প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ভিয়েতনামে বিধিবহির্ভূতভাবে অবস্থান করা বাংলাদেশি নাগরিকদের জন্য জরুরি সতর্কবার্তা জারি করা হয়েছে। হ্যানয়ের বাংলাদেশ দূতাবাস তাদের বিরুদ্ধে নির্ধারিত জরিমানা প্রদান করে নিজেদের উদ্যোগে দেশে ফেরার জন্য একটি আহ্বান জানিয়েছে। এতে বলা হয়েছে, ভুক্তভোগীদের নিকটস্থ পুলিশ স্টেশন বা ইমিগ্রেশন অফিসে সরাসরি রিপোর্ট করতে হবে।
শুক্রবার (৩১ জুলাই) ভিয়েতনামের বাংলাদেশ দূতাবাসের মিনিস্টার ও দূতালয় প্রধান শাবাব বিন আহমেদ স্বাক্ষরিত একটি বিশেষ সতর্কীকরণ বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয় যে, দেশে ফিরতে হলে ভিয়েতনাম ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষ নির্ধারিত জরিমানার পরিমাণ উল্লেখপূর্বক একটি সরকারি পত্র প্রদান করে থাকে। ওই পত্রে উল্লিখিত ব্যাংক অ্যাকাউন্টে জরিমানার অর্থ প্রদান করে ইমিগ্রেশন কর্তৃক ইস্যুকৃত এক্সিট পাস নিয়ে নিজ পাসপোর্ট ব্যবহার করে বাংলাদেশে ফিরে যেতে হবে।
বিজ্ঞপ্তিতে আরো বলা হয়েছে, ভুক্তভোগীদেরকে সরাসরি পুলিশ স্টেশন অথবা ইমিগ্রেশন অফিসে যোগাযোগ করার জন্য উৎসাহিত করা হয়েছে। তদুপরি, বাংলাদেশি অথবা ভিয়েতনামের তৃতীয় কোনো ব্যক্তি মারফত যোগাযোগ করে এবং আর্থিক লেনদেন থেকে বাঁচার জন্য অনুরোধ জানানো হয়েছে।
দূতাবসা স্পষ্ট করেছে যে, সাম্প্রতিক সময়ে কিছু বাংলাদেশি অসৎ ব্যক্তি দেশে প্রেরণের প্রতিশ্রুতি দিয়ে এবং এমনকি দূতাবাসের নাম ব্যবহার করে বিপুল অর্থ আদায় করে প্রতারণা করছে। উল্লেখযোগ্যভাবে, পাসপোর্ট না থাকলে একটি প্রয়োজনীয় ট্রাভেল পারমিট (সরকারি ফি মাঃ ডঃ ১০/-, যা আর্থিক অবস্থার কারণে প্রায়শই মওকুফ করা হয়) ইস্যু করা ছাড়া দূতাবাসের সঙ্গে এ বিষয়ে কোনো ধরনের সম্পর্ক নেই। এই ক্ষেত্রে, প্রয়োজনীয় জরিমানার অর্থ ভিয়েতনাম সরকারের কোষাগারে সরাসরি জমা প্রদান করতে হবে।
দূতাবাস প্রতারণার সংক্রান্ত যে-কোনো তথ্য উপযুক্ত প্রমাণসহ দূতাবাসের ই-মেইলে ([email protected]) প্রেরণের জন্য অনুরোধ করেছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন