রবিবার, ২০ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৬:২৮ পি.এম
ইংল্যান্ডের প্রধান ফুটবল কোচ টমাস টুখেল ইংলিশ ফুটবল সংস্কৃতির পরিচিত গতিশীলতা ও রোমাঞ্চকে কাজে লাগানোর ইঙ্গিত দিয়েছেন। ম্যাচ নিয়ন্ত্রণের সনাতন চিন্তাভাবনা থেকে কিছুটা সরে এসে তিনি ২০২৬ সালের জুলাইয়ে অনুষ্ঠিত বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনার কাছে সেমিফাইনালে হারের পর নতুন কৌশলগত ভাবনার কথা প্রকাশ করেন। উয়েফা নেশনস লিগের দল ঘোষণার সময় তিনি জানান, ম্যাচে শতভাগ নিয়ন্ত্রণ ধরে রাখার পরিবর্তে ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগের আগ্রাসী ও গতিময় ধারাকে ধরে রাখাই এখন তার মূল লক্ষ্য।
বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে আর্জেন্টিনার বিপক্ষে চাপের মুখে ইংল্যান্ডের ভেঙে পড়ার ঘটনা স্মরণ করে টুখেল বলেন, "১০ মিনিটের জন্য হলেও স্পেনের মতো খেলতে পারত। খুশি হতাম।" এর মাধ্যমে তিনি ফাইনালে বলের ওপর বিশ্ব চ্যাম্পিয়নদের নিয়ন্ত্রণ এবং স্বাচ্ছন্দ্যের ক্ষমতার দিকে ইঙ্গিত করেছেন। খবর দ্য গার্ডিয়ান।
তিনি আরও বলেন, "ম্যাচে দলের ওপর নিয়ন্ত্রণহীনতা সহজে মেনে নেওয়া যায় না।"
ভারতকে হটিয়ে টি-টোয়েন্টি র্যাংকিংয়ের শীর্ষে ইংল্যান্ড। আসন্ন আন্তর্জাতিক উইন্ডোতে স্পেন চেক প্রজাতন্ত্র এবং ক্রোয়েশিয়ার বিরুদ্ধে আসন্ন নেশনস লিগের ম্যাচে মুখোমুখি হবে। আন্তর্জাতিক সূচির প্রসঙ্গ তুলে টুখেল বলেন, ইংলিশ ফুটবল সংস্কৃতির চিরচেনা গতি ও রোমাঞ্চকে তিনি আপন করে নিতে চান। তবে ইংল্যান্ডের কত শতাংশ খেলোয়াড় প্রিমিয়ার লিগে গতির সাথে পরিচিত, এটাই তাকে দ্বিধায় ফেলে দেয়। তিনি যোগ করেন, কীভাবে এবং কখন ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিতে হবে, কারণ তিনি এখানে সবচেয়ে বেশি চাপের মুহূর্তগুলোর কথা বলছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রবিবার সকালে রাজশাহী পুলিশ সুপার কার্যালয়ের কনফারেন্সরুমে পুলিশ সুপার মোঃ মামুন অর রশিদ উদ্ধারকৃত ৫৬টি মোবাইল ফোন প্রকৃত মালিকদের কাছে ফিরিয়ে দেন।
এ সময় রাজশাহীর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস্) এ.টি.এম. মাইনুল ইসলাম এবং অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ডিএসবি) সাবিনা ইয়াসমিনসহ জেলা পুলিশের ঊধ্বর্তন কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।
রাজশাহী জেলার ৮টি থানায় হারানো ফোনের জন্য ৫৬ জন ব্যক্তি বিভিন্ন সময়ে সাধারণ ডায়েরি করেছেন। এই প্রেক্ষিতে পুলিশ সুপার কার্যালয়ের আইসিটি শাখা ৫৬টি মোবাইল ফোন উদ্ধার করে।
পুলিশ সুপার মোঃ মামুন অর রশিদ বলেন, "প্রকৃত মালিকের কাছে উদ্ধারকৃত ফোন ফিরিয়ে দিতে পেরে আমরা আনন্দিত। আমি মনে করি, এই সাফল্যের পরিধি আগামীতে আরও বিস্তৃত হবে।"
হারানো ফোন ফিরে পেয়ে মোবাইল ফোনের মালিকগণ অত্যন্ত খুশি। তাঁরা রাজশাহী জেলা পুলিশের এই ভালো কাজের প্রশংসা করেন। তাঁরা বিশ্বাস করেন যে রাজশাহী জেলা পুলিশ ভবিষ্যতেও জনগণের পাশে থেকে নিরবচ্ছিন্নভাবে সেবা প্রদান করে যাবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জেলা প্রশাসক সরকারি নির্দেশনা অনুসারে বিদ্যুৎ সাশ্রয়ে সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোতে সৌরবিদ্যুৎ ব্যবস্থার সম্প্রসারণের গুরুত্ব তুলে ধরে বলেছেন, যেসব সরকারি প্রতিষ্ঠানের ছাদ এক হাজার বর্গফুট বা তার বেশি এবং ভবনগুলো আগামী ২০ বছর ব্যবহারের উপযোগী, সেসব প্রতিষ্ঠানে সোলার প্যানেল স্থাপনের উদ্যোগ গ্রহণ করা উচিত।
খুলনা জেলা উন্নয়ন সমন্বয় কমিটির সভা রবিবার সকালে জেলা প্রশাসকের সম্মেলনকক্ষে অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে সভাপতিত্ব করেন জেলা প্রশাসক হুরে জান্নাত।
সভায় দাকোপ উপজেলার পানখালী ইউনিয়নকে দেশের অন্যতম এসডিজি ভিলেজ (টেকসই উন্নয়ন গ্রাম) হিসেবে ঘোষণা করার পাশাপাশি কার্যক্রম শুরু করার বিষয়টি আলোচনা করা হয়। জেলা প্রশাসক জানান, পানখালী গ্রামকে টেকসই ও উন্নয়নবান্ধব হিসেবে গড়ে তুলতে সংশ্লিষ্ট সব সরকারি দপ্তরের সমন্বিত অংশগ্রহণ অপরিহার্য।
তিনি উল্লেখ করেন, বর্তমানে ডেঙ্গু প্রতিরোধ একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। স্কুল-কলেজসহ প্রতিটি সরকারি দপ্তরের আশপাশে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা আবশ্যক। একই সঙ্গে ডেঙ্গুর বিস্তার রোধে নিয়মিতভাবে মশার প্রজননস্থল ধ্বংস এবং জনসচেতনতামূলক কার্যক্রম জোরদার করার প্রয়োজনীয়তা রয়েছে।
সভায় ডেপুটি সিভিল সার্জন ডা. মো. শওকত আলী জানান, গত ২৪ ঘণ্টায় খুলনায় ডেঙ্গুতে ১৬০ জন আক্রান্ত হয়েছেন। বর্তমানে বিভিন্ন হাসপাতালে ৬৯৬ জন ডেঙ্গু রোগী ভর্তি রয়েছেন। এ পর্যন্ত জেলার বিভিন্ন হাসপাতালে মোট প্রায় দুই হাজার ডেঙ্গু রোগী ভর্তি হয়েছে। ডেঙ্গু প্রতিরোধে সরকারি দপ্তরগুলোর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সচেতনতামূলক প্রচারণা আরও জোরদার করার আহ্বান জানান তিনি।
সভায় জানানো হয়, আগামী ২৬ সেপ্টেম্বর থেকে হাম-রুবেলা টিকাদান কার্যক্রম শুরু হবে। সিটি কর্পোরেশন ও উপজেলার আওতাধীন ৬ মাস থেকে ৫৯ মাস বয়সী সব শিশুকে এ টিকা প্রদান করা হবে। এছাড়া ডেপুটি সিভিল সার্জন জানান, দাকোপের পানখালী গ্রামে বিশেষ মেডিকেল টিমের মাধ্যমে সাধারণ চিকিৎসাসেবা ও ওষুধ সরবরাহ কার্যক্রম চলমান রয়েছে।
সভায় জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের স্থানীয় সরকার বিভাগের উপপরিচালক মো. আরিফুল ইসলাম, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) বিতান কুমার মণ্ডল, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাগণ, বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তাগণ এবং জেলা উন্নয়ন সমন্বয় কমিটির সদস্যগণ উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ওয়াশিংটন-ভিত্তিক থিংক-ট্যাঙ্ক ‘পুলিশ এক্সিকিউটিভ রিসার্চ ফোরাম’-এর একটি প্রতিবেদন অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্রের শহর ও জনপদগুলোর জন্য ক্রমবর্ধমান হুমকি সৃষ্টি করছে দ্রুত অগ্রসরমান কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রযুক্তি এবং সস্তা অথচ আরও বিধ্বংসী ড্রোনের সংমিশ্রণ।
এ প্রতিবেদনটি ‘একটি স্পষ্ট ও বর্তমান বিপদ’ শিরোনামে প্রকাশিত হয়েছে এবং এটি ড্রোন থেকে সৃষ্ট ক্রমবর্ধমান হুমকি সম্পর্কে সংস্থাটির দেয়া প্রথম সতর্কবার্তা নয়। যদিও যুক্তরাষ্ট্রের অভ্যন্তরে ড্রোন দিয়ে বড় কোনো হামলার ঘটনা প্রকাশ্যে আসেনি, প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে যে, সস্তা ড্রোনের সহজলভ্যতা বিশৃঙ্খলা ও ব্যাপক প্রাণহানি ঘটানোর সক্ষমতা নাটকীয়ভাবে বাড়িয়ে দিয়েছে, বিশেষ করে যখন এগুলোর সাথে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ব্যবহার করা হয়।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রে ব্যবহৃত অধিকাংশ ড্রোনই বাণিজ্যিক ও বেসামরিক কাজে ব্যবহৃত হয় এবং এগুলো ফেডারেল এখতিয়ারভুক্ত। আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর উচিত এ প্রযুক্তির ঝুঁকিগুলোকে যথাযথ গুরুত্ব ও জরুরি বিষয় হিসেবে দেখা, যেমনটি ১১ সেপ্টেম্বরের হামলার আগে সন্ত্রাসবাদের হুমকির ক্ষেত্রে ফেডারেল তদন্তকারীদের দেয়া উচিত ছিল।
সংস্থাটির সংগৃহীত তথ্য অনুযায়ী, খেলার দিনগুলোতে ফুটবল স্টেডিয়ামের ওপর দিয়ে অননুমোদিত ড্রোন উড়ে যাওয়ার ঘটনা ঘটছে, যা জননিরাপত্তার ক্ষেত্রে বিষয়টিকে কতটা গুরুতর করে তুলেছে তা স্পষ্ট করে। প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, নিউ ইয়র্ক শহরে প্রতি মাসে প্রায় ২৩ হাজার অবৈধ ড্রোন উড্ডয়নের খবর পাওয়া যায়। এছাড়া, এ গ্রীষ্মে বিশ্বকাপ চলাকালে যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন স্থানে খেলার মাঠের কাছাকাছি এলাকা থেকে শত শত ড্রোন জব্দ করা হয়েছে।
প্রতিবেদনে সংস্থাটির নির্বাহী পরিচালক চাক ওয়েক্সলার লিখেছেন, ‘পঁচিশ বছর আগে, কল্পনাশক্তির অভাব বা দূরদর্শিতার অভাবে আমাদের জাতিকে চরম মূল্য দিতে হয়েছিল। আমরা আর সেই একই ভুল করার ঝুঁকি নিতে পারি না’।
দেশজুড়ে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা এবং পরিবেশ ও নিরাপত্তার ওপর এর সম্ভাব্য ঝুঁকি নিয়ে উদ্বেগ তীব্র আকার ধারণ করেছে। বিশ্বজুড়ে যুদ্ধে ড্রোনের ক্রমবর্ধমান ব্যবহার এবং এআই প্রযুক্তির ব্যাপক প্রসারের ফলে ‘স্বয়ংক্রিয় অস্ত্র’-এর বিষয়টি আবারও আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে এসেছে।
চলতি বছরের শুরুর দিকে ইউক্রেনীয় কর্মকর্তারা জানিয়েছেন যে, একটি রুশ ড্রোন কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তায় পরিচালিত হয়ে দেয়ালের সাথে ধাক্কা খেয়ে বিস্ফোরিত হওয়ার সময় তিনজনকে হত্যা করে। ইউক্রেনীয় কর্মকর্তাদের মতে, রাশিয়া তখন স্বয়ংক্রিয়ভাবে লক্ষ্যবস্তু শনাক্তকারী এআই সিস্টেমের পরীক্ষা চালাচ্ছিল। ইরানের সাথে সংঘাতের সময়, মার্কিন সেনাবাহিনী ইরানের নিজস্ব ‘শাহেদ’ ড্রোন বহরের মোকাবিলায় স্বল্পমূল্যের ড্রোন তৈরি ও মোতায়েন করেছিল।
গত জুন মাসে ফেডারেল কর্মকর্তারা জানান যে, হোয়াইট হাউসের লনে আয়োজিত ‘আল্টিমেট ফাইটিং চ্যাম্পিয়নশিপ’ ম্যাচগুলোতে হামলার একটি ষড়যন্ত্র তারা নস্যাৎ করেছেন। অভিযোগনামা অনুযায়ী, এ ষড়যন্ত্রে বিস্ফোরক-বোঝাই ড্রোন ও রাইফেলের ব্যবহারের পরিকল্পনা ছিল।
নিউ ইয়র্ক পুলিশ বিভাগের কমিশনার জেসিকা টিশ ড্রোনের ব্যাপক বিস্তারের বিষয়ে কথা বলেছেন; একসময় ড্রোন কেবল সামরিক বাহিনীর ব্যবহারের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকলেও এখন তা সাধারণ মানুষের হাতের নাগালে চলে এসেছে।
মে মাসে বিশ্বকাপ আয়োজনের প্রস্তুতির সময় এক সংবাদ সম্মেলনে মিস টিশ বলেন, ‘যদি কোনো একটি হুমকি আমাকে রাতে দুশ্চিন্তায় ফেলে রাখে, তবে তা হলো ড্রোন। বাণিজ্যিক ড্রোনগুলোকে সহজেই যুদ্ধের অস্ত্রে রূপান্তর করা সম্ভব। নিউ ইয়র্ক শহরের জন্য এই বাস্তবতাটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ’।
গত মাসে ‘ইউএস ওপেন’ চলাকালীন মিস টিশ ঘোষণা করেন, শহরের বড় কোনো অনুষ্ঠানের সময় অননুমোদিত ড্রোন ভূপাতিত করার জন্য নিউ ইয়র্ক পুলিশ বিভাগ এখন ফেডারেল কর্তৃপক্ষের অনুমোদন পেয়েছে।
ডিসেম্বরে কংগ্রেস কর্তৃক পাস হওয়া ‘সেফার স্কাইজ অ্যাক্ট’-এর আওতায় এ ক্ষমতা প্রদান করা হয়েছে; এ আইনের মাধ্যমে স্থানীয় প্রশাসনকে জননিরাপত্তার জন্য হুমকি হয়ে ওঠা ড্রোন অকার্যকর ও ভূপাতিত করার অনুমতি দেয়া হয়েছে।
মি. ওয়েক্সলার জানান, এ নীতি পরিবর্তনের আগে স্থানীয় আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কাছে প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ বা সরঞ্জাম ছিল না এবং তাদের ফেডারেল কর্মকর্তাদের ওপর নির্ভর করতে হতো। তিনি আরো বলেন, এ নীতি পরিবর্তন স্থানীয় আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ মোড়। প্রতিবেদন অনুযায়ী, সারা দেশের কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণের জন্য ফেডারেল ব্যুরো অফ ইনভেস্টিগেশন (এফবিআই) আলাবামার হান্টসভিল-এ ‘ন্যাশনাল কাউন্টার-ইউএএস ট্রেনিং সেন্টার’ চালু করেছে।
২০১৯ সালে ‘পুলিশ এক্সিকিউটিভ রিসার্চ ফোরাম’-এর প্রথম ড্রোনবিষয়ক প্রতিবেদন প্রকাশের পর থেকে সংস্থাটি বেসরকারি নিরাপত্তা সংস্থার কর্মকর্তা, স্থানীয় আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রধান এবং ইউক্রেনের কিয়েভ অঞ্চলের ডেপুটি চিফসহ ফেডারেল কর্মকর্তাদের সাথে বিভিন্ন বৈঠক করেছে।
এফবিআই-এর সন্ত্রাসবাদ-বিরোধী বিভাগের সাবেক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ক্রিস্টোফার ও’লিয়ারি বলেছেন যে, যুক্তরাষ্ট্রে সন্ত্রাসীদের ড্রোন প্রযুক্তির ব্যবহারের ক্ষেত্রে এক ‘উদ্বেগজনক সম্ভাবনা’ রয়েছে এবং এটি মোকাবিলায় ‘আমাদের সক্ষমতা সীমিত’।
তিনি বলেন, ‘ড্রোন প্রযুক্তির বিবর্তন, এর ব্যাপক উপস্থিতি এবং সহজে সংগ্রহযোগ্য হওয়ার কারণে যে কেউ এটি হাতে পেতে পারে; এমনকি নিজেদের প্রয়োজন অনুযায়ী এতে পরিবর্তন বা পরিবর্ধনও করতে পারে’।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রে জননিরাপত্তার কাজে ব্যবহৃত অধিকাংশ ড্রোনই চীনে তৈরি, যা এ প্রযুক্তিকে জাতীয় নিরাপত্তার জন্য হুমকিস্বরূপ করে তুলেছে। ফেডারেল কমিউনিকেশনস কমিশন গত বছর বিদেশে তৈরি কিছু নতুন ড্রোন বিক্রি নিষিদ্ধ করেছিল; তবে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে যে, ‘নামসর্বস্ব বা শেল কোম্পানির নামে বিক্রি হওয়া রিব্র্যান্ডেড পণ্যের’ মাধ্যমে এ প্রযুক্তি যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ অব্যাহত রয়েছে।
ইউনিভার্সিটি অফ টেনেসির পুলিশ বিভাগের প্রধান শন প্যাটারসন জানান, গত বছর মিস্টার ওয়েক্সলারের সাথে ইউক্রেন সফরের পর ড্রোন সম্পর্কে তার চিন্তাধারায় পরিবর্তন এসেছে। এনওয়াইপিডি-তে ২২ বছর দায়িত্ব পালনকারী এবং ২০০১ সালের ১১ সেপ্টেম্বরের সময় নবীন পুলিশ কর্মকর্তা হিসেবে কর্মরত চিফ প্যাটারসন বলেন, তিনি ‘সন্ত্রাসী সংগঠনগুলোর ধ্বংসাত্মক ও প্রাণঘাতী ক্ষমতা সরাসরি দেখেছেন’। তিনি আরো বলেন, ইউক্রেন সফরের সময় তিনি দেখেছেন যে, ক্ষতিকর উদ্দেশ্যে এ প্রযুক্তি ব্যবহার করা কতটা সহজ হতে পারে।
তিনি বলেন, ‘বড় ধরনের জনসমাগমস্থল বা ভেন্যু রয়েছে এমন এলাকার পুলিশ প্রধানরা যদি বিষয়টি নিয়ে এখনো চিন্তা না করে থাকেন, তবে তাদের এখনই এ নিয়ে ভাবা উচিত’। তিনি উল্লেখ করেন যে, তার ক্ষেত্রে ইউনিভার্সিটি অফ টেনেসির ক্যাম্পাসে ফুটবল খেলা দেখতেই ১ লাখ ৩ হাজারের বেশি মানুষ সমবেত হন।
সূত্র : দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগ ফাতেহা-ই ইয়াজদাহম উপলক্ষে পূর্বে নির্ধারিত ছুটির তারিখে পরিবর্তন এনেছে।
রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) বিকেলে মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে এই তথ্য প্রকাশিত হয়েছে।
প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে, ইসলামিক ফাউন্ডেশনের সিদ্ধান্তের আলোকে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের ২০ মে জারিকৃত প্রজ্ঞাপনটি আংশিকভাবে সংশোধন করা হয়েছে। ২০২৬ শিক্ষাবর্ষের ছুটির তালিকায় পবিত্র ফাতেহা-ই-ইয়াজদাহম তারিখ পরিবর্তন করে ২৩ সেপ্টেম্বর নির্ধারণ করা হয়েছে।
প্রকাশিত বাৎসরিক ছুটির তালিকার তথ্য অনুযায়ী, ফাতেহা-ই-ইয়াজদাহম উপলক্ষে ছুটি ছিল ২৪ সেপ্টেম্বর। তবে দিবসটি ২৩ সেপ্টেম্বর পড়ায়, ছুটির তারিখ একদিন এগিয়ে ২৩ সেপ্টেম্বর করা হয়েছে।
ফাতেহা-ই-ইয়াজদাহম উপলক্ষে দেশের সকল প্রাথমিক বিদ্যালয়, সরকারি ও বেসরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়, কলেজ, মাদরাসা এবং কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ছুটি থাকে। তবে বিশ্ববিদ্যালয়ে এই ছুটি প্রশাসনিক সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভর করে। সাধারণত, দিবসটির আগে বিশ্ববিদ্যালয় ছুটি থাকলে নোটিশ প্রদান করা হয়।
ফাতেহা-ই-ইয়াজদাহম কী
‘ইয়াজদাহম’ একটি ফারসি শব্দ, যার অর্থ এগারো। ‘ফাতেহা-ই-ইয়াজদাহম’ এর অর্থ ১১তম দিনের ফাতিহা বা ফাতেহা শরিফ। প্রতি হিজরি সনের রবিউস সানি মাসের ১১ তারিখে এই দিবসটি পালন করা হয়।
এটি বড়পির হজরত আবদুল কাদির জিলানির (রহ.) ওফাত দিবস হিসেবে পালিত হয়। তিনি হিজরি ৫৬১ সনের ১১ রবিউস সানি তারিখে ইন্তেকাল করেন। দক্ষিণ এশিয়ায় সুফিবাদের প্রসারে তার অবদান ব্যাপক। এই দিবসটিকে অনেক সময় ‘গেয়ারভি শরিফ’ নামেও অভিহিত করা হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ