ঢাকা শনিবার, ০৭ই নভেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ২২শে কার্তিক, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২৬শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শনিবার, ০৭ই নভেম্বর, ২০২৬ইং ২২শে কার্তিক, ১৪৩২বাং

সুন্দরবনে বিষ প্রয়োগে মাছ ধরার অপরাধে ১ জেলে আটক


সুন্দরবনে বিষ প্রয়োগে মাছ ধরার অপরাধে ১ জেলে আটক

সুন্দরবনের কোবাদক স্টেশন অধীনস্থ এলাকায় নিষিদ্ধ সময়ে বিষ প্রয়োগ করে মাছ ধরার অপরাধে ১ জন জেলেকে আটক করেছে বন বিভাগ। এ সময় আরও ২ জন পালিয়ে যায়। ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধার করা হয়েছে ১টি নৌকা, ৩ বোতল কীটনাশক, অবৈধ ভেশাল জাল এবং ৫০ পিচ হরিণ ধরার ফাঁদ। জানা গেছে, ২৬ জুন (শনিবার) ভোর ৫ টার দিকে কোবাদক স্টেশন কর্মকর্তা শেখ মোহাম্মদ আনিসুর রহমানের নেতৃত্বে অভিযান পরিচালনা করে সন্যাশির খাল এলাকা থেকে তাকে আটক করা হয়। আটক জেলেটির নাম আক্তারুল ইসলাম (৩০) এবং তিনি গাবুরা গ্রামের বাসিন্দা। সাতক্ষীরা রেঞ্জের সহকারী বন সংরক্ষক ও রেঞ্জ কর্মকর্তা মোঃ মশিউর রহমান জানান, এ ব্যাপারে বন আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে। আটককৃত জেলে আক্তারুল ইসলামকে কয়রা উপজেলা সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর
মেহেরপুরে মাদকের অপব্যবহার

অবৈধ পাচার বিরোধী আন্তর্জাতিক দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ২৬শে জুন, ২০২৬ ইং

১১:০৬ পি.এম


অবৈধ পাচার বিরোধী আন্তর্জাতিক দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

মাদকের অপব্যবহার ও অবৈধ পাচার বিরোধী আন্তর্জাতিক দিবস উপলক্ষে মেহেরপুরে একটি আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার সকালে জেলা প্রশাসন এবং মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের উদ্যোগে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে এ আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। এই অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) তরিকুল ইসলাম। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক শিল্পী রানী রায়। বিশেষ অতিথি হিসেবে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আতিকুল হক। এ সময় মেহেরপুর জেলা তথ্য অফিসার আব্দুল্লা আল মাসুদ উপস্থিত ছিলেন। মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের জেলা সহকারী পরিচালক রাসেল আহমেদ দিবসটির তাৎপর্য তুলে ধরে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন। আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন জেলা জামায়াতে ইসলামীর রাজনৈতিক সেক্রেটারি রুহুল আমিন এবং পৌর বিএনপির সাবেক সম্পাদক আনোয়ারুল হক কালুসহ অন্যান্য অতিথিরা। বক্তারা মাদকের অপব্যবহার রোধ, অবৈধ মাদক পাচার প্রতিরোধ এবং মাদকমুক্ত সমাজ গঠনে সকলের সম্মিলিত উদ্যোগ ও সচেতনতার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রাষ্ট্রীয় বাহিনীর হাতে আর কাউকে নির্যাতনের শিকার দেখতে চাই না

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ২৬শে জুন, ২০২৬ ইং

১১:০৮ পি.এম


রাষ্ট্রীয় বাহিনীর হাতে আর কাউকে নির্যাতনের শিকার দেখতে চাই না

রাষ্ট্রীয় বাহিনী কর্তৃক আর কাউকে নির্যাতনের শিকার দেখতে চাই না, চাই না আর কেউ গুমের শিকার হোক। লঙ্ঘন হোক কারও মানবাধিকার। সবাই যেন তার অধিকার নিয়ে সম্মান, মর্যাদা আর ন্যায় বিচার নিশ্চিত করে বেঁচে থাকতে পারেন-এমনটাই প্রত্যাশা।

শুক্রবার (২৬ জুন) সকাল সাড়ে ১০টায় খুলনা প্রেস ক্লাবের সামনে অনুষ্ঠিত ‘নির্যাতনের শিকার ব্যক্তিদের সমর্থনে আন্তর্জাতিক দিবস’ উপলক্ষে মানববন্ধন ও সমাবেশে বক্তারা এসব কথা বলেছেন। দেশের অন্যতম শীর্ষ মানবাধিকার সংগঠন ‘অধিকার’ খুলনা ইউনিট এ কর্মসূচির আয়োজন করে।

মানববন্ধন ও সমাবেশে সভাপতিত্ব এবং দিবসের বিবৃতি পড়ে শোনান মানবাধিকার সংগঠন অধিকার খুলনা ইউনিটের ফোকাল পার্সন সিনিয়র সাংবাদিক মুহাম্মদ নূরুজ্জামান। সঞ্চালনায় ছিলেন সাংবাদিক নেতা ও অধিকারের হিউম্যান রাইটস ডিফেন্ডার কেএম জিয়াউস সাদাত। প্রধান অতিথির বক্তৃতা করেন বৃহত্তর খুলনা উন্নয়ন সংগ্রাম সমন্বয় কমিটির সভাপতি শেখ আশরাফ-উজ-জামান।

সমাবেশ থেকে সম্প্রতি মোংলায় কোস্টগার্ডের বিরুদ্ধে ওঠা শেখ মিরাজ নামক একজন গুমের শিকার জেলেকে অবিলম্বে ফিরিয়ে দেওয়ার এবং তার স্ত্রী, বোন, মায়ের বিরুদ্ধে দায়েরকৃত মামলা প্রত্যাহার এবং তাদের কারামুক্তির দাবি জানানো হয়। একই সঙ্গে পুলিশ কর্তৃক দুই চোখ উপড়ানো যুবক শাহাজালাল এবং র‌্যাব কর্তৃক গুম ও নির্যাতনের শিকার হয়ে ফিরে আসা ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী ইমরান হোসেনসহ নির্যাতনের শিকার ব্যক্তিদের ক্ষতিপূরণ এবং অভিযুক্ত আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের কঠোর শাস্তির দাবি জানানো হয়।

মানববন্ধন ও সমাবেশে অধিকার’র বিবৃতির উদ্ধৃতি দিয়ে বলা হয়, শেখ হাসিনার দীর্ঘ শাসনামলে দেশের সমস্ত রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোকে পরিকল্পিতভাবে দলীয়করণের মাধ্যমে আজ্ঞাবহ প্রতিষ্ঠানে রূপান্তরিত করা হয়েছিল। ফলে বিরোধী রাজনৈতিক দলের নেতা-কর্মী, ভিন্নমতাবলম্বী এবং সাধারণ নাগরিকরা বিচারিক হয়রানী, গুম, বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড ও নির্যাতনসহ বিভিন্ন ধরনের নিপীড়নের শিকার হয়েছিলেন।

২০২৪ এর ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের পর ড. ইউনুসের নেতৃত্বাধীন অর্ন্তর্বতী সরকার প্রাতিষ্ঠানিক ও আইনগত সংস্কারের জন্য ১৩৩টি অধ্যাদেশ জারি করে। এর মধ্যে সুপ্রিম কোর্টে বিচারক নিয়োগের জন্য সুপ্রিম কোর্টের বিচারক নিয়োগ অধ্যাদেশ ও স্বতন্ত্র সচিবালয় প্রতিষ্ঠার জন্য সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় অধ্যাদেশ এবং সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় (সংশোধন) অধ্যাদেশ, দুর্নীতি দমন কমিশন অধ্যাদেশ, অম প্রতিরোধ ও প্রতিকার অধ্যাদেশ, জাতীয় মানবাধিকার কমিশন অধ্যাদেশসহ ১৬টি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অধ্যাদেশ সংসদে বিল আকারে উত্থাপন না করায় তা বাতিল হয়ে যায়।

গুরুত্বপূর্ণ এ অধ্যাদেশগুলো বাতিলের মাধ্যমে রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোকে সাবেক ফ্যাসিবাদী সরকারের আমলের আজ্ঞাবহ প্রতিষ্ঠানের আদলে ফিরিয়ে নেয়া হলো: যা অত্যন্ত উদ্বেগজনক এবং জুলাই গণঅভ্যুত্থানের চেতনার সঙ্গে সাংঘর্ষিক। জনগুরুত্বপূর্ণ অধ্যাদেশগুলো বাতিল করার মধ্যে দিয়ে ভুক্তভোগী ও তাঁদের পরিবারের সদস্য এবং দেশের জনগণের প্রতি সীমাহীন অন্যায় করা হয়েছে। মানবাধিকার এবং সুশাসন ছাড়া একটি দেশ কিছুতেই এগিয়ে যেতে পারে না।

তাহলে প্রাতিষ্ঠানিক ও আইনি সংস্কার এবং ন্যায়বিচারের লক্ষ্যে বর্তমান সরকারকে বাতিলকৃত অধ্যাদেশগুলোর আদলে কার্যকরী আইন প্রণয়ন করে অবিলম্বে জাতীয় সংসদে পাশ করতে হবে। এছাড়া অধিকার প্রকৃত অর্থে একটি স্বাধীন ও কার্যকর মানবাধিকার কমিশন গঠনসহ নির্যাতনের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক কনভেনশন এবং এর অপশনাল প্রোটোকলের পূর্ণাঙ্গ বাস্তবায়নের দাবি জানাচ্ছে।

বক্তৃতা করেন, বাংলাদেশ মানিবাধিকার বাস্তবায়ন সংস্থার জেলা সমন্বয়কারী অ্যাডভোকেট মোমিনুল ইসলাম, যুব সংহতি আন্দোলনের খুলনা জেলা আহবায়ক মুনীর চৌধুরী সোহেল, মেট্রোপলিটন সাংবাদিক ইউনিয়ন খুলনার সাধারণ সম্পাদক ও দৈনিক সংগ্রামের খুলনা ব্যুরো প্রধান আব্দুর রাজ্জাক রানা, অবসরপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক রবিউল ইসলাম পলাশ, অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মকর্তা আবু হারুনার রশিদ, মানবাধিকার কর্মী শেখ আবুল হালিম, খুলনা জেলা ব্লাড ব্যাংকের সভাপতি শেখ ফারুক, কবি নাজমুল তারেক তুষার, পুলিশ কর্তৃক দুই চোখ উপড়ানো যুবক শাহাজালাল, র‌্যাব কর্তৃক গুম ও নির্যাতনের শিকার হয়ে ফিরে আসা ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী ইমরান হোসেন।

অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন: প্রধান শিক্ষক মো. রবিউল ইসলাম, শিক্ষক মো. শাহিনুজ্জামান, অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক জি এম মহিউদ্দিন, খুলনা জেলা ব্লাড ব্যাংকের সিনিয়র সহ-সভাপতি এস এম সোহরাব হোসেন, মানবাধিকার কর্মী অ্যাডভোকেট শহিদুল ইসলাম, সাংবাদিক এম এ আজিম, হাফেজ মুহাম্মদ কামরুজ্জামান, মো. সাকাওয়াত হোসেন স্বপন, মো. মোস্তফা জামাল রিপন, মো. ফাহাদ ইসলাম, মো. তাসনিম হোসেন আফ্রিদি, রাহিলা বেগম, মো. রায়হান মোল্লা, মাসুম বিল্লাহ ইমরান, সাংবাদিক ইমরুল ইসলাম ইমন, এস এম জসিম উদ্দিন, ব্যবসায়ী আমজাদ হোসেন রাজু প্রমুখ।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবিতে এ বার রাজপথে নেমেছে ককরোচ জনতা পার্টি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শুক্রবার, ২৬শে জুন, ২০২৬ ইং

১১:১৪ পি.এম


শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবিতে এ বার রাজপথে নেমেছে ককরোচ জনতা পার্টি

ভারতের সামাজিক মাধ্যমে ব্যঙ্গ-বিদ্রূপের মাধ্যমে যাত্রা শুরু করা ‘ককরোচ জনতা পার্টি’ (সিজেপি) এ বার রাজপথে নেমেছে। জাতীয় পর্যায়ের ভর্তি ও নিয়োগ পরীক্ষায় বারবার প্রশ্নফাঁস এবং অনিয়মকে সামনে রেখে দেশটির শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবিতে আন্দোলনকারীরা রাজধানী নয়াদিল্লিতে টানা অবস্থান কর্মসূচি পালন করছেন।

গত শনিবার থেকে নয়াদিল্লির ঐতিহাসিক যন্তর মন্তরে দলটির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে অবস্থান করছেন। তিনি ঘোষণা করেছেন যে শিক্ষামন্ত্রী পদত্যাগ না করা পর্যন্ত আন্দোলন অব্যাহত থাকবে। আন্দোলনকারীদের শক্ত অবস্থানের কারণে বিজেপি সরকার ও মোদি প্রশাসন বিপাকে পড়েছে।

সিএনএনকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ৩০ বছর বয়সী বোস্টন ইউনিভার্সিটির সাবেক শিক্ষার্থী অভিজিৎ দীপকে বলেন, যত দিনই লাগুক, আমরা এখানেই থাকব। তিনি বলেন, ধর্মেন্দ্র প্রধান পদত্যাগ না করার নির্দিষ্ট সময়সীমা না থাকলেও আন্দোলন চলবে।

মাত্র এক মাস আগে গঠিত ‘ককরোচ জনতা পার্টি’ প্রধানমন্ত্রীর দল ভারতীয় জনতা পার্টির (বিজেপি) ব্যঙ্গাত্মক রূপ। দলের প্রতীক ‘তেলাপোকা’ বেছে নেওয়া হয়েছে ভারত পূর্বের প্রধান বিচারপতির একটি মন্তব্যকে কেন্দ্র করে, যা অনেকের মতে বেকার যুবকদের ‘তেলাপোকা’ হিসেবে আখ্যা দিয়েছিল।

ভারতের বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় চলমান প্রশ্নফাঁস, প্রযুক্তিগত ত্রুটি ও উচ্চ বেকারত্বের কারণে হতাশ শিক্ষার্থীদের সাথে এই আন্দোলন যুক্ত হয়েছে। সম্প্রতি দেশের বিভিন্ন শহরে বিক্ষোভে অংশ নেওয়ার পর আন্দোলনের কেন্দ্রবিন্দু হয়ে ওঠে নয়াদিল্লির যন্তর মন্তর।

প্রতিদিন শত শত মানুষ পোস্টার, স্লোগান ও দেশাত্মবোধক গান নিয়ে আন্দোলনে যোগ দিচ্ছেন। শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখতে অনেক বিক্ষোভকারী দায়িত্বরত পুলিশ সদস্যদের গোলাপ ফুল উপহার দিচ্ছেন। অনেকে জাতীয় পতাকা ও সংবিধানের কপি হাতে নিয়ে অবস্থান কর্মসূচিতে অংশ নিচ্ছেন।

আন্দোলনে প্রতিদিনই থাকা বিভিন্ন প্রতীকী কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হচ্ছে। একদিন বিক্ষোভকারীরা থালা-বাসন বাজিয়ে কোভিড-১৯ মহামারির সময় মোদির আহ্বানের প্রতি ব্যঙ্গাত্মক ইঙ্গিত দেন। আবার মঙ্গলবার অংশগ্রহণকারীদের ডায়াপার নিয়ে এসে শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের দাবি লেখার আহ্বান জানানো হয়। অভিজিৎ দীপকের ভাষায়, ভারতে এমন কোনো সরকারি পরীক্ষা নেই যেখানে প্রশ্নফাঁস হয় না। তাই ডায়াপার ছিল প্রশ্নফাঁস ঠেকানোর প্রতীকী বার্তা।

ভারতের উচ্চশিক্ষা ও সরকারি চাকরির জন্য অনুষ্ঠিত প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রতি বছর লাখো শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে। সীমিত সংখ্যক আসনের জন্য তীব্র প্রতিযোগিতায় সামান্য নম্বরের ব্যবধান একজন শিক্ষার্থীর ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করে। তবে দীর্ঘ সময় ধরে প্রশ্নফাঁস, অনিয়ম ও প্রযুক্তিগত ত্রুটির অভিযোগে বিতর্কের মুখে রয়েছে এই পরীক্ষা ব্যবস্থা।

গত মাসে ভারতের সবচেয়ে বড় মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষায় অংশ নেওয়া ২০ লাখের বেশি শিক্ষার্থীর ফলাফল প্রশ্নফাঁসের অভিযোগে বাতিল করা হয়। এরপর পরীক্ষার চাপ ও অনিশ্চয়তা নিয়ে অভিযোগ ওঠা একাধিক শিক্ষার্থীর আত্মহত্যার ঘটনাও ভারতীয় গণমাধ্যমে প্রকাশিত হয়। আন্দোলনকারীরা নিহত শিক্ষার্থীদের স্মরণে মোমবাতি প্রজ্বালন করে শ্রদ্ধা জানান।

এদিকে ভারতের সংবাদমাধ্যম এনডিটিভিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান ‘ককরোচ জনতা পার্টি’কে ‘সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর বি-টিম’ বলে মন্তব্য করেন। তবে এ অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করে অভিজিৎ দীপ বলেন, শিক্ষার্থীদের জন্য ন্যায়বিচার চাওয়ার পরিবর্তে আমাদের সন্ত্রাসী বলা হচ্ছে। তিনি বলেছেন, নৈতিক দায় স্বীকার না করে এ ধরনের মন্তব্য অত্যন্ত দুঃখজনক।

পরীক্ষা ব্যবস্থার নিরাপত্তা জোরদারে সম্প্রতি মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষার পুনঃপরীক্ষার প্রশ্নপত্র পরিবহনে সামরিক বিমান ব্যবহার এবং পরীক্ষাকেন্দ্রে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

এদিকে আন্দোলনস্থলে প্রতিদিন স্বেচ্ছাসেবীরা খাবার, বিশুদ্ধ পানি ও প্রয়োজনীয় বিভিন্ন সামগ্রী নিয়ে আসছেন। দিনের বেলায় ২০০ থেকে ৩০০ জন এবং সন্ধ্যার পরে প্রায় ৫০০ জন পর্যন্ত বিক্ষোভকারী সেখানে অবস্থান করছেন। রাতে প্রায় ৫০ জন আন্দোলনকারী যন্তর মন্তরেই অবস্থান করেন।

ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা সম্পর্কে অভিজিৎ দীপ জানান, আন্দোলন এখনও প্রাথমিক পর্যায়ে রয়েছে। বিভিন্ন রাজ্যে সংগঠনের সাংগঠনিক কাঠামো গড়ে তোলার পাশাপাশি ভারতের পরীক্ষা ব্যবস্থায় দীর্ঘমেয়াদি সংস্কার তাদের প্রধান লক্ষ্য।

সূত্র: সিএনএন

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ছাড় করা অর্থ দিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের কৃষিপণ্য কেনার দাবি ভিত্তিহীন: ইরানের স্পিকার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শুক্রবার, ২৬শে জুন, ২০২৬ ইং

১১:১৬ পি.এম


ছাড় করা অর্থ দিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের কৃষিপণ্য কেনার দাবি ভিত্তিহীন: ইরানের স্পিকার

মার্কিন কৃষিপণ্য কেনার জন্য ইরানের অবমুক্ত অর্থ ব্যয় হবে, যুক্তরাষ্ট্রের এমন দাবিকে সরাসরি নাকচ করে দিয়েছেন দেশটির পার্লামেন্ট স্পিকার ও প্রধান আলোচক মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ।

তিনি এই বক্তব্যকে সম্পূর্ণ অসত্য বলে উল্লেখ করে বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে প্রতিশ্রুতি ভঙ্গের অভিযোগও তুলেছেন।

বৃহস্পতিবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে গালিবাফ মন্তব্য করেন, ওয়াশিংটন ভুল তথ্য ছড়াচ্ছে যে ইরানের অবমুক্ত সম্পদ দিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের কৃষিপণ্য কেনা হবে। ব্যঙ্গাত্মক ভাষায় তিনি লিখেছেন, বহু বছর ধরে যুক্তরাষ্ট্রের নীতির কারণে যে অবিশ্বাস তৈরি হয়েছে, সেটিই এখন তাদের বপন করা ফসল হিসেবে ফিরে এসেছে। তিনি কটাক্ষ করে আরও বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের রপ্তানির তালিকায় দেখা যায়, জিএমও সয়াবিন, প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ এবং ফাঁকা কথাবার্তাই বেশি।

এর আগে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছিলেন, পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় হওয়া সমঝোতা স্মারকের প্রাথমিক ধাপে ৫০ কোটি ডলারের মার্কিন পণ্য অন্তর্ভুক্ত থাকবে। ট্রাম্পের ভাষ্য অনুযায়ী, কোনো অর্থ সরাসরি ইরানের হাতে যাবে না; বরং সেই অর্থ দিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের কৃষকদের কাছ থেকে ভুট্টা ও গম কিনে ইরানের খাদ্যসংকট মোকাবিলায় ব্যবহার করা হবে।

মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্সও একই ধরনের বক্তব্য দেন। তার মতে, ইরানের জব্দ সম্পদ অবমুক্ত হলে তা মার্কিন কৃষকদের জন্য লাভবান হবে এবং ইরানের জনগণের জন্য খাদ্য সরবরাহ নিশ্চিত করতে সহায়ক হবে।

এদিকে, বাহরাইনের রাজধানী মানামায় এক বৈঠকে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও বলেন, যুক্তরাষ্ট্র এমন একটি চুক্তি চায়, যা দেশের নিরাপত্তা, অর্থনৈতিক স্বার্থ এবং আঞ্চলিক মিত্রদের স্বার্থের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ থাকবে।

তবে ইরানের রাষ্ট্রীয় ও আধা-সরকারি সংবাদমাধ্যমগুলো যুক্তরাষ্ট্রের এই ব্যাখ্যার সঙ্গে একমত নয়। তাদের দাবি, এটি কোনো ছাড় নয়; বরং ইরানের জন্য একটি কৌশলগত সাফল্য।

আধা-সরকারি মেহের নিউজ এজেন্সির বরাতে জানা যায়, আজারবাইজানের রাজধানী বাকু সফরকালে গালিবাফ সমঝোতা স্মারককে যুক্তরাষ্ট্রের পরাজয়ের স্বীকৃতি হিসেবে উল্লেখ করেন। তিনি দাবি করেন, চুক্তিতে এমন কোনো আইনি বাধ্যবাধকতা নেই, যা ইরানকে মার্কিন পণ্য কিনতে বাধ্য করবে।

অন্যদিকে, সোমবার ইরানের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নরও মন্তব্য করেন, অবমুক্ত হওয়া অর্থ শুধু জরুরি বা নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য কেনার জন্য সীমাবদ্ধ থাকবে না; প্রয়োজনে অন্যান্য ক্ষেত্রেও তা ব্যবহার করা যেতে পারে।

সমঝোতা স্মারকের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে এখনও দুই দেশের মধ্যে আলোচনা চলমান থাকায় এর বাস্তবায়ন পদ্ধতি ও ব্যাখ্যা নিয়ে উভয় পক্ষের অবস্থানে পার্থক্য স্পষ্ট হয়ে উঠছে।

এটি উল্লেখযোগ্য যে, পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় সম্পাদিত এই সমঝোতা ১৮ জুন কার্যকর হয়। ওই দিন ইলেকট্রনিক স্বাক্ষরের মাধ্যমে চুক্তির আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়া শুরু করেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসউদ পেজেশকিয়ান।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২৬শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৫০
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪০
মাগরিব ০৫:১৬
ইশা ০৬:২৯
সূর্যোদয় : ০৬:০৮ সূর্যাস্ত : ০৫:১৬
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%