ঢাকা মঙ্গলবার, ২৭শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১১ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৬ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২৭শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১১ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

নকলায় শ্রদ্ধা-ভালোবাসায় প্রধান শিক্ষকের বিদায় সংবর্ধনা


নকলায় শ্রদ্ধা-ভালোবাসায় প্রধান শিক্ষকের বিদায় সংবর্ধনা

শেরপুরের নকলা উপজেলার বানেশ্বরদী ইউনিয়নের মোজারকান্দা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের আরও সুনামধন্য প্রধান শিক্ষক আবু রায়হান স্যারের অবসর জনিত কারণে বিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে আয়োজিত বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত হয়েছে। রবিবার বিকেলে বিদ্যালয়টির অফিস কক্ষে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা প্রিয় শিক্ষককে বিদায় জানাতে সংক্ষিপ্ত পরিসরে সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করেন।

এ উপলক্ষে বক্তারা বিদায়ী প্রধান শিক্ষক আবু রায়হান স্যারের শিক্ষকতা জীবনের সময়কালে প্রশাসনিক এবং একাডেমিক কর্মকান্ডের উপর নিজেদের স্মৃতিচারণ করেছেন। বক্তারা জানান, বিদায়ী স্যারের অসাধারণ কর্মদক্ষতা, কাজের প্রতি শ্রদ্ধা, একাগ্রতা এবং নিয়মিত আচরণের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের নৈতিক উন্নয়নসহ শিক্ষার সার্বিক মান উন্নয়নে বাস্তবায়িত তাঁর কর্মকান্ড বর্তমান ও ভবিষ্যতের শিক্ষকদের জন্য এক অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে। বক্তারা বলেছেন, তিনি যেভাবে সৎ, আদর্শ ও দায়িত্বশীল শিক্ষকের ভূমিকা পালন করেছেন, তার শূণ্যেরতা পূরণ করা সহজ হবে না। বক্তারা আশা প্রকাশ করেন যে, আবু রায়হান স্যার সবার প্রিয় ও অনুসরণীয় শিক্ষক হিসেবেই সকলের হৃদয়ে অমিত ঘটবেন। বক্তারা আল্লাহর কাছে দোয়া করেন যে, তিনি যেন অবসর জীবনে নিরাপদ ও সুখী হতে পারেন।

বিদায়ী আবু রায়হান স্যার তাঁর বক্তব্যের মাঝে আবেগপ্রবণ হয়ে ওঠেন। তিনি বলেন, অবসরের পরের দিনগুলো যেন সুস্থতার সাথে কাটাতে পারেন, সেজন্য তিনি সবার কাছে দোয়া চাইলেন। এছাড়া তিনি শিক্ষক, শিক্ষার্থী, অভিভাবকসহ সকলের সুস্থতা এবং সার্বিক উন্নতি কামনা করেন।

আরও পড়ুন: বরিশালে বালু ব্যবসায়ীকে ৪ লাখ জরিমানা, মা ইলিশ অভিযানে ৮ জন দণ্ডিত

বিদায়ী স্যারের চাকরি কালীন সময়ে স্মরণীয় কর্মকান্ডের উপর আলোচনার পর শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা তাঁর হাতে স্মৃতিস্বরূপ বিভিন্ন উপহার সামগ্রী তুলে দেন। এই সময়ে বিদ্যালয়টির সহকারী শিক্ষক খোরশেদ আলী, লাভলী বেগম, আছমাউল হোছনা এবং জেসমিনসহ আবেগপ্রবণ শিশু শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।

আলোচনা সভার পর আছমাউল হোছনা-এর কাছে দায়িত্ব হস্তান্তর এবং অফিসিয়াল কাজ কর্ম ও সকল নথিপত্র বিদায়ী প্রধান শিক্ষক আবু রায়হান স্যার বুঝিয়ে দেন।

উল্লেখ্য, আবু রায়হান ১৯৯২ সালের ১১ নভেম্বর উপজেলার “মোজাকন্দা শাহ মুহাম্মদ আজিজুল হক প্রাথমিক বিদ্যালয়”-এ শিক্ষকতা জীবন শুরু করেন এবং পরবর্তীতে সরকারের বদলি আদেশ মোতাবেক বড়ইতার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে দায়িত্ব পালন করেন। উভয় কর্মস্থলে তিনি অগণিত শিশু শিক্ষার্থীর মাঝে জ্ঞানের আলো ছড়িয়ে দিয়েছেন এবং শিশুদের শিক্ষার হাতেখড়ি গড়ে তুলেছেন। শিক্ষার্থীদের শিক্ষার মান উন্নয়নের জন্য তাঁর উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রাখায় সংশ্লিষ্ট এলাকার মানুষের মনজয় করেছেন এবং সুনাম অর্জন করেছেন। সবশেষে, তিনি উপজেলার বানেশ্বরদী ইউনিয়নের “মুজারকান্দা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়” থেকে অবসর গ্রহণ করেন।

আরও পড়ুন: ইঞ্জিন বিকল হয়ে ট্রলারডুবি, নিখোঁজ দুই জেলে

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সংসদ সদস্যের রাজনৈতিক সচিব, আবুল কাওসার আশা শিক্ষক অভিভাবকদের মতবিনিময় সভা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মোঃ নাজির খান নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি

রবিবার, ২ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

১০:৩২ পি.এম


সংসদ সদস্যের রাজনৈতিক সচিব, আবুল কাওসার আশা শিক্ষক অভিভাবকদের মতবিনিময় সভা

ঐতিহ্যবাহী নারায়ণগঞ্জ হাই স্কুল অ্যান্ড কলেজে অনুষ্ঠিত হলো শিক্ষার মান উন্নয়ন ও শিক্ষার্থীদের পড়ালেখায় মনোযোগী করার লক্ষ্যে অষ্টম শ্রেণির শিক্ষক ও অভিভাবকদের মতবিনিময় সভা।সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আলহাজ্ব আবুল কাউছার আশা, যিনি নারায়ণগঞ্জ হাই স্কুল এন্ড কলেজের সভাপতি। সভার সভাপতিত্ব করেন মোঃ মাহমুসুল হাসান ভূইয়া, ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ, নারায়ণগঞ্জ হাই স্কুল এন্ড কলেজ। এটি ছিল ২রা আগস্ট ২০২৬, রবিবার।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ওজনে কম দেওয়ায় নাবিস্কো বিস্কুট কারখানাকে ২ লাখ টাকা জরিমানা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ২ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

১০:৩৬ পি.এম


ওজনে কম দেওয়ায় নাবিস্কো বিস্কুট কারখানাকে ২ লাখ টাকা জরিমানা

বাংলাদেশের জনপ্রিয় বিস্কুট কোম্পানি নাবিস্কো বিস্কুট অ্যান্ড ব্রেড ফ্যাক্টরিকে অভিযোগের ভিত্তিতে ওজনে কম দেওয়ার কারণে ২ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। অভিযোগ অনুযায়ী, জানা যায়, মোড়কে উল্লেখিত ওজনের তুলনায় কম ওজনের বিস্কুট বাজারজাত করা হয়েছে এবং একই পণ্যের মোড়কে ভিন্ন ভিন্ন ওজন উল্লেখ করে ভোক্তাদের বিভ্রান্ত করা হত।

জানা যায়, রবিবার (২ আগস্ট) রাজধানীর তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল এলাকায় বিএসটিআইয়ের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট লুৎফুন্নেসা খানমের নেতৃত্বে পরিচালিত ভ্রাম্যমাণ আদালতে এই জরিমানা প্রশাসন করা হয়।

বিএসটিআই জানিয়েছে, অভিযানের সময় দেখা যায় প্রতিষ্ঠানটির উৎপাদিত বিভিন্ন ব্র্যান্ডের বিস্কুটের মোড়ক নিবন্ধন সনদের অনুযায়ী ওজন যাচাই করা হয়েছে এবং দেখা গেছে, পণ্যের প্রকৃত ওজন মোড়কে উল্লেখিত ওজনের চেয়ে কম। এছাড়া একই পণ্যের মোড়কের সামনের এবং পেছনের অংশে ভিন্ন ভিন্ন ও বিভ্রান্তিকর ওজন উল্লেখ করা হয়েছে, যা ভোক্তাদের বিভ্রান্ত করার পাশাপাশি প্রচলিত আইনও লঙ্ঘন করছে।

ভ্রাম্যমাণ আদালত প্রতিষ্ঠানটিকে মোড়কে ঘোষিত তথ্য অনুযায়ী সঠিক ওজন নিশ্চিত করে পণ্য উৎপাদন, বিক্রয় ও বাজারজাত করার নির্দেশনা প্রদান করে। একই সঙ্গে, আদালত ভবিষ্যতে এ ধরনের অনিয়মের পুনরাবৃত্তি ঘটলে আইন অনুযায়ী আরো কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য প্রতিষ্ঠানটিকে সতর্ক করে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ে নবনিযুক্ত ট্রেজারারের দায়িত্ব গ্রহণ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

সাব্বির হাসনাত, রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি

রবিবার, ২ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

১০:৪০ পি.এম


রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ে নবনিযুক্ত ট্রেজারারের দায়িত্ব গ্রহণ

আজ রবিবার (০২ আগস্ট ২০২৬) রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার হিসেবে অধ্যাপক ড. মো. জাহাঙ্গীর হোসেন আনুষ্ঠানিকভাবে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবন-১-এ দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন। এর আগে, মহামান্য রাষ্ট্রপতির অনুমোদনক্রমে শিক্ষা মন্ত্রণালয় গত সোমবার (২৭ জুলাই ২০২৬) জারিকৃত প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ফোকলোর অ্যান্ড সোশ্যাল ডেভেলপমেন্ট স্টাডিজ বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. জাহাঙ্গীর হোসেনকে রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার হিসেবে নিয়োগ প্রদান করে। এরপর অধ্যাপক ড. মো. জাহাঙ্গীর হোসেন গত বুধবার (২৯ জুলাই ২০২৬) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে যোগদান করেন।

আজ রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের মাননীয় উপাচার্য অধ্যাপক তাহ্‌মিনা আখতার এবং উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আবদুস সোবাহান নবনিযুক্ত ট্রেজারারকে ফুলেল শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান। এসময় বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের সভাপতি, দপ্তরপ্রধান, শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

নবনিযুক্ত ট্রেজারারকে স্বাগত জানিয়ে মাননীয় উপাচার্য অধ্যাপক তাহ্‌মিনা আখতার বলেন, "আমি বিশ্বাস করি, নবনিযুক্ত ট্রেজারার অধ্যাপক ড. মো. জাহাঙ্গীর হোসেন তাঁর অভিজ্ঞতা, দক্ষতা ও পেশাদারিত্বের মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয়ের আর্থিক ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা, জবাবদিহি ও সুশাসন প্রতিষ্ঠায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবেন। শিক্ষা, গবেষণা এবং প্রাতিষ্ঠানিক উন্নয়নের লক্ষ্যে সম্পদের কার্যকর ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করে বিশ্ববিদ্যালয়ের অগ্রযাত্রাকে আরও গতিশীল করতে তিনি সফল হবেন বলে আমি প্রত্যাশা করি। তাঁর সফল কর্মজীবন ও সর্বাঙ্গীণ সাফল্য কামনা করছি।"

নবনিযুক্ত ট্রেজারার অধ্যাপক ড. মো. জাহাঙ্গীর হোসেন বলেন, "রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের আর্থিক ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা, জবাবদিহি, দক্ষতা এবং সুশাসন নিশ্চিত করা আমার অন্যতম অগ্রাধিকার হবে। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ও গবেষণার পরিবেশ উন্নয়ন, অবকাঠামোগত সম্প্রসারণ এবং দীর্ঘমেয়াদি প্রাতিষ্ঠানিক উন্নয়নের লক্ষ্যে কার্যকর আর্থিক পরিকল্পনা ও সম্পদের সর্বোত্তম ব্যবহারে আমি আন্তরিকভাবে কাজ করব। মাননীয় উপাচার্যের নেতৃত্বে বিশ্ববিদ্যালয়ের অগ্রযাত্রায় ইতিবাচক ভূমিকা রাখতে সকলের সহযোগিতা কামনা করছি।"

দায়িত্ব গ্রহণ শেষে নবনিযুক্ত ট্রেজারার বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। অধ্যাপক ড. মো. জাহাঙ্গীর হোসেন হলেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ফোকলোর অ্যান্ড সোশ্যাল ডেভেলপমেন্ট স্টাডিজ বিভাগের অধ্যাপক। তিনি একই বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ফোকলোর বিষয়ে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন এবং ‘বাংলাদেশের লোকনাট্য: ঐতিহ্য ও আধুনিকতা’ বিষয়ে পিএইচডি ডিগ্রি লাভ করেন। দীর্ঘ কর্মজীবনে তিনি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ একাডেমিক ও প্রশাসনিক দায়িত্ব পালন করেছেন। এর মধ্যে হলের প্রভোস্ট, বিভাগের চেয়ারম্যানসহ বিভিন্ন পদে দায়িত্ব পালন উল্লেখযোগ্য।

উল্লেখ্য, প্রফেসর ড. মো. জাহাঙ্গীর হোসেন ফোকলোর বিষয়ক পত্রিকা 'ঐতিহ্য' এর সম্পাদক। বাংলাদেশের লোকজ ঐতিহ্যকে সফলভাবে তুলে ধরতে তিনি প্রতিষ্ঠা করেছেন 'বাংলাদেশ ফোকলোর গবেষণা কেন্দ্র'। ইতোমধ্যে তিনি মৌলিক গবেষণা গ্রন্থ 'বাংলাদেশের ফোকলোর সাধক'-এর জন্য বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের কলা, মানবিক, আইন ও শিক্ষা শাখা থেকে ইউজিসি এওয়ার্ড-২০০৭ অর্জন করেন। এছাড়াও রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় পুরস্কারসহ অন্যান্য পুরস্কার লাভ করেন। গবেষণাক্ষেত্রেও তাঁর রয়েছে উল্লেখযোগ্য অবদান; দেশি-বিদেশি স্বনামধন্য জার্নালে তাঁর ৪৫টি মৌলিক গবেষণা প্রবন্ধ এবং ১৮টি গবেষণামূলক গ্রন্থ প্রকাশিত হয়েছে। তাঁর উল্লেখযোগ্য গ্রন্থগুলো হলো- বাংলাদেশের ফোকলোর সাধক (২০০৭), ফোকলোর: যোগাযোগ ও উন্নয়ন (২০১১), বাংলার লোকনৃত্য পরিচিতি (২০১২), লোকনাট্য: দাইঘুরা গান (২০১৩), দক্ষিণবঙ্গের ঐতিহ্যবাহী লোকনাট্য: গাজীর গান (২০১৪), বাংলাদেশের পেশাজীবী ও ফোকলোর (২০১৫-যৌথ), ফোকলোর অধ্যয়ন (২০১৫), লোকশিল্প (ইউজিসি কর্তৃক প্রকাশিত ২০১৬), বাংলাদেশের লোকনাট্য (২০১৯), বাঙালির ঐতিহ্যবাহী লোকখাদ্য খেজুরের গুড় (২০২৪), বাঙালির উৎসব ও সম্প্রীতি (২০২৪)। সম্পাদিত গ্রন্থ: লোকসংস্কৃতির অঙ্গনে কুষ্টিয়া (২০১৩), বাংলার জনজাতি ও সংস্কৃতি (২০১৯)। সম্পাদিত গবেষণা পত্রিকা: ঐতিহ্য, ফোকলোর বিষয়ক পত্রিকা (২০০৯), ঐতিহ্য (লোকমেলা ও লোকউৎসব সংখ্যা-201৩)। গল্পগ্রন্থ: ছোটদের প্রিয় ভূত মামা (২০১৪)। উপন্যাস: যুদ্ধে ফুলবানু (২০১৪) ও ট্রেনের জানালার বাইরে (২০২৫)।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

স্ত্রীকে হাতুড়ি দিয়ে পিটিয়ে হত্যা করল স্বামী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ২ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

১০:৪৬ পি.এম


স্ত্রীকে হাতুড়ি দিয়ে পিটিয়ে হত্যা করল স্বামী

নড়াইলের লোহাগড়ায় পারিবারিক কলহের কারণে স্ত্রীকে হাতুড়ি দিয়ে পিটিয়ে হত্যা করার পর থানায় গিয়ে আত্মসমর্পণ করেছেন জসিম শেখ নামের এক ব্যক্তি।

রোববার (২ আগস্ট) দুপুরে উপজেলার করফা গ্রামে এ ঘটনা ঘটেছে। এদিন বিকেল ৪টার দিকে আহত গৃহবধূ জোনাকি খানমের মৃত্যু ঘটে।

পুলিশ ও পরিবারের সূত্রমতে, পারিবারিক কলহের জেরে জোনাকি খানমকে মারধর করার পর তার স্বামী জসিম শেখ হাতুড়ি নিয়ে থানায় যান। এসময় তিনি পুলিশের কাছে স্ত্রীকে মারধর করার বিষয়টি জানান। পরে পুলিশ গিয়ে জানতে পারে যে, গুরুতর আহত অবস্থায় জেসমিন খানমকে প্রথমে লোহাগড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায় তার স্বজনরা।

এরপর উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

এ বিষয়ে লোহাগড়া থানার ওসি (তদন্ত) অজিত কুমার বলেন, গৃহবধূর মৃত্যুর বিষয়ে আমরা পরিবারের মাধ্যমে জানতে পেরেছি। এ ঘটনার প্রেক্ষিতে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৬ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৫
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২৩
ইশা ০৬:৩৫
সূর্যোদয় : ০৬:০১ সূর্যাস্ত : ০৫:২৩
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%