ঢাকা মঙ্গলবার, ২৭শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১১ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৬ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২৭শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১১ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

আরও কমলো ‍রুপার দাম, ভরি কত?


আরও কমলো ‍রুপার দাম, ভরি কত?

দেশের বাজারে স্বর্ণের সঙ্গে রুপার দাম এক দফা কমানো হয়েছে। এবার ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপার দাম ৫৮ টাকা কমিয়ে নির্ধারণ করা হয়েছে ৪ হাজার ৮৪১ টাকা।

বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) বৃহস্পতিবার (১১ জুন) সকালে এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে। নতুন এই দাম আজ সকাল ১০টা থেকেই কার্যকর হবে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, স্থানীয় বাজারে তেজাবি রুপার (পিওর সিলভার) মূল্য কমেছে। এই কারণে সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় রুপার নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে।

আরও পড়ুন: বাংলাদেশ-জাপান দ্বিপক্ষীয় শীর্ষ বৈঠকে নেতৃত্ব দেবেন প্রধানমন্ত্রী

নতুন দাম অনুযায়ী, প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেটের রুপার দাম ৪ হাজার ৮৪১ টাকা হবে। এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৪ হাজার ৬০৭ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৩ হাজার ৯৬৬ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি রুপার দাম ২ হাজার ৯৭৪ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

এর আগে, গত ১০ জুন রুপার দাম সমন্বয় করা হয়েছিল। সে সময় ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপার দাম ৪ হাজার ৮৯৯ টাকা ছিল, যা ৩৫০ টাকা কমানো হয়েছিল।

এছাড়াও ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৪ হাজার ৬৬৬ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৪ হাজার ২৪ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি রুপার দাম ৩ হাজার ৩৩ টাকা নির্ধারিত হয়েছিল। এই দামও কার্যকর হয়েছিল সেদিন সকাল ১০টা থেকেই।

চলতি বছর এখন পর্যন্ত দেশের বাজারে ৪৪ দফা রুপার দাম সমন্বয় করা হয়েছে। যেখানে ২২ দফা দাম বাড়ানো হয়েছে এবং বাকি ২২ দফায় দাম কমানো হয়েছে। ২০২৫ সালে দেশের বাজারে মোট ১৩ বার রুপার দাম সমন্বয় করা হয়েছিল, এসময় ১০ বার দাম বেড়েছিল এবং মাত্র ৩ বার কমেছিল।

আরও পড়ুন: পিরোজপুরে লাশ দাফনে বাধা, নাহিদ ইসলামের নিন্দা ও ইনসাফের আহ্বান

এদিকে, বাজুস ভরিতে ৪ হাজার ৪৩২ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ২ লাখ ১৮ হাজার ৩৫০ টাকা নির্ধারণ করেছে। এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৮ হাজার ৪৩৬ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ৭৮ হাজার ৬৯২ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ১ লাখ ৪৫ হাজার ৫০৮ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

চলতি বছর এখন পর্যন্ত দেশের বাজারে ৭৩ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছে। যেখানে দাম ৩৭ দফা বাড়ানো হয়েছে এবং ৩৬ দফা কমানো হয়েছে। গত ২০২৫ সালে দেশের বাজারে মোট ৯৩ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছিল, যেখানে ৬৪ বার দাম বাড়ানো হয়েছিল এবং কমানো হয়েছিল ২৯ বার।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

উপকূলে মাছ চাষে বড় ধস, পুঁজি হারিয়ে দিশেহারা ১৪ হাজার চাষি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ১১ই জুন, ২০২৬ ইং

১০:৪৬ এম


উপকূলে মাছ চাষে বড় ধস, পুঁজি হারিয়ে দিশেহারা ১৪ হাজার চাষি

জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে মোংলা উপকূলীয় অঞ্চলে মাছ চাষে বিপর্যয় সৃষ্টি হয়েছে।

চৈত্র-বৈশাখে টানা অনাবৃষ্টির কারণে, তীব্র তাপদাহ ও ঘেরের পানিতে মাত্রাতিরিক্ত লবণ ছড়িয়ে পড়ায় মাছে ক্ষত দেখা দিচ্ছে।

প্রতিদিন লাখ লাখ টাকার বাগদা চিংড়িসহ বিভিন্ন প্রজাতির মাছ মারা ভেসে উঠছে।

আর এনজিও কিংবা ব্যাংক থেকে চড়া সুদে ঋণ নিয়ে প্রায় ১৪ হাজার চাষি পুঁজি হারিয়ে নিঃস্ব হওয়ার পথে রয়েছেন।

মৎস্য বিভাগ জানিয়েছে, অপরিকল্পিত চাষের কারণে প্রতিবছর এমন ঘটনা ঘটে।

সংশ্লিষ্টরা জানান, ভৌগলিক কারণে মোংলা উপজেলার মাটি ও পানি অতিরিক্ত লবণাক্ত।

ফলে এখানে ধान কিংবা অন্য কোনো কৃষিজ ফসল বুনতে পারে না।

জীবনের তাগিদে এই উপজেলার মানুষের একমাত্র ভরসা হচ্ছে মৎস্য চাষ।

স্থানীয় মৎস্য বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, মোংলা উপজেলার প্রায় ২০ হাজার হেক্টর জমিতে মোট ১৩ হাজার ৭৬৮ চাষি বোদ্ধা, গলদা ও অন্যান্য প্রজাতির মাছ চাষ করে।

এর মধ্যে বাগদা চাষি ৬ হাজার ৭০ জন, গলদা চাষি এক হাজার ৮৫০ জন, সরকারি ক্লাস্টার চাষি ১০০ জন এবং ছোট পুকুর ও সাদা মাছ চাষির সংখ্যা ৫ হাজার ৭৪৮ জন।

মাঠ পর্যায়ে খোঁজ নিয়ে জানা যায়, গত কয়েক মাস ধরে পর্যাপ্ত বৃষ্টি না হওয়ায় ঘেরের পানির গভীরতা মারাত্মকভাবে কমে গেছে।

দুপুরের তীব্র রোদে ঘেরের পানি অতিরিক্ত গরম হয়ে বিষাক্ত গ্যাস তৈরি হচ্ছে।

ভুক্তভোগী মৎস্য চাষিরা জানিয়েছেন, ব্যাংক এবং বিভিন্ন এনজিও থেকে চড়া সুদে ঋণ নিয়ে তারা ঘেরে পোনা ছেড়েছিলেন।

কিন্তু অনাবৃষ্টি এবং গরমে পানি শুকিয়ে মাছ লাল হয়ে মারা ভেসে উঠছে।

ধারদেনা শোধ ও পরিবারের ভরণপোষণ চালানো তাদের জন্য অসম্ভব হয়ে পড়েছে।

পরিসংখ্যান অনুযায়ী, গত ২০২৪-২৫ অর্থ বছরে এই উপজেলায় পাঁচ হাজার ৬২১ মেট্রিক টন বাগদা ও গলদা এবং সাত হাজার ৮৮৫ মেট্রিক টন সাদা মাছ উৎপাদন হয়েছিল।

তবে তীব্র তাপদাহের কারণে এবারের পরিস্থিতি সম্পূর্ণ ভিন্ন।

মৎস্য সংশ্লিষ্টরা আশঙ্কা করছেন, প্রতিকূল আবহাওয়ার ধারাবাহিকতা বজায় থাকলে চলতি অর্থ বছরে মোংলায় মাছের সামগ্রিক উৎপাদন গত বছরের তুলনায় অন্তত তিন ভাগের এক ভাগ কমে যেতে পারে।

যা স্থানীয় অর্থনীতিতে বড় ধরনের ধস ডেকে আনবে।

এই চরম বিপর্যয় থেকে উপকূলের প্রধান অর্থনৈতিক খাতটিকে রক্ষা করতে এবং দেনার দায়ে জর্জরিত প্রান্তিক মৎস্য চাষিদের টিকিয়ে রাখতে সরকারি সহায়তার জোর দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগীরা।

মোংলায় চিংড়ি ঘের মালিকরা বলছেন, 'আমরা একবারে সর্বস্বান্ত হয়ে গেছি।'

এইবারের মতো এত গরম আর কোনো বছর দেখিনি।

চৈত্র-বৈশাখ পার হয়ে গেল, কিন্তু গরম কমার কোনো লক্ষণ নেই।

ঘেরের পানি রোদের তাপে পুরোপুরি ফুটন্ত গরম পানির মতো হয়ে যাচ্ছে।

ঘেরে নদীর পানি ঠিকমতো তুলতে পারিনি, তাছাড়া পানির গভীরতা কম হওয়ায় রোদ সরাসরি তলানিতে গিয়ে লাগছে।

তারা আরও জানালেন, গত কয়েকদিন ধরে দুপুরের পর ঘেরের পানি বিষিয়ে লালচে হয়ে যাচ্ছে।

প্রতিদিন সকালে এসে দেখা যাচ্ছে হাজার হাজার বাগদা এবং গলদা চিংড়ি মারা পানির উপরে ভেসে উঠছে।

ধার-দেনা ও ব্যাংক লোন নিয়ে আমরা এইবার ঘেরে পোনা ছাড়ছিলাম, আশা ছিল মাছ বেঁচে আগের সব ঋণ শোধ করব।

কিন্তু সামনে সব শেষ হয়ে যাচ্ছে।

তাপদাহ, পানিতে লবণ ও ভাইরাসের আক্রমণ—সব মিলিয়ে মাছের এই মড়ক ঠেকানোর কোনো উপায় পাচ্ছি না।

পিঠ দেয়ালে ঠেকে গেছে, এখন পরিবার নিয়ে কীভাবে বাঁচব, তা ভাবতে গিয়ে রাতে ঘুম আসে না।

সরকারি কোনো বড় সহায়তা বা প্রণোদনা পেলে আমাদের মতো ছোট ঘের মালিকদের না খেয়ে রাস্তায় বসার ছাড়া আর কোনো পথ থাকবে না।

উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. জাহিদুল ইসলাম বলেন, মোংলা তথা উপকূলীয় অঞ্চলে চিংড়ি চাষ আমাদের অর্থনীতির অন্যতম প্রধান চালিকাশক্তি।

কিন্তু এখানকার অধিকাংশ চাষি এখনও সনাতন ও অপরিকল্পিত পদ্ধতিতে চিংড়ি চাষ করছেন।

অনেকেই ঘেরে কোনো ধরনের সম্পূরক খাবার না দিয়ে কেবল প্রাকৃতিক খাবারের ওপর নির্ভর করে মাছ ছেড়ে রাখেন।

খাবারবিহীন এই চাষ পদ্ধতি চিংড়ির রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা একদম কমাতে পারে।

যার ফলে জলবায়ুর সামান্য পরিবর্তনেও ঘেরে মড়ক দেখা দেয়।

উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা আরও জানান, আমরা চাষিদের বারবার অনুরোধ করছি—আপনারা এই সনাতন ও ঝুঁকিপূর্ণ পদ্ধতি পরিহার করুন।

ঘেরের গভীরতা কমপক্ষে ৩ থেকে ৪ ফুট করুন, সঠিক নিয়মে সুষম ও মানসম্মত মৎস্য খাদ্য প্রয়োগ করুন।

পোনা ছাড়ার আগে অবশ্যই পিসিআর ল্যাব টেস্টের মাধ্যমে ভাইরাসমুক্ত পোনা নিশ্চিত করতে পারলে ঘেরে মাছ চাষ করে লাভবান হওয়া সম্ভব।

তিনি বলেন, 'আমরা নিয়মিত চাষিদের কারিগরি প্রশিক্ষণ ও আধুনিক চাষের পরামর্শ দিয়ে যাচ্ছি।'

চাষিরা সচেতন না হলে এবং অপরিকল্পিত চাষ বন্ধ না করলে জলবায়ু পরিবর্তনের এই চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করে চিংড়ি শিল্পকে বাঁচিয়ে রাখা কঠিন হবে।

আমাদের মাঠ পর্যায়ের পরিদর্শনে দেখা গেছে, অপরিকল্পিতভাবে ঘেরের আয়তন বিশাল করা হলেও, সেগুলোর পানির গভীরতা মাত্র এক থেকে ১.৫ ফুট।

তীব্র তাপদাহে এই অল্প পানি দ্রুত ফুটন্ত গরম হয়ে যায় এবং অক্সিজেন সংকটে মাছ মারা যায়।

অনেক চাষি বেশি লাভের আশায় শতাংশ প্রতি নির্ধারিত ঘনত্বের চেয়ে অতিরিক্ত পোনা ছাড়েন, যা এই বিপর্যয়কে আরও বাড়িয়ে তোলে।

চলতি অর্থ বছরে মোংলায় ১৩ হাজার ৭৬৮ জন মৎস্য চাষির মধ্যে মাত্র ৬০ জনকে সরকারিভাবে মাছ চাষের ওপর প্রশিক্ষণ দেয়া হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নারায়ণপুর পৌরসভার নাগরিক সেবা প্রদানে জটিলতা নিরসনে গণশুনানী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

সমির ভট্রাচার্য্য

বৃহস্পতিবার, ১১ই জুন, ২০২৬ ইং

১০:৪৯ এম


নারায়ণপুর পৌরসভার নাগরিক সেবা প্রদানে জটিলতা নিরসনে গণশুনানী

নারায়ণপুর পৌরসভার নাগরিক সেবা প্রদানে জটিলতা নিরসনের উদ্দেশ্যে গণশুনানীর আয়োজন করা হয়েছে।

চাঁদপুরের মতলব দক্ষিণ উপজেলার অধীনে নারায়ণপুর পৌরসভার নাগরিক সেবা প্রদানে জটিলতা নিরসনের লক্ষ্যে বুধবার (১০ জুন) বিকেলে প্রশাসনের এ গণশুনানীর আয়োজন করা হয়।

নারায়ণপুর পৌরসভার আয়োজনে পূর্ব রসুলপুর আল ইকরা ইন্টারন্যাশনাল মাদ্রাসা মাঠে গণশুনানী অনুষ্ঠিত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন মতলব দক্ষিণ উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও নারায়ণপুর পৌরসভার প্রশাসক কেএম ইশমাম এবং পরিচালনা করেন নারায়ণপুর পৌরসভার পৌর নির্বাহী কর্মকর্তা (অ.দা.) মোঃ সাইফুর রহমান।

নারায়ণপুর পৌরসভার ৯টি ওয়ার্ডের সমন্বয়ে স্থানীয়দের মতামত গ্রহণের জন্য গণশুনানী অনুষ্ঠিত হয়েছে। এসময় বক্তব্য রাখেন মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সভাপতি ও মতলব পৌরসভার সাবেক মেয়র এনামুল হক বাদল, মতলব পৌর বিএনপির সভাপতি শোয়েব আহমেদ সরকার, উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মোঃ সফিকুল ইসলাম সাগর, উপজেলা যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক জহিরুল হক জহির, নারায়ণপুর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মোঃ জসিম উদ্দিন মুন্সী, বিএনপি নেতা মিয়া মামুন, হারুন পাটোয়ারী, জীবন তালুকদার।

এছাড়া বিভিন্ন পেশাজীবিদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন সোলাইমান প্রধান, মানিক মোল্লা, আবু সাইদ সিয়াম, মফিজ মুন্সী, বুলবুল মিয়া প্রমুখ। গণশুনানীতে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব, শিক্ষাবিদ, সাংবাদিক, সুশীল সমাজের প্রতিনিধি এবং এলাকাবাসী অংশগ্রহণ করেন।

এলাকাবাসীর জোরালো দাবী হলো নারায়ণপুর পৌরসভা বাতিল করে পুনরায় ইউনিয়ন পরিষদ বহাল রাখা হোক। বিগত আওয়ামী লীগ সরকার আমলে দলের একটি স্বার্থানেষী মহল জনগণের স্বার্থকে দৃষ্টির বাইরে রেখে পৌরসভার ঘোষণা করে। জনগণের পক্ষে সাবেক ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পৌরসভা বাতিলের জন্য মামলা করেন। পরে মামলার জটিলতার কারণেই জনগণের ভোগান্তি বৃদ্ধি পায়। জন্ম নিবন্ধন, নাগরিক সনদপত্র, ইউনিয়নের উন্নয়ন কার্যক্রমসহ সকল ধরনের সেবা বন্ধ হয়ে গেছে। জনগণের বৃহৎ স্বার্থে নারায়ণপুর পৌরসভা বাতিলের পাশাপাশি দ্রুত নারায়ণপুর ইউনিয়ন পরিষদ প্রতিষ্ঠার দাবি জানানো হয় গণশুনানীতে।

গণশুনানীতে ইউনিয়নের ভৌগোলিক বিস্তৃতি, জনসংখ্যার ঘনত্ব, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, অবকাঠামো এবং অর্থনৈতিক সম্ভাবনার বিষয়গুলো তুলে ধরা হয়।

গণশুনানীর শেষে উপজেলা নির্বাহী অফিসার কেএম ইশমাম বলেন, "আপনাদের মতামত সরকারকে জানানো হবে। আশা রাখি খুব দ্রুত আপনাদের যৌক্তিক দাবী বাস্তবায়ন হবে।"

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

চট্টগ্রাম জেলার দ্বীপ উপজেলা সন্দ্বীপ মাসিক স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনা দিবস উদযাপন করেছে নারী প্রগতি সংঘ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আমিনুল ইসলাম রিয়াদ সন্দ্বীপ প্রতিনিধি

বৃহস্পতিবার, ১১ই জুন, ২০২৬ ইং

১০:৫৫ এম


চট্টগ্রাম জেলার দ্বীপ উপজেলা সন্দ্বীপ মাসিক স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনা দিবস উদযাপন করেছে নারী প্রগতি সংঘ

চট্টগ্রাম জেলার দ্বীপ উপজেলা সন্দ্বীপে বাংলাদেশ নারী প্রগতি সংঘের উদ্যোগে মাসিক স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনা দিবস উদযাপন করেছে।

“আসুন সবাই মিলে গড়ি মাসিকবান্ধব পৃথিবী” স্লোগানকে সামনে রেখে চট্টগ্রামের সন্দ্বীপে মাসিক স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনা দিবস উপলক্ষে সচেতনতামূলক সভা অনুষ্ঠিত হয়। বুধবার (১০ জুন) মুছাপুর বদিউজ্জামান উচ্চ বিদ্যালয় মিলনায়তনে ব্যবস্থাপনার সভাপতি ছিলেন বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. আনোয়ারুল কবির। বিদ্যালয়ের ছাত্রীদের অংশগ্রহণে মাসিক স্বাস্থ্য সচেতনতা নিয়ে আলোচনা করা হয়।

নারী প্রগতি সংঘের উন্নয়ন কর্মকর্তা শাহিনা বেগমের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানের শুরুতে স্বাগত বক্তব্য দেন কেন্দ্র ব্যবস্থাপক মো. শামসুদ্দীন। পরে মাসিক স্বাস্থ্য সচেতনতা বিষয়ে ধারণাপত্র পাঠ করেন বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী আতিকা জাহান দীপা।

অনুষ্ঠানে প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন দক্ষিণ সন্দ্বীপ ইউনিয়ন স্বাস্থ্য কেন্দ্রের মেডিকেল অফিসার ডা. আশরাফুর রহমান নাদিম। তিনি মাল্টিমিডিয়া উপস্থাপনার মাধ্যমে বাংলাদেশে মাসিক স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনার বর্তমান অবস্থান, এ-সংক্রান্ত নীতি ও উদ্যোগ, বয়ঃসন্ধিকাল, ঋতুস্রাব, যৌন ও প্রজনন স্বাস্থ্য, ব্যক্তিগত পরিচ্ছন্নতার গুরুত্ব এবং মাসিক স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনা উন্নয়নে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, অভিভাবক এবং সরকারের করণীয় বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন।

ডা. নাদিম বলেন, “মাসিক কোনো লজ্জার বিষয় নয়, এটি নারীর জীবনের একটি স্বাভাবিক জৈবিক প্রক্রিয়া। মাসিক না হওয়াই বরং অস্বাভাবিক। মাসিককালীন কোনো শারীরিক জটিলতা বা অস্বাভাবিকতা দেখা দিলে তা অভিভাবকদের জানাতে হবে এবং প্রয়োজন হলে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে। এ বিষয়ে কোনো ধরনের সংকোচ বা লজ্জা রাখা উচিত নয়।”

সভায় আরও বক্তব্য দেন বিদ্যালয়ের সহকারী প্রধান শিক্ষক মো. বেলাল হোসাইন, সিনিয়র শিক্ষক গুলশাহানারা খানম, নারী প্রগতি সংঘের প্রোগ্রাম অর্গানাইজার মো. রাশেদ ও রাহুল কান্তি দাশ।

অনুষ্ঠানে বক্তারা মাসিক স্বাস্থ্য বিষয়ে সামাজিক কুসংস্কার ও সংকোচ দূর করে কিশোরীদের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধির ওপর গুরুত্বারোপ করেন। একই সঙ্গে স্বাস্থ্যসম্মত মাসিক ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করতে পরিবার, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও সমাজের সকলের সম্পৃক্ততা অপরিহার্য বলে উল্লেখ করেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

গাজায় থামছে না ইসরাইলি হামলা, তীব্র মানবিক সংকট

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ১১ই জুন, ২০২৬ ইং

১০:৫৮ এম


গাজায় থামছে না ইসরাইলি হামলা, তীব্র মানবিক সংকট

গাজায় ইসরাইলি হামলায় নিহত হয়েছেন আরও ৩ জন এবং আহত হয়েছেন ৫ জন। পাশাপাশি, ইসরাইলি সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে, হামলার ফলে হামাসের আর্থিক নেটওয়ার্কের দুই শীর্ষ সদস্য নিহত হয়েছেন। এছাড়াও, বিদেশে চিকিৎসা নিতে চাওয়া হাজারো ফিলিস্তিনিকে বাধা দেয়া এবং সীমান্ত বন্ধ হওয়ায় মানবিক সংকট তীব্র হয়ে উঠেছে।

গাজায় চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতিতে মৃতের संख्या ক্রমাগত বৃদ্ধি পাচ্ছে। ঘোষিত যুদ্ধবিরতির পরও হামলা থামছে না, ফলে শত শত প্রাণহানির ঘটনা ঘটছে। গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় বেশ কয়েকজন হতাহতের ঘটনা ঘটেছে। উপত্যকাজুড়ে মানবিক সংকট আরো গভীর হচ্ছে।

এদিকে, ইসরাইলি সেনাবাহিনী দাবি করেছে, হামাসের আর্থিক নেটওয়ার্কের কয়েকজন শীর্ষ সদস্য উত্তর গাজার এক হামলায় নিহত হয়েছেন। সেনাবাহিনী জানায়, তারা সামরিক শাখায় কোটি কোটি ডলারের অর্থ প্রবাহ পরিচালনায় যুক্ত ছিলেন। তবে এই দাবির পক্ষে কোনো প্রমাণ প্রদান করা হয়নি, ফলে বিষয়টি নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

এছাড়া, গাজা থেকে চিকিৎসার প্রয়োজনীয়তায় বিদেশে যেতে চাওয়া প্রায় ১৭ হাজার ফিলিস্তিনিকে বাঁধা দেয়ার অভিযোগও উঠেছে ইসরাইলের বিরুদ্ধে। সীমান্ত ক্রসিং বন্ধ থাকার এবং খোলার অনিশ্চয়তার কারণে রোগীদের জীবন ঝুঁকির মুখে পড়ছে বলে জানিয়েছ স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষ। মানবিক সহায়তা প্রবেশ ও রোগী সরানোর প্রধান পথগুলো সীমিত হওয়ায় দ্রুত সব সীমান্ত পুনরায় খোলার আহ্বান জানিয়েছে আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলো।

অধিকৃত পশ্চিম তীরে ইসরাইলি বাহিনী অভিযান চালাচ্ছে। বেতলেহেমের হুসান গ্রাম থেকে একাধিক গ্রেফতারের খবর এসেছে নাবলুস ও জেনিন অঞ্চলে। রামাল্লাহর পশ্চিমে অভিযানের সময় মারধর ও আটক করার অভিযোগও উঠেছে।

এছাড়া, দীর্ঘ ১৮ মাস আটক থাকার পর চিকিৎসক হুসাম আবু সাফিয়ার আদালতে উপস্থিতির একটি ছবি প্রকাশ্যে এসেছে, যেখানে তাকে দুর্বল অবস্থায় দেখা যাচ্ছে, যা নতুন উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে।

পশ্চিম তীরে বসতি স্থাপনকারীদের সহিংসতার জবাবে যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স, কানাডা, অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ড ও নরওয়ে সমন্বিত নিষেধাজ্ঞা আরোপের ঘোষণা দিয়েছে। ছয়টি সংস্থা ও কয়েকজন ব্যক্তির বিরুদ্ধে অর্থনৈতিক এবং ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা এসেছে, যার মধ্যে ইসরাইলের অর্থমন্ত্রীকেও তালিকাভুক্ত করেছে ফ্রান্স।

জাতিসংঘের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরে ৮০০টিরও বেশি সহিংস ঘটনার প্রভাব পড়ছে ২০০টিরও বেশি সম্প্রদায়ে, যা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৬ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৫
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২৩
ইশা ০৬:৩৫
সূর্যোদয় : ০৬:০১ সূর্যাস্ত : ০৫:২৩
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%