০১:১০ পি.এম
একটি ভালো ছড়া শুধু শিশুদের মুখে মুখে ফিরে আসে না, কখনও কখনও এটি সমাজের চিন্তা, মূল্যবোধ ও ভবিষ্যতকেও বদলে দিতে পারে। এই বিশ্বাসকে ধারণ করেই 'ঝাল'-এর অষ্টম জাতীয় ছড়া উৎসব শুরু হলো।
শনিবার (১৮ জুলাই) বেলা ১১টায় উদ্বোধনের মধ্য দিয়ে দুই দিনব্যাপী এই উৎসবের সূচনা ঘটে। দিনটি সংগঠনটির জন্যও বিশেষ, কারণ এদিন পালিত হচ্ছে 'ঝাল'-এর ৩১তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী।
উৎসবের উদ্বোধন ঘোষণা করেন প্রখ্যাত ছড়াকার খান মোহাম্মদ খালেদ। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে দেশের বিশিষ্ট ছড়াকার, সাহিত্যিক, সাংবাদিক ও সংস্কৃতিজনদের উপস্থিতি উৎসবকে প্রাণবন্ত করে তোলে।
আরও পড়ুন: বাংলাদেশের এলডিসি উত্তরণের সময় তিন বছর পেছাল
অনুষ্ঠানের প্রধান পৃষ্ঠপোষক ও স্ট্যামফোর্ড ইউনিভার্সিটির উপাচার্য ড. শরীফ আস্-সাবের বলেন, 'একটি ছড়া সমাজকে বদলে দিতে পারে। এমন উৎসব আরও বেশি হওয়া উচিত।'
স্বাগত বক্তব্যে ‘ঝাল’-এর আহ্বায়ক নুরুজ্জামান ফিরোজ বলেন, ছড়া উৎসব 'ঝাল' ছড়ার মাধ্যমে দেশ গঠনে, জাতি গঠনে ও কোমলমতিদের মানবিক বিকাশে সহায়ক হওয়ার লক্ষ্য নিয়েই কাজ করছে। আজ 'ঝাল'-এর ৩১তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী। এই দিনটির আগে ও পরে আমরা বিশুদ্ধ সাহিত্যচর্চার মাধ্যমে এগিয়ে যেতে চাই।
উৎসবে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আব্দুল কাইয়ুম, ঢালী মোহাম্মদ দেলোয়ার, রানা জামান, কামাল হোসাইন, তরুণ ইউসুফ, নজরুল ইসলাম শান্তু, কাদের বাবু, সফিক ইসলাম, সৈয়দ আহসান কবীর, নিলুফার ইয়াসমিন রুবি, ফাতেমা সাইফুল বীনু, আতিক রহমান, আলতাফ, হোসাইন রানা, ড. শাহনাজ পারভীন, শাহ্ বোরহান মেহেদী, শাহী সবুর, হাই হাফিজ, সাহেদ বিপ্লব প্রমুখ।
আয়োজকরা জানান, শিশু-কিশোরদের সৃজনশীল বিকাশ, ভাষার সৌন্দর্যচর্চা এবং মানবিক মূল্যবোধ গঠনে ছড়ার গুরুত্ব তুলে ধরতেই প্রতিবছর জাতীয় ছড়া উৎসবের আয়োজন করে 'ঝাল'। কেবল আনুষ্ঠানিকতায় সীমাবদ্ধ না থেকে এই উৎসব নতুন প্রজন্মের হাতে ছড়ার শক্তি তুলে দেবে এবং সাহিত্যচর্চাকে আরও বিস্তৃত করবে–এমনটাই প্রত্যাশা তাদের।
আরও পড়ুন: সরকারি বাসা থেকে ভাড়াটিয়া অপসারণের জন্য ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত সময় বেঁধে দিলো সরকার
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন