বুধবার, ৯ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৯:১৩ এম
তিব্বতে ৫ দশমিক ৩ মাত্রার একটি শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে। ইউরোপীয়-ভূমধ্যসাগরীয় ভূকম্পন কেন্দ্র (ইএমএসসি) জানাচ্ছে, ভূমিকম্পের কম্পন নেপালেও অনুভূত হয়েছে। কয়েক দিন আগে নেপাল-তিব্বত সীমান্তের বিভিন্ন এলাকায় ভয়াবহ বন্যার ফলে ব্যাপক ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছিল অঞ্চলটি, এবং এখন আবারও দুর্যোগের মুখোমুখি হলো।
মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) হিন্দুস্তান টাইমস এ তথ্য প্রকাশ করেছে।
প্রতিবেদনে ইএমএসসি উল্লেখ করেছে, ভূমিকম্পটির গভীরতা ছিল ৩৫ কিলোমিটার। ভারতের ন্যাশনাল সেন্টার ফর সিসমোলজি (এনসিএস) ভূমিকম্পটির মাত্রা ৫.০ বলে জানিয়েছে। তবে ভূমিকম্পের পর তাৎক্ষণিকভাবে কোনো মৃত্যুর ঘটনা, আহত বা উল্লেখযোগ্য ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি।
মার্কিন ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা (ইউএসজিএস) জানাচ্ছে, গত বৃহস্পতিবার তিব্বতে ৫ দশমিক ১ মাত্রার আরেকটি ভূমিকম্প হয়েছিল। রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ওই ভূমিকম্পটির উৎপত্তিস্থল ছিল সমুদ্রপৃষ্ঠের ১০ কিলোমিটার গভীরে।
এদিকে, মঙ্গলবার নেপালের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ২৬ আগস্টের ভয়াবহ বন্যায় দেশটিতে মৃতের সংখ্যা বেড়ে এক হাজার ৩৫৭ জনে দাঁড়িয়েছে। বর্তমানে ৫ হাজার ৩২৬ জন নিখোঁজ রয়েছেন। চীনের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম জানাচ্ছে, তিব্বতে ৪৩ জনের মৃত্যু হয়েছে এবং ৫১৯ জন এখনো নিখোঁজ। এর ফলে, নেপাল ও তিব্বতে সম্মিলিত মৃতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে এক হাজার ৪০০ এবং নিখোঁজের সংখ্যা ৫ হাজার ৮৪৫।
নেপালের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে তথ্য সংগ্রহ করে নিখোঁজের সংখ্যা নিশ্চিত করার কাজ করছে দেশটির কর্তৃপক্ষ। চীন-নেপাল সীমান্তের কাছে হিমবাহ ও পাহাড় ধসে সড়ক, সেতু ও ঘরবাড়ি ধ্বংস হওয়ার পর নেপালে উদ্ধার অভিযান ১৪তম দিনে প্রবেশ করেছে।
নিখোঁজদের মধ্যে শতশত জলবিদ্যুৎকেন্দ্রের কর্মীও রয়েছেন। এর মধ্যে শুক্রবার গভীর টানেলের ভেতর আটকে থাকা দুই নেপালিকে এবং শনিবার একজন চীনা নাগরিককে উদ্ধার করা হয়েছে। এই উদ্ধার কার্যক্রমে আরও জীবিত মানুষ উদ্ধারের আশা তৈরি হয়েছে। হিমবাহ ধসের সঠিক কারণ এখনো জানা যায়নি। তবে বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, বিশ্বজুড়ে জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে হিমবাহ দ্রুত গলে যাওয়ায় এ ধরনের দুর্যোগের ঝুঁকি বেড়ে যাচ্ছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বিশ্ববাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম টানা চতুর্থ দিনের মতো বৃদ্ধি পেয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হওয়ায় ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ব্যারেলপ্রতি ১০০ ডলারের কাছাকাছি পৌঁছেছে।
কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার একটি প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে যে, গ্রিনিচ মান সময় বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) রাত ১২টা ১ মিনিটে ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ১ দশমিক ৫৭ ডলার বা ১ দশমিক ৬ শতাংশ বেড়ে ব্যারেলপ্রতি ৯৯ দশমিক ৪৯ ডলারে দাঁড়িয়েছে।
অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট (ডব্লিউটিআই) ক্রুডের দাম ১ দশমিক ৬০ ডলার বা ১ দশমিক ৭২ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। ফলে, প্রতি ব্যারেল ডব্লিউটিআই তেলের দাম বর্তমানে ৯৪ দশমিক ৬৩ ডলারে পৌঁছেছে।
ইরান উপসাগরীয় অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক স্থাপনা ও সম্পদের উপর নতুন হামলার পর তেলের বাজারে এই ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা দেখা যাচ্ছে। ওয়াশিংটন এবং তেহরানের মধ্যে চলমান যুদ্ধ ইতোমধ্যে মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়ছে।
গত ছয় মাসের যুদ্ধের স্থায়ী সমাধানের সম্ভাবনা ক্রমাগত কমে আসছে এবং নতুন সংঘাতের তীব্রতা বৃদ্ধি পাওয়ায় তেলের সরবরাহ নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে। এই পরিস্থিতির প্রভাব আন্তর্জাতিক বাজারেও পড়েছে।
আগস্টের শুরু থেকে এখন পর্যন্ত ব্রেন্ট ক্রুডের দাম প্রায় ২৫ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। বর্তমান পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে তেলের দাম দ্রুতই ব্যারেলপ্রতি ১০০ ডলারের মাইলফলক অতিক্রম করতে পারে বলে বাজারে উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) দাবি করেছে যে, হরমুজ প্রণালিতে দুটি মার্কিন জাহাজ এবং আটটি তেলবাহী ট্যাংকারে হামলা চালানো হয়েছে। এই তথ্যটি ইরানের আধা-সরকারি সংবাদ সংস্থা তাসনিমের একটি প্রতিবেদনে আইআরজিসির উদ্ধৃতি দিয়ে জানানো হয়েছে।
আইআরজিসির বিবৃতিতে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের হামলার ফলে পাঁচটি ইরানি তেলবাহী ট্যাংকার ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এর প্রতিশোধ হিসেবে, তাদের নৌবাহিনী হরমুজ প্রণালিতে ওই মার্কিন জাহাজগুলোতে পাল্টা হামলা চালায়।
এছাড়া, আইআরজিসি আরও দাবি করেছে যে, তারা ১০টি ‘নিয়ম লঙ্ঘনকারী জাহাজ’কে লক্ষ্যবস্তু করেছে। তাদের অভিযোগ, এসব জাহাজ যুক্তরাষ্ট্রের প্ররোচনা ও সহযোগিতায় হরমুজ প্রণালির একটি ‘নিষিদ্ধ ও অনিরাপদ এলাকায়’ প্রবেশের চেষ্টা করছিল।
আইআরজিসি আরও জানায়, হরমুজ প্রণালি এখনো তাদের ‘শক্তিশালী ও কর্তৃত্বপূর্ণ নজরদারি ও ব্যবস্থাপনার’ আওতায় রয়েছে।
তবে, হামলার এই দাবিগুলোর স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সিঙ্গাপুরের প্রধানমন্ত্রী লরেন্স ওং রাজনৈতিক নেতা ও মন্ত্রীদের বেতন বৃদ্ধির ঘোষণা দিয়েছেন। মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) পার্লামেন্টে তিনি নতুন বেতন কাঠামোর অধীনে মন্ত্রীদের বেতন ৬০ শতাংশেরও বেশি বাড়ানোর কথা জানান। এই পদক্ষেপের ফলে সিঙ্গাপুরের নেতাদের অবস্থান বিশ্বের সবচেয়ে বেশি বেতন পাওয়া মন্ত্রীদের তালিকায় আরও শক্তিশালী হবে।
ওং জানিয়েছেন, প্রধানমন্ত্রীর বার্ষিক বেঞ্চমার্ক বেতন ২২ লাখ সিঙ্গাপুর ডলার থেকে বেড়ে ৩৬ লাখ সিঙ্গাপুর ডলার হবে। অর্থাৎ, প্রায় ১৪ লাখ সিঙ্গাপুর ডলার বৃদ্ধি পাচ্ছে।
উপপ্রধানমন্ত্রীর বেঞ্চমার্ক বেতন ১৮ লাখ ৭০ হাজার থেকে বেড়ে ৩০ লাখ ৬০ হাজার সিঙ্গাপুর ডলার হবে। মন্ত্রীরা দায়িত্ব ও জ্যেষ্ঠতার ভিত্তিতে বছরে ১৮ লাখ থেকে ২৮ লাখ ৮০ হাজার সিঙ্গাপুর ডলার পর্যন্ত বেতন পাবেন।
তবে প্রধানমন্ত্রী ওং জানিয়েছেন, তার বর্তমান মেয়াদে বেতন বাড়ানোর ফলে যে অতিরিক্ত অর্থ তিনি পাবেন, সেটি পুরোপুরি ‘উপযুক্ত জনকল্যাণমূলক কাজে’ দান করবেন।
সিঙ্গাপুরে রাজনৈতিক নেতাদের উচ্চ বেতন দেওয়ার পক্ষে সরকারের যুক্তি হলো—এটি মেধাবী ও দক্ষ ব্যক্তিদের রাজনীতিতে আকৃষ্ট করতে এবং ভালো শাসন নিশ্চিত করতে সহায়তা করে। তবে সাধারণ নাগরিকদের তুলনায় মন্ত্রীদের আয়ের বিশাল পার্থক্যের কারণে বিষয়টি দেশটিতে বেশ সংবেদনশীল হয়ে উঠেছে।
ওং বলেন, রাজনৈতিক নেতাদের বেতন একটি ‘কঠিন ও আবেগপূর্ণ বিষয়’। অধিকাংশ নাগরিকের আয়ের তুলনায় এই বেতন অনেক বেশি হওয়ায় মানুষ বিষয়টি গভীরভাবে পর্যালোচনা করেন—এটি তিনি বুঝতে পারেন।
তবে তার মতে, মূল প্রশ্ন হলো—আগামী কয়েক দশকে দেশকে এগিয়ে নিতে সিঙ্গাপুর প্রয়োজনীয় মানের রাজনৈতিক নেতৃত্ব ধরে রাখতে পারবে কি না।
ওং বলেন, ‘ভালো সরকার নির্ভর করে ভালো নেতৃত্বের ওপর।’
প্রায় ১৫ বছর পর সিঙ্গাপুরে মন্ত্রীদের বেতন কাঠামোতে বড় ধরনের পরিবর্তন আনা হচ্ছে। দেশটি বিশ্বের সবচেয়ে কম দুর্নীতিগ্রস্ত দেশগুলোর একটি হিসেবে নিয়মিত বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সূচকে স্থান পায়।
প্রধানমন্ত্রী জানান, একটি স্বাধীন কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতেই নতুন বেতন কাঠামো নির্ধারণ করা হয়েছে। তবে বর্তমান মন্ত্রী ও অন্যান্য পদধারীদের একবারে নতুন বেতন কাঠামোয় নেওয়া হবে না।
আগামী ১৫ অক্টোবর থেকে তাদের ব্যক্তিগত পরিস্থিতি ও কর্মদক্ষতার ভিত্তিতে সর্বোচ্চ ৯ শতাংশ পর্যন্ত এককালীন বেতন সমন্বয় করা হবে। ভবিষ্যতে বেতন পরিবর্তনের ক্ষেত্রেও ব্যক্তির কর্মদক্ষতা ও দায়িত্বের পরিমাণ বিবেচনা করা হবে।
তথ্যসূত্র: এনডিটিভি
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মানুষ নানা প্রয়োজনে দোকানপাট ও মার্কেটে যাতায়াত করে। কিন্তু যদি তীব্র যানজট অতিক্রম করে গিয়ে দেখা যায় যে সমস্ত দোকানপাট বন্ধ, তাহলে সব কিছু বিফলে যাবে।
এজন্য, চলুন জেনে নেওয়া যাক বুধবার রাজধানীর কোন কোন এলাকায় দোকানপাট ও মার্কেট বন্ধ থাকবে।
যেসব এলাকার দোকানপাট বন্ধ
বসুন্ধরা আবাসিক এলাকা, মধ্য ও উত্তর বাড্ডা, জগন্নাথপুর, বারিধারা, সাঁতারকুল, শাহজাদপুর, নিকুঞ্জ-১, ২, কুড়িল, খিলক্ষেত, উত্তরখান, দক্ষিণখান, জোয়ার সাহারা, আশকোনা, বিমানবন্দর সড়ক ও উত্তরা থেকে টঙ্গী সেতু।
যেসব মার্কেট বন্ধ থাকবে
যমুনা ফিউচার পার্ক, নুরুনবী সুপার মার্কেট, পাবলিক ওয়ার্কস সেন্টার, ইউনিটি প্লাজা, ইউনাইটেড প্লাজা, কুশল সেন্টার, এবি সুপার মার্কেট, আমির কমপ্লেক্স, মাসকট প্লাজা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ