মঙ্গলবার, ২২শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৪:৩০ পি.এম
ঢাকা, ২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : রাজধানী ঢাকার বিভিন্ন স্থানে ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনকারীদের বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনা করে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) ট্রাফিক বিভাগ ২ হাজার ৮৯৭টি মামলা দায়ের করেছে।
সোমবার, ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের ট্রাফিক বিভাগ রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে এই মামলাগুলি রেকর্ড করে।
ডিএমপির মিডিয়া ও পাবলিক রিলেশন্স বিভাগ থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আজ এই তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, ট্রাফিক-রমনা বিভাগে ১০৮টি, লালবাগ বিভাগে ১৫৪টি, মতিঝিল বিভাগে ৩০৭টি এবং ট্রাফিক-ওয়ারী বিভাগে ৪৯৬টি মামলা দায়ের করা হয়েছে।
এছাড়া, ট্রাফিক-তেজগাঁও বিভাগে ১৯২টি, মিরপুর বিভাগে ৫৫০টি, উত্তরা বিভাগে ৬৫১টি এবং গুলশান বিভাগে ৪৩৯টি মামলা দায়ের হয়েছে। অভিযান চলাকালীন ৬২৩টি গাড়ি ডাম্পিং করা হয়েছে এবং ১৭৫টি গাড়ি রেকার করা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাঙামাটির লংগদু উপজেলায় এক কিশোরীকে ধর্ষণের অভিযোগে তার সৎ বাবাসহ এক প্রতিবেশী যুবককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
সোমবার (২২ সেপ্টেম্বর) রাতে আটারকছড়া ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের ডানে আটারকছড়া এলাকায় পৃথক অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়।
গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে অভিযুক্ত সৎ বাবা ফজলুল হক চৌধুরী (৬৫), যিনি মৃত এরফান উদ্দীন চৌধুরীর ছেলে, এবং প্রতিবেশী যুবক শহিদুল (২৩), যিনি জামাল উদ্দীনের ছেলে।
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ভুক্তভোগী কিশোরী তার মায়ের সঙ্গে আটারকছড়া ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডে সৎ বাবা ফজলুল হক চৌধুরীর বাড়িতে বসবাস করছিল। গত সপ্তাহে, ঘরে একা থাকার সুযোগে ফজলুল হক মেয়েটিকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে। এরপর থেকে বিভিন্ন সময় ভয়ভীতি দেখিয়ে ধারাবাহিকভাবে মেয়েটির ওপর নির্যাতন ও ধর্ষণ চালিয়ে আসছিল বলে অভিযোগ উঠেছে।
ঘটনার পর প্রতিবেশী যুবক শহিদুলও সুযোগ নিয়ে মেয়েটিকে ধর্ষণের চেষ্টা চালায়। স্থানীয়দের মধ্যে বিষয়টি জানাজানি হলে তারা পুলিশকে খবর দেন। পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে দুজনকে আটক করে থানায় নিয়ে যায়।
লংগদু থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) জাকারিয়া ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, ভুক্তভোগী দীর্ঘদিন ধরেই এ ধরনের নির্মম ঘটনার শিকার হচ্ছিল। বিষয়টি জানাজানি হলে এলাকার কিছু যুবকও মেয়েটির পিছু নেয় এবং সুযোগ নেওয়ার চেষ্টা করে। খবর পাওয়ার পরপরই লংগদু থানা পুলিশের একটি দল অভিযুক্ত সৎ বাবা ও ধর্ষণচেষ্টাকারী প্রতিবেশী যুবককে গ্রেপ্তার করেছে। প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া শেষে আসামিদের আদালতে প্রেরণ করা হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
একদিকে রয়েছে ভাঙা ঘর, উচ্ছেদ হওয়া পরিবার, অন্যদিকে আছে হাজার হাজার কোটি টাকার বিদ্যুৎ প্রকল্প। আসামের ধুবড়ি জেলার চাপরে এই দুই চিত্র বর্তমানে পাশাপাশি অবস্থান করছে।
যে জমি থেকে ২০২৫ সালের জুলাইয়ে প্রায় ১ হাজার ৪০০ বাঙালি বংশোদ্ভূত মুসলিম পরিবারের ঘরবাড়ি উচ্ছেদ করা হয়েছিল, রোববার সেই জমিতে আদানি পাওয়ারের ৩ হাজার ২০০ মেগাওয়াট তাপবিদ্যুৎ প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেছেন আসামের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মা।
প্রকল্পটির জন্য প্রায় ৪৮ হাজার কোটি টাকার বিনিয়োগ করা হবে। আদানি গোষ্ঠীর দাবি, নির্মাণপর্বে প্রায় ২০ হাজার মানুষের কর্মসংস্থান হবে। প্রকল্পটি চালু হলে আরও প্রায় ৫ হাজার মানুষের কাজের সুযোগ তৈরি হবে। প্রথম ধাপে বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু হওয়ার কথা ২০৩০ সালের ডিসেম্বর থেকে। কিন্তু প্রকল্পের জমি নিয়ে বড় প্রশ্ন উঠছে।
ধুবড়ির চারুয়াবাখরা, চিরাকুটা এক ও দুই এবং সন্তোষপুর এলাকায় প্রায় ১ হাজার ১৫৭ একর সরকারি জমিতে বহু পরিবার দীর্ঘদিন ধরে বসবাস করে আসছিল। উচ্ছেদের সময় স্থানীয় বাসিন্দারা জানিয়েছিলেন, তাদের মধ্যে অনেকেই তিন থেকে চার দশক ধরে সেখানে বসবাস করছেন।
অনেকে আবার ব্রহ্মপুত্রের ভাঙনে পূর্বের বসতভিটা হারিয়ে ওই এলাকায় এসে বসতি গড়েছিলেন। উচ্ছেদের পর প্রায় ১০ হাজার মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছেন বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
জেলা প্রশাসনের বক্তব্য ছিল, প্রকল্পের জন্য সরকারি জমি আগে রাজ্য বিদ্যুৎ বণ্টন সংস্থাকে দেওয়া হয়েছিল। পরে সেই জমি আদানি পাওয়ারের প্রকল্পের জন্য বরাদ্দ করা হয়।
প্রশাসন ৩০০ বিঘা জমি অন্য এলাকায় পুনর্বাসনের জন্য চিহ্নিত করে এবং মালপত্র সরানোর জন্য পরিবারপিছু ৫০ হাজার টাকা সহায়তার কথা জানায়। কিন্তু ক্ষতিগ্রস্তদের একটি অংশ সেই পুনর্বাসনস্থানে যেতে রাজি হননি।
তাদের অভিযোগ, ব্রহ্মপুত্রঘেরা নিচু এলাকায় বর্ষায় পানি ঢোকে এবং সেখানে প্রয়োজনীয় যোগাযোগ ব্যবস্থা নেই। সবচেয়ে তাৎপর্যপূর্ণ বিষয়, পরিবেশগত ছাড়পত্রের আবেদনে আদানি পাওয়ার কেন্দ্রীয় পরিবেশ মন্ত্রণালয়কে জানিয়েছিল, প্রকল্প এলাকায় কোনো জনবসতি নেই এবং পুনর্বাসন বা পুনর্বাসনজনিত ক্ষতিপূরণের দাবি নেই।
অথচ উচ্ছেদ হওয়া পরিবারগুলোর বক্তব্য, তাদের ঘরবাড়ি সরিয়ে প্রকল্পের জমি পরিষ্কার করা হয়েছিল। স্থানীয় এক বাসিন্দার দাবি, সরকারি জমির পাশাপাশি জমির অধিকারপত্র থাকা মানুষের জমিও নেওয়া হয়েছে এবং তাদের বড় একটি অংশ এখনও ক্ষতিপূরণ পাননি।
২০২৫ সালের ৩০ মার্চ জেলা প্রশাসন গ্রামের চারণভূমি প্রকল্পের কাজে ব্যবহারের প্রস্তাব দেয়। ২ এপ্রিলের জেলা পর্যায়ের ভূমি সংক্রান্ত বৈঠকের কার্যবিবরণীতেও সেই প্রস্তাবের উল্লেখ রয়েছে। এরপরই উচ্ছেদের নোটিশ জারি হয় এবং ঘরবাড়ি ভাঙা শুরু হয় বলে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।
এদিকে প্রকল্পকে আসামের বিদ্যুৎ খাতে বড় পরিবর্তনের সূচনা হিসেবে তুলে ধরেছেন হিমন্ত বিশ্ব শর্মা। তার দাবি, ৩ হাজার ২০০ মেগাওয়াটের এই প্রকল্প রাজ্যের বিদ্যুতের চাহিদা মেটাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেবে।
আদানি গোষ্ঠীর পক্ষ থেকেও বলা হয়েছে, প্রকল্পটি উত্তর-পূর্ব ভারতের অন্যতম বড় বিদ্যুৎ প্রকল্প হয়ে উঠবে। তবে উন্নয়নের এই হিসাবের পাশে উচ্ছেদ হওয়া পরিবারগুলোর হিসাবটি এখনও মেলেনি। একদিকে বিদ্যুতের আলো জ্বালানোর প্রস্তুতি, অন্যদিকে সেই আলো পৌঁছানোর আগেই ঘর হারানো মানুষের পুনর্বাসন ও ক্ষতিপূরণের প্রশ্ন। ফলে ধুবড়িতে প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তরের সঙ্গে সঙ্গে পুরনো সেই প্রশ্নও সামনে এসেছে—উন্নয়নের জমির দাম শেষ পর্যন্ত দেবে কে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
হাম উপসর্গের কারণে সারা দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও দুই শিশুর মৃত্যু ঘটেছে। একই সময়ে নতুন করে সন্দেহ এবং নিশ্চিত হামে আক্রান্তের সংখ্যা এক হাজার ৩৪৯ জনে পৌঁছেছে।
মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদফতরের হাম সম্পর্কিত নিয়মিত প্রতিবেদনে এই তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে।
প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় (সোমবার সকাল ৮টা থেকে মঙ্গলবার সকাল ৮টা পর্যন্ত) দেশে নতুন করে ১ হাজার ২৫৭ জনকে সন্দেহজনক হাম রোগী হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। পাশাপাশি, একই সময়ে ৯২ জনের হাম নিশ্চিত হয়েছে।
এখন পর্যন্ত, ১৫ মার্চ থেকে এই সময় পর্যন্ত দেশে মোট সন্দেহজনক হাম রোগীর সংখ্যা ১ লাখ ৮২ হাজার ২৯২ জনে দাঁড়িয়েছে। এর মধ্যে নিশ্চিত হাম রোগীর সংখ্যা ২০ হাজার ৭৩৮ জন।
এছাড়া, গত ২৪ ঘণ্টায় ১ হাজার ১৭৬ জন সন্দেহজনক হাম রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। একই সময়ে হাসপাতাল থেকে ছাড় পেয়েছেন ১ হাজার ৬২ জন। ১৫ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত সন্দেহজনক হাম রোগীদের মধ্যে হাসপাতালে ভর্তি হওয়া মোট রোগীর সংখ্যা ১ লাখ ৮২ হাজার ২৯২ জন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনের প্রেক্ষাপটে সম্ভাব্য প্রার্থীদের কার্যক্রম বৃদ্ধি পাচ্ছে। বিএনপি, জামায়াত এবং এনসিপির সম্ভাব্য মেয়র প্রার্থীরা দলীয় মনোনয়ন পাওয়ার পাশাপাশি নগরবাসীর দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য বিভিন্ন সামাজিক কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণ করছেন।
নামাজ আদায়, জানাজা, কুলখানি, বিয়ে, সামাজিক আন্দোলন এবং গণজমায়েতের মতো বিভিন্ন অনুষ্ঠানে তাদের উপস্থিতি বৃদ্ধি পাওয়ায় নগরীতে নির্বাচনী পরিবেশ তৈরি হয়েছে।
তথ্য অনুসারে, আসন্ন কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশীদের মধ্যে আলোচনায় রয়েছেন বর্তমান সিটি প্রশাসক এবং মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ইউসুফ মোল্লা টিপু। তিনি নগরীর উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের পাশাপাশি দলের সংগঠন গঠনের কাজেও নিয়োজিত রয়েছেন। মহানগর বিএনপির সদস্য কাউসার জামান বাপ্পিও মনোনয়ন প্রত্যাশী হতে পারেন।
অন্যদিকে, বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক সভাপতি নিজাম উদ্দিন কায়সার এবং সাবেক মেয়র মনিরুল হক সাক্কুও বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার করে দলীয় মনোনয়ন পাওয়ার চেষ্টা করছেন। তারা গত দুটি সিটি নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে দল থেকে বহিষ্কৃত হন।
নগরীতে প্রধান বিরোধী দল জামায়াতে ইসলামীর সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে মহানগর জামায়াতের নায়েবে আমির মোসলেহ উদ্দিন এবং শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের কেন্দ্রীয় সহসভাপতি মো. মজিবুর রহমান ভূঁইয়ার নাম শোনা যাচ্ছে।
এদিকে, এনসিপি কেন্দ্রীয় যুবশক্তির আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট তারিকুল ইসলামকে মেয়র প্রার্থী হিসেবে ঘোষণা করেছে। তিনি সম্প্রতি নগরীর বিভিন্ন সামাজিক কর্মকাণ্ডে অংশ নিয়ে বাসিন্দাদের সঙ্গে কুশল বিনিময় করছেন এবং বিভিন্ন ইস্যুতে নিজের মতামত প্রকাশ করছেন।
কুমিল্লা সিটির প্রশাসক ইউসুফ মোল্লা টিপু মন্তব্য করেন, "দল এবং দলের প্রধান যে সিদ্ধান্ত দেবেন, সেটাই আমি অক্ষরে অক্ষরে পালন করব। আমি এখন নগরবাসীর একজন খাদেম হিসেবে সার্বক্ষণিক ব্যস্ত থাকি। নির্বাচনে প্রার্থিতার সিদ্ধান্ত আসবে দলের হাইকমান্ড থেকে।"
নিজাম উদ্দিন কায়সার বলেন, "আমি বহিষ্কৃত হলেও দলের বাইরে নই। এক মুহূর্তের জন্যও দলের কার্যক্রম থেকে দূরে থাকিনি। অতীতে তৃণমূল নেতাকর্মীদের চাপের মুখে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেছি। আশা করি, দল ক্ষমার দৃষ্টিতে দেখবে।"
সাবেক মেয়র মনিরুল হক সাক্কু জানান, "দলের হাইকমান্ডের কাছে বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহারের আবেদন করেছি। দলের জন্য নিয়মিত কাজ করে যাচ্ছি। আমি বিএনপির বাইরের কোনো লোক নই। আগামী নির্বাচনে কর্মী-সমর্থকরা যে সিদ্ধান্ত দেবেন, আমি সে অনুযায়ী এগিয়ে যাব।"
মহানগর জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি কামরুজ্জামান সোহেল বলেন, "আমাদের দলে নিজ থেকে প্রার্থী হওয়ার কোনো সুযোগ নেই। দল যাকে সিদ্ধান্ত দেবে, তিনিই নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবেন। আপাতত আমরা সকলে মিলেমিশেই সিটি নির্বাচনে দলীয় প্রার্থীকে জয়ী করতে সাংগঠনিক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করছি।"
এনসিপির প্রার্থী অ্যাডভোকেট তারিকুল ইসলাম বলেন, "নগরবাসীর সেবা করার জন্য আমি সার্বিক প্রস্তুতি নিয়ে মাঠে নেমেছি। মাঠে গণসংযোগ করে বাসিন্দাদের সঙ্গে কুশল বিনিময় এবং সেতুবন্ধন তৈরি করছি। দল থেকে আমাকে প্রার্থী হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে। আশা করি, জোটের সমর্থনও পাব।"
আগের নির্বাচনের ফল
২০১১ সালের ১০ জুলাই কুমিল্লা পৌরসভা থেকে কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশনে উন্নীত হয়। ২০১২ সালের ৫ জানুয়ারি প্রথম নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। ওই নির্বাচনে মনিরুল হক সাক্কু ৬৫ হাজার ৫৭৭ ভোট পেয়ে মেয়র নির্বাচিত হন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগ-সমর্থিত প্রার্থী অ্যাডভোকেট আফজাল খান পেয়েছিলেন ৩৬ হাজার ৪৭১ ভোট।
২০১৭ সালের নির্বাচনে বিএনপির প্রার্থী মনিরুল হক সাক্কু ৬৮ হাজার ৯৪৮ ভোট পেয়ে মেয়র নির্বাচিত হন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগ প্রার্থী আঞ্জুম সুলতানা সীমা পেয়েছিলেন ৫৭ হাজার ৮৬৩ ভোট।
২০২২ সালের সিটি নির্বাচনে আওয়ামী লীগ প্রার্থী আরফানুল হক রিফাত ৫০ হাজার ৩১০ ভোট পেয়ে মেয়র নির্বাচিত হন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী মনিরুল হক সাক্কু পেয়েছিলেন ৪৯ হাজার ৯৬৭ ভোট। ওই নির্বাচনে নিজাম উদ্দিন কায়সার পেয়েছিলেন ২৯ হাজার ২৯ ভোট।
আরফানুল হক রিফাতের মৃত্যুর পর ২০২৪ সালের ৯ মার্চ মেয়র পদে উপনির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। এতে আওয়ামী লীগ প্রার্থী তাহসীন বাহার সূচনা ৪৮ হাজার ৮৯০ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী সাবেক মেয়র মনিরুল হক সাক্কু পেয়েছিলেন ২৬ হাজার ৮৯৭ ভোট। নিজাম উদ্দিন কায়সার পেয়েছিলেন ১৩ হাজার ১৫৫ ভোট।
আগের দুই নির্বাচনের ফলাফলে বিএনপির একাধিক প্রার্থী ও দলীয় বিরোধের বিষয়টি আলোচনায় ছিল। এবারের নির্বাচনে আওয়ামী লীগ না থাকায় কুমিল্লা সিটি নির্বাচনের রাজনৈতিক সমীকরণ কোন দিকে যায়, তা সময়ই বলে দেবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ