ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২২শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৬ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১১ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বৃহস্পতিবার, ২২শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৬ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

বিক্ষোভের মুখে সেনাপ্রধানকে বরখাস্ত করেছেন জেলেনস্কি


বিক্ষোভের মুখে সেনাপ্রধানকে বরখাস্ত করেছেন জেলেনস্কি

দেশজুড়ে ব্যাপক প্রতিবাদের মুখে ইউক্রেনের সেনাবাহিনীর প্রধান কমান্ডার-ইন-চিফ ওলেক্সান্দর সিরস্কিকে বরখাস্ত করেছেন দেশের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি। একই সঙ্গে গত সপ্তাহে বরখাস্ত করা তাঁর সাবেক প্রতিরক্ষামন্ত্রীকে সরকারের একটি গুরুত্বপূর্ণ পদের প্রস্তাব দিয়েছেন জেলেনস্কি।

মঙ্গলবার রাতে এক টেলিভিশন ভাষণে জেলেনস্কি জানান, তিনি জনপ্রিয় ও উদ্ভাবনী ধারণাসম্পন্ন জেনারেল মাইখাইলো ড্রাপাতিকে ইউক্রেনের সশস্ত্র বাহিনীর নতুন প্রধান হিসেবে নিয়োগ দিচ্ছেন।

জেলেনস্কি জানান, ড্রাপাতি সেনাবাহিনীর কমান্ড কাঠামো পুনর্গঠনের কাজটি তদারকি করবেন।

আরও পড়ুন: প্রধানমন্ত্রী আজ খুলনা ও বাগেরহাট সফরে, অংশ নেবেন সরকারি কর্মসূচিতে

জেলেনস্কি আরও বলেন, তিনি মাইখাইলো ফেদোরভকে পুনরায় সরকারে ফিরিয়ে আনছেন।

ফেদোরভকে প্রতিরক্ষামন্ত্রীর পদ থেকে অপসারণের পর কিয়েভসহ ইউক্রেনের অন্যান্য শহরে হাজার হাজার মানুষ বিক্ষোভে ফেটে পড়েছিল। এটি ২০২২ সালে রাশিয়ার আক্রমণের পর থেকে দেশটিতে তৈরি হওয়া অন্যতম বড় রাজনৈতিক সংকট।

ইউক্রেনীয় প্রেসিডেন্ট সিরস্কির অবদানের স্বীকৃতি দিয়ে তাঁর প্রতি শ্রদ্ধা জানান। কিয়েভ প্রতিরক্ষা এবং ২০২৪ সালের গ্রীষ্মে রাশিয়ার কুরস্ক প্রদেশে পাল্টা আক্রমণ পরিচালনায় নেতৃত্ব দেয়ার জন্য সিরস্কিকে কৃতিত্ব দেন তিনি। এটি দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর এই প্রথম রুশ ভূখণ্ডে বিদেশি ট্যাঙ্কের প্রবেশ ঘটিয়েছিল।

‘আমরা দীর্ঘ পথ অতিক্রম করেছি। ইউক্রেনের প্রতিরক্ষা অব্যাহত রয়েছে। আর আমাদের প্রতিটি সৈনিক সম্মানের দাবিদার’ উল্লেখ করে জেলেনস্কি বলেন, তিনি সিরস্কি এবং রণক্ষেত্রের ‘আমাদের প্রতিটি সৈনিকের’ প্রতি কৃতজ্ঞ।

আরও পড়ুন: ইশরাক ‘পোষ্য কোটায়’ রাজনীতিতে এসেছেন, অভিজ্ঞতা কম: নিলোফার মনি

সেনাবাহিনীর নেতৃত্বে জেলেনস্কির এই আমূল রদবদল আন্দোলনকারীদের শান্ত করবে বলে তিনি আশা করছেন। আন্দোলনকারীরা রাস্তায় নেমে সিরস্কির অপসারণ দাবি করছিলেন। বিক্ষোভকারীরা ফেদোরভকে পুনর্বহালের জন্য শুক্রবার পর্যন্ত সময়সীমা বেঁধে দিয়েছিল এবং তাদের দাবি উপেক্ষা করা হলে ‘অনির্দিষ্টকালের জন্য আন্দোলন’-এর হুমকি দিয়েছিল।

সূত্র: দ্য গার্ডিয়ান

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আসামে বন্যায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৩১, ক্ষতিগ্রস্ত ৫ লাখেরও বেশি মানুষ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ২২শে জুলাই, ২০২৬ ইং

১১:০২ এম


আসামে বন্যায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৩১, ক্ষতিগ্রস্ত ৫ লাখেরও বেশি মানুষ

ভারতের আসামে বন্যা পরিস্থিতি এখন আরো সংকটজনক রূপ নিয়েছে। নতুনভাবে রাজ্যটিতে আরও ৩১ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। এর মধ্যে গত ২৪ ঘণ্টার মধ্যে অন্তত ২১ জন মারা গেছেন।

আসাম রাজ্য দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষের বক্তব্য অনুযায়ী, রাজ্যের ১৬টি জেলায় ৫.৬৪ লাখেরও বেশি মানুষ বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। পাশাপাশি, বন্যার কারণে পানিতে ২৪ হাজার ২১০.৩৫ হেক্টর ফসলি জমি ডুবে গেছে। এছাড়া, ৪৪টি রাজস্ব সার্কেলের অধীনে মোট ৮৭২টি গ্রাম ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

দুর্গত এলাকা সমূহে স্থানীয় প্রশাসনের খোলা ২৭৩টি ত্রাণ শিবির ও ত্রাণ বিতরণ কেন্দ্রে বর্তমানে ১.১৪ লাখেরও বেশি মানুষ আশ্রয় গ্রহণ করেছেন।

বন্যাকবলিত অঞ্চলগুলোর উদ্ধার ও ত্রাণ কার্যক্রম যৌথভাবে চালিয়ে যাচ্ছে ভারতীয় সেনাবাহিনী, বিমান বাহিনী, এনডিআরএফ, এসডিআরএফ, পুলিশ এবং স্থানীয় প্রশাসন।

গত ১৯ জুলাই জোড়হাট জেলার টিয়ক রাজস্ব সার্কেলের সেলেং চা বাগানের নিকটে সেলেং ঘাট থেকে এনডিআরএফ পাঁচজনকে উদ্ধার করে। উদ্ধারকারীরা পানির নিচে তলিয়ে যাওয়া একটি বাড়ির ছাদ থেকে একটি তরুণী, তীব্র স্রোতে ভেসে যাচ্ছিল এমন একজন এবং বন্যার পানিতে আটকে থাকা তিন নারীকেও উদ্ধার করেন।

দীর্ঘ সময় ঠাণ্ডা পানিতে আটকে থাকার কারণে তীব্র হাইপোথার্মিয়ায় আক্রান্ত একজন বৃদ্ধাকে উদ্ধার করা হয় এবং ওই বৃদ্ধাকে সংকটজনক অবস্থায় পাওয়া যায়। উদ্ধারকারী দলটি পাঁচজনকে নিরাপদ আশ্রয়ে সরিয়ে নিয়ে যায় এবং বিশেষ ভাবে ওই বৃদ্ধাকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়ার পর উন্নত চিকিৎসা ও পুনর্বাসনের জন্য ত্রাণ কেন্দ্রে পাঠায়।

এদিকে, বন্যা ও ত্রাণ কার্যক্রম খতিয়ে দেখতে, বুধবার সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত জেলায় সফর করবেন মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মা।

সামাজিক মাধ্যম এক্সে মুখ্যমন্ত্রী লিখেছেন, উজান এলাকায় মেঘভাঙা বৃষ্টির কারণে আসামের সাম্প্রতিক বন্যা আমাদের মানুষের ওপর চরম দুর্ভোগ ডেকে এনেছে। ত্রাণ কার্যক্রম পর্যালোচনা করতে আমি চরাইদেও, নাজিরা, শিবসাগর, সোনাড়ি, জোড়হাট এবং টিয়কের বন্যা দুর্গত এলাকা ও ত্রাণ শিবিরগুলো পরিদর্শন করবো।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

৭৪ বছর পর সমুদ্রের তলদেশে নিখোঁজ বিমানের ধ্বংসাবশেষের সন্ধান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ২২শে জুলাই, ২০২৬ ইং

১১:০৮ এম


৭৪ বছর পর সমুদ্রের তলদেশে নিখোঁজ বিমানের ধ্বংসাবশেষের সন্ধান

প্রায় সাড়ে সাত দশক আগে আটলান্টিক মহাসাগরে বিধ্বস্ত হওয়া প্যান অ্যাম এয়ারওয়েজের ‘ক্লিপার এন্ডেভার’ বিমানের পরিত্যক্ত ধ্বংসাবশেষের সন্ধান পাওয়া গেছে। পুয়ের্তো রিকোর উপকূলসংলগ্ন সমুদ্রের প্রায় দুই হাজার ফুট গভীরে এ ধ্বংসাবশেষটি শনাক্ত হয়েছে।

সিএনএনের প্রতিবেদনে জানানো হয়, গত ২ জুন আন্ডারওয়াটার ড্রোন ও উচ্চ-রেজ্যুলেশনের সোনার প্রযুক্তির মাধ্যমে এয়ার/সি হেরিটেজ ফাউন্ডেশন এবং ডিপ সি ভিশনের একটি যৌথ অনুসন্ধানকারী দল বিমানটির অবস্থান নিশ্চিত করে। দুর্ঘটনার ৭৪ বছর পরে এই আবিষ্কারটি সম্ভব হলো।

১৯৫২ সালের ১১ এপ্রিল, ডগলাস ডিসি-৪ মডেলের বিমানটি ৬৪ জন যাত্রী ও ৫ জন ক্রু নিয়ে পুয়ের্তো রিকো থেকে নিউইয়র্ক যাওয়ার উদ্দেশ্যে যাত্রা শুরু করেছিল। উড্ডয়নের কিছু সময় পর ডান পাশের দুটি ইঞ্জিন বিকল হয়ে পড়ে, পাইলট বাধ্য হয়ে আটলান্টিক মহাসাগরে জরুরি অবতরণের চেষ্টা করেছিলেন।

প্রাথমিক আঘাতে বিমানের সকল সদস্য প্রাণে বেঁচে গেলেও কার্যকর উদ্ধারব্যবস্থার অভাব, ভাষাগত প্রতিবন্ধকতা এবং উড্ডয়নের পূর্বে জরুরি নিরাপত্তা নির্দেশনা সম্পর্কে যাত্রীদের পর্যাপ্ত ধারণার অভাবের কারণে মাত্র তিন মিনিটের মধ্যেই বিমানটি পানির নিচে তলিয়ে যায়। ওই দুর্ঘটনায় ৫২ জনের মৃত্যু হয়েছিল এবং জীবিত উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছিল মাত্র ১৭ জনকে।

বিশ্লেষকদের মতে, এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনার পরেই বাণিজ্যিক বিমান ভ্রমণে নিরাপত্তা ব্যবস্থায় গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন আনা হয়। বর্তমানে বিশ্বজুড়ে উড্ডয়নের আগে যাত্রীদের জন্য লাইফ জ্যাকেটের ব্যবহার, জরুরি নির্গমন পথ এবং লাইফ র‍্যাফট সম্পর্কে যে বাধ্যতামূলক নিরাপত্তা নির্দেশনা দেওয়া হয়, তার প্রচলন এই দুর্ঘটনার পর থেকেই শুরু হয়।

এখন, এয়ার/সি হেরিটেজ ফাউন্ডেশন পুয়ের্তো রিকো সরকারের সহযোগিতায় ধ্বংসাবশেষের স্থানটি সংরক্ষণের উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। একই সঙ্গে, দুর্ঘটনায় নিহতদের স্মরণে সেখানে একটি স্মৃতিস্তম্ভ নির্মাণের পরিকল্পনা এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মার্কিন বিমান মোতায়েনের পরিকল্পনায় বুলগেরিয়াকে ইরানের সতর্কবার্তা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ২২শে জুলাই, ২০২৬ ইং

১১:১৮ এম


মার্কিন বিমান মোতায়েনের পরিকল্পনায় বুলগেরিয়াকে ইরানের সতর্কবার্তা

ইরানের বিরুদ্ধে সম্ভাব্য কোন প্রকারের সামরিক অভিযানে যুক্তরাষ্ট্র যেন নিজেদের ভূখণ্ড ব্যবহার করতে না পারে—সে বিষয়ে বুলগেরিয়াকে সতর্ক করেছে ইরান। মঙ্গলবার, দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বলেছে, যুক্তরাষ্ট্রের হামলায় যেকোনো ধরনের সহযোগিতা করা হলে তা আগ্রাসন ও যুদ্ধাপরাধে অংশগ্রহণের শামিল হবে।

ইরানের সরকারি গণমাধ্যম থেকে জানা যায়, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই বলেছেন যে, ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক অভিযানে সহায়তা করে এমন কোন পদক্ষেপ গ্রহণযোগ্য নয়। তিনি উল্লেখ করেন, এ ধরনের সহযোগিতা আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘনের পাশাপাশি আগ্রাসনের অংশ হিসেবে গণ্য হবে।

বাঘাই বলেছেন, বুলগেরিয়াবাসীদের উদ্দেশ্যে আহ্বান জানিয়ে বলেছেন, দেশটি যেন ‘আগ্রাসনকারী ও আইনভঙ্গকারীদের সহযোগী’ না হয় এবং নিজেদের ভূখণ্ডকে কোন সামরিক অভিযানের জন্য ব্যবহারের সুযোগ না দেয়।

ইরানের এই প্রতিক্রিয়া এসেছে বুলগেরিয়া সরকারের একটি সিদ্ধান্তকে ঘিরে।

বুলগেরিয়া সরকার জানিয়েছে, তারা দেশের একটি সামরিক বিমানঘাঁটিতে যুক্তরাষ্ট্রের সর্বোচ্চ আটটি জ্বালানি সরবরাহকারী সামরিক বিমান মোতায়েনের অনুমোদন চেয়ে সংসদে প্রস্তাব দেওয়ার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছে। সরকারের পরিকল্পনা অনুযায়ী, এসব বিমান রাজধানী সোফিয়া থেকে প্রায় ২৬০ কিলোমিটার দক্ষিণ-পূর্বে অবস্থিত বেজমের সামরিক ঘাঁটিতে মোতায়েন করা হবে।

এই জ্বালানি সরবরাহকারী বিমানগুলি মূলত আকাশে উড়ন্ত যুদ্ধবিমান ও অন্যান্য সামরিক বিমানকে মাঝ-আকাশে জ্বালানি সরবরাহের কাজে ব্যবহৃত হয়। এর মাধ্যমে যুদ্ধবিমান দীর্ঘ সময় আকাশে অবস্থান করতে পারে এবং দূরবর্তী এলাকায় অভিযান চালানোর সক্ষমতা বৃদ্ধি পায়।

বুলগেরিয়া উত্তর আটলান্টিক জোট (ন্যাটো) এবং ইউরোপীয় ইউনিয়নের সদস্য দেশ। এজন্য দেশটিতে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক উপস্থিতি বাড়ানোর পরিকল্পনা নিয়ে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নতুন আলোচনা উঠে এসেছে।

মাসখানেক আগে হওয়া অস্থায়ী যুদ্ধবিরতি চুক্তি ভেঙে যাওয়ার পর থেকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান উভয় পক্ষই আবার সামরিক তৎপরতা বৃদ্ধি করেছে। এর ফলে দুই দেশের মধ্যে নতুন করে পূর্ণমাত্রার সংঘাত শুরু হওয়ার আশঙ্কা বেড়েছে। এই পরিস্থিতির মধ্যে বুলগেরিয়ায় যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বিমান মোতায়েনের পরিকল্পনাকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা আরও বেড়ে যাওয়ার সম্ভাবনা রাখে বলেও মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ইতালিতে পাঠানোর প্রলোভন, লিবিয়ার মাফিয়ার কাছে বিক্রি: ৪৯ লাখ টাকা মুক্তিপণ মামলার প্রধান আসামি গ্রেপ্তার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মাদারীপুর প্রতিনিধি

বুধবার, ২২শে জুলাই, ২০২৬ ইং

১১:২৫ এম


ইতালিতে পাঠানোর প্রলোভন, লিবিয়ার মাফিয়ার কাছে বিক্রি: ৪৯ লাখ টাকা মুক্তিপণ মামলার প্রধান আসামি গ্রেপ্তার

ইতালিতে পাঠানোর প্রলোভন দেখিয়ে এক যুবককে লিবিয়ায় নিয়ে মাফিয়া চক্রের কাছে বিক্রি এবং তার পরিবারের কাছ থেকে ৪৯ লাখ টাকা মুক্তিপণ আদায়ের বহুল আলোচিত মামলার প্রধান আসামি, কথিত মানবপাচারকারী জুলহাস সরদারকে (৫০) গ্রেপ্তার করেছে র‍্যাব।

মঙ্গলবার রাতে রাজধানীর কদমতলীর স্মৃতিধারা আবাসিক এলাকা থেকে র‍্যাব-৮ (মাদারীপুর) ও র‍্যাব-১০ (যাত্রাবাড়ী)-এর যৌথ অভিযানে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

র‍্যাব জানায়, গ্রেপ্তার জুলহাস সরদার মাদারীপুরের রাজৈর উপজেলার সত্যবদী গ্রামের মৃত/আব্দুল মজিদ সরদারের ছেলে। তার বিরুদ্ধে মানবপাচার, হত্যা ও সন্ত্রাসবিরোধী আইনসহ বিভিন্ন অভিযোগে অন্তত ১৫টি মামলা রয়েছে।

মামলার বিবরণে জানা যায়, মাদারীপুরের রাজৈর উপজেলার আরমান শেখকে ইতালিতে পাঠানোর আশ্বাস দিয়ে জুলহাস সরদারসহ ৯ সদস্যের একটি চক্র তার পরিবারের কাছ থেকে প্রথমে ২৩ লাখ টাকা আদায় করে। কিন্তু ইতালিতে পাঠানোর পরিবর্তে তাকে লিবিয়ায় নিয়ে মাফিয়া চক্রের কাছে তুলে দেওয়া হয়।

লিবিয়ায় আটকে রেখে আরমানের ওপর চালানো হয় অমানবিক শারীরিক নির্যাতন। নির্যাতনের ভিডিও ও বিভিন্ন মাধ্যমে পরিবারের সদস্যদের কাছে পাঠিয়ে মুক্তিপণ দাবি করা হয়। ছেলেকে জীবিত উদ্ধার করতে বাধ্য হয়ে পরিবারটি কয়েক দফায় আরও ৪৯ লাখ টাকা পরিশোধ করে।

এ ঘটনায় গত ১২ জুন আরমানের মা জাহানারা বেগম বাদী হয়ে রাজৈর থানায় মানবপাচারের অভিযোগে মামলা দায়ের করেন। ঘটনাটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও সংবাদমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিলে র‍্যাব আসামিদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে ছায়াতদন্ত শুরু করে।

র‍্যাবের ভাষ্য, গোয়েন্দা তথ্য ও তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় জুলহাস সরদারের অবস্থান নিশ্চিত করে মঙ্গলবার রাতে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য তাকে যাত্রাবাড়ী থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

র‍্যাব জানিয়েছে, মানবপাচার চক্রের অন্যান্য সদস্যদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১১ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৩
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫০
মাগরিব ০৫:২৭
ইশা ০৬:৩৮
সূর্যোদয় : ০৫:৫৯ সূর্যাস্ত : ০৫:২৭
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%