ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

কানাডার ক্যালগারিতে ভারতীয় শিক্ষার্থীদের অনশন কর্মসূচি


কানাডার ক্যালগারিতে ভারতীয় শিক্ষার্থীদের অনশন কর্মসূচি

কানাডার ক্যালগারিতে স্নাতকোত্তর কাজের অনুমতি (পোস্ট-গ্র্যাজুয়েশন ওয়ার্ক পারমিট-পিজিডব্লিউপি) প্রত্যাখ্যানের প্রতিবাদে চলমান আন্দোলনের অংশ হিসেবে অনশন কর্মসূচি পালন করেছেন ভারতীয় শিক্ষার্থীরা। শুক্রবার, শিক্ষার্থীরা প্ল্যাকার্ড ও পোস্টার হাতে নিয়ে শান্তিপূর্ণভাবে রাস্তার পাশে দাঁড়িয়ে ক্যালগারির স্যাডলটাউন এলাকায় এই প্রতিবাদ উপলক্ষ্যে অংশগ্রহণ করেন।

শিক্ষার্থীদের দাবি হলো, তারা কানাডায় বৈধভাবে পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন এবং এজন্য এখানে কাজ করার সুযোগ পাওয়া তাদের ন্যায্য অধিকার। তাদের ভাষ্য অনুযায়ী, ওয়ার্ক পারমিটের আবেদন প্রত্যাখ্যানের সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা করা উচিত।

প্রতিবাদকারীরা জানান, তারা দুই বছর পড়াশোনা শেষ করার পর জানতে পারেন যে তাদের ডিপ্লোমা একটি নন-ক্রেডিট প্রোগ্রাম, যা পোস্ট-গ্র্যাজুয়েশন ওয়ার্ক পারমিটের জন্য যোগ্য নয়।

আরও পড়ুন: কক্সবাজারে নলকূপ খননের স্থান থেকে গ্যাসের আগুন, বাপেক্সের বিশেষজ্ঞ দল ঘটনাস্থলে

তাদের অভিযোগ, ২০২৬ সালের জুন মাসে রিফিউজিস অ্যান্ড সিটিজেনশিপ কানাডার (আইআরসিসি) ওয়েবসাইটে এই বিষয়ে তথ্য হালনাগাদ করা হয়েছে। কিন্তু, ভর্তি হওয়ার সময়, দুই বছর আগে তাদের জানানো হয়েছিল যে তাদের প্রোগ্রামটি ওয়ার্ক পারমিটের জন্য যোগ্য।

উল্লেখযোগ্য যে, শিক্ষার্থীদের স্নাতকোত্তর কাজের অনুমতি প্রত্যাখ্যানের বিষয়ে ইমিগ্রেশন, রিফিউজিস অ্যান্ড সিটিজেনশিপ কানাডা (আইআরসিসি) জানিয়েছে, সংশ্লিষ্ট শিক্ষার্থীরা যে কোর্সে অধ্যয়ন করেছেন, সেটি পোস্ট-গ্র্যাজুয়েশন ওয়ার্ক পারমিটের জন্য যোগ্য নয়। কানাডায় পিজিডব্লিউপি পাওয়ার যোগ্যতা নির্ভর করছে শিক্ষার্থীরা যে ধরনের প্রোগ্রামে অধ্যয়ন করেছেন এবং তারা কোন স্বীকৃত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে ডিগ্রি বা ডিপ্লোমা অর্জন করেছেন তার ওপর।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বৃষ্টিতে বিচ্ছিন্ন মালোপাড়া, প্রতি বছরই বাড়ে ভোগান্তি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ২৫শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০১:৫৮ পি.এম


বৃষ্টিতে বিচ্ছিন্ন মালোপাড়া, প্রতি বছরই বাড়ে ভোগান্তি

ফরিদপুরের সদরপুর উপজেলার কৃষ্ণপুর ইউনিয়নের মালোপাড়া গ্রামে সামান্য বৃষ্টিতে ভয়াবহ জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হচ্ছে। পানি নিষ্কাশনের কোন কার্যকর ব্যবস্থা না থাকার কারণে দীর্ঘ সময় ধরে বৃষ্টির পানি জমে গিয়ে শতাধিক পরিবার পানিবন্দি হয়ে পড়ছে। এর ফলে চরম দুর্ভোগসহ জনস্বাস্থ্যও হুমকির মুখে পড়েছে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, সামান্য বৃষ্টি হলে বাড়ির উঠান পানিতে ডুবে যায়। ঘর থেকে বের হয়ে হাঁটু সমান পানি পার হয়ে রাস্তায় যেতে বাধ্য হন। শিশু, নারী, বয়স্ক ও অসুস্থ ব্যক্তিরা সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগে পড়ছেন। অনেক বাড়ির আঙিনা, রান্নাঘর এবং বসতঘরের চারপাশ পানিতে ডুবন্ত অবস্থায় থাকায় তাদের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা বিঘ্নিত হচ্ছে।

মালোপাড়ার বাসিন্দা বিধান মালো (২৭) বলেন, দীর্ঘদিন ধরে জমে থাকা পানি পচে দুর্গন্ধ ছড়াচ্ছে। অনেক জায়গা এখন ভাগাড়ের মতো হয়ে গেছে। স্থির ও নোংরা পানিতে মশার প্রাদুর্ভাব বেড়ে যাওয়ার পাশাপাশি ডায়রিয়া, চর্মরোগ সহ বিভিন্ন পানিবাহিত রোগের ঝুঁকিও অনেক বৃদ্ধি পেয়েছে। শিক্ষার্থী, কর্মজীবী মানুষ এবং বয়স্কদের প্রতিদিনই চরম সংকটের সম্মুখীন হতে হচ্ছে।

আরেক বাসিন্দা তরুণ কুমার মৃধা (৪০) জানান, প্রতি বর্ষা মৌসুমে একই সমস্যা পুনরাবৃত্তি হলেও এখন পর্যন্ত স্থায়ী কোন সমাধানের উদ্যোগ নেয়া হয়নি। দ্রুত পানি নিষ্কাশনের জন্য ড্রেন নির্মাণ ও খাল-নালা সংস্কারের দাবি জানান তিনি।

কৃষ্ণপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আক্তারুজ্জামান তিতাস বলেন, মালোপাড়া গ্রামের জলাবদ্ধতা একটি দীর্ঘদিনের সমস্যা। পর্যাপ্ত পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থার অভাবে প্রতি বর্ষা মৌসুমেই এলাকাবাসী দুর্ভোগে ভুগছেন। সমস্যার স্থায়ী সমাধানে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টিতে আনা হয়েছে।

সদরপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শরীফ শাওন বলেন, পানি নিষ্কাশনের জন্য একটি ড্রেনেজ প্রকল্পের প্রস্তাব ইতোমধ্যে ডিপিপিতে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। প্রকল্পটি অনুমোদন ও বরাদ্দ পেলে চলতি অর্থবছরেই এটি বাস্তবায়নের আশা করা হচ্ছে।

স্থানীয়রা জানান, যদি দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ না করা হয় তবে আসন্ন বর্ষা মৌসুমে জলাবদ্ধতা আরও তীব্র আকার ধারণ করবে এবং জনদুর্ভোগ বহুগুণে বৃদ্ধি পাবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সাবেক রাষ্ট্রপতির বাড়িতে নতুন সাজ, চলছে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শনিবার, ২৫শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০২:০০ পি.এম


সাবেক রাষ্ট্রপতির বাড়িতে নতুন সাজ, চলছে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা

রাষ্ট্রপতির পদ থেকে মো. সাহাবুদ্দিনের পদত্যাগের পর রাজধানী গুলশানে তার ব্যক্তিগত বাসভবনে পরিচ্ছন্নতার কাজ চলছে।

বাড়ির নিচতলার বসার জায়গাটি নতুন করে রং করা হচ্ছে এবং আসবাবপত্রকে পরিষ্কার করা হচ্ছে।

বাড়ির ব্যবস্থাপনা–সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের ভাষ্য, তিনি কয়েক দিনের মধ্যেই বাসায় ফিরতে পারেন—এমন প্রস্তুতি নিয়েই কাজ চলছে। বাড়িটির পঞ্চম তলার ফ্ল্যাটটিতে মো. সাহাবুদ্দিন বসবাস করতেন।

শনিবার (২৫ জুলাই) সকালে গুলশানের ১২৩ নম্বর সড়কে অবস্থিত বাড়িটিতে গিয়ে এমন দৃশ্য দেখা যায়। বাড়ির সামনে গণমাধ্যমকর্মীদের কয়েকজন অবস্থান করছিলেন। তবে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কোনো সদস্যকে সেখানেই দেখা যায়নি। ভেতরে ভাড়াটিয়াদের গাড়ির চালকেরা গাড়ির রক্ষণাবেক্ষণের কাজ করছিলেন।

বাড়ির ব্যবস্থাপক কবির হোসেন বলেন, ‘স্যার কবে আসবেন, আমরা নিশ্চিত বলতে পারি না। তবে আমাদের সবকিছু পরিষ্কার–পরিচ্ছন্ন করে রাখতে বলা হয়েছে। সে অনুযায়ী কাজ করছি। স্যার কয়েক দিনের মধ্যেই বাসায় আসতে পারেন।’

সরেজমিনে দেখা যায়, বাড়ির নিচতলায় গাড়ি পার্কিংয়ের পাশে একটি বসার কক্ষ রয়েছে। সেখানে কিছু সোফা ও একটি টেবিল রাখা আছে, যেগুলো পলিথিন দিয়ে ঢেকে রাখা হয়েছে। কক্ষের এক পাশে রঙের কয়েকটি কৌটা দেখা যায়। দেয়ালের পুরোনো রং ঘষে তুলে নতুন রং করার প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।

কবির হোসেন বলেন, প্রথমে রং করা হবে এবং এরপর সোফাগুলো পরিষ্কার করা হবে। লোকজন আসবেন এবং বসবেন—একারণে জায়গাটি প্রস্তুত করা হচ্ছে।

শুক্রবার রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন তার পদ থেকে পদত্যাগ করেছেন। পদত্যাগের পর তিনি গুলশানের ব্যক্তিগত বাসভবনে ফিরবেন, এই বিষয়ে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের মধ্যে ধারণা রয়েছে। যদিও তিনি ঠিক কবে বাসায় ফিরবেন, এ বিষয়ে বাড়ির দায়িত্বে থাকা ব্যক্তিরা নিশ্চিত করে কিছু বলতে পারেননি।

তবে বাড়িতে চলমান পরিষ্কার–পরিচ্ছন্নতা ও সংস্কারকাজ দেখে বোঝা যায়, তার ফিরে আসার সম্ভাবনা সামনে রেখে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে। বর্তমানে বাড়ির নিচতলার বসার জায়গাটিকেই নতুন করে সাজানোর কাজ চলছে।

মেয়াদ শেষ হওয়ার প্রায় পৌনে দুই বছর আগেই রাষ্ট্রপতির পদ ছাড়লেন মো. সাহাবুদ্দিন। অসুস্থতাকে পদত্যাগের কারণ হিসেবে দেখিয়েছেন তিনি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বৃক্ষরোপণ করলেই হবে না, পাশাপাশি গাছের পরিচর্যায় গুরুত্ব দিতে হবে: ভূমিমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ২৫শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০২:০১ পি.এম


বৃক্ষরোপণ করলেই হবে না, পাশাপাশি গাছের পরিচর্যায় গুরুত্ব দিতে হবে: ভূমিমন্ত্রী

ভূমিমন্ত্রী মো. মিজানুর রহমান মিনু বলেছেন, শুধুমাত্র বৃক্ষরোপণ করলেই হবে না, বরং গাছ বেড়ে ওঠা পর্যন্ত যথাযথ যত্ন নেওয়া প্রয়োজন। তাঁর মতে, গাছ রোপন করার চেয়ে রক্ষা করা অনেক বেশি কঠিন।

‘বৃক্ষরোপণে সাজাই দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ’ এই মোতাবেক রাজশাহী বিভাগীয় বৃক্ষমেলা উদ্বোধনকালে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানটি বেলা ১১টায় নগরীর নজরুল ভিলেজে আয়োজন করা হয়।

মন্ত্রী আরও জানান, ‘বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সরকার হারানো সবুজায়ন ফিরিয়ে আনার জন্য কাজ করছে। আমি আশা করছি, এটি সম্ভব হবে। শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান পবিত্র ভূমিতে বৃক্ষরোপণ করে মুসলিম উম্মাহর মন ও প্রাণে রয়েছেন। আমাদের প্রয়াত গণতন্ত্রের মা বেগম খালেদা জিয়া ব্যাপক সবুজায়নের জন্য নানা কর্মসূচি গ্রহণ করেছিলেন। সে সময়ে রাজশাহী জাতীয় পর্যায়ে পুরস্কৃত হয়েছিল।’

তিনি আরও বলেন, আমাদের গ্রিন সিটি আরো সবুজ হতে হবে। প্রত্যেককে অন্তত একটি করে গাছ লাগাতে হবে। এজন্য সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে। নগরের খালি স্থানসহ সকল যায়গায় গাছ লাগানোর কোনো বিকল্প নেই।

মিজানুর রহমান মিনু উল্লেখ করেন, ‘আমি খুবই আনন্দিত, কারণ আমি রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের মেয়র থাকাকালীন ব্যাপক বৃক্ষরোপণ করেছি। এক সময় রাজশাহী আরও সবুজ ছিল। এখন আবার বৃক্ষরোপণ করে রাজশাহীকে সবুজ সিটি হিসেবে পরিণত করব।’

নগরের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান কর্তৃপক্ষের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, ‘আপনারা বৃক্ষরোপণ করুন। যত ধরনের সহযোগিতা প্রয়োজন, তা করা হবে।’

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক মো. মাহফুজুর রহমান রিটন, রাজশাহী রেঞ্জের ডিআইজি মো. আশিক সাইদ, রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ ফয়েজুল কবির, রাজশাহী অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার মো. হাবিবুর রহমান, রাজশাহী জেলা পরিষদের প্রশাসক এড. এরশাদ আলী ঈশা, রাজশাহী জেলা পুলিশ সুপার নাইমুল হাছান এবং রাজশাহী বিভাগীয় বন কর্মকর্তা ড. মো. জাহাঙ্গীর আলম।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন রাজশাহী জেলা প্রশাসক কাজী শহিদুল ইসলাম।

১৫ দিনব্যাপী রাজশাহী বিভাগীয় বৃক্ষমেলায় এবার ৫২টি স্টল অংশ নিচ্ছে। প্রতিদিন সকাল ৯টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত মেলা সবার জন্য উন্মুক্ত থাকবে। এর আগে একটি র‌্যালি অনুষ্ঠিত হয়। র‌্যালিটি বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে মেলার গেটের সামনে এসে শেষ হয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বন্যার আঘাতে চট্টগ্রামে প্রাণিসম্পদে বড় ক্ষতি, লোকসান ৭৭ কোটি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ২৫শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০২:০৩ পি.এম


বন্যার আঘাতে চট্টগ্রামে প্রাণিসম্পদে বড় ক্ষতি, লোকসান ৭৭ কোটি

সাম্প্রতিক বন্যায় চট্টগ্রাম বিভাগের পাঁচ জেলায় প্রাণিসম্পদ খাতে ৭৭ কোটি ১৫ লাখ ২ হাজার ২৪০ টাকার ক্ষতি হয়েছে। এতে সবচেয়ে বেশি ক্ষতি হয়েছে চট্টগ্রাম জেলায়, যেখানে প্রাণিসম্পদ খাতে ক্ষতির পরিমাণ ৬০ কোটি ৬ লাখ ৮১ হাজার ১৪০ টাকা।

বন্যায় মারা গেছে ১ লাখ ৬১ হাজার ৩৯৪টি গবাদিপশু ও হাঁস-মুরগি। এছাড়া ৩৩ লাখ ৩৩ হাজার ৬৪২টি গবাদিপশু এবং ১০ হাজার ৯৯১টি খামার ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। চট্টগ্রাম বিভাগীয় প্রাণিসম্পদ দপ্তরের সর্বশেষ প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, চট্টগ্রাম বিভাগের চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, রাঙামাটি, বান্দরবান ও খাগড়াছড়ি জেলার ৪৫টি উপজেলার ১৯১টি ইউনিয়নে এই ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।

জেলাভিত্তিক হিসাবে, কক্সবাজারের ক্ষতির পরিমাণ ১৩ কোটি ৫৩ লাখ ৯১ হাজার ১১০ টাকা, রাঙামাটির ২ কোটি ৯৯ লাখ ৮২ হাজার টাকা, খাগড়াছড়ির ৩৭ লাখ ১ হাজার টাকা এবং বান্দরবানে ১৭ লাখ ৪৭ হাজার টাকা।

বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত ১০ হাজার ৯৯১টি খামারের মধ্যে ৪ হাজার ৭৫৬টি গবাদিপশুর খামারে ১৭ কোটি ৫৫ লাখ ৭২ হাজার টাকার এবং ৬ হাজার ২৩৫টি হাঁস-মুরগির খামারে ১৯ কোটি ৭২ লাখ ৯৬ হাজার ৫০০ টাকার ক্ষতি হয়েছে।

এছাড়া, ৯১০ টন দানাদার পশুখাদ্যে ৫ কোটি ১৭ লাখ ৯২ হাজার টাকা, ১৪ হাজার ২৬৫ টন খড়ে ২১ কোটি ৫৬ লাখ ৮৫ হাজার টাকা এবং ৯ হাজার ১২৯ টন ঘাসে ৮ কোটি ২৬ লাখ ১৪ হাজার টাকার ক্ষতি হয়েছে। মৃত গবাদিপশু ও হাঁস-মুরগির আর্থিক ক্ষতির পরিমাণ ৪ কোটি ৮৫ লাখ ৪২ হাজার ৭৪০ টাকা।

শুধু চট্টগ্রাম জেলােই ১৫টি উপজেলার ১০৮টি ইউনিয়নে ৪ হাজার ২১৮টি গবাদিপশুর খামারে ১২ কোটি ৬৫ লাখ ৪০ হাজার টাকা এবং ৫ হাজার ৬৭৪টি হাঁস-মুরগির খামারে ১৭ কোটি ২ লাখ ২০ হাজার টাকার ক্ষতি হয়েছে।

এদিকে, বন্যার পানিতে চট্টগ্রামের ১ হাজার ১ একর, কক্সবাজারের ৭ হাজার ৮৪০ একর, বান্দরবানের ৫১০ একর এবং রাঙামাটির ১ হাজার ১২৯ একর চারণভূমি প্লাবিত হয়েছে।

এতে মারা গেছে ৭১টি গরু, ১৬৫টি ছাগল, ৫০টি ভেড়া, ১ লাখ ৫৮ হাজার ৬০০টি মুরগি এবং ২ হাজার ৫০৮টি হাঁস। এর মধ্যে শুধু চট্টগ্রামেই মারা গেছে ৩৯টি গরু, ৯৫টি ছাগল, ৪২টি ভেড়া, ১ লাখ ৪২ হাজার ১৩৭টি মুরগি এবং ১ হাজার ৩০০টি হাঁস।

বন্যার কারণে পাঁচ জেলায় ২ লাখ ২৩ হাজার ৩৯০টি গরু, ৪ হাজার ৭৫৫টি মহিষ, ১ লাখ ৬০ হাজার ৮৭টি ভেড়া, ২৮ লাখ ৪৫ হাজার ৮২৮টি মুরগি এবং ৭০ হাজার ৩৭০টি হাঁস অসুস্থ হয়েছে।

এ পর্যন্ত ১১ হাজার ৮৯৭টি পশু এবং ৮৪ হাজার ৬৫০টি হাঁস-মুরগিকে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি ১০ হাজার ৬৮৯টি পশু ও ১৯ হাজার ২৭টি হাঁস-মুরগিকে টিকা দেওয়া হয়েছে।

বন্যার পানিতে চট্টগ্রামের তিনটি, কক্সবাজারের একটি এবং বান্দরবানের চারটি প্রাণিসম্পদ কার্যালয়ও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

এ বিষয়ে চট্টগ্রাম বিভাগীয় প্রাণিসম্পদ দপ্তরের উপপরিচালক (ভেটেরিনারি পাবলিক হেলথ) ডা. মুহাম্মদ ইজমাল হাসান জানিয়েছেন, মাঠ পর্যায় থেকে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে প্রাথমিকভাবে ৭৭ কোটি ১৫ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতির হিসাব পাওয়া গেছে। তথ্য সংগ্রহের কাজ এখনও চলমান রয়েছে। সূত্র: বাসস

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%