সোমবার, ২১শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
১২:৪১ পি.এম
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সৌদি আরবের মক্কার পবিত্র মসজিদুল হারামের মুয়াজ্জিন শায়খ ইবরাহিম বিন আদেল আল-মাদানি ইন্তেকাল করেছেন। তিনি সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) ফজরের সময় মক্কা নগরীতে মৃত্যুবরণ করেন।
আজকের দিনেই তার জানাজা ও দাফনের কার্যক্রম সম্পন্ন হওয়ার কথা রয়েছে। মসজিদুল হারামের মুয়াজ্জিন এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সূত্রে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এক্সে তার মৃত্যুর খবর প্রকাশ পায়।
শায়খ ইবরাহিম মাদানি মসজিদুল হারামের মুকাব্বিরিয়ার অন্যতম সদস্য ছিলেন। মুকাব্বিরিয়ায় দায়িত্ব পালনকারী মুয়াজ্জিনরা আজান দেওয়ার পাশাপাশি প্রয়োজন অনুযায়ী ইমামের তাকবির মুসল্লিদের কাছে পৌঁছে দেওয়ার দায়িত্ব পালন করেন।
মসজিদুল হারামে মোট ২৪ জন নিয়মিত মুয়াজ্জিন রয়েছেন। তাদের মধ্যে প্রতিদিন ছয়জন পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের আজান এবং ফজরের প্রথম আজান দেওয়ার দায়িত্বে থাকেন। শায়খ ইবরাহিম মাদানি বিশেষভাবে ফজরের আজান ও তাকবির দেওয়ার জন্য পরিচিত ছিলেন।
তার ইন্তেকালের খবর ছড়িয়ে পড়ার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তার নামে হ্যাশট্যাগ ছড়িয়ে পড়ে।
অনেকে মসজিদুল হারামে তার দেওয়া আজান ও তাকবিরের পুরনো ভিডিও ও অডিও শেয়ার করে স্মৃতিচারণা করেন।
জানা যায়, মসজিদুল হারামে তার সর্বশেষ আজান ছিল গত ১১ রবিউল আউয়াল ১৪৪৮ হিজরি। আজান, হজ ও ঈদের তাকবিরসহ তার কণ্ঠের বিভিন্ন রেকর্ডও রয়েছে।
শায়খ ইব্রাহিম আল-মাদানি ১৩৯৭ হিজরিতে মদিনা মুনাওয়ারায় জন্মগ্রহণ করেন। তিনি পারিবারিকভাবে পবিত্র কোরআন হিফজ করেন।
মাত্র ১৫ বছর বয়সে মদিনার একটি স্থানীয় মসজিদে আজান দেওয়ার মাধ্যমে তার মুয়াজ্জিন জীবনের সূচনা হয়। ১৪২৮ হিজরিতে তিনি মদিনার মসজিদ আল-মাদ্দাহতে আজানের দায়িত্ব পালন করেন। ১৪৩৯ হিজরিতে তাকে আনুষ্ঠানিকভাবে মসজিদুল হারামের মুয়াজ্জিন হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়।
মদিনায় বেড়ে ওঠার কারণে শায়খ ইব্রাহিম আল-মাদানি আজানের মাদানি রীতি ও সুরের সঙ্গে গভীরভাবে পরিচিত ছিলেন। একই সঙ্গে তার বাবা তাকে মক্কায় নিয়ে গেলে তিনি মক্কি আজানের স্বতন্ত্র ধারার সঙ্গেও পরিচিত হন। মক্কায় অবস্থানকালে তিনি মসজিদুল হারামের সাবেক মুয়াজ্জিন শায়খ আবদুল লতিফ মুল্লার সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। ফলে শায়খ ইব্রাহিম মক্কি ও মাদানি—দুই ধারার আজানের বৈশিষ্ট্য কাছ থেকে শেখার সুযোগ পান।
আল্লাহ তাআলা মরহুমকে ক্ষমা করুন এবং জান্নাতুল ফেরদৌস নসিব করুন। আমিন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক ব্যবসা-বাণিজ্য বিশ্ব অর্থনীতির সঙ্গে সমন্বয় রেখে ক্রমাগত সম্প্রসারিত হচ্ছে। এই সম্প্রসারিত বাণিজ্যিক লেনদেনকে সচল রাখার জন্য বিভিন্ন দেশের মুদ্রার বিনিময় হার ওঠানামা করছে।
গত মাসে আন্তর্জাতিক অর্থ তহবিলের (আইএমএফ) শর্ত বাস্তবায়নের জন্য ধাপে ধাপে ডলারের মূল্য বৃদ্ধি এবং টাকার মান হ্রাস করা হয়েছিল, যদিও বাজারে বৈদেশিক মুদ্রার চাহিদা অনুযায়ী জোগান ছিল। हाल ही में ডলারের দাম কিছুটা কমে এসেছে।
কেন্দ্রীয় ও বাণিজ্যিক ব্যাংক সূত্রে জানা যায়, জুলাই মাসের শুরুতে আন্তঃব্যাংক বাজারে ডলারের সর্বোচ্চ ও সর্বনিম্ন দাম ১২২ টাকা ৮৫ পয়সায় স্থিতিশীল ছিল। পরে এটি বৃদ্ধি পেয়ে সর্বোচ্চ ১২৩ টাকা ৮২ পয়সায় পৌঁছেছিল।
বর্তমানে ডলারের দাম ১২২ টাকা ৭০ পয়সায় লেনদেন হচ্ছে।
বাংলাদেশ ব্যাংক এবং দেশের বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর তথ্য অনুযায়ী আজকের (২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬) সর্বনিম্ন মুদ্রা বিনিময় হারের একটি সার্বিক চিত্র নিচে তুলে ধরা হলো—
মুদ্রার নাম বাংলাদেশি টাকা
ইউএস ডলার : ১২২ টাকা ৭০ পয়সা
ইউরো : ১৪০ টাকা ৮৯ পয়সা
পাউন্ড : ১৬৪ টাকা ৩৩ পয়সা
কানাডিয়ান ডলার : ৮৮ টাকা ৬৯ পয়সা
অস্ট্রেলিয়ান ডলার : ৮৭ টাকা ৩২ পয়সা
চায়নিজ ইয়েন : ১৮ টাকা ৩২ পয়সা
সিঙ্গাপুরি ডলার : ৯৬ টাকা ১২ পয়সা
ভারতীয় রুপি : ১ টাকা ২৭ পয়সা
মালয়েশিয়ান রিঙ্গিত : ৩০ টাকা ০৭ পয়সা
সৌদি রিয়াল : ৩২ টাকা ৬৬ পয়সা
কাতারি রিয়াল : ৩৩ টাকা ৫৮ পয়সা
কুয়েতি দিনার : ৩৯৭ টাকা ৯৪ পয়সা
আরব আমিরাতের দিরহাম : ৩৩ টাকা ৪০ পয়সা
*মুদ্রার বিনিময় হার পরিবর্তন হতে পারে।
আর্থিক খাতের বিশ্লেষকদের মতে, কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কঠোর মনিটরিং এবং প্রবাস আয়ের (রেমিট্যান্স) প্রবাহ ইতিবাচক থাকায় খোলাবাজার ও অফিশিয়াল রেটের মধ্যে ব্যবধান অনেকটাই কমে এসেছে।
আইএমএফের শর্ত বাস্তবায়নের প্রক্রিয়ায় ডলারের দাম কিছুটা বৃদ্ধি পেলেও বর্তমানে এটি কিছুটা কমে এসেছে। আমদানিকারক ও সাধারণ ব্যবসায়ীদের জন্য এটি কিছুটা স্বস্তিদায়ক।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরী পৌরসভার ৩ নম্বর ওয়ার্ডের মন্দিশেরখামার এলাকার বাসিন্দা বীর মুক্তিযোদ্ধা মকবুল হোসেন (৭৩) আর নেই। দীর্ঘদিন অসুস্থ থাকার পর সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) নিজ বাসভবনে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি।
তাঁর মৃত্যুতে স্থানীয় বীর মুক্তিযোদ্ধা, মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডারসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের মধ্যে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
সোমবার সকাল ১১টার দিকে মরহুমের নিজ বাসভবনে জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। এতে নাগেশ্বরী উপজেলার বিভিন্ন এলাকার বীর মুক্তিযোদ্ধা ও মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডারসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।
পরে বীর মুক্তিযোদ্ধা মকবুল হোসেনকে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় শেষ শ্রদ্ধা জানানো হয়। এ সময় নাগেশ্বরী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোহাম্মদ আলাউদ্দিন উপস্থিত ছিলেন। রাষ্ট্রীয় মর্যাদার অংশ হিসেবে তাকে গার্ড অব অনার প্রদান করা হয়।
এ সময় উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তা, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য, বীর মুক্তিযোদ্ধা, স্বজন ও স্থানীয়রা উপস্থিত ছিলেন।
মুক্তিযুদ্ধের একজন বীর যোদ্ধার বিদায়ে শোকাহত পরিবার ও স্বজনদের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন স্থানীয় বীর মুক্তিযোদ্ধা ও এলাকাবাসী। তাঁর মৃত্যুতে একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধের প্রত্যক্ষ প্রজন্মের আরও একজন সদস্য হারালেন নাগেশ্বরীবাসী।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে ঘূর্ণিঝড়, জলোচ্ছ্বাস, নদীভাঙন, বন্যা ও লবণাক্ততার ঝুঁকিতে থাকা নোয়াখালীর উপকূলীয় এলাকার ৪৫০ নারীকে দুর্যোগ মোকাবিলার কৌশল শেখানো হচ্ছে। পার্টিসিপেটরি রিসার্চ অ্যান্ড অ্যাকশন নেটওয়ার্ক-প্রান এ কার্যক্রম পরিচালনা করছে।
জাতিসংঘ জনসংখ্যা তহবিলের (ইউএনএফপিএ) সহায়তায় গত ২৪ আগস্ট থেকে নোয়াখালী সদর, হাতিয়া ও সুবর্ণচর উপজেলার সমাজসেবা অধিদপ্তর পরিচালিত পল্লী মাতৃকেন্দ্রে এ কার্যক্রম চলছে। প্রতিটি কেন্দ্রে ৩০ জন করে মোট ৪৫০ নারী এতে অংশ নিচ্ছেন।
‘দুর্জয়ী’ মডিউলের এসব সেশনে দুর্যোগের সময় নারী ও কিশোরীদের নিরাপত্তা, জেন্ডারভিত্তিক সহিংসতা প্রতিরোধ, প্রজনন স্বাস্থ্য, মানসিক স্বাস্থ্য ও আশ্রয়কেন্দ্রে নিরাপত্তার বিষয়ে প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি দুর্যোগের আগে প্রস্তুতি, ঝুঁকি চিহ্নিতকরণ এবং জরুরি সহায়তা পাওয়ার উপায় শেখানো হচ্ছে। দুর্যোগ-পরবর্তী সময়ে নারীদের জীবিকা ও আয় বাড়াতে জলবায়ু সহনশীল কৃষি, পুষ্টিবাগান, হাঁস-মুরগি ও মাছ চাষ, দক্ষতা উন্নয়ন ও আয়বর্ধক উদ্যোগ নিয়েও আলোচনা করা হচ্ছে।
আয়োজকেরা জানান, প্রশিক্ষণ থেকে পাওয়া জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা নারীরা তাঁদের পরিবার ও স্থানীয় জনগোষ্ঠীর অন্য সদস্যদের মধ্যে ছড়িয়ে দেবেন। এর মাধ্যমে স্থানীয় দুর্যোগ প্রস্তুতি ও সাড়াদান কার্যক্রমে নারীদের অংশগ্রহণ এবং নেতৃত্ব আরও শক্তিশালী হবে।
সেশনগুলোতে বিষয়ভিত্তিক রিসোর্স পারসন হিসেবে রয়েছেন প্রান এর ডব্লিউএলসিসি ম্যানেজার শামীমা আক্তার অর্না, স্কিল বিল্ডিং ট্রেইনার শাহিনুর আক্তার, এমএইচপিএসএস ও জিবিভি কেস ওয়ার্কার সুমাইয়া আক্তার ও সিনথিয়া শর্নীল, মিডওয়াইফ জুঁই আক্তার এবং স্বেচ্ছাসেবক আয়েশা আক্তার।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ