সোমবার, ২১শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
১২:৪৫ পি.এম
বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক ব্যবসা-বাণিজ্য বিশ্ব অর্থনীতির সঙ্গে সমন্বয় রেখে ক্রমাগত সম্প্রসারিত হচ্ছে। এই সম্প্রসারিত বাণিজ্যিক লেনদেনকে সচল রাখার জন্য বিভিন্ন দেশের মুদ্রার বিনিময় হার ওঠানামা করছে।
গত মাসে আন্তর্জাতিক অর্থ তহবিলের (আইএমএফ) শর্ত বাস্তবায়নের জন্য ধাপে ধাপে ডলারের মূল্য বৃদ্ধি এবং টাকার মান হ্রাস করা হয়েছিল, যদিও বাজারে বৈদেশিক মুদ্রার চাহিদা অনুযায়ী জোগান ছিল। हाल ही में ডলারের দাম কিছুটা কমে এসেছে।
কেন্দ্রীয় ও বাণিজ্যিক ব্যাংক সূত্রে জানা যায়, জুলাই মাসের শুরুতে আন্তঃব্যাংক বাজারে ডলারের সর্বোচ্চ ও সর্বনিম্ন দাম ১২২ টাকা ৮৫ পয়সায় স্থিতিশীল ছিল। পরে এটি বৃদ্ধি পেয়ে সর্বোচ্চ ১২৩ টাকা ৮২ পয়সায় পৌঁছেছিল।
বর্তমানে ডলারের দাম ১২২ টাকা ৭০ পয়সায় লেনদেন হচ্ছে।
বাংলাদেশ ব্যাংক এবং দেশের বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর তথ্য অনুযায়ী আজকের (২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬) সর্বনিম্ন মুদ্রা বিনিময় হারের একটি সার্বিক চিত্র নিচে তুলে ধরা হলো—
মুদ্রার নাম বাংলাদেশি টাকা
ইউএস ডলার : ১২২ টাকা ৭০ পয়সা
ইউরো : ১৪০ টাকা ৮৯ পয়সা
পাউন্ড : ১৬৪ টাকা ৩৩ পয়সা
কানাডিয়ান ডলার : ৮৮ টাকা ৬৯ পয়সা
অস্ট্রেলিয়ান ডলার : ৮৭ টাকা ৩২ পয়সা
চায়নিজ ইয়েন : ১৮ টাকা ৩২ পয়সা
সিঙ্গাপুরি ডলার : ৯৬ টাকা ১২ পয়সা
ভারতীয় রুপি : ১ টাকা ২৭ পয়সা
মালয়েশিয়ান রিঙ্গিত : ৩০ টাকা ০৭ পয়সা
সৌদি রিয়াল : ৩২ টাকা ৬৬ পয়সা
কাতারি রিয়াল : ৩৩ টাকা ৫৮ পয়সা
কুয়েতি দিনার : ৩৯৭ টাকা ৯৪ পয়সা
আরব আমিরাতের দিরহাম : ৩৩ টাকা ৪০ পয়সা
*মুদ্রার বিনিময় হার পরিবর্তন হতে পারে।
আর্থিক খাতের বিশ্লেষকদের মতে, কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কঠোর মনিটরিং এবং প্রবাস আয়ের (রেমিট্যান্স) প্রবাহ ইতিবাচক থাকায় খোলাবাজার ও অফিশিয়াল রেটের মধ্যে ব্যবধান অনেকটাই কমে এসেছে।
আইএমএফের শর্ত বাস্তবায়নের প্রক্রিয়ায় ডলারের দাম কিছুটা বৃদ্ধি পেলেও বর্তমানে এটি কিছুটা কমে এসেছে। আমদানিকারক ও সাধারণ ব্যবসায়ীদের জন্য এটি কিছুটা স্বস্তিদায়ক।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরী পৌরসভার ৩ নম্বর ওয়ার্ডের মন্দিশেরখামার এলাকার বাসিন্দা বীর মুক্তিযোদ্ধা মকবুল হোসেন (৭৩) আর নেই। দীর্ঘদিন অসুস্থ থাকার পর সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) নিজ বাসভবনে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি।
তাঁর মৃত্যুতে স্থানীয় বীর মুক্তিযোদ্ধা, মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডারসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের মধ্যে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
সোমবার সকাল ১১টার দিকে মরহুমের নিজ বাসভবনে জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। এতে নাগেশ্বরী উপজেলার বিভিন্ন এলাকার বীর মুক্তিযোদ্ধা ও মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডারসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।
পরে বীর মুক্তিযোদ্ধা মকবুল হোসেনকে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় শেষ শ্রদ্ধা জানানো হয়। এ সময় নাগেশ্বরী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোহাম্মদ আলাউদ্দিন উপস্থিত ছিলেন। রাষ্ট্রীয় মর্যাদার অংশ হিসেবে তাকে গার্ড অব অনার প্রদান করা হয়।
এ সময় উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তা, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য, বীর মুক্তিযোদ্ধা, স্বজন ও স্থানীয়রা উপস্থিত ছিলেন।
মুক্তিযুদ্ধের একজন বীর যোদ্ধার বিদায়ে শোকাহত পরিবার ও স্বজনদের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন স্থানীয় বীর মুক্তিযোদ্ধা ও এলাকাবাসী। তাঁর মৃত্যুতে একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধের প্রত্যক্ষ প্রজন্মের আরও একজন সদস্য হারালেন নাগেশ্বরীবাসী।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে ঘূর্ণিঝড়, জলোচ্ছ্বাস, নদীভাঙন, বন্যা ও লবণাক্ততার ঝুঁকিতে থাকা নোয়াখালীর উপকূলীয় এলাকার ৪৫০ নারীকে দুর্যোগ মোকাবিলার কৌশল শেখানো হচ্ছে। পার্টিসিপেটরি রিসার্চ অ্যান্ড অ্যাকশন নেটওয়ার্ক-প্রান এ কার্যক্রম পরিচালনা করছে।
জাতিসংঘ জনসংখ্যা তহবিলের (ইউএনএফপিএ) সহায়তায় গত ২৪ আগস্ট থেকে নোয়াখালী সদর, হাতিয়া ও সুবর্ণচর উপজেলার সমাজসেবা অধিদপ্তর পরিচালিত পল্লী মাতৃকেন্দ্রে এ কার্যক্রম চলছে। প্রতিটি কেন্দ্রে ৩০ জন করে মোট ৪৫০ নারী এতে অংশ নিচ্ছেন।
‘দুর্জয়ী’ মডিউলের এসব সেশনে দুর্যোগের সময় নারী ও কিশোরীদের নিরাপত্তা, জেন্ডারভিত্তিক সহিংসতা প্রতিরোধ, প্রজনন স্বাস্থ্য, মানসিক স্বাস্থ্য ও আশ্রয়কেন্দ্রে নিরাপত্তার বিষয়ে প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি দুর্যোগের আগে প্রস্তুতি, ঝুঁকি চিহ্নিতকরণ এবং জরুরি সহায়তা পাওয়ার উপায় শেখানো হচ্ছে। দুর্যোগ-পরবর্তী সময়ে নারীদের জীবিকা ও আয় বাড়াতে জলবায়ু সহনশীল কৃষি, পুষ্টিবাগান, হাঁস-মুরগি ও মাছ চাষ, দক্ষতা উন্নয়ন ও আয়বর্ধক উদ্যোগ নিয়েও আলোচনা করা হচ্ছে।
আয়োজকেরা জানান, প্রশিক্ষণ থেকে পাওয়া জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা নারীরা তাঁদের পরিবার ও স্থানীয় জনগোষ্ঠীর অন্য সদস্যদের মধ্যে ছড়িয়ে দেবেন। এর মাধ্যমে স্থানীয় দুর্যোগ প্রস্তুতি ও সাড়াদান কার্যক্রমে নারীদের অংশগ্রহণ এবং নেতৃত্ব আরও শক্তিশালী হবে।
সেশনগুলোতে বিষয়ভিত্তিক রিসোর্স পারসন হিসেবে রয়েছেন প্রান এর ডব্লিউএলসিসি ম্যানেজার শামীমা আক্তার অর্না, স্কিল বিল্ডিং ট্রেইনার শাহিনুর আক্তার, এমএইচপিএসএস ও জিবিভি কেস ওয়ার্কার সুমাইয়া আক্তার ও সিনথিয়া শর্নীল, মিডওয়াইফ জুঁই আক্তার এবং স্বেচ্ছাসেবক আয়েশা আক্তার।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ইরান কর্তৃপক্ষ তেহরানে ফরাসি দূতাবাসের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট একটি ফরাসি ভাষা শিক্ষা কেন্দ্র বন্ধ করে দিয়েছে। এই পদক্ষেপের ফলে ইরান ও ফ্রান্সের মধ্যে নতুন উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে, যা পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের বৈঠকের আগে ঘটল।
রবিবার (২০ সেপ্টেম্বর) তেহরানের প্রসিকিউটরের কার্যালয়ের নির্দেশে কেন্দ্রটি সিলগালা করা হয়, এমনটি জানায় ইরানের আধা-সরকারি সংবাদ সংস্থা তাসনিম। অভিযোগ করা হয়েছে যে, কেন্দ্রটি প্রয়োজনীয় লাইসেন্স ছাড়াই দীর্ঘদিন ধরে কার্যক্রম চালিয়ে আসছিল। ইরানি কর্তৃপক্ষের দাবি, ভাষা শিক্ষার আড়ালে কেন্দ্রটি ইরানি সংস্কৃতি ও জাতীয় নিরাপত্তার জন্য ক্ষতিকর কর্মকাণ্ডে জড়িত ছিল। তাদের মতে, কেন্দ্রটি বিভিন্ন নেটওয়ার্ক গড়ে তোলা ও দক্ষ ইরানিদের দেশ ছাড়তে সহায়তা করছিল। তবে ফ্রান্স এই সব অভিযোগ অস্বীকার করেছে।
টাইমস অব ইন্ডিয়ার প্রতিবেদন অনুযায়ী, ফরাসি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কেন্দ্রটি বন্ধের ঘটনাকে ‘অগ্রহণযোগ্য’ হিসেবে উল্লেখ করেছে। প্যারিস ইরানের রাষ্ট্রদূতকে তলব করে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানিয়েছে। ফরাসি মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র পাস্কাল কনফাব্রো বলেন, গত জুলাইয়ে ফরাসি দূতাবাসের দুই কর্মীর ওপর হামলার পর এটি ইরানে ফ্রান্সের সাংস্কৃতিক কার্যক্রমের ওপর নতুন আঘাত।
ফরাসি পররাষ্ট্রমন্ত্রী জঁ-নোয়েল বারো ২০২২ সালে হেফাজতে মাহসা আমিনির মৃত্যুর চতুর্থ বার্ষিকী উপলক্ষে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে একটি পোস্ট দেন। এর জবাবে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি বারোর মন্তব্যকে ‘কুমিরের কান্না’ বলে আখ্যা দেন এবং আলজেরিয়ার স্বাধীনতাযুদ্ধের সময় ফ্রান্সের ভূমিকার সমালোচনা করেন।
জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে যোগ দেওয়ার ফাঁকে মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) আরাকচি ও বারোর বৈঠকের কথা রয়েছে। এর আগে ফরাসি নাগরিকদের আটক, ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি এবং দুই দেশের কূটনীতিকদের বহিষ্কারকে কেন্দ্র করে তেহরান-প্যারিস সম্পর্কে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে। ইরান দুই ফরাসি কূটনীতিককে গ্রেপ্তার করে পরে বহিষ্কার করলে পাল্টা ব্যবস্থা হিসেবে ফ্রান্সও ইরানি কূটনীতিকদের বহিষ্কার করে। ফলে দুই দেশের সম্পর্কের টানাপড়েন আবারও বেড়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালী দিয়ে জাহাজ চলাচল ব্যাপকভাবে হ্রাস পেয়েছে। সোমবার প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, গত সপ্তাহান্তে এই প্রণালী দিয়ে মাত্র ১২টি পণ্যবাহী জাহাজ চলাচল করেছে। আগের সপ্তাহান্তে এই সংখ্যা ছিল ৩৫টি। যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে চলমান অচলাবস্থার মধ্যে এই পরিবর্তনটি লক্ষ্য করা যাচ্ছে।
রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, হরমুজ প্রণালী বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ হিসেবে পরিচিত। মধ্যপ্রাচ্যের তেল ও গ্যাস বিভিন্ন দেশে পাঠানোর ক্ষেত্রে এই প্রণালীর ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। যুদ্ধ শুরুর পূর্বে, বিশ্বের মোট তেল ও তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাসের (এলএনজি) প্রায় এক-পঞ্চমাংশ এই পথ দিয়ে পরিবহন করা হতো। তবে বর্তমানে প্রণালী দিয়ে প্রকাশ্যে বা শনাক্ত করা যায় এমন জাহাজ চলাচল প্রায় বন্ধ হয়ে গেছে। বর্তমানে অল্প কয়েকটি জাহাজই এই পথে চলাচল করছে। যদিও জাহাজ চলাচল কমে গেছে, তবুও মধ্যপ্রাচ্যের তেল উৎপাদনকারী দেশগুলো এখনও তেল রপ্তানি অব্যাহত রেখেছে। কিন্তু এসব তেলবাহী জাহাজের অনেকগুলোর অবস্থান শনাক্ত করার যন্ত্র বন্ধ রাখা হচ্ছে, ফলে এসব জাহাজের অবস্থান বা চলাচল সম্পর্কে সব সময় জানা সম্ভব হচ্ছে না।
আরো পড়ুন
আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞার প্রস্তুতি যুক্তরাষ্ট্রের।
জাহাজের অবস্থান শনাক্ত করার জন্য সাধারণত স্বয়ংক্রিয় শনাক্তকরণ ব্যবস্থা বা এআইএস ব্যবহার করা হয়। কোনো জাহাজ এই ব্যবস্থা বন্ধ রাখলে সেটির চলাচল প্রকাশ্যে দেখা কঠিন হয়ে যায়। বিশ্লেষণ প্রতিষ্ঠান কেপলারের প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, রবিবার অবস্থান শনাক্ত করা সম্ভব এমন চারটি জাহাজ হরমুজ প্রণালী পার হয়েছে। এর মধ্যে দুটি জাহাজে পরিশোধিত তেলজাত পণ্য ছিল এবং বাকি দুটি জাহাজ ছিল খালি। এর একটি পণ্যবাহী এবং অন্যটি গ্যাসবাহী জাহাজ। একই দিনে ছোট আকারের আরো দুটি তেলবাহী জাহাজ উপসাগরীয় এলাকায় প্রবেশ করে। শনিবারও কয়েকটি জাহাজের চলাচল দেখা গেছে, ওই দিন পাঁচটি জাহাজ উপসাগরীয় এলাকা ছেড়ে যায়। এসব জাহাজে কৃষিপণ্য, তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস (এলপিজি) এবং সার ছিল।
আরো পড়ুন
২০৬০-এর দশকে অস্ট্রেলিয়ায় জন্মের চেয়ে মৃত্যুর সংখ্যা বেশি হবে।
একই দিনে একটি বড় গ্যাসবাহী জাহাজ খালি অবস্থায় উপসাগরীয় এলাকায় প্রবেশ করে। ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যুদ্ধ শুরুর আগে হরমুজ প্রণালী দিয়ে প্রতিদিন গড়ে প্রায় ১২৫টি বড় বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচল করত। এসব জাহাজের মধ্যে ছিল তেলবাহী ট্যাংকার, গ্যাসবাহী জাহাজ, সাধারণ পণ্যবাহী জাহাজ এবং কনটেইনারবাহী জাহাজ। বর্তমানে প্রণালী দিয়ে শনাক্ত করা যায় এমন জাহাজের সংখ্যা অনেক কমে গেছে। ফলে বিশ্বের গুরুত্বপূর্ণ এই নৌপথে যুদ্ধ ও আঞ্চলিক উত্তেজনার প্রভাব স্পষ্ট হয়ে উঠেছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ