প্যাকেটে কিনে ভাগ করে রাখুন

পরিবারে নিয়মিত মাংস খাওয়া হলে তুলনামূলক বড় প্যাকেট কিনে প্রয়োজন অনুযায়ী ভাগ করে সংরক্ষণ করা যেতে পারে। তবে কেনার আগে প্রতি পাউন্ডের দাম, পরিবারের চাহিদা এবং ফ্রিজে জায়গা আছে কি না—এসব হিসাব করা জরুরি।

৫. সরকারি খাদ্য সহায়তার যোগ্যতা যাচাই করুন

আয় ও পারিবারিক পরিস্থিতি অনুযায়ী যুক্তরাষ্ট্রের সরকারি খাদ্য সহায়তা কর্মসূচির সুবিধা পাওয়া যেতে পারে। এর মধ্যে রয়েছে সম্পূরক পুষ্টি সহায়তা কর্মসূচি এবং নারী, শিশু ও নবজাতকের পুষ্টি সহায়তা কর্মসূচি। এসব সুবিধা পেতে আয়, পরিবারের সদস্যসংখ্যা ও অন্যান্য শর্ত পূরণ করতে হয়।

৬. সপ্তাহের খাবারের পরিকল্পনা করুন

সপ্তাহের শুরুতেই কোন দিন কী রান্না হবে এবং ঘরে কী কী আছে, তা দেখে বাজারের তালিকা তৈরি করুন। একই উপকরণ দিয়ে একাধিক দিনের খাবার তৈরি করলে অপচয় ও অতিরিক্ত কেনাকাটা কমানো সম্ভব।

৭. স্থানীয় খাদ্য সহায়তা কেন্দ্রের সুবিধা নিন

যোগ্য হলে স্থানীয় খাদ্য সহায়তা কেন্দ্র থেকেও বিনা মূল্যে খাদ্যসামগ্রী পাওয়া যেতে পারে। তবে প্রতিটি প্রতিষ্ঠানের যোগ্যতা ও বিতরণের নিয়ম আলাদা।

৮. প্যাকেটের দাম নয়, এককপ্রতি দাম দেখুন

চাল, ডাল, লবণ, মসলা, টিস্যু ও অন্যান্য শুকনা পণ্য কেনার সময় শুধু প্যাকেটের দাম দেখলে হবে না। প্রতি আউন্স, পাউন্ড বা এককপ্রতি দাম তুলনা করলে কোন পণ্যটি প্রকৃতপক্ষে সস্তা, তা সহজেই বোঝা যায়।

৯. ছাড়ের খাবার কেনার আগে তারিখ ও মান দেখুন

খাবারের গায়ে থাকা তারিখ দেখেই সেটিকে নষ্ট মনে করা ঠিক নয়। যুক্তরাষ্ট্রে অনেক খাবারের তারিখ মূলত খাবারের মান বা গুণগত অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। তবে খাবার কীভাবে সংরক্ষণ করা হয়েছে এবং পচন বা নষ্ট হওয়ার কোনো লক্ষণ আছে কি না, তা অবশ্যই দেখতে হবে।

মাংস ও মুরগির ক্ষেত্রে বিশেষ সতর্কতা প্রয়োজন। কাঁচা কিমা করা মাংস ও মুরগি সাধারণত ফ্রিজে এক থেকে দুই দিন রাখা যায়। কিছু ধরনের গোশত তিন থেকে পাঁচ দিন পর্যন্ত রাখা যায়। দীর্ঘ সময় রাখতে হলে ফ্রিজারে সংরক্ষণ করা নিরাপদ পদ্ধতি।

১০. অর্থ ফেরত বা পুরস্কারের সুবিধা বুঝে ব্যবহার করুন

বৈধ অর্থ ফেরত বা পুরস্কারভিত্তিক কর্মসূচি ব্যবহার করে কিছুটা সাশ্রয় করা সম্ভব। তবে শুধু ছাড় বা অর্থ ফেরত পাওয়ার জন্য প্রয়োজনের বাইরে পণ্য কেনা উচিত নয়। এতে বরং মোট খরচ বেড়ে যেতে পারে।

বাংলাদেশি পরিবারের জন্য চাল, ডাল ও অন্যান্য শুকনা পণ্য বড় প্যাকেটে কেনার সময়ও সতর্ক থাকা জরুরি। বড় প্যাকেট সবসময় সস্তা হয় না। তাই ছোট ও বড় প্যাকেটের এককপ্রতি দাম তুলনা করেই সিদ্ধান্ত নেওয়া ভালো।

স্কুলগামী শিশু থাকলে স্থানীয় স্কুল কর্তৃপক্ষের কাছে বিনা মূল্যে বা কম দামে স্কুলের খাবার পাওয়ার সুযোগ আছে কি না, সেটিও যাচাই করা যেতে পারে। তবে এ সুবিধার নিয়ম ও যোগ্যতা এলাকাভেদে ভিন্ন হতে পারে।

তবে বাজার খরচ কমিয়ে মাসে নির্দিষ্ট ১৫০ থেকে ২৫০ ডলার বা বছরে ২ হাজার ৭৬০ ডলার সাশ্রয় হবেই—এমন কোনো নিশ্চয়তা নেই। পরিবারের সদস্যসংখ্যা, বসবাসের শহর, খাবারের ধরন, কোন দোকান থেকে কেনাকাটা করা হচ্ছে এবং মোট কেনাকাটার পরিমাণের ওপর সাশ্রয়ের অঙ্ক নির্ভর করে।

তাই সবচেয়ে কার্যকর উপায় হলো গত কয়েক মাসের বাজার খরচের হিসাব রেখে নতুন পরিকল্পনা অনুযায়ী খরচের সঙ্গে তা তুলনা করা। এতে নিজের পরিবারের জন্য কোন কৌশল সবচেয়ে বেশি কাজে দিচ্ছে, তা সহজেই বোঝা যাবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আফগানিস্তানের বিপক্ষে বাংলাদেশের নতুন সিরিজ ঘোষণা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

বুধবার, ২৬শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০২:১২ পি.এম


আফগানিস্তানের বিপক্ষে বাংলাদেশের নতুন সিরিজ ঘোষণা

সেপ্টেম্বরে ভারতের বিপক্ষে বাংলাদেশের সিরিজ নিয়ে অনিশ্চয়তা এখনো কাটেনি। এর মধ্যেই অক্টোবরে নতুন আন্তর্জাতিক সিরিজের সূচি পেয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট দল। সংযুক্ত আরব আমিরাতে আফগানিস্তানের বিপক্ষে একটি টেস্ট ও সাদা বলের তিনটি ম্যাচ খেলবে টাইগাররা।

আফগানিস্তান এই সিরিজের স্বাগতিক হওয়ায় ম্যাচের দিনক্ষণ এবং সাদা বলের তিন ম্যাচের সংস্করণ এখনো চূড়ান্ত হয়নি। ম্যাচগুলো ওয়ানডে, টি-টোয়েন্টি নাকি দুই সংস্করণ মিলিয়ে আয়োজন করা হবে, সেই সিদ্ধান্ত নেবে আফগানিস্তান ক্রিকেট বোর্ড।

বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের ক্রিকেট পরিচালনা বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত শাহরিয়ার নাফীস সিরিজটির বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানিয়েছেন, অক্টোবরে আফগানিস্তানের বিপক্ষে একটি সিরিজ রয়েছে। সেখানে একটি লাল বলের ম্যাচের পাশাপাশি সাদা বলের তিনটি ম্যাচ থাকবে। স্বাগতিক আফগানিস্তান হওয়ায় সূচি ও ম্যাচগুলোর সংস্করণ তারাই নির্ধারণ করবে।

আফগানিস্তানের বিপক্ষে একমাত্র টেস্টটি বাংলাদেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ প্রস্তুতির সুযোগ হয়ে আসছে। বছরের শেষ ভাগে টানা দুটি টেস্ট সিরিজ খেলবে নাজমুল হোসেন শান্তর দল। অক্টোবর-নভেম্বরে দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজ খেলতে বাংলাদেশ সফরে আসবে ওয়েস্ট ইন্ডিজ।

এরপর দক্ষিণ আফ্রিকা সফরে যাবে বাংলাদেশ। সেখানে দুটি টেস্টের পাশাপাশি তিনটি করে ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টি ম্যাচ খেলবে টাইগাররা।

ওয়েস্ট ইন্ডিজ ও দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে টেস্ট সিরিজ দুটি বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের অংশ। বর্তমানে পয়েন্ট তালিকায় চতুর্থ স্থানে রয়েছে বাংলাদেশ। ২০২৭ সালের ফেব্রুয়ারিতে ঘরের মাঠে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে দুটি টেস্ট খেলে বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের এবারের চক্র শেষ করবে টাইগাররা। ২০১৬ সালের পর সেটিই হবে ইংল্যান্ডের প্রথম বাংলাদেশ সফর।

এদিকে ভারতের বাংলাদেশ সফর শুরু হওয়ার কথা ছিল ২৮ আগস্ট। সেপ্টেম্বরে মাঠে গড়ানোর কথা থাকা সিরিজটি নিয়ে এখনো আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে দুই দেশের ক্রিকেট বোর্ড। বিসিবি সভাপতি তামিম ইকবালও সম্প্রতি ইঙ্গিত দিয়েছেন, পূর্বনির্ধারিত সূচিতে পরিবর্তন আসতে পারে।

ভারতের বিপক্ষে সিরিজের ভবিষ্যৎ এখনো অনিশ্চিত হলেও, আফগানিস্তানের বিপক্ষে অক্টোবরে নতুন সিরিজ নিশ্চিত হওয়ায় আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ব্যস্ত সময়ের অপেক্ষায় বাংলাদেশ দল।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

অপরাধী সিন্ডিকেটের গোপন আস্তানা উপড়ে ফেলতে হবে : রিজভী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ২৬শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০২:১৩ পি.এম


অপরাধী সিন্ডিকেটের গোপন আস্তানা উপড়ে ফেলতে হবে : রিজভী

রংপুরে শিক্ষকের পরিবারে ঘটে যাওয়া নৃশংস ঘটনার পর আইনশৃঙ্খলা বাহিনী যেভাবে দ্রুত অপরাধীকে গ্রেফতার করেছে, সে জন্য বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী তাদের প্রশংসা করেছেন। একই সঙ্গে তিনি দেশের সকল অপরাধী সিন্ডিকেটের গোপন আস্তানা চিহ্নিত করে সেগুলো উপড়ে ফেলার দাবি জানিয়েছেন।

দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি এবং সাম্প্রতিক বিভিন্ন ঘটনার প্রেক্ষিতে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর গুরুদায়িত্বের কথা উল্লেখ করে রিজভী বলেন, "মানুষ শান্তিতে খেয়ে-পরে বাঁচতে চায়।" তিনি আরও বলেন, "কোনো মাদকসেবী বা অপরাধী সিন্ডিকেট যতই ক্ষমতাশালী হোক না কেন, তাদের আইনের আওতায় এনে বিচার নিশ্চিত করতে হবে।"

বুধবার নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা ও দোয়া মাহফিলে তিনি এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানে মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর দেখানো শান্তির পথ অনুসরণ করে দেশে ন্যায়ভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠা ও আইনের শাসন নিশ্চিত করার আহ্বান জানান তিনি।

রিজভী বলেন, "দেশের ছাত্র-জনতার উত্তাল গণঅভ্যুত্থানের মধ্যদিয়ে ১৭ বছরের স্বৈরাচার ও ফ্যাসিবাদের অবসান ঘটেছে।" তিনি আরও উল্লেখ করেন, "অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের পর গঠিত বর্তমান সরকার প্রতিটি ক্ষেত্রে জনগণের কাছে জবাবদিহি নিশ্চিত করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।" প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে মন্ত্রিসভার সদস্যরা তৃণমূলের নেতাকর্মী, গণমাধ্যম এবং পার্লামেন্টে ধারাবাহিকভাবে জবাবদিহি করছেন, যা প্রকারান্তরে দেশের সাধারণ মানুষের কাছেই জবাবদিহি।

মহানবী (সা.)-এর শান্তিময় পৃথিবীর বাণী ধারণ করে দেশে পূর্ণাঙ্গ আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন রিজভী। অনুষ্ঠানে ইসলামিক পণ্ডিত ও স্কলারসহ দলের বিভিন্ন স্তরের নেতাকর্মী অংশ নেন। পরে দেশ ও জাতির কল্যাণ কামনায় বিশেষ দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।

অনুষ্ঠানে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ, বিএনপির চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা ও ঢাকা মহানগর দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুস সালাম, যুগ্ম মহাসচিব খায়রুল কবির খোকন, হাবিব উন নবী খান সোহেল, আব্দুস সালাম আজাদ, পানি সম্পদমন্ত্রী মো. শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানিসহ বিএনপি এবং এর অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২০ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৭
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৪
মাগরিব ০৫:২০
ইশা ০৬:৩২
সূর্যোদয় : ০৬:০৪ সূর্যাস্ত : ০৫:২০
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%