বৃহস্পতিবার, ৩০শে জুলাই, ২০২৬ ইং
০৭:১৪ পি.এম
আগষ্ট মাসে সমস্ত প্রকারের জ্বালানি তেলের দাম অপরিবর্তিত রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। ফলে আগামী মাসে জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধি পাচ্ছে না।
বৃহস্পতিবার রাতের দিকে বিদ্যুৎ জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয় থেকে একটি বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে দাম নির্ধারণের তথ্য জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে, ডিজেল, কেরোসিন, অকটেন ও পেট্রলের সর্বশেষ নির্ধারিত খুচরা মূল্য বজায় থাকবে। ফলে নতুন মাস আগস্টজুড়ে ডিজেলের দাম প্রতি লিটার ১১৫ টাকায়, কেরোসিন ১৩৫ টাকায়, অকটেন ১৪৫ টাকায় এবং পেট্রল ১৪০ টাকায় বিক্রি হবে।
এর আগে, গত ৩০ জুন বিদ্যুৎ জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয় থেকে একটি বিজ্ঞপ্তিতে দেশের বাজারে জ্বালানি তেলের মূল্য সমন্বয় করা হয়েছিল। সেসময়ও দেশের বাজারে সব ধরনের জ্বালানি তেলের দাম অপরিবর্তিত রাখা হয়েছিল।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত বলেছেন, 'বিগত দিনের মতো অপরিকল্পিত ও অপ্রয়োজনীয় প্রকল্প গ্রহণ করে জনগণের অর্থের অপচয় করা যাবে না।' তিনি বিদ্যুৎ বিভাগের অননুমোদিত প্রতিটি প্রকল্পের যৌক্তিকতা, প্রয়োজনীয়তা এবং জনস্বার্থে এর অবদান তথ্য-উপাত্তসহ উপস্থাপনের নির্দেশনা দিয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) সচিবালয়ে জ্বালানি ও বিদ্যুতের চাহিদা, উৎপাদন ও বিতরণ ব্যবস্থা আরো দক্ষ ও সাশ্রয়ী করার লক্ষ্যে একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। সেই সাথে বিদ্যুৎ বিভাগের অননুমোদিত প্রকল্প গ্রহণ ও অগ্রাধিকার নির্ধারণ-সংক্রান্ত পৃথক দুটি সভায় তিনি এসব নির্দেশনা প্রদান করেন।
জ্বালানি ও খনিজসম্পদ বিভাগের কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠকে প্রতিমন্ত্রী বলেন, 'দেশের কোথায় কী ধরনের খনিজসম্পদ রয়েছে,' তার একটি সমন্বিত, আধুনিক ও তথ্যভিত্তিক মানচিত্র (ম্যাপিং) তৈরি করা প্রয়োজন। বর্তমানে বিভিন্ন সংস্থার কাছে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে থাকা ব্লক ম্যাপ, ভূতাত্ত্বিক জরিপ ও অন্যান্য তথ্য একীভূত করে একটি পূর্ণাঙ্গ রূপরেখা প্রণয়ন করতে হবে। এতে ভূগর্ভস্থ সম্পদের অবস্থান ও সম্ভাবনা সম্পর্কে সুস্পষ্ট ধারণা তৈরি হবে এবং সরকারের বিভিন্ন বিভাগের মধ্যে সমন্বয় ও পরিকল্পিত কার্যক্রম বাস্তবায়ন সহজ হবে।
তিনি আরো বলেন, সারা দেশে অঞ্চলভিত্তিক জ্বালানির চাহিদা ও সরবরাহের প্রকৃত চিত্র প্রস্তুত করতে হবে। কোথায় কী ধরনের প্রতিবন্ধকতা রয়েছে, তা দ্রুত চিহ্নিত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে হবে। একই সঙ্গে প্রাকৃতিক সম্পদের সর্বোত্তম ব্যবহারের ওপরও গুরুত্বারোপ করেন তিনি।
পরে বিদ্যুৎ বিভাগের অননুমোদিত প্রকল্পগুলোর অগ্রাধিকার নির্ধারণবিষয়ক সভায় প্রতিমন্ত্রী সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের কাছ থেকে প্রকল্পগুলোর বিস্তারিত শুনে প্রতিটির প্রয়োজনীয়তা ও জনকল্যাণে ভূমিকা বিবেচনা করে অগ্রাধিকার নির্ধারণের নির্দেশ দেন।
তিনি বলেন, 'অতীতের মতো অপরিকল্পিত প্রকল্পে জনগণের অর্থ অপচয়ের পুনরাবৃত্তি হতে দেওয়া হবে না।' তাই প্রতিটি প্রকল্পের ক্ষেত্রে পূর্ণাঙ্গ তথ্য-উপাত্ত ও বাস্তবসম্মত যৌক্তিকতা উপস্থাপন নিশ্চিত করতে হবে।
সভায় জ্বালানি ও খনিজসম্পদ বিভাগের সচিব মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম, বিদ্যুৎ সচিব মিরানা মাহরুখ এবং মন্ত্রণালয় ও বিদ্যুৎ বিভাগের বিভিন্ন সংস্থার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জেলা পুলিশের উদ্যোগে মাস্টার প্যারেড অনুষ্ঠিত হয়েছে পুলিশ লাইন্স প্যারেড গ্রাউন্ডে।
আজ বৃহস্পতিবার সকাল ১০ টায় অফিসার ও ফোর্সের সমন্বয়ে জমকালো আয়োজন এবং শৃঙ্খলার মধ্য দিয়ে এই প্যারেড অনুষ্ঠিত হয় ভোলা পুলিশ লাইন্স প্যারেড গ্রাউন্ডে।
প্যারেড পরিদর্শন করেন জেলার পুলিশ সুপার মো. শহিদুল্লাহ কাওছার। তিনি কুচকাওয়াজ পরিদর্শন ও সালাম গ্রহণ করেন।
জেলা পুলিশ সূত্রে জানানো হয়েছে যে, প্যারেডে শৃঙ্খলা বজায় রাখার পাশাপাশি ড্রেসরুলস মেনে পোশাক পরিধান এবং সততার সাথে আইনি সেবা দেওয়ার জন্য দিকনির্দেশনা দেওয়া হয়।
এসময় ভোলা পুলিশ লাইন্সের আর আই মো. সাজ্জাদ হোসেন সরদার প্যারেডের কমান্ডার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
পুলিশ সুপার পরিদর্শন শেষে বাহিনীর সদস্যদের শৃঙ্খলা বজায় রাখতে, নিয়মিত পিটি-প্যারেডে অংশগ্রহণ করার, স্বাস্থ্য সচেতনতা মেনে চলার এবং পেশাদারিত্বের সাথে দায়িত্ব পালনের নির্দেশনা দেন। একই সঙ্গে তিনি ভোলা জেলার সামগ্রিক আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এবং সাধারণ মানুষকে দ্রুত এবং নির্বিঘ্নে সেবা দেওয়ার আহ্বান জানান।
এসময় উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) মো. সোহান সরকার, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) আহসানুজ্জামান এবং জেলার সকল থানা, ডিবি ও ফাঁড়ির উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জেলা পুলিশের উদ্যোগে বিভিন্ন পদমর্যাদার অফিসার ও ফোর্সদের সমন্বয়ে জুলাই মাসের কিট প্যারেড অনুষ্ঠিত হয়েছে।
আজ বৃহস্পতিবার বেলা ১১ টায় পুলিশ লাইন্সের মাল্টিপারপাস শেডে কিট প্যারেডের অভিবাদন গ্রহণ শেষে পুলিশ সদস্যদের নামে ইস্যুকৃত বিভিন্ন কিট সামগ্রী পরিদর্শন করেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) মো. মিজানুর রহমান ভূঁঞা।
এ সময় অতিরিক্ত পুলিশ সুপার কিট প্যারেড পরিদর্শন করে সন্তুষ্টি প্রকাশ করেন। অন্যদিকে, তিনি উপস্থিত পুলিশ সদস্যদেরকে বাংলাদেশ পুলিশ বাহিনীর ড্রেস রোল অনুসরণ অনুযায়ী উত্তম পোশাক পরিধান, কিট সামগ্রীর যথাযথ ব্যবহার ও পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন রাখা, পুলিশ বাহিনীর সদস্য হিসেবে সুশৃঙ্খল জীবন যাপন, সততা এবং পেশাদারিত্বের সাথে দৈনন্দিন কাজ করার আহ্বান জানান।
কিট প্যারেডে কমান্ডার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন সহকারী পুলিশ সুপার (শিক্ষানবিশ) সরকার ফরহাদ আহমেদ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
আজ সচিবালয়ের পরিবেশ মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে আয়োজিত এক সভায় প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা নজরুল ইসলাম খান কথা বলেছেন। তিনি বলেছেন, বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে সমাজের সব শ্রেণির মানুষকে সম্পৃক্ত করে এই কর্মসূচিকে একটি সামাজিক আন্দোলনে পরিণত করতে হবে।
‘৫ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ’ সেলের সভাপতি নজরুল ইসলাম খান বলেন, নারীরা, তরুণ প্রজন্ম, শিক্ষার্থী এবং গ্রামীণ জনগোষ্ঠীসহ সমাজের সকল শ্রেণির মানুষকে এতে অংশগ্রহণ করা জরুরি। সঠিক স্থানে উপযুক্ত দেশীয় প্রজাতির গাছ রোপণের পাশাপাশি স্থানীয় মাটি, জলবায়ু ও জীববৈচিত্র্য বিবেচনা করে চারার বেঁচে থাকার হার নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।
আজ বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে আয়োজিত এই সভায় তিনি এ কথা বলেন। সরকার কর্তৃক গৃহীত নির্বাচনী অঙ্গীকার ‘৫ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ’ কর্মসূচি বাস্তবায়নের লক্ষ্যে এটি সেলের ৪র্থ সভা।
নজরুল ইসলাম খান আরও জানান, ২০২৬ সালে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়, বিভাগ ও সংস্থার মাধ্যমে মোট ৫ কোটি ১৪ লাখ ৮৮ হাজার ৯৩০টি চারা রোপণের পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর নিজস্বভাবে উৎপাদিত চারা এবং নিজস্ব অর্থায়নে সংগৃহীত চারা।
তিনি বলেন, নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রার প্রায় ৪৩ শতাংশ চারা রোপণ করা হয়েছে। এজন্য তিনি লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে পিছিয়ে থাকা মন্ত্রণালয় ও সংস্থাগুলোকে বর্ষা মৌসুমকে কাজে লাগিয়ে বৃক্ষরোপণ কার্যক্রম ত্বরান্বিত করতে হবে।
সভায় পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রী আবদুল আঊয়াল মিন্টু বলেন, সরকারের নির্বাচনী অঙ্গীকার ‘৫ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ’ কর্মসূচি সফল করতে শুধু লাউয়ের চারা রোপণ নয়, রোপণ-পরবর্তী নিয়মিত পরিচর্যা, সুরক্ষা এবং কার্যকর মনিটরিং নিশ্চিত করতে হবে।
তিনি বলেন, সরকারি ও বেসরকারি নার্সারির সক্ষমতা বৃদ্ধি করতে হবে। ‘রাইট ট্রি, রাইট প্লেস’ নীতি অনুসরণ করে দেশীয় প্রজাতিকে অগ্রাধিকার দেওয়া জরুরি। অর্থনৈতিকভাবে লাভজনক বৃক্ষ যেমন নারিকেল, তাল, খেজুর, সুপারী ইত্যাদি রোপণে জনগণকে উদ্বুদ্ধ করতে জোর দেন তিনি।
পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম বলেন, ডিসেম্বর-জানুয়ারি মাসে উপকূলীয় এলাকায় ২ কোটি বৃক্ষরোপণ করা হলে জানুয়ারি মাসের মধ্যে এ বছরের লক্ষ্যমাত্রা পূরণ হবে।
পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী ড. মো: সাইমুম পারভেজ বলেন, বৃক্ষরোপণের মাধ্যমে নারী, তরুণ ও গ্রামীণ জনগণের অংশগ্রহণে সাড়ে তিন লাখের বেশি সবুজ কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং সারা দেশে নতুন নার্সারি উদ্যোক্তা গড়ে তোলার লক্ষ্যে কর্মপরিকল্পনা প্রণয়নের ওপর গুরুত্ব দেওয়া উচিত।
সভায় প্রতিটি রোপিত গাছের জিপিএস ভিত্তিক অবস্থান, প্রজাতি, রোপণের তারিখ, জিও-ট্যাগযুক্ত ছবি ও পরিচর্যার তথ্য ডিজিটালভাবে সংরক্ষণের জন্য ‘ট্রি মনিটরিং অ্যাপ’ তৈরির অগ্রগতি নিয়ে আলোচনা হয়।
অ্যাপটির মাধ্যমে গাছের বেঁচে থাকার হার, প্রতিস্থাপনমূলক বৃক্ষরোপণ, জেলা ও প্রতিষ্ঠান ভিত্তিক অগ্রগতি এবং রিয়েল-টাইম প্রতিবেদন জাতীয় ড্যাশবোর্ডে প্রদর্শনের পরিকল্পনা রয়েছে।
সভায় পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের ভারপ্রাপ্ত সচিব ড. ফাহমিদা খানম, অতিরিক্ত সচিব (প্রশাসন) শামিমা বেগম, বৃক্ষরোপণ সেলের টেকনিক্যাল এক্সপার্ট অধ্যাপক ড. মো: নুরুল ইসলাম প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ