শুক্রবার, ৩০শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০৩:২৯ এম
কার্লো আনচেলক্তি একটি চমকপ্রদ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছেন।
নভেম্বর মাসে জাপান ও সিঙ্গাপুরের বিপক্ষে ব্রাজিলের ম্যাচের জন্য ২৬ জনের দল ঘোষণা করেছেন ইতালিয়ান কোচ। এই দলে অনভিজ্ঞ খেলোয়াড়দের সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে বেশি। দলে অভিজ্ঞ খেলোয়াড়দের মধ্যে অ্যালিসন বেকার, এডারসন, মার্কুইনহোস, ক্যাসেমিরো, এডার মিলিতাও, লুকাস পাকুয়েতা এবং ম্যাথিয়াস কুনহার স্থান পাননি।
প্রথমবারের মতো ডাক পেয়েছেন আন্দ্রে লুইজ, মারলন গোমেস, জনাথন জেসুস, অ্যালিসন সান্তানা ও অ্যালান। তাদের মধ্যে মারলন গোমেস ব্রাজিলের অলিম্পিক দলে এবং অ্যালিসন অনূর্ধ্ব-২০ দলে খেলার অভিজ্ঞতা অর্জন করেছেন, উভয়েই শাখতার দোনেৎস্কে খেলে থাকেন। আন্দ্রে লুইজ করিন্থিয়াসে, জনাথন জেসুস ক্রুজেইরোতে এবং অ্যালান ম্যানচেস্টার সিটিতে খেলছেন।
পরিচিত খেলোয়াড়দের মধ্যে গ্যাব্রিয়েল ম্যাগালহাস, ব্রুনো গিমারায়েস, এন্দরিক, এস্তেভাও, রাফিনহা এবং ভিনিসিউস জুনিয়র রয়েছেন। বাকিদের মধ্যে কেউ জাতীয় দলের হয়ে ১৫টি ম্যাচ খেলার অভিজ্ঞতা অর্জন করেননি। কেউ একটি ম্যাচ খেলেছেন, কেউ দুটি এবং কেউ ১০টি ম্যাচ খেলেছেন।
ব্রাজিল সিঙ্গাপুরে ১৪ নভেম্বর জাপানের এবং ১৭ নভেম্বর স্বাগতিকদের মুখোমুখি হবে।
ব্রাজিল দল
গোলরক্ষক: বেন্তো, লুকাস পেরি ও মরিস্কো।
ডিফেন্ডার: আর্থুর দিয়াস, কার্লোস অগাস্তো, ডগলাস সান্তোস, গ্যাব্রিয়েল ম্যাগালহাস, জাইর কুনহা, জনাথন জেসুস, ভেন্ডারসন, ভিতর রেইস ও ওয়েসলে।
মিডফিল্ডার: আন্দ্রে লুইজ, আন্দ্রে সান্তোস, ব্রুনো গিমারায়েস, দানিলো সান্তোস, গ্যাব্রিয়েল বনটেম্পো, জোয়াও গোমেস ও মারলন গোমেস।
ফরোয়ার্ড: অ্যালিসন সান্তানা, অ্যালান, এন্দরিক, এস্তেভাও, রাফিনহা, রায়ান ও ভিনিসিউস জুনিয়র।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশের স্বল্পোন্নত দেশ (এলডিসি) থেকে উত্তরণের সময় তিন বছর পিছিয়ে গেছে। ২০২৬ সালের ২৪ নভেম্বরের পরিবর্তে বাংলাদেশের এলডিসি উত্তরণ ২০২৯ সালের নভেম্বর মাসে হবে।
জাতিসংঘের সাধারণ অধিবেশনের প্ল্যানারি মিটিংয়ে বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) রাত ১টায় এই অনুমোদন দেওয়া হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতি খলিলুর রহমান।
বৈঠকটি ইউএন ওয়েব টিভির মাধ্যমে সরাসরি সম্প্রচার করা হয়।
বৈঠকের শুরুতে, জি-৭৭–এর পক্ষে উরুগুয়ের প্রতিনিধি বাংলাদেশ ও নেপালের এলডিসি উত্তরণ তিন বছর পিছিয়ে দেওয়ার খসড়া প্রস্তাব উত্থাপন করেন। এ প্রস্তাবের বিরুদ্ধে কোনো দেশের প্রতিনিধি বিরোধিতা করেননি। ফ্রান্স, কানাডা ও আয়ারল্যান্ডের প্রতিনিধিরা, যারা ইউরোপীয় ইউনিয়নের পক্ষে বক্তব্য রাখছিলেন, বাংলাদেশ ও নেপালের এলডিসি উত্তরণের সময় পেছানোর বিষয়ে সমর্থন জানান। তবে তারা বাংলাদেশে সংস্কারের প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
জাতিসংঘের অর্থনৈতিক ও সামাজিক পরিষদ (ইকোসক) গত ২১ জুলাই এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতিকাল বাড়ানোর বাংলাদেশের অনুরোধের বিষয়ে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের কাছে সুপারিশ করে।
এর আগে, জাতিসংঘের কমিটি ফর ডেভেলপমেন্ট পলিসি (সিডিপি) বাংলাদেশের আবেদন পর্যালোচনা করে মতামত দেয় যে, বাংলাদেশ ও নেপালের প্রস্তুতিকাল বাড়ানোর অনুরোধ সাধারণ পরিষদে বিবেচনার জন্য উপস্থাপন করা উচিত। সেই সুপারিশের ভিত্তিতে ইকোসক বিষয়টি সাধারণ পরিষদে পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেয়।
আজ এলডিসি প্রস্তুতিকাল বৃদ্ধির চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
আগামী ২৪ নভেম্বর বাংলাদেশ স্বল্পোন্নত দেশের তালিকা থেকে উত্তরণের কথা ছিল। এই উত্তরণ হলে বাংলাদেশ পূর্ণাঙ্গভাবে উন্নয়নশীল দেশে পরিণত হবে।
জাতিসংঘ নিজেদের সদস্যদেশগুলোকে উন্নত ও উন্নয়নশীল দেশ—এই দুই ভাগে বিভক্ত করে। এলডিসি তালিকার দেশগুলোও উন্নয়নশীল দেশের অন্তর্ভুক্ত।
উন্নয়নশীল দেশের মধ্যে যারা কিছুটা পিছিয়ে থাকে এবং অন্য দেশের সহায়তা প্রয়োজন—এমন দেশগুলোকে এলডিসিভুক্ত করা হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
শ্রীলঙ্কা মাত্র সাত দিন আগে রাওয়ালপিন্ডিতে ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে ৪২৯ রান তাড়া করে ইতিহাস সৃষ্টি করেছিল। ত্রিদেশীয় সিরিজে আবারও এই দুই দলের মুখোমুখি হওয়ার ঘটনা ঘটেছে। ৩৮৭ রানের বিশাল লক্ষ্য তাড়ায় নেমে লঙ্কানরা প্রায় আরেকটি রূপকথার জন্ম দিতে চলেছিল। তবে শেষ মুহূর্তে চরম ব্যাটিং বিপর্যয়ের কারণে লঙ্কানদের সেই কাণ্ড ঘটানো সম্ভব হয়নি। ১৭ বলের মধ্যে শেষ ৫ উইকেট হারিয়ে ৫৫ রানে পরাজিত হয়ে ত্রিদেশীয় টুর্নামেন্টের লিগ পর্ব শেষ করল শ্রীলঙ্কা।
লাহোরে টসে হেরে প্রথমে ব্যাট করতে নেমে ইংলিশ ব্যাটাররা শুরু থেকেই লঙ্কান বোলারদের ওপর চড়াও হন। ওপেনার বেন ডাকেট একটি অনবদ্য ইনিংস উপহার দেন। ১৩২ বলে ২৪টি চারের সাহায্যে তিনি দুর্দান্ত ১৬৭ রান করেন। তার সঙ্গে উদ্বোধনী জুটিতে টম ব্যান্টন যোগ করেন ৭৪ রান। নির্ধারিত ৫০ ওভারে ৫ উইকেটে ৩৮৬ রান সংগ্রহ করে শক্তিশালী সংগ্রহ দাঁড় করায় আগেই ফাইনাল থেকে ছিটকে পড়া ইংল্যান্ড।
বিশাল লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শ্রীলঙ্কা দারুণ শুরু করে। পবন রত্নায়েকে ও অধিনায়ক কুশল মেন্ডিসের ব্যাটে ভর করে দলটি জয়ের পথে ছিল। পবন রত্নায়েকে ৭৭ বলে ১৫ চার ও ১ ছক্কায় ১১৮ রানের চমৎকার স্কোর গড়েন। এছাড়া অধিনায়ক কুশল মেন্ডিস ৭১ বলে ৮ চার ও ৫ ছক্কায় ৮৯ রানের দারুণ ইনিংস খেলেন। ৪২.২ ওভারে ৫ উইকেটে ৩১৫ রান তুলে লঙ্কানরা জয়ের সুবাস পাচ্ছিল।
জয়ের সুবাস পাওয়া ম্যাচটি থেকেই শুরু হয় অবিশ্বাস্য ব্যাটিং ধস। ৪৩তম ওভারে সাহান আরাচ্চিগের বিদায়ের পর পরের ওভারে রানআউট হন দুনিত ভেল্লালাগে। এরপর সেঞ্চুরিয়ান রত্নায়েকে ও আশিতা ফার্নান্ডোকে ফিরিয়ে জোড়া আঘাত হানেন লিয়াম ডসন। শেষ পর্যন্ত স্যাম কারেনের করা পরের ওভারের প্রথম বলে ঈশান মালিঙ্গা বোল্ড হলে ৩৩১ রানে অলআউট হয় শ্রীলঙ্কা।
শেষে ৫৫ রানের সান্ত্বনার জয় নিয়ে টুর্নামেন্ট শেষ করেছে ইংল্যান্ড। এই ম্যাচের পর আগামী শনিবার লাহোরে ত্রিদেশীয় সিরিজের ফাইনালে পাকিস্তান ও শ্রীলঙ্কা শিরোপার লড়াইয়ে মুখোমুখি হবে।
সংক্ষিপ্ত স্কোর
ইংল্যান্ড: ৩৮৬/৫, ৫০ ওভার।
শ্রীলঙ্কা: ৩৩১/১০, ৪৫.১ ওভার।
ফল: ইংল্যান্ড ৫৫ রানে জয়ী।
ম্যাচসেরা : বেন ডাকেট।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোর ১৫ মিনিটের হ্যাটট্রিক ঝড়ে আল খলুদকে পরাজিত করে আল নাসর। সৌদি প্রো লিগের এই ম্যাচে আল নাসর ৫-৩ গোলের জয় লাভ করেছে।
২৪ মিনিটে আল নাসরকে প্রথমে এগিয়ে দেন অ্যাঞ্জেলো গ্যাব্রিয়েল। ৩৮ মিনিটে সাদিও মানে গোল করেন। রোনালদোকে গোলের জন্য অপেক্ষা করতে হয় দ্বিতীয়ার্ধ পর্যন্ত, যখন খলুদ তখন ২-২ গোলে সমতা অর্জন করে।
ম্যাচের ৬৬ মিনিটে পর্তুগিজ তারকা প্রথম গোলটি করেন। তিনি জোয়াও ফেলিক্সের কাছ থেকে বল পেয়ে হেডে গোলটি করেন। ৭২ মিনিটে তার পরবর্তী গোলটিও ফেলিক্সের অ্যাসিস্টে আসে। ৮১ মিনিটে মানের অ্যাসিস্টে হ্যাটট্রিক পূর্ণ করেন রোনালদো।
এটি রোনালদোর ক্লাব ক্যারিয়ারে ৮৩৯তম গোল। তিনি জাতীয় দলের হয়ে ২৩৪ ম্যাচে ১৪৬ গোল করেছেন। এক হাজার গোলের মাইলফলকে পৌঁছাতে তার প্রয়োজন আর ১৫ গোল।
রোনালদোর হ্যাটট্রিকের ফলে আল নাসর সৌদি প্রো লিগে দ্বিতীয় স্থানে উঠে এসেছে। তারা ১১ ম্যাচে ৯ জয়, এক হার ও এক ড্র নিয়ে ২৮ পয়েন্ট সংগ্রহ করেছে। সমান পয়েন্ট থাকা সত্ত্বেও গোল ব্যবধানে এগিয়ে থাকায় শীর্ষে রয়েছে আল কাদসিয়া। খলুদ ১২ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের ১০ নম্বরে অবস্থান করছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
লিগ্যাল এইডের মাধ্যমে থানায় পাঠানো হলেও মামলা নেননি ওসি আদিল হোসেন, ধর্ষকদের পক্ষ নিয়ে বললেন দুলাভাই অর্ধেক ভাগ পায়-কান্না জড়িত কণ্ঠে ধর্ষিতার আক্ষেপ আদৌ বিচার পাবো কি?
বাকেরগঞ্জে বিয়েতে মেহেদীর রং শুকাতে না শুকাতেই ১৬-১৭ দিনের মাথায় বরিশালের বাকেরগঞ্জে এক নববধূকে (১৭) গণধর্ষণের লোমহর্ষক অভিযোগ উঠেছে। বিচার চাইতে থানায় গিয়ে দ্বিতীয়বার দুর্ব্যবহারের শিকার হলেন ওই গৃহবধূ- এবার পুলিশের কাছে। থানা অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আদিল হোসেনের বিরুদ্ধে মামলা না নিয়ে উল্টো ভিকটিমকে ভয়-ভীতি দেখানোর গুরুতর অভিযোগ উঠেছে।
ভুক্তভোগীর অভিযোগ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার পাদ্রীশিবপুর ইউনিয়নের আড়াইবেকী এলাকার ওই গৃহবধূকে গত ১৯ অক্টোবর রাতে তারই সৎ ভাসুর মোঃ ইমরান প্যাদা (৩৮) ও প্রতিবেশী চাচা শ্বশুড় রাকিব প্যাদা (২৬) কৌশলে নির্জন স্থানে নিয়ে গণধর্ষণ করে। ঘটনার পর তিনি গত ২৩ অক্টোবর বরিশাল জেলা লিগ্যাল এইড অফিসারের (সিনিয়র সহকারী জজ) কাছে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।
জেলা লিগ্যাল এইড অফিস ভিকটিমকে প্রয়োজনীয় কাগজপত্রসহ বাকেরগঞ্জ থানায় ওসির কাছে পাঠান। ভিকটিম কাগজসহ ওসি আদিলের সঙ্গে দেখা করলে তিনি মামলা গ্রহণ না করে উল্টো তাকেই (ভিকটিমকে) জেলের ভয় দেখান বলে ভিকটিমের অভিযোগ।
ধর্ষণের শিকার নববধূ ভিকটিম জানান, তার সৎ ভাসুর ইমরান প্যাদা তাকে নতুন পোশাক কিনে দেয়ার কথা বলে বাজারে নিয়ে যায়। ওইদিন বাজার থেকে রাতে বাড়ীতে ফেরার পথে তার ভাসুর ও চাচা শ্বশুড় রাকিব প্যাদা তাকে গণধর্ষণ করে।
এ ঘটনায় তিনি ২৩ অক্টোবর বরিশাল লিগাল এইড অফিসের নির্দেশে থানায় মামলা দায়ের করতে গেলে ওসি আদিল হোসেন তাদেরকে বলেন, "আপনার কোনো প্রমাণ নেই। জামাসহ গোসল করার কারণে প্রমাণ লোপাট হয়ে গেছে। ধর্ষণের ঘটনা প্রমাণ করতে না পারলে আপনারই (ভিকটিমের) সাত বছরের সাজা হবে।" এমনকি ধর্ষকদের একজন ইমরান প্যাদা তার দুলাভাই সেতো এমনিতেই শালীর অর্ধেক ভাগ বলেও ওসি তার সাথে মশকরা করেন বলেও জানান।
এদিকে এই ঘটনায় এলাকায় তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয় বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ ছাড়াও খোদ ভিকটিমের স্বামী জীবন প্যাদা, শ্বশুড় সুলতান প্যাদা ও শ্বাশুড়ী ফাতেমা বেগমও ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে ধর্ষকদের সর্বোচ্চ শাস্তির দাবী জানিয়েছেন। ভিকটিম সম্পর্কে অভিযুক্ত ইমরান প্যাদার ছোট ভাইয়ের স্ত্রী ও আপন শ্যালিকা হওয়ায় ঘটনাটি এলাকায় আরও বেশি হৃদয়বিদারক হিসেবে দেখা হচ্ছে।
এ বিষয়ে বাকেরগঞ্জ থানার ওসি আদিল হোসেন বলেন, গত দুই এক দিন আগে ভিকটিম তার স্বামী ও শ্বশুর-শ্বশুড়ীকে নিয়ে থানায় এসেছিল। ধর্ষণের কোন আলামত দেখাতে পারিনি। তবে তাদেরকে লিখিত অভিযোগ দেয়ার কথা বললে তারা কিছুক্ষণ পরে জানাবে বলে চলে যায়।
পাদ্রীশিবপুর ইউনিয়নের অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক মাসুদ হাসান নববধূকে গণধর্ষণের ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে জানান, একজন অসহায় নারী যখন বিচারের শেষ আশ্রয়স্থল হিসেবে থানায় যায়, তখন থানার ওসি যদি তাকে সুরক্ষা না দিয়ে ভয় দেখান, তাহলে রাষ্ট্রের প্রতি মানুষের আস্থা কোথায় থাকবে? একজন ধর্ষণের শিকার নারীকে থানায় ডেকে এভাবে ভয় দেখানো শুধু অমানবিকই নয়, চরম পৈশাচিকতা ও ক্ষমতার অপব্যবহার।
এই ঘটনায় বাকেরগঞ্জের সচেতন নাগরিক সমাজ ও মানবাধিকার কর্মীরা তীব্র নিন্দা জানিয়ে অবিলম্বে ওসি আদিল হোসেনের বিরুদ্ধে বিভাগীয় তদন্ত, প্রত্যাহার এবং ভিকটিমের মামলা দ্রুত গ্রহণ করে সুষ্ঠু তদন্তের দাবি জানিয়েছেন। ভিকটিম বর্তমানে চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন।
পুলিশ সুপার এ জেড এম মোস্তাফিজুর রহমান জানান, গণধর্ষণের ঘটনায় ওসির মামলা না নেয়ার কোনো সুযোগ নেই। তিনি যদি মামলা না নিয়ে ধর্ষিতাকে উল্টো ভয় দেখিয়ে থাকেন তদন্ত করে ওসির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে বলেও তিনি জানান।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ