বৃহস্পতিবার, ১৬ই জুলাই, ২০২৬ ইং
১০:২৯ এম
যুক্তরাষ্ট্র সৌদি আরবের কাছে ১.৯৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলার মূল্যের ‘অ্যাডভান্সড প্রিসিশন কিল ওয়েপন সিস্টেম’ বিক্রির সম্ভাব্য অনুমোদন দিয়েছে বলে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর জানিয়েছে।
এই চুক্তির আওতায়, সৌদি আরব ১০ হাজারটি এয়ার-টু-এয়ার গাইডেন্স সেকশন এবং ১০ হাজারটি এয়ার-টু-গ্রাউন্ড গাইডেন্স সেকশন কিনতে চেয়েছে। এসব প্রযুক্তি ক্ষেপণাস্ত্রকে আরও নির্ভুলভাবে লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত করতে সহায়তা করবে।
চুক্তির প্রধান ঠিকাদার হিসেবে বিএই সিস্টেমস কাজ করবে। চুক্তি বাস্তবায়নের জন্য যুক্তরাষ্ট্র ১৫ জন সরকারি কর্মকর্তা এবং ১৫ জন ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিকে সৌদি আরবে পাঠানোর পরিকল্পনা করেছে। তারা সামরিক কার্যক্রম, প্রযুক্তিগত মূল্যায়ন, প্রশিক্ষণ এবং রক্ষণাবেক্ষণ কাজে সহায়তা করবেন।
মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর উল্লেখ করেছে, এই অস্ত্র বিক্রি সৌদি আরবের নিরাপত্তা শক্তিশালী করবে, যা আঞ্চলিক রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ও অর্থনৈতিক উন্নয়ন বজায় রাখতে সাহায্য করবে, সেইসাথে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রনীতি ও জাতীয় নিরাপত্তা লক্ষ্য বাস্তবায়নেও সহায়ক হবে।
পররাষ্ট্র দপ্তরের মতে, এই চুক্তির ফলে সৌদি আরবের প্রতিরক্ষা সক্ষমতা শক্তিশালী হবে এবং যুক্তরাষ্ট্র, ন্যাটো ও অন্যান্য মিত্র দেশের বাহিনীর সঙ্গে যৌথভাবে কাজ করার সক্ষমতাও বৃদ্ধি পাবছে।
এছাড়া সৌদি আরব বর্তমান ও ভবিষ্যতের নিরাপত্তা হুমকি মোকাবিলায় প্রস্তুত থাকবে। এই নতুন অস্ত্র ব্যবস্থা দেশটির বিমানবাহিনীর কার্যক্ষমতা বৃদ্ধি করবে এবং শত্রু বিমান ও স্থলভিত্তিক লক্ষ্যবস্তুর বিরুদ্ধে আত্মরক্ষার সক্ষমতা উন্নত করবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ফাইনালের লড়াইয়ে আর্জেন্টিনার বিপক্ষে ২-১ গোলের ব্যবধানে পরাজিত হয়েছে ইংল্যান্ড। এই পরাজয়ে দেশটির সাবেক খেলোয়াড়রা কোচ থমাস টুখেলকে সমালোচনার শিকার করছেন। তাদের মতে, অতিরিক্ত রক্ষণাত্মক হয়ে পড়ার কারণে ইংল্যান্ডের এই দশা।
এদিকে, টুখেল নিজে জানিয়েছেন যে, তিনি কৌশলগত সিদ্ধান্ত নিয়ে কোনো ‘আক্ষেপ নেই’। তার বক্তব্য, সমস্যাটি কৌশলগত কাঠামোর কারণে হয়নি।
টুখেল বলেন, "আমরা অবশ্যই দ্বিতীয় গোলটি পেতে চেয়েছিলাম। কিন্তু আমার মনে হয়নি আক্রমণাত্মক খেলোয়াড় নামানোতে কোনো লাভ হবে। আমরা আমাদের ৪-৪-২ ছকে খেলেছি। কিন্তু আমরা ক্রমশ আরও বেশি রক্ষণাত্মক হয়ে পড়ছিলাম।"
ইংল্যান্ডের সাবেক তারকা ওয়েইন রুনি, অ্যালেন শিয়েরার এবং জো হার্ট কোচের অতিরিক্ত রক্ষণাত্মক হওয়ার বিষয়ে সমালোচনা করেছেন। ম্যাচ-পরবর্তী আলাপচারিতা করতে গিয়ে ওয়েইন রুনি বলেন, লিড নেওয়ার পর আক্রমণাত্মক খেলোয়াড় তুলে রক্ষণাত্মক ফুটবলার নামানো ছিল টুখেলের সবচেয়ে বড় ভুল।
রুনি এর সঙ্গে যোগ করেন, "আপনি যদি একজন আক্রমণাত্মক খেলোয়াড় হন এবং ১-০ গোলে এগিয়ে যাওয়ার পর ম্যানেজারের পরিবর্তনগুলো দেখেন, তাহলে আপনার আত্মবিশ্বাস কমে যাবে। কতবার আর এভাবে পার পাওয়া যায়? তখন আপনি চিন্তা করতে শুরু করবেন, ‘ওহ না, আমরা কি এতক্ষণ রক্ষণভাগে সময় কাটাব? এভাবে আমরা ম্যাচটি শেষ করব কীভাবে?"
সাবেক গোলরক্ষক জো হার্ট বলেন, "থমাস টুখেলকে আমরা যতটা প্রশংসা করেছি, যেভাবে তিনি দ্রুত পরিবর্তন এনেছেন তাতে মনে হয় তিনি তার দলের ওপর বিশ্বাস হারিয়ে ফেলেছেন। তাঁকে মনে হয়নি তারা আর্জেন্টিনার বিরুদ্ধে অধিক আক্রমণ চালাতে পারবে।"
ইংল্যান্ডের সর্বকালের অন্যতম সেরা স্ট্রাইকার অ্যালেন শিয়েরারও এ বিষয়ে মত প্রকাশ করেছেন যে, টুখেলের রক্ষণাত্মক পরিকল্পনাই ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দিয়েছে। তিনি বলেন, "কোচ খুব দ্রুত তার কৌশল পরিবর্তন করেছিলেন। আশা ছিল এভাবে রক্ষণ সামলে ম্যাচ বের করে নেবেন, কিন্তু তার সিদ্ধান্ত বুমেরাং হয়েছে। এই সিদ্ধান্তগুলোই ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দিয়েছে।"
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বিশ্বের বহু দেশে বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের তুলনায় চীনের প্রতি বেশি ইতিবাচক মনোভাব প্রকাশ করা হচ্ছে। যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক গবেষণা প্রতিষ্ঠান পিউ রিসার্চ সেন্টারের নতুন এক বৈশ্বিক জরিপে এটি সামনে এসেছে।
এই প্রতিষ্ঠানটি ২০০২ সাল থেকে বিভিন্ন সময়ে জরিপ করছে এবং এবারই প্রথম এত বেশি দেশে চীনের প্রতি মানুষের ইতিবাচক মনোভাব যুক্তরাষ্ট্রের চেয়ে বেশী দেখা গেছে।
পিউ রিসার্চ সেন্টার জানিয়েছে, বিশ্বের বিভিন্ন দেশে চীন সম্পর্কে ইতিবাচক ধারণা আজ ইতিহাসের সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছে। অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি মানুষের ইতিবাচক ধারণা আগের তুলনায় আরও কমেছে। জরিপে আরও দেখানো হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও চীনের প্রেসিডেন্ট শি চিনপিং—দুজনের প্রতি মানুষের আস্থা তুলনামূলকভাবে দারুণভাবে কমেছে।
তবে বেশিরভাগ দেশে ট্রাম্পের চেয়ে শি চিনপিংয়ে আস্থা প্রকাশ করেছেন, কিছুটা বেশি। এই গবেষণার জন্য চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি থেকে মে মাসের মধ্যে বিশ্বের ৩৬টি দেশের ৪২,০০০ এর বেশি মানুষের মতামত নেওয়া হয়। তাদের প্রশ্ন করা হয়েছিল, তারা যুক্তরাষ্ট্র ও চীনকে খুব ইতিবাচক, কিছুটা ইতিবাচক, কিছুটা নেতিবাচক নাকি খুব নেতিবাচকভাবে দেখেন। জরিপে অংশগ্রহণকারী ৩৬টি দেশের মধ্যে ২৫টিতে চীনের প্রতি ইতিবাচক মনোভাব প্রদর্শনকারী মানুষের সংখ্যা যুক্তরাষ্ট্রের তুলনায় বেশি।
মাত্র ছয়টি দেশে এখনো যুক্তরাষ্ট্রকে চীনের চেয়ে বেশি ইতিবাচকভাবে দেখা হয়েছে। দেশগুলো হল পোল্যান্ড, ফিলিপাইন, দক্ষিণ কোরিয়া, ভারত, জাপান ও ইসরায়েল। এগুলোর বেশিরভাগ যুক্তরাষ্ট্রের ঘনিষ্ঠ মিত্র।
পিউ রিসার্চ সেন্টারের গবেষক জনাথন শুলম্যান বলেছেন, ২০০২ সাল থেকে তারা বিশ্বের বিভিন্ন দেশের বড় শক্তিধর দেশগুলো সম্পর্কে মানুষের মতামত সংগ্রহ করছেন। কিন্তু এবারে প্রথমবারের মতো এত বেশি দেশে চীনকে যুক্তরাষ্ট্রের তুলনায় বেশি ইতিবাচকভাবে দেখা হয়েছে।
তিনি জানান, অতীতের তুলনায় যুক্তরাষ্ট্রের জনপ্রিয়তা কমেছে এবং বিশেষ করে ২০০৮ সালে জর্জ ডব্লিউ বুশ প্রশাসনের শেষ দিকে এবং ২০১৭ সালে ট্রাম্পের প্রথম মেয়াদের শুরুর দিকে এই প্রবণতা দেখা গিয়েছিল। তবে সে সময়ে চীনের ভাবমূর্তি সাধারণত যুক্তরাষ্ট্রের সমান বা কিছুটা কম ছিল। এবারের জরিপে চীনের প্রতি ইতিবাচক মনোভাব সবচেয়ে বেশি বেড়েছে স্পেন, ইন্দোনেশিয়া, ইতালি, গ্রিস এবং কানাডায়। এছাড়া ইতালি, স্পেন, কলম্বিয়া, মেক্সিকো, ইন্দোনেশিয়া, মালয়েশিয়া, নাইজেরিয়া ও তুরস্কে চীন সম্পর্কে ইতিবাচক মতামত ইতিহাসের সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছে। জরিপে দেখা গেছে, মধ্যম আয়ের দেশগুলোর মানুষ সাধারণভাবে চীনকে তুলনামূলকভাবে বেশি ইতিবাচকভাবে দেখে। অন্যদিকে ধনী দেশগুলোর চীন সম্পর্কে নেতিবাচক ধারণা তুলনামূলকভাবে বেশি।
এই প্রবণতার একটি ব্যতিক্রম সিঙ্গাপুর। মাথাপিছু আয়ের দিক থেকে জরিপে থাকা দেশগুলোর মধ্যে সিঙ্গাপুর শীর্ষে থাকলেও দেশটিতে চীনের প্রতি ইতিবাচক মনোভাব শক্তিশালী। জরিপে সবচেয়ে বেশি ইতিবাচক মত পাওয়া গেছে পাকিস্তান থেকে। সেখানে প্রায় ৯০ শতাংশ মানুষ চীনকে ইতিবাচকভাবে দেখছেন। অন্যদিকে সবচেয়ে কম ইতিবাচক মত পাওয়া গেছে জাপান থেকে। সেখানে মাত্র ১১ শতাংশ মানুষ চীন সম্পর্কে ইতিবাচক ধারণা প্রকাশ করেছেন।
জরিপে অংশগ্রহণকারী ব্যক্তিদের কাছে আরও জানতে চাওয়া হয়েছিল, বিশ্ব রাজনীতির গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষেত্রে তারা ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং শি চিনপিংয়ের ওপর কতটা আস্থা রাখেন। ফলাফল থেকে দেখা যায়, দুই নেতার প্রতি আস্থার হার বেশিরভাগ দেশে ৫০ শতাংশের নিচে। তবে অনেক দেশে ট্রাম্পের তুলনায় শি চিনপিংয়ের প্রতি মানুষের আস্থা বেশি। শি চিনপিংয়ের প্রতি সবচেয়ে বেশি আস্থা দেখা গেছে পাকিস্তানে, যেখানে ৮৩ শতাংশ মানুষ তার ওপর আস্থা প্রকাশ করেছেন। বিপরীতে সবচেয়ে কম আস্থা দেখা গেছে জাপানে। সেখানে মাত্র ৭ শতাংশ মানুষ শির ওপর আস্থা রাখেন। অন্যদিকে, ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রতি সবচেয়ে বেশি আস্থা প্রকাশ করেছেন ফিলিপাইনের মানুষ। সেখানে তার প্রতি আস্থার হার ৬৮ শতাংশ। আর সবচেয়ে কম আস্থা দেখা গেছে পশ্চিম তীর ও পূর্ব জেরুজালেমে। সেখানে মাত্র ৪ শতাংশ মানুষ ট্রাম্পের ওপর আস্থা প্রকাশ করেছেন।
গবেষক জনাথন শুলম্যান বলেছেন, শি চিনপিংকে নিয়ে মানুষের মতামত সাধারণত খুব শক্ত অবস্থানের হয় না। কিন্তু ট্রাম্পের ক্ষেত্রে মানুষ অনেক বেশি স্পষ্ট এবং চরম অবস্থান থেকে মতামত দিয়েছেন।
জরিপে দেখা গেছে, এখনো বেশিরভাগ মানুষ মনে করেন, চীনের তুলনায় যুক্তরাষ্ট্র সরকার নিজেদের নাগরিকদের ব্যক্তিগত স্বাধীনতাকে অনেক বেশি সম্মান করে। তবে আগের তুলনায় এই ব্যবধান কমে এসেছে। অন্যদিকে, পররাষ্ট্রনীতির ক্ষেত্রে ভিন্ন চিত্র দেখা গেছে। মধ্যম আয়ের কয়েকটি দেশের করা অতিরিক্ত জরিপে ৭৫ শতাংশ মানুষ বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র অন্য দেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে অনেক বেশি হস্তক্ষেপ করে। একই প্রশ্নে চীনের ক্ষেত্রে এই মত দিয়েছেন ৪৫ শতাংশ মানুষ। সাম্প্রতিক কিছু বছরে অন্যান্য আন্তর্জাতিক গবেষণায়ও একই ধরনের প্রবণতা দেখা গেছে। জরিপকারী প্রতিষ্ঠান গ্যালাপ জানিয়েছে, গত বছর বৈশ্বিক গ্রহণযোগ্যতার দিক থেকে চীন প্রথমবার যুক্তরাষ্ট্রকে ছাড়িয়ে গেছে। গত দুই দশকে এটিই ছিল সবচেয়ে বড় ব্যবধান।
তবে এশিয়া সোসাইটির আরেকটি গবেষণায় বলা হয়েছে, করোনা মহামারির সময় চীনের যে ভাবমূর্তি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল, তা এখনও সীমিত পরিসরে উন্নতি করতে পেরেছে। কার্নেগি চায়নার গবেষক ড. চং জা ইয়ান বলেন, পিউর সর্বশেষ ফল তার কাছে অস্বাভাবিক মনে হয়নি। তার মতে, যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রনীতির ঘন ঘন পরিবর্তন, শক্তি প্রয়োগের প্রবণতা এবং এর অর্থনৈতিক প্রভাব অনেক দেশকে উদ্বিগ্ন করে তুলেছে। যার ফলে অনেক দেশের মানুষ চীনকে তুলনামূলকভাবে বেশি স্থিতিশীল ও পূর্বানুমানযোগ্য অংশীদার হিসেবে দেখতে শুরু করেছেন। তিনি আরও বলেন, বিশেষ করে যে উন্নয়নশীল দেশগুলোর সাথে সম্পর্ক উন্নত করতে চীন দীর্ঘদিন ধরে কাজ করছে, তাদের সঙ্গে সম্পর্ক স্থাপন করে ড. চং মনে করে যে, এর প্রভাবও এখন দৃশ্যমান। যদিও ড. চং মনে করেন, চীনের প্রতি ইতিবাচক ধারণা বাড়ছে, তবে শি চিনপিংয়ের প্রতিও মানুষের আস্থা তুলনামূলকভাবে কম রয়েছে। তার মতে, অনেক মানুষ চীনকে একটি স্থিতিশীল রাষ্ট্র হিসেবে দেখেন। তবে একই সঙ্গে তারা শি চিনপিংকে একজন শক্তিশালী কর্তৃত্ববাদী নেতা হিসেবেও মনে করেন। তিনি আরও বলেন, শি জিনপিংয়ের নেতৃত্বে চীন আন্তর্জাতিক অঙ্গনে আরো দৃঢ় অবস্থান নিয়েছে এবং বিভিন্ন ইস্যুতে নিজেদের অবস্থান অন্য দেশগুলোর ওপরও জোর দিয়ে তুলে ধরছে। এ ছাড়া দেশটিতে সংখ্যালঘু অধিকার ও তাদের সঙ্গে আচরণ নিয়ে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে প্রশ্ন রয়েছে। তার মতে, অনেক মানুষ প্রযুক্তি ও অর্থনৈতিক অগ্রগতির মতো ইতিবাচক বিষয়গুলো চীনের সাফল্য হিসেবে দেখেন। তবে কঠোর নীতি ও চাপ সৃষ্টি করা সিদ্ধান্তগুলোর জন্য ব্যক্তিগতভাবে শি চিনপিংকে দায়ী করেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ, বীর বিক্রম কাতারের আমিরের কাছে প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক পাঠানো শোকবার্তা হস্তান্তর শেষে দেশে ফিরেছেন। স্পিকার আজ বৃহস্পতিবার রাত ৩ টায় হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে এসে পৌঁছান। জাতীয় সংসদ সচিবালয় থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়। এর আগে, স্পিকার ১৪ জুলাই, দুপুরে কাতারের সাবেক আমির ও বর্তমান আমিরের পিতার মৃত্যুতে গভীর শোক ও সমবেদনা জানাতে একটি সংক্ষিপ্ত সরকারি সফরে দোহায় পৌঁছান। তিনি কাতারের সাবেক আমির ও বর্তমান আমিরের পিতা শেখ হামাদ বিন খলিফা আল সানির মৃত্যুতে কাতারের আমির শেখ তামিম বিন হামাদ আল সানির কাছে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের শোকবার্তা হস্তান্তর করেন। এই সময় স্পিকার মহামহিম আমির এবং শোকসন্তপ্ত রাজপরিবারের সদসদের প্রতি বাংলাদেশের সরকার ও জনগণের পক্ষ থেকে আন্তরিক সমবেদনা জ্ঞাপন করেন এবং প্রয়াত আমিরের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন। শোকবার্তা হস্তান্তরের পর স্পিকার কাতারের শুরা কাউন্সিলের স্পিকার হাসান বিন আবদুল্লাহ আল-গানিমের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
কিশোরগঞ্জের মিঠামইন উপজেলা বিএনপির সভাপতি এস এম জাহাঙ্গীর আলমের হত্যার ঘটনায় মিঠামইন থানা পুলিশ তিনজনকে আটক করেছে। এ সময় উদ্ধার করা হয়েছে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত একটি চাপাতিও।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ১৫ জুলাই ২০২৬ তারিখে রাত আনুমানিক ৯টা ৪০ মিনিটে মিঠামইন সদর বেড়িবাঁধ এলাকার সামনে অবস্থিত নিজ বাসভবনে এস এম জাহাঙ্গীর আলম এবং তাঁর সঙ্গী হাদিসের ওপর ধারালো অস্ত্র দিয়েছিল হামলা। এর ফলে তারা গুরুতর আহত হন। পরে স্থানীয়রা তাঁদের উদ্ধার করে কিশোরগঞ্জ ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করেন। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় এস এম জাহাঙ্গীর আলম মারা যান।
এ ঘটনায় তাৎক্ষণিক অভিযান চালিয়ে পুলিশ মো. হেলাল (২৫), মো. মহিন উদ্দিন (৩২) এবং মো. শাকিল হোসেন ওরফে শাহীন (২৫)-কে আটক করেছে। পুলিশ জানিয়েছে, আটককৃতদের কাছ থেকে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত চাপাতি উদ্ধার করা হয়েছে।
পুলিশ আরও জানায়, আটক তিনজনকে থানার হেফাজতে রাখা হয়েছে। হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে। ঘটনার প্রকৃত কারণ উদ্ঘাটন এবং অন্য কেউ এতে জড়িত আছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
উল্লেখ্য, এস এম জাহাঙ্গীর আলম মিঠামইন উপজেলা বিএনপির সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন। তাঁর হত্যাকাণ্ডে এলাকাজুড়ে শোকের ছায়া নেমে এসেছে এবং রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ