বৃহস্পতিবার, ৩০শে জুলাই, ২০২৬ ইং
০২:২৫ পি.এম
বাংলাদেশে এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকের (এডিবি) নতুন কান্ট্রি ডিরেক্টর হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন চিংফেং ঝাং। আজ ঢাকায় আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন তিনি, এ সম্পর্কে এডিবির এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে যে, চিংফেং ঝাং বাংলাদেশে সংস্থাটির অন্যতম বৃহৎ দেশভিত্তিক কার্যক্রম পরিচালনার দায়িত্ব পালন করবেন। এ সময় তিনি বাংলাদেশ সরকারের সঙ্গে এডিবির দীর্ঘদিনের অংশীদারিত্বকে আরও জোরদার করবেন, সংশ্লিষ্ট অংশীজনের সঙ্গে কৌশলগত নীতিসংলাপ করবেন এবং বাংলাদেশের জন্য এডিবির পরবর্তী কান্ট্রি পার্টনারশিপ স্ট্র্যাটেজি (সিপিএস) প্রণয়নে নেতৃত্ব দেবেন।
নতুন দায়িত্ব গ্রহণ প্রসঙ্গে ঝাং বলেছেন, বাংলাদেশের উন্নয়নের একটি গুরুত্বপূর্ণ সময়ের মধ্যে এডিবির কান্ট্রি ডিরেক্টর হিসেবে কাজ করার সুযোগ পাওয়া অত্যন্ত সম্মানের বিষয়। গত কয়েক দশকে, বাংলাদেশ স্থিতিশীলতা ও উল্লেখযোগ্য অর্থনৈতিক অগ্রগতি অর্জন করেছে।
তিনি আরও বলেছেন, এডিবি উদ্ভাবনী অর্থায়ন, জ্ঞানভিত্তিক সমাধান এবং বড় ধরনের বিনিয়োগের মাধ্যমে মানসম্মত কর্মসংস্থান সৃষ্টি, সক্ষমতা বৃদ্ধি, বেসরকারি খাতের নেতৃত্বে প্রবৃদ্ধি ত্বরান্বিত এবং আঞ্চলিক সহযোগিতা জোরদারের লক্ষ্যে সরকার ও উন্নয়ন সহযোগীদের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
এডিবি জানাচ্ছে, টেকসই উন্নয়ন খাতে চিংফেং ঝাংয়ের ৩০ বছরেরও বেশি পেশাগত অভিজ্ঞতা রয়েছে। এর মধ্যে, তিনি ২০ বছরেরও বেশি সময় এডিবিতে দায়িত্ব পালন করেছেন। কৃষি, খাদ্যব্যবস্থা, পানিসম্পদ, পরিবেশ, প্রাকৃতিক সম্পদ ও গ্রামীণ উন্নয়ন খাতে তিনি বিভিন্ন রূপান্তরমূলক কর্মসূচি এবং কৌশলগত উদ্যোগে নেতৃত্ব দিয়েছেন। সরকার, উন্নয়ন সহযোগী, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও বেসরকারি খাতের সঙ্গে কার্যকর অংশীদারিত্ব গড়ে তোলার ক্ষেত্রেও তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন।
বাংলাদেশে দায়িত্ব পাওয়ার আগে, চিংফেং ঝাং এডিবির অ্যাগ্রিকালচার, ফুড, নেচার অ্যান্ড রুরাল ডেভেলপমেন্ট সেক্টর অফিসের সিনিয়র ডিরেক্টর হিসেবে কর্মরত ছিলেন। ওই দায়িত্বে তিনি এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে টেকসই ও স্থিতিশীল উন্নয়ন এগিয়ে নিতে এডিবির কৌশলগত কার্যক্রমে নেতৃত্ব দিয়েছেন।
চীনের নাগরিক চিংফেং ঝাং সিংহুয়া বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এনভায়রনমেন্টাল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে ডক্টরেট, সিচুয়ান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পানি সম্পদ ব্যবস্থাপনায় স্নাতকোত্তর এবং হাইড্রোলজিতে স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেছেন। তিনি হার্ভার্ড বিজনেস স্কুলে বিশেষায়িত পেশাগত শিক্ষা গ্রহণ করেছেন। এছাড়া, তিনি হার্ভার্ড বিজনেস স্কুল থেকে এক্সিকিউটিভ এডুকেশন সম্পন্ন করেছেন।
বাংলাদেশ ১৯৭৩ সালে এডিবির সদস্য পদ লাভ করে। বর্তমানে ২০২৬ সালের জুলাই পর্যন্ত বাংলাদেশে এডিবির চলমান সরকারি ও বেসরকারি খাতের পোর্টফোলিওর পরিমাণ প্রায় ১২.৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার, যা বাংলাদেশকে এডিবির অন্যতম বৃহৎ কান্ট্রি প্রোগ্রামে পরিণত করেছে।
এডিবি দেশের উন্নয়নে এ পর্যন্ত মোট প্রায় ৪৩ বিলিয়ন ডলার ঋণ ও অনুদান দিয়েছে। আগামী কয়েক বছরে, বাংলাদেশ টেকসই প্রবৃদ্ধি অর্জন, প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবিলায় সক্ষমতা বৃদ্ধি, আঞ্চলিক সংযোগ উন্নত করা এবং জীবনযাত্রার মান বাড়াতে এডিবি বার্ষিক প্রায় ২.৪ বিলিয়ন ডলার ঋণ দেওয়ার পরিকল্পনা করছে।
এডিবি, এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে টেকসই, অন্তর্ভুক্তিমূলক এবং স্থিতিশীল প্রবৃদ্ধি অর্জনে সহায়তা প্রদানকারী একটি শীর্ষস্থানীয় বহুপাক্ষিক উন্নয়ন ব্যাংক। ১৯৬৬ সালে প্রতিষ্ঠিত এডিবির বর্তমান সদস্য সংখ্যা ৬৯, যার মধ্যে ৫০টি এই অঞ্চলের।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
যশোরে ছিনতাইকালে স্থানীয়দের ধাওয়ার মুখে ভৈরব নদীতে লাফ দিয়েও উদ্ধার হওয়া এক যুবকের শেষ রক্ষা হয়নি। নদী থেকে তাকে ধরে তুলে ধারালো চাকুসহ পুলিশের কাছে সোপর্দ করেন স্থানীয় লোকজন। এই ঘটনায় তার এক সহযোগী পালিয়ে গেলেও আটক যুবকের বিরুদ্ধে দ্রুত বিচার আইনে মামলার প্রস্তুতি চলছে।
বুধবার (২৯ জুলাই) রাত ১০টার দিকে প্রতিক্রিয়া হিসাবে ঘটনাটি ঘটে। আটক যুবকের নাম হাসিব, তার বাসস্থান বেজপাড়া তালতলা এলাকায়।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানাচ্ছেন, হাসিব ও তার এক সহযোগী শহরের দড়াটানা মোড় সংলগ্ন ভৈরব পার্কের অঙ্গীকারে একটি মাঠা ব্যবসায়ীর টাকা ছিনতাইয়ের চেষ্টা করছিল। বিষয়টি আশপাশের লোকজনের নজরে আসতেই তারা ওই দুই যুবককে ধাওয়া করেন। ধাওয়ার মুখে হাসিব ভৈরব নদীতে ঝাঁপ দেন।
এ সময় স্থানীয় যুবকদের সহায়তায় তাকে নদী থেকে ধরে নিয়ে আসা হয়। পরে আটক হাসিবের কাছ থেকে একটি ধারালো চাকু উদ্ধার করে পুলিশে সোপর্দ করা হয়।
ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী হিসেবে বেজপাড়া এলাকার বাসিন্দা তানভীর ইসলাম বলেন, পালানোর জন্য ওই যুবক চাকুসহ ভৈরব নদীতে লাফ দেয়। পরে আমরা তাকে আটক করে পুলিশের হাতে তুলে দিই। তবে তার আরেক সহযোগী পালিয়ে যায়।
পুরাতন কসবা পুলিশ ফাঁড়ির এসআই আবু বক্কার বলেন, দড়াটানা ভৈরব পার্কের পাশে নোয়াখালীর এক মাঠা বিক্রেতার গলায় চাকু ঠেকিয়ে টাকা ছিনতাইয়ের প্রয়াস চালাচ্ছিল দুই যুবক। ঠিক তখনই আশপাশের লোকজন বিষয়টি দেখে তাদের ধাওয়া করে। হাসিব পালানোর চেষ্টা করে ব্যর্থ হয়ে যায়। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে তাকে চাকুসহ গ্রেপ্তার করে।
যশোর কোতোয়ালি থানার পরিদর্শক (তদন্ত) কাজী বাবুল হোসেন জানিয়েছেন, আটক হাসিব বর্তমানে থানার হেফাজতে রয়েছে এবং তার বিরুদ্ধে দ্রুত বিচার আইনে মামলার প্রস্তুতি চলছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ছোট ফেনী নদীর অব্যাহত ভাঙনের কারণে সোনাগাজীর চরদরবেশ ইউনিয়নের নদী তীরবর্তী এলাকার বাসিন্দারা দিশেহারা হয়ে পড়েছেন। প্রতিদিন তাদের ফসলি জমি ও বসতবাড়ি নদীগর্ভে বিলীন হচ্ছে। ভাঙনের এই ভয়াবহতা থেকে এলাকা রক্ষার দাবিতে নদীভাঙন কবলিত এলাকাবাসী মানববন্ধন করেছেন।
বুধবার (২৯ জুলাই) বিকেলে চরদরবেশ ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের উত্তর চরদরবেশে, ইতালি মার্কেটের দক্ষিণ পাশে বায়তুন নুর জামে মসজিদের পশ্চিম ও দক্ষিণ অংশে, দুলা হাজী বাড়ির দরজা থেকে তালতলী পর্যন্ত নদী ভাঙন রোধে এই মানববন্ধনের আয়োজন করা হয়। মানববন্ধনের আয়োজন করেছে ইতালি মার্কেট একতা যুব সংঘ ও নদীভাঙন কবলিত এলাকার বাসিন্দারা।
মানববন্ধনে নদীতীরবর্তী শত শত নারী-পুরুষ অংশগ্রহণ করেন। তারা দীর্ঘ সারিতে দাঁড়িয়ে নদীভাঙনে তাদের দুর্দশার চিত্র তুলে ধরেন এবং দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের দাবি জানান।
অংশগ্রহণকারীদের হাতে থাকা ব্যানারে ভাঙন প্রতিরোধের দাবি এবং ক্ষতিগ্রস্তদের সুরক্ষায় জরুরি ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান জানানো হয়।
বক্তারা জানান, মুছাপুর রেগুলেটরটি ভেঙে যাওয়ার পর থেকে ছোট ফেনী নদীর ভয়াবহ ভাঙন ইতোমধ্যে দাগনভুইয়া, সোনাগাজী ও কোম্পানিগঞ্জ উপজেলার মানচিত্র পালটে দিতে শুরু করেছে। এই ভাঙনে শত শত বিঘা আবাদি জমি নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে। অনেক ঘরবাড়ি ইতোমধ্যে নদীতে চলে গেছে। অনেক পরিবার তাদের বসতভিটা হারানোর শঙ্কায় দিন কাটাচ্ছে। ভাঙনের গতি অব্যাহত থাকলে চরদরবেশ ইউনিয়নের বিস্তীর্ণ এলাকা অস্তিত্ব সংকটে পড়বে বলেও বক্তারা আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন।
এলাকাবাসীরা অবিলম্বে ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় জিওব্যাগ ফেলে ভাঙন প্রতিরোধ এবং নদীর বাঁকা অংশ ড্রেজিংয়ের মাধ্যমে সোজা করে স্থায়ী নদীশাসন প্রকল্প বাস্তবায়নের দাবি তুলেছেন। অন্যথায় তারা সতর্ক করেন, পুরো চরদরবেশ ইউনিয়নের একটি বড় অংশ ভবিষ্যতে মানচিত্র থেকে হারিয়ে যেতে পারে।
মানববন্ধনে বক্তব্য দেন চরদরবেশ ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান আবুল কালাম আজাদ, উপজেলা বিএনপি নেতা সেলিম রেজা, চরদরবেশ ইউনিয়ন ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক নুর আলম রিয়াদ, সাবেক ইউপি সদস্য আবুল কাশেম, স্থানীয় মাহবুবুল হক, সফি উল্লাহ, মো. ইয়াসিন ও আব্দুর রহিমসহ নদীভাঙনে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকার বাসিন্দারা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জেলা সদরের উপজেলা মোড়ে অবস্থিত ‘লেডি জোন বিউটি পার্লার’-এ বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগে ১০ হাজার টাকা জরিমানা ধার্য করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত।
গতকাল বুধবার নিয়মিত ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনার অংশ হিসেবে অভিযান চলাকালীন দেখা গেছে, প্রতিষ্ঠানটির ট্রেড লাইসেন্স আপডেট করা হয়নি।
এছাড়া একাধিক পণ্যের মেয়াদোত্তীর্ণের তারিখ উল্লেখ নেই এবং কিছু পণ্য মেয়াদোত্তীর্ণ হয়ে বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে প্রদর্শিত হতে দেখা যায়।
এসব অপরাধের জন্য ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন, ২০০৯-এর সংশ্লিষ্ট ধারায় দায়ের করা একটি মামলায় এই প্রতিষ্ঠানটিকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। জরিমানার পুরো অর্থ তাৎক্ষণিকভাবে আদায় করা হয়েছে।
মামলার প্রসিকিউশন পরিচালনা করেন এসআই মো. মান্নান। অভিযানের শেষে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে মানবিক আচরণের ভিত্তিতে প্রচলিত আইন ও বিধিবিধান সম্পর্কে অবহিত করা হয় এবং এ ধরনের অনিয়ম থেকে বিরত থাকার জন্য সতর্ক করা হয়।
ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন নরসিংদীর সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সাদিয়া চৌধুরী।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাশিয়ার হামলা প্রতিহত করার প্রক্রিয়ায় ইউক্রেনের একটি এফ-১৬ যুদ্ধবিমান বিধ্বস্ত হয়েছে। রাশিয়ার ছোড়া লক্ষ্যবস্তু ধাওয়া করার সময় ফ্রন্টলাইনে মিশন চালানোর মধ্যে বিমানে হঠাৎ যান্ত্রিক ত্রুটি ঘটেছে।
বুধবার ইউক্রেনের বিমানবাহিনী এ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছে।
যুদ্ধবিমানটি রাশিয়ার করা আকাশপথের হামলা ও লক্ষ্যবস্তু চিহ্নিত করে ধ্বংসের মিশনে নিয়োজিত ছিল। অনলাইন সংবাদমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ানের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, স্থানীয় সময় বুধবার ইউক্রেনের বিমানবাহিনী জানিয়েছে, সম্মুখ যুদ্ধে একটি এফ-১৬ যুদ্ধবিমান বিধ্বস্ত হয়েছে। পাইলট জরুরি ব্যবস্থা নিয়ে বিমান থেকে বের হয়ে আসেন।
তাকে নিরাপদে উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য নেওয়া হয়েছে এবং বর্তমানে তার শারীরিক অবস্থা শঙ্কামুক্ত উল্লেখ করা হয়েছে।
দুর্ঘটনাস্থলে ইউক্রেনের বিশেষজ্ঞ টিম এবং আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীর সদস্যরা পৌঁছেছেন। বিমানটিতে কোন ধরনের কারিগরি সমস্যা ঘটেছিল তা জানতে কর্তৃপক্ষ তদন্ত শুরু করেছে।
দুর্ঘটনায় কোনো সাধারণ মানুষ হতাহত হননি এবং কোনো স্থাপনার ক্ষয়ক্ষতিও হয়নি বলে জানা গেছে।
ইউক্রেন নেদারল্যান্ডস, ডেনমার্ক সহ ন্যাটোর কয়েকটি পশ্চিমা মিত্র দেশের কাছ থেকে এফ-১৬ যুদ্ধবিমান পেয়েছে। রাশিয়ার ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা প্রতিহত করতে এসব যুদ্ধবিমান গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। চল ongoing war মধ্যে একটি এফ-১৬ হারানো ইউক্রেনের জন্য নতুন উদ্বেগ সৃষ্টি করতে পারে বলে বিশ্লেষকদের ধারণা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ