ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

যন্তর মন্তরে আপত্তিকর স্লোগান, ‘তরুণদের ক্ষমা করার’ আহ্বান মোদির


যন্তর মন্তরে আপত্তিকর স্লোগান, ‘তরুণদের ক্ষমা করার’ আহ্বান মোদির

দিল্লির যন্তর মন্তরে চলমান প্রশ্নপত্র ফাঁসের প্রতিবাদ চলাকালে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও তার প্রয়াত মাকে নিয়ে আপত্তিকর স্লোগান দেওয়ার একটি ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় পুলিশ একজন তরুণীর বিরুদ্ধে মামলা করেছে।

কিন্তু মোদি এ বিষয়ে কোনো ক্ষোভ প্রকাশ করেননি। বরং তিনি দেশবাসীকে সংযম ও ক্ষমা দেখানোর আহ্বান জানিয়েছেন। প্রধানমন্ত্রী তরুণদের প্রতি রাগ না করে তাদের আপন করে নেওয়া এবং সঠিক পথ দেখানোর জন্য সকলের প্রতি অনুরোধ করেছেন।

প্রদেশ ও কেন্দ্রীয় নীতি সূত্রে জানা গেছে, গত ২৩ জুলাই যন্তর মন্তরে ‘ককরোচ জনতা পার্টি’র ব্যানারে আয়োজিত একটি ছাত্র বিক্ষোভ চলাকালে প্রধানমন্ত্রীকে লক্ষ্য করে আপত্তিকর ভাষা ব্যবহার করার অভিযোগ ওঠে।

আরও পড়ুন: ইসরাইলের নির্বাচনে ভোটার উপস্থিতি ৭৭.৭ শতাংশ, ১৯৯৯ সালের পর সর্বোচ্চ

এই ঘটনায় জনশৃঙ্খলা বিঘ্নিত এবং মানহানির একাধিক ধারায় নয়ডার থানায় একটি জিরো এফআইআর নথিভুক্ত হয়েছে, যা পরে দিল্লির পার্লামেন্ট স্ট্রিট থানায় স্থানান্তরিত করা হয়।

আইনি ব্যবস্থার পরে প্রধানমন্ত্রী এক ভিডিও বার্তায় বলেছেন, ‘যন্তর মন্তরে যা ঘটেছে তা দেশ দেখেছে। এমন ভাষা ব্যবহার করা হয়েছে যা সভ্য সমাজে অগ্রহণযোগ্য। আমাকে ও আমার প্রয়াত মাকে গালি দেওয়া হয়েছে। কিন্তু গালিগালাজ বা প্রতিশোধে কোনো সমাধান হয় না।’ তিনি আরও যোগ করেন, ‘তরুণ বয়সে ভুল হওয়া স্বাভাবিক। তাদের আদালতে টেনে এনে আইনিভাবে হয়রানি করলে পরিস্থিতি পাল্টাবে না। তাদের পথ হারিয়ে গেছে, তাদের সঠিক পথ দেখানো আমাদের কাজ। আমি তাদের ক্ষমা করতে চাই।’

অন্যদিকে, আয়োজক সংগঠন ‘ককরোচ জনতা পার্টি’র মুখপাত্র সৌরভ দাস বলেছেন, ব্যবহৃত ভাষা অনাকাঙ্ক্ষিত হতে পারে, তবে এজন্য দেওয়ানি বা ব্যক্তিগত মানহানির মামলা করা যেতে পারে। তবে সাধারণ বিক্ষোভকারীদের বিরুদ্ধে ফৌজদারি আইন প্রয়োগ ও প্রশাসনিক দমনপীড়ন অত্যন্ত নিন্দনীয়।

আরও পড়ুন: কোনো দল সংখ্যাগরিষ্ঠতা না পেলে পেলে কতদিন ক্ষমতায় থাকবেন নেতানিয়াহু?

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

৫ আগস্ট জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শনিবার, ১ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৯:০৯ এম


৫ আগস্ট জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী

সব অনিশ্চয়তা কাটিয়ে আগামী ৫ আগস্ট উদ্বোধন হতে যাচ্ছে জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর। এই জাদুঘরটি সাজানো হয়েছে স্বৈরশাসনের নির্যাতন, আন্দোলন-সংগ্রাম এবং ছাত্র-জনতার প্রতিরোধের নানা স্মৃতি ও দলিল নিয়ে। উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

একসময় লাল দেয়ালের গণভবন ছিল বিনা ভোটে ক্ষমতা ধরে রাখা, লুটপাট, বিরোধী মত দমন, খুন, গুম ও নির্যাতনের কেন্দ্র। এই গণভবনে অবস্থান করতেন ইতিহাসের নিকৃষ্টতম স্বৈরশাসক শেখ হাসিনা। বাকস্বাধীনতা হরণ ও লাগামহীন নির্যাতনের বিরুদ্ধে দীর্ঘদিনের ক্ষোভের বিস্ফোরণ ঘটে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট। এই ঘটনায় ছাত্র-জনতার আন্দোলনের মুখে স্বৈরাচারের পতন হয়। সেদিন গণভবনের প্রতিটি অংশে ছড়িয়ে পড়ে জনতার ক্ষোভ, আর স্বৈরশাসকের বাসভবন চলে যায় ছাত্র-জনতার দখলে।

এরপর বহু মানুষের চোখের পানির সাক্ষী সেই গণভবনকে জুলাই স্মৃতি জাদুঘরে রূপান্তরের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। ৫ আগস্টের নানা স্মৃতিচিহ্ন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের দুর্লভ দলিল, শহীদ ও আহতদের ব্যবহৃত পোশাক, বিভিন্ন স্মারক, আন্দোলনের ব্যানার, প্ল্যাকার্ডসহ নানা উপকরণ সংরক্ষণের উদ্যোগ নিয়েছে অন্তর্বর্তী সরকার। পাশাপাশি গত ১৭ বছরে স্বৈরাচারী শাসনের বিভিন্ন নিদর্শনও এই জাদুঘরে সংরক্ষণ করা হয়েছে।

তবে বেশ কয়েকবার চেষ্টা করেও এটি চালু করতে পারেনি অন্তর্বর্তী সরকার। একইসঙ্গে নির্মাণ ঘিরে নানামুখী দুর্নীতির অভিযোগ উঠতে থাকে। ফলে জনমনে জাদুঘরের ভবিষ্যৎ নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়।

অবশেষে সেই অনিশ্চয়তার অবসান ঘটেছে। বর্তমান সরকার ঘোষণা করেছে, আগামী ৫ আগস্ট জাদুঘরটি আনুষ্ঠানিকভাবে খুলে দেওয়া হবে। উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘরের সভাপতির দায়িত্বে আছেন সংস্কৃতিমন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী। তিনি জানান, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের প্রকৃত চেতনা মানুষের সামনে তুলে ধরতেই জাদুঘরটি সাজানো হয়েছে। তিনি বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের প্রকৃত চেতনা ধারণ করেই জাদুঘরটি নির্মাণ করা হয়েছে।

সংস্কৃতিমন্ত্রীর মতে, ভবিষ্যতে কেউ যদি স্বৈরশাসক হতে চান, তাহলে এই জাদুঘর তাদের জন্য শিক্ষণীয় হতে হবে। তিনি আরও বলেন, যদি ভবিষ্যতে কোনো শাসক আবার ফ্যাসিবাদী হয়ে উঠতে চান, তখন এই জাদুঘর তাকে মনে করিয়ে দেবে যে জনগণই রাষ্ট্রের সার্বভৌম ক্ষমতার অধিকারী এবং জনগণের প্রতিরোধের মুখে স্বৈরশাসনের পতন অনিবার্য।

জাদুঘর নির্মাণে দুর্নীতির অভিযোগ প্রসঙ্গে সংস্কৃতিমন্ত্রী বলেন, এ ধরনের অভিযোগ অবশ্যই সুনির্দিষ্ট হতে হবে। যদি কেউ নির্দিষ্টভাবে দুর্নীতির অভিযোগ করেন, তাহলে রাষ্ট্রের দায়িত্ব হবে বিষয়টি আইনগতভাবে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা।

একসময় যে ভবন ছিল ক্ষমতার কেন্দ্রবিন্দু, সেটিই এখন ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের জীবন্ত দলিলে পরিণত হয়েছে। ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানের আপসহীন সংগ্রাম, ৩৬ জুলাইয়ের জনতার পুঞ্জীভূত ক্ষোভের বিস্ফোরণ, গত ১৭ বছরের খুন, গুম ও নির্যাতনের ইতিহাস এবং সেই অন্যায়ের মুখে প্রতিরোধের স্মৃতিচিহ্ন সংরক্ষিত থাকবে এই জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘরে।

এটি শুধু একটি ভবন বা জাদুঘর নয়, বরং লাখো মানুষের প্রতিরোধ, ত্যাগ ও সংগ্রামের একটি জীবন্ত স্মারক। এদিকে জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘরের সকল ধরনের প্রস্তুতি প্রায় শেষ। এখন উদ্বোধনের অপেক্ষা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ইতালির নেপলসে ৪.৭ মাত্রার ভূমিকম্প, আতঙ্কে রাস্তায় মানুষ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শনিবার, ১ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৯:১১ এম


ইতালির নেপলসে ৪.৭ মাত্রার ভূমিকম্প, আতঙ্কে রাস্তায় মানুষ

ইতালির দক্ষিণাঞ্চলীয় ঐতিহাসিক শহর নেপলস এবং পার্শ্ববর্তী এলাকায় ৪ দশমিক ৭ মাত্রার একটি শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে। এই ভূমিকম্পের কারণে নগরীজুড়ে তীব্র কম্পন অনুভূত হয়েছে, তবে তাৎক্ষণিকভাবে বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি বা হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।

শুক্রবার (৩১ জুলাই) স্থানীয় সময় সন্ধ্যায় এই ভূমিকম্পটি আঘাত হেনে বলে জানিয়েছে রয়টার্স। ভূমিকম্পের পর নেপলস এবং উপকূলীয় এলাকার বাসিন্দাদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। দুর্ঘটনার পর নিরাপত্তার জন্য অনেকেই ঘরবাড়ি ছেড়ে খোলা জায়গায় আশ্রয় নিয়েছেন।

ইতালির ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব জিওফিজিক্স অ্যান্ড ভলক্যানোলজির ভিসুভিয়ান অবজারভেটরি জানিয়েছে, ভূমিকম্পটির কেন্দ্রস্থল ছিল পোজ্জুওলির সলফাতারার কাছে বহুল আলোচিত ‘ক্যাম্পি ফ্লেগ্রেই’ এলাকায়। ভূমিকম্পটি ভূপৃষ্ঠের মাত্র ৩ কিলোমিটার গভীরে উৎপন্ন হওয়ায় এর কম্পন সরাসরি এবং প্রবলভাবে অনুভূত হয়েছে।

ইতালির সিভিল প্রোটেকশন বিভাগ জানায়, সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে পোজ্জুওলি ও নেপলসের ঝুঁকিপূর্ণ ভবনগুলো পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। পাশাপাশি কিছু এলাকায় সাময়িকভাবে ট্রেন ও স্থানীয় গণপরিবহন চলাচল বন্ধ রেখে রেললাইন ও অবকাঠামো পরীক্ষা করা হচ্ছে।

এদিকে, ভিসুভিয়ান অবজারভেটরির গবেষকরা এলাকাটিতে সার্বক্ষণিক নজরদারি অব্যাহত রেখেছেন। তারা স্থানীয় বাসিন্দাদের সম্ভাব্য আফটারশকের বিষয়ে সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ভিয়েতনামে অবৈধভাবে অবস্থানকারী বাংলাদেশিদের জন্য জরুরি সতর্কবার্তা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শনিবার, ১ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৯:১৭ এম


ভিয়েতনামে অবৈধভাবে অবস্থানকারী বাংলাদেশিদের জন্য জরুরি সতর্কবার্তা

ভিয়েতনামে বিধিবহির্ভূতভাবে অবস্থান করা বাংলাদেশি নাগরিকদের জন্য জরুরি সতর্কবার্তা জারি করা হয়েছে। হ্যানয়ের বাংলাদেশ দূতাবাস তাদের বিরুদ্ধে নির্ধারিত জরিমানা প্রদান করে নিজেদের উদ্যোগে দেশে ফেরার জন্য একটি আহ্বান জানিয়েছে। এতে বলা হয়েছে, ভুক্তভোগীদের নিকটস্থ পুলিশ স্টেশন বা ইমিগ্রেশন অফিসে সরাসরি রিপোর্ট করতে হবে।

শুক্রবার (৩১ জুলাই) ভিয়েতনামের বাংলাদেশ দূতাবাসের মিনিস্টার ও দূতালয় প্রধান শাবাব বিন আহমেদ স্বাক্ষরিত একটি বিশেষ সতর্কীকরণ বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয় যে, দেশে ফিরতে হলে ভিয়েতনাম ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষ নির্ধারিত জরিমানার পরিমাণ উল্লেখপূর্বক একটি সরকারি পত্র প্রদান করে থাকে। ওই পত্রে উল্লিখিত ব্যাংক অ্যাকাউন্টে জরিমানার অর্থ প্রদান করে ইমিগ্রেশন কর্তৃক ইস্যুকৃত এক্সিট পাস নিয়ে নিজ পাসপোর্ট ব্যবহার করে বাংলাদেশে ফিরে যেতে হবে।

বিজ্ঞপ্তিতে আরো বলা হয়েছে, ভুক্তভোগীদেরকে সরাসরি পুলিশ স্টেশন অথবা ইমিগ্রেশন অফিসে যোগাযোগ করার জন্য উৎসাহিত করা হয়েছে। তদুপরি, বাংলাদেশি অথবা ভিয়েতনামের তৃতীয় কোনো ব্যক্তি মারফত যোগাযোগ করে এবং আর্থিক লেনদেন থেকে বাঁচার জন্য অনুরোধ জানানো হয়েছে।

দূতাবসা স্পষ্ট করেছে যে, সাম্প্রতিক সময়ে কিছু বাংলাদেশি অসৎ ব্যক্তি দেশে প্রেরণের প্রতিশ্রুতি দিয়ে এবং এমনকি দূতাবাসের নাম ব্যবহার করে বিপুল অর্থ আদায় করে প্রতারণা করছে। উল্লেখযোগ্যভাবে, পাসপোর্ট না থাকলে একটি প্রয়োজনীয় ট্রাভেল পারমিট (সরকারি ফি মাঃ ডঃ ১০/-, যা আর্থিক অবস্থার কারণে প্রায়শই মওকুফ করা হয়) ইস্যু করা ছাড়া দূতাবাসের সঙ্গে এ বিষয়ে কোনো ধরনের সম্পর্ক নেই। এই ক্ষেত্রে, প্রয়োজনীয় জরিমানার অর্থ ভিয়েতনাম সরকারের কোষাগারে সরাসরি জমা প্রদান করতে হবে।

দূতাবাস প্রতারণার সংক্রান্ত যে-কোনো তথ্য উপযুক্ত প্রমাণসহ দূতাবাসের ই-মেইলে ([email protected]) প্রেরণের জন্য অনুরোধ করেছে।২

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

গাজীপুরে সবজির বাজার ঊর্ধ্বমুখী, কাঁচা মরিচ ৪০০ টাকা কেজি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শনিবার, ১ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৯:২১ এম


গাজীপুরে সবজির বাজার ঊর্ধ্বমুখী, কাঁচা মরিচ ৪০০ টাকা কেজি

গাজীপুরের কাঁচাবাজারগুলোতে সবজির দাম ঊর্ধ্বমুখী হয়ে উঠেছে। বেশির ভাগ সবজি কেজিপ্রতি ৭০ টাকা বা তার চেয়ে বেশি দামে বিক্রি হয়ে চলেছে। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি বেড়েছে কাঁচা মরিচের দাম। নিত্যপ্রয়োজনীয় এসব পণ্যের মূল্যবৃদ্ধিতে ক্রেতাদের ওপর বাড়তি চাপ পড়েছে।

শনিবার (১ আগস্ট) বাজার ঘুরে দেখা যায়, বিক্রি হওয়া সবজির মধ্যে কাঁচা মরিচের দাম সবচেয়ে বেশি। মানভেদে প্রতি কেজি কাঁচা মরিচ বিক্রি হচ্ছে ৩৪০ থেকে ৪০০ টাকায়।

এছাড়া বরবটি ও বেগুনের দাম ১১০ থেকে ১২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। করলার দাম ৮০ থেকে ১০০ টাকা এবং বর্ষা মৌসুমের সবজি কাঁকরোলের দাম ৮০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

ঢ্যাঁড়স, চিচিঙ্গা, ধুন্দুল, কচুমুখী ও পটোলের দামও তুলনামূলকভাবে কম নয়। এসব সবজি বিক্রি হচ্ছে কেজিপ্রতি ৭০ টাকায়। তবে কিছুটা কম দামে পাওয়া যাচ্ছে শসা, যার কেজি ৪০ টাকা। মাঝারি আকারের একটি চালকুমড়া বিক্রি হয়েছে ৭০ টাকায়।

অন্যদিকে, কাঁচা পেঁপের দাম তুলনামূলক ভাবে কম রয়েছে। বাজার ভেদে প্রতি কেজি পেঁপে বিক্রি হচ্ছে ৩০ থেকে ৪০ টাকায়।

শাকের বাজারেও স্বস্তি নেই। লাউশাকের আঁটি ৪০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। ডাঁটা ও পুঁইশাকের আঁটি ৩০ টাকা এবং লালশাক ও মুলাশাকের আঁটি ২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

সবচেয়ে কম দামে বিক্রি হয়েছে কলমিশাক, এক আঁটির দাম ১০ টাকা। অন্যদিকে আলুর কেজি ২৫ টাকা এবং কাঁচকলা প্রতি হালি ৩০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

ব্যবসায়ীরা জানান, দেশের বিভিন্ন এলাকায় অতিবৃষ্টির কারণে অনেক সবজিখেত পানিতে তলিয়ে গেছে। পাশাপাশি কাঁচা মরিচ সংগ্রহেও সমস্যা হচ্ছে। ফলে আড়তে পণ্যের সরবরাহ কমে গেছে। আর সেই প্রভাব পড়েছে খুচরা বাজারে, যার কারণে সবজির দাম ঊর্ধ্বমুখী হয়ে রয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%