মঙ্গলবার, ১৩ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০১:৫২ পি.এম
ঢাকা, ১৩ অক্টোবর, ২০২৬ : চট্টগ্রাম বিভাগের কিছু অঞ্চলে এবং খুলনা, বরিশাল ও সিলেট বিভাগের দু’এক স্থানে অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়ার সাথে হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। দেশের অন্যান্য স্থানে অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশের মধ্যে আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকতে পারে।
এছাড়া, সারাদেশে দিন ও রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকার সম্ভাবনা রয়েছে।
আজ সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘন্টার আবহাওয়ার পূর্বাভাসে এই তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে।
আবহাওয়ার সিনপটিক অবস্থা সম্পর্কে জানানো হয়েছে যে, লঘুচাপের বর্ধিতাংশ উত্তর বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে। দক্ষিণ-পূর্ব বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন এলাকায় আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে একটি নতুন লঘুচাপ সৃষ্টি হতে পারে।
গতকাল দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা সন্দ্বীপে ৩৬.১ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছিল।
আজ দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা তেঁতুলিয়ায় ১৯.৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস হিসেবে রেকর্ড করা হয়েছে।
আজ ঢাকায় বাতাসের গতিবেগ দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পশ্চিম দিক থেকে ঘণ্টায় ৮ থেকে ১২ কি. মি. ছিল। ভোর ৬টায় বাতাসের আপেক্ষিক আর্দ্রতা ৮৫ শতাংশ ছিল।
আজ ভোর ৬টা পর্যন্ত গত ২৪ ঘণ্টায় দেশের কোথাও কোনো বৃষ্টিপাত হয়নি।
ঢাকায় আজ সূর্যাস্ত সন্ধ্যা ৫টা ৩৫ মিনিটে এবং আগামীকাল সূর্যোদয় ভোর ৫টা ৫৫ মিনিটে ঘটবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ) চলতি অর্থবছরে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির পূর্বাভাস উল্লেখযোগ্যভাবে কমিয়ে ৩ দশমিক ২ শতাংশ নির্ধারণ করেছে। একই সময়ে বৈশ্বিক মূল্যস্ফীতি বেড়ে ৪ দশমিক ৭ শতাংশে পৌঁছানোর আশঙ্কা করেছে সংস্থাটি।
সম্প্রতি আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) অক্টোবর ২০২৬-এর ‘ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক আউটলুক’ প্রতিবেদনে বিশ্ব অর্থনীতির এমন চিত্র তুলে ধরা হয়েছে।
‘রেজিলিয়েন্স আন্ডার স্ট্রেইন, আর্জেন্ট চয়েসেস’ শীর্ষক প্রতিবেদনে সংস্থাটি জানিয়েছে, ২০২৬ সালে বিশ্ব অর্থনীতির প্রবৃদ্ধি ৩ দশমিক ১ শতাংশ হতে পারে। পরবর্তী বছর অর্থাৎ ২০২৭ সালে প্রবৃদ্ধি কিছুটা বেড়ে ৩ দশমিক ৪ শতাংশে পৌঁছাতে পারে। অন্যদিকে, চলতি বছরে বৈশ্বিক মূল্যস্ফীতি ৪ দশমিক ৭ শতাংশে দাঁড়ানোর আশঙ্কা রয়েছে। ২০২৭ সালে তা কমে ৪ দশমিক ১ শতাংশে নামতে পারে বলে পূর্বাভাস দিয়েছে সংস্থাটি।
আইএমএফের মূল্যায়নে দেখা যাচ্ছে, একের পর এক অর্থনৈতিক ধাক্কা সামলেও বিশ্ব অর্থনীতি এগিয়ে যাচ্ছে। তবে এই সক্ষমতা সব দেশের মধ্যে সমানভাবে বণ্টিত নয়। প্রযুক্তি খাতে বিনিয়োগের সুবিধা পাওয়া দেশগুলো তুলনামূলক ভালো অবস্থানে থাকলেও জ্বালানি আমদানির ওপর নির্ভরশীল এবং প্রযুক্তি খাতের সঙ্গে কম সম্পৃক্ত দেশগুলো বেশি চাপের মুখে পড়ছে। ফলে বৈশ্বিক অর্থনীতির সামগ্রিক প্রবৃদ্ধি বজায় থাকলেও বিভিন্ন দেশের অর্থনৈতিক পরিস্থিতির মধ্যে বৈষম্য আরও স্পষ্ট হয়ে উঠতে পারে।
মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতের প্রভাব বিশ্ব অর্থনীতিতে এখনো পুরোপুরি প্রতিফলিত হয়নি বলে মনে করছে আইএমএফ। বিকল্প উৎস থেকে জ্বালানি সংগ্রহ, সরবরাহব্যবস্থায় পরিবর্তন, মজুত ব্যবহার এবং জ্বালানির দক্ষ ব্যবহার পরিস্থিতি সামাল দিতে সহায়তা করেছে। পাশাপাশি এআই প্রযুক্তিতে বড় অঙ্কের বিনিয়োগ অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে গতি ধরে রাখতে ভূমিকা রাখছে। এসব কারণে বৈশ্বিক অর্থনীতি তাৎক্ষণিকভাবে আরও বড় ধাক্কার মুখে পড়া থেকে কিছুটা সুরক্ষা পেয়েছে।
তবে এই পরিস্থিতি দীর্ঘদিন ধরে বজায় রাখা সম্ভব হবে কি না, তা নিয়ে উদ্বেগ রয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত দীর্ঘস্থায়ী হলে অথবা জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থায় নতুন করে বিঘ্ন ঘটলে জ্বালানির দাম বেড়ে যেতে পারে। এর প্রভাব শুধু জ্বালানির বাজারেই সীমাবদ্ধ থাকবে না, বরং উৎপাদন ব্যয়, আমদানি ব্যয় এবং সরকারের ব্যয়ের ওপরও চাপ তৈরি করবে। জ্বালানির দাম বৃদ্ধির কারণে পণ্য ও সেবা উৎপাদন ব্যয়বহুল হয়ে উঠলে মূল্যস্ফীতির চাপও বাড়তে পারে।
আইএমএফের প্রতিবেদনে বিশেষভাবে বলা হয়েছে, যেসব দেশ জ্বালানি আমদানির ওপর নির্ভরশীল, অথচ প্রযুক্তি খাতে তাদের উল্লেখযোগ্য অংশগ্রহণ নেই, সেসব দেশ সবচেয়ে কঠিন পরিস্থিতির মুখে পড়তে পারে। জ্বালানি আমদানিতে বেশি অর্থ ব্যয় করতে হলে এসব দেশের বৈদেশিক লেনদেনের ভারসাম্য ও বিনিময় হারের ওপর চাপ বাড়বে। একই সঙ্গে আমদানি ব্যয় বেড়ে যাওয়ার কারণে মানুষের প্রকৃত আয় কমে যেতে পারে। সরকারের রাজস্ব ও আর্থিক সক্ষমতা সীমিত থাকলে সাধারণ মানুষের ওপর বাড়তি ব্যয়ের চাপ সামাল দিতে প্রয়োজনীয় সহায়তা দেওয়াও কঠিন হয়ে উঠবে।
নিম্ন আয়ের এবং অর্থনৈতিকভাবে ঝুঁকিপূর্ণ দেশগুলোর জন্য পরিস্থিতি আরও জটিল হতে পারে। জ্বালানি ও খাদ্যের দাম বেড়ে গেলে এসব দেশে জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধি পাবে। একই সঙ্গে অর্থনীতির বিভিন্ন খাতে উৎপাদন ব্যয় বাড়ার আশঙ্কা থাকবে। ফলে একদিকে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ধরে রাখার চ্যালেঞ্জ তৈরি হবে, অন্যদিকে সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতা ও জীবনযাত্রার ওপর চাপ বাড়তে পারে।
বিশ্ব অর্থনীতির ঝুঁকি বৃদ্ধির অন্যতম কারণ হিসেবে মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতকে চিহ্নিত করেছে আইএমএফ। সংঘাত দীর্ঘায়িত হলে অথবা নতুন করে তীব্র আকার ধারণ করলে জ্বালানি ও খাদ্যের দাম দীর্ঘ সময় ধরে উচ্চ পর্যায়ে থাকতে পারে। এর ফলে মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ কঠিন হয়ে উঠবে। একই সঙ্গে সরকারি বাজেট এবং বৈদেশিক লেনদেনের ভারসাম্য রক্ষা করাও অনেক দেশের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াবে।
জ্বালানি অবকাঠামোয় হামলা, সাইবার আক্রমণ এবং চরম আবহাওয়ার মতো ঘটনাও বৈশ্বিক অর্থনীতির ঝুঁকি বাড়াতে পারে। সরবরাহব্যবস্থায় বাস্তব বিঘ্ন ঘটলে পণ্য উৎপাদন ও পরিবহনে ব্যয় বাড়বে। এর প্রভাব বাজারদরে পড়তে পারে এবং পণ্যের দাম বাড়লে মূল্যস্ফীতির চাপ দীর্ঘস্থায়ী হওয়ার আশঙ্কা থাকবে।
এদিকে আন্তর্জাতিক বাণিজ্যেও অনিশ্চয়তা বাড়ছে। বিভিন্ন দেশের মধ্যে বাণিজ্য বিরোধ, শুল্ক বৃদ্ধি এবং উৎপাদনব্যবস্থায় পরিবর্তন বিশ্ব বাণিজ্যের প্রবৃদ্ধিকে বাধাগ্রস্ত করছে।
আইএমএফের পূর্বাভাস অনুযায়ী, ২০২৬ সালে বিশ্ব বাণিজ্যের প্রবৃদ্ধি ধীর হতে পারে। ২০২৭ সালে পরিস্থিতি স্থিতিশীল হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে বাণিজ্য উত্তেজনা অব্যাহত থাকলে অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড ও সরবরাহব্যবস্থার ওপর চাপ আরও বাড়তে পারে।
সরকারি ঋণের ক্রমবর্ধমান চাপও বিশ্ব অর্থনীতির জন্য বড় উদ্বেগের বিষয় হয়ে উঠেছে। বড় অর্থনীতিগুলোতে ঋণের ব্যয় বাড়ছে। পাশাপাশি বয়স্ক জনগোষ্ঠীর জন্য ব্যয়, জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলা এবং জাতীয় নিরাপত্তার মতো খাতে সরকারের অর্থের চাহিদা বৃদ্ধি পাচ্ছে। ফলে নতুন কোনো সংকট দেখা দিলে তা মোকাবিলায় সরকারের হাতে থাকা আর্থিক সুযোগ সীমিত হয়ে আসছে। ঋণের ব্যয় ও অন্যান্য সরকারি ব্যয়ের চাপ বাড়তে থাকলে অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখা আরও কঠিন হতে পারে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক ব্যবসা-বাণিজ্য ক্রমাগত বিস্তৃত হচ্ছে, যা বিশ্ব অর্থনীতির সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলছে। বিভিন্ন দেশের মুদ্রার বিনিময় হার ওঠানামা করছে, যা এই বর্ধিত বাণিজ্যিক লেনদেনকে সচল রাখতে সহায়তা করছে।
গত কয়েক দিন ধরে ডলারের দাম বৃদ্ধি পাচ্ছে এবং টাকার মান কমছে, যদিও বাজারে বৈদেশিক মুদ্রার চাহিদা অনুযায়ী জোগান রয়েছে। কেন্দ্রীয় ও বাণিজ্যিক ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, চলতি মাসের শুরুতে ডলারের দাম ছিল ১২২ টাকা ৭০ পয়সা, যা বর্তমানে বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১২৩ টাকা ৩০ পয়সায়।
বাংলাদেশ ব্যাংক এবং দেশের বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর তথ্য অনুযায়ী আজকের (১৩ অক্টোবর ২০২৬) সর্বনিম্ন মুদ্রা বিনিময় হারের একটি সার্বিক চিত্র নিচে তুলে ধরা হলো—
মুদ্রার নাম বাংলাদেশি টাকা
ইউএস ডলার : ১২৩ টাকা ৩০ পয়সা
ইউরো : ১৩৭ টাকা ৫১ পয়সা
পাউন্ড : ১৬২ টাকা ৮৩ পয়সা
কানাডিয়ান ডলার : ৮৬ টাকা ৩২ পয়সা
অস্ট্রেলিয়ান ডলার : ৮৫ টাকা ৮০ পয়সা
চায়নিজ ইয়েন : ১৮ টাকা ৪১ পয়সা
সিঙ্গাপুরি ডলার : ৯৬ টাকা ২৬ পয়সা
ভারতীয় রুপি : ১ টাকা ২৮ পয়সা
মালয়েশিয়ান রিঙ্গিত : ৩০ টাকা ১৮ পয়সা
সৌদি রিয়াল : ৩২ টাকা ৮৩ পয়সা
কাতারি রিয়াল : ৩৩ টাকা ৬৮ পয়সা
কুয়েতি দিনার : ৩৯৫ টাকা ৯৮ পয়সা
আরব আমিরাতের দিরহাম : ৩৩ টাকা ৫৮ পয়সা
*মুদ্রার বিনিময় হার পরিবর্তন হতে পারে।
আর্থিক খাতের বিশ্লেষকদের মতে, কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কঠোর মনিটরিং এবং প্রবাস আয়ের (রেমিট্যান্স) প্রবাহ ইতিবাচক থাকায় খোলাবাজার ও অফিশিয়াল রেটের মধ্যকার ব্যবধান অনেকটাই কমে এসেছে। আমদানিকারক ও সাধারণ ব্যবসায়ীদের জন্য এটি কিছুটা স্বস্তিদায়ক।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
‘ঘর থেকে শুরু করি, দুর্যোগ সহনশীল দেশ গড়ি’ এই প্রতিপাদ্য নিয়ে নেত্রকোনার কলমাকান্দায় আন্তর্জাতিক দুর্যোগ প্রশমন দিবস-২০২৬ পালিত হয়েছে।
মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) সকাল ১০টায় উপজেলা পরিষদ প্রাঙ্গণে উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে দিবসটি উপলক্ষে র্যালি, আলোচনা সভা এবং ভূমিকম্প ও অগ্নিকাণ্ড বিষয়ক মহড়া অনুষ্ঠিত হয়।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এন. এম. আব্দুল্লাহ আল মামুনের সভাপতিত্বে এবং উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো. মমিনুল ইসলামের সঞ্চালনায় এসব কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. শামছুজ্জামান আসিফ, উপজেলা বিএনপির সভাপতি এম এ খায়ের, ইউপি চেয়ারম্যান মো. সাইদুর রহমান ভূঁইয়া ও মো. ওবায়দুল হক, সমাজসেবক মো. মজিবুর রহমান, ফায়ার সার্ভিসের ওয়্যারহাউস ইন্সপেক্টর আরিফুল ইসলাম, এনজিও সিএনআরএসের প্রতিনিধি মো. নজরুল ইসলাম এবং কারিতাসের প্রতিনিধি সূচনা রুরাম সহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার প্রতিনিধিরা।
কর্মসূচিতে দুর্যোগের ঝুঁকি হ্রাস, জানমালের ক্ষয়ক্ষতি কমানো এবং দুর্যোগ মোকাবিলায় আগাম প্রস্তুতি ও জনসচেতনতা বৃদ্ধির ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়। বিশেষ করে ভূমিকম্প ও অগ্নিকাণ্ডের সময় করণীয় সম্পর্কে বাস্তব ধারণা দিতে মহড়া আয়োজন করা হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
চাঁপাইনবাবগঞ্জ পৌরসভার প্রান্তিকপাড়া এলাকা থেকে ৫০ পিস ইয়াবাসহ স্বামী ও স্ত্রীকে আটক করেছে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর (ডিএনসি), জেলা কার্যালয়।
আজ মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর ২০২৬) সকাল ১১:৩০ থেকে ১২:০০ ঘটিকার মধ্যে ডিএনসির একটি আভিযানিক দল চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর মডেল থানাধীন রেলবাগান প্রান্তিকপাড়া গ্রামে এ অভিযান পরিচালনা করে।
গ্রেফতারকৃতরা হলেন—রেলবাগান প্রান্তিকপাড়া এলাকার মোঃ আনোয়ার হোসেনের ছেলে মোঃ রুবেল (৪৪) এবং তার স্ত্রী মোসাঃ নাসিমা বেগম (৪১)।
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে ৫০ পিস ইয়াবাসহ তাদের হাতেনাতে আটক করা হয়।
ঘটনায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের পরিদর্শক মোঃ রফিকুল ইসলাম বাদী হয়ে গ্রেফতারকৃত আসামীদের বিরুদ্ধে চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর মডেল থানায় একটি নিয়মিত মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া সম্পন্ন করছেন।
ডিএনসি চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা কার্যালয়ের উপ-পরিচালক (ডিডি) চৌধুরী ইমরুল হাসান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ