রবিবার, ৬ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৯:০০ পি.এম
পূর্বনির্ধারিত কর্মসূচি অনুযায়ী জনাব মোঃ আশিক সাঈদ, ডিআইজি, রাজশাহী রেঞ্জ, বাংলাদেশ পুলিশ, রাজশাহী এবং মিসেস শামীম আরা হক, উপদেষ্টা, পুলিশ নারী কল্যাণ সমিতি (পুনাক), রাজশাহী রেঞ্জ, রাজশাহী নওগাঁ জেলায় আগমন করেন।
নওগাঁয় আগমন উপলক্ষে সার্কিট হাউসে তাঁদের ফুলেল শুভেচ্ছা ও উষ্ণ অভ্যর্থনা জানান নওগাঁ জেলার সম্মানিত পুলিশ সুপার জনাব মোহাম্মদ তারিকুল ইসলাম মহোদয় এবং পুলিশ নারী কল্যাণ সমিতি (পুনাক), নওগাঁ-এর সভানেত্রী।
ফুলেল শুভেচ্ছা বিনিময়ের পর জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে সম্মানিত ডিআইজি মহোদয়কে গার্ড অব অনার প্রদান করা হয়।
এ সময় নওগাঁ জেলা পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দসহ সংশ্লিষ্ট পুলিশ সদস্যগণ উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে মেহেরপুরের গাংনীতে আলোচনা সভা ও বর্ণাঢ্য র্যালি অনুষ্ঠিত হয়েছে।
রবিবার (৬ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৬টার দিকে গাংনী উপজেলার বাঁশবাড়িয়ায় আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। পরে সেখান থেকে একটি বর্ণাঢ্য র্যালি বের করা হয়। এতে উপজেলা ও পৌর বিএনপির পাশাপাশি দলটির অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা অংশ নেন।
আলোচনা সভায় উপস্থিত ছিলেন মেহেরপুর জেলা বিএনপির সভাপতি জাভেদ মাসুদ মিল্টন, সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট কামরুল হাসান, গাংনী উপজেলা বিএনপির সভাপতি আলফাজ উদ্দিন কালু, সাধারণ সম্পাদক আব্দুল আউয়াল বিশ্বাস, গাংনী পৌর বিএনপির সভাপতি মকবুল হোসেন মেঘলা, সাধারণ সম্পাদক সাইদুল ইসলাম এবং মেহেরপুর জেলা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক সাজেদুর রহমান বিপ্লবসহ স্থানীয় নেতাকর্মীরা।
র্যালি শেষে বক্তব্য দেন মেহেরপুর জেলা বিএনপির সভাপতি জাভেদ মাসুদ মিল্টন। তিনি বলেন, দেশের মানুষ নতুন করে স্বপ্ন দেখতে শুরু করেছে। বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নেতৃত্বে দেশের ভাবমূর্তি দেশ-বিদেশে আরও উজ্জ্বল হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।
তিনি আরও বলেন, ‘বিগত ফ্যাসিস্ট সরকার দেশকে ধ্বংস করে দিয়ে গেছে এবং দেশের অর্থনীতিকে পঙ্গু করে দিয়েছে। এই অর্থনৈতিক অচলাবস্থা কাটিয়ে উঠতে কিছুটা সময় লাগবে।’
জাভেদ মাসুদ মিল্টন বলেন, যারা ফ্যাসিস্টদের সঙ্গে হাত মিলিয়ে দেশকে ধ্বংস করতে এবং বাংলাদেশের গণতন্ত্রকে কলঙ্কিত করতে চায়, তাদের প্রতিহত করতে হবে।
পরে বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে বিভিন্ন স্লোগান দিয়ে র্যালিতে অংশ নেন দলটির নেতাকর্মীরা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
পাকিস্তান সুপার লিগ (পিএসএল) এর সূচি পরিবর্তনের পরিকল্পনা করছে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি), যাতে ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগ (আইপিএল) এর সঙ্গে সংঘাত এড়ানো যায়।
পিসিবি এবং আটটি ফ্র্যাঞ্চাইজির মালিকরা আগামী বছরের জানুয়ারি-ফেব্রুয়ারিতে পিএসএল আয়োজনের প্রস্তাব নিয়ে আলোচনা করেছেন।
ক্রিকইনফো জানাচ্ছে, গত ১ সেপ্টেম্বর লন্ডনে পিএসএল পরিচালনা পর্ষদের সভায় এই বিষয়টি উত্থাপন করা হয়। পিএসএলের সম্প্রচার ও ডিজিটাল স্বত্বধারী ওয়ালি টেকনোলজিস জানুয়ারিতে আয়োজনের প্রস্তাব দিয়েছে।
তাদের যুক্তি হলো, এপ্রিল-মে মাসে পিএসএল আয়োজন করা হয় রমজানের পর। এই সময়ে অনেক প্রতিষ্ঠানের বিপণন এবং টেলিভিশন বিজ্ঞাপনের বাজেটের একটি বড় অংশ খরচ হয়ে যায়।
ফলে বিজ্ঞাপন থেকে প্রত্যাশিত আয় পাওয়া কঠিন হয়ে পড়ে। তদুপরি, আইপিএল মার্চ থেকে মে মাস পর্যন্ত চলে।
তবে ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলো এই বিষয়ে শঙ্কামুক্ত নয়। তারা জানতে চায়, সময় পরিবর্তন হলেও সম্প্রচার স্বত্ব থেকে তাদের প্রাপ্য অর্থ পুরোপুরি নিশ্চিত থাকবে কি না।
বর্তমান চুক্তি অনুযায়ী, কেন্দ্রীয় রাজস্ব তহবিলের সম্প্রচার আয়ের ৯৫ শতাংশ পায় আটটি ফ্র্যাঞ্চাইজি।
২০১৬ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত পিএসএল ফেব্রুয়ারি-মার্চে অনুষ্ঠিত হয়েছে। ২০২৫ সালে চ্যাম্পিয়নস ট্রফি এবং ২০২৬ সালে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের কারণে পিএসএল এপ্রিল-মে মাসে চলে যাবে।
আগামী বছর জানুয়ারি-ফেব্রুয়ারিতে পিএসএল আয়োজন করলে আইপিএলের সঙ্গে সূচির সংঘাত এড়ানো সম্ভব হবে। তবে, এ ক্ষেত্রে পিএসএলকে বিদেশি ক্রিকেটার পেতে অস্ট্রেলিয়ার বিগ ব্যাশ লিগ এবং দক্ষিণ আফ্রিকার এসএ২০-এর সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে হবে।
আবহাওয়াও একটি বড় বাধা হতে পারে। জানুয়ারি-ফেব্রুয়ারিতে পাকিস্তানের পাঞ্জাব প্রদেশে কনকনে শীত এবং ঘন কুয়াশা থাকে। লাহোর, মুলতান এবং রাওয়ালপিন্ডি—এই তিনটি ভেন্যু পাঞ্জাবে অবস্থিত।
এ কারণে প্রস্তাব এসেছে সিন্ধু প্রদেশের করাচিতে শুরু করে পরে পাঞ্জাব হয়ে খাইবার পাখতুনখোয়ার পেশোয়ারে টুর্নামেন্ট নেওয়ার।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি) র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব) বিলুপ্ত করে নতুন স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি) গঠনের উদ্যোগকে ‘একই বাহিনী নতুন মোড়কে’ হিসেবে চিহ্নিত করছে। সংস্থাটি মনে করে, সংসদে উত্থাপিত ‘স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি) বিল, ২০২৬’-এ এসআরবিকে ব্যাপক ও অস্পষ্ট ক্ষমতা প্রদান করা হয়েছে।
এছাড়া, অস্ত্র ও বলপ্রয়োগের ক্ষেত্রে পর্যাপ্ত আইনি সুরক্ষা, সন্দেহের ভিত্তিতে পরোয়ানা ছাড়া তল্লাশি ও গ্রেপ্তারের সুযোগ এবং স্বাধীন অভিযোগ নিষ্পত্তির ব্যবস্থা না থাকায় উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছে।
রবিবার (৬ সেপ্টেম্বর) গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে উদ্বেগ প্রকাশ করেন সংস্থাটির নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান। তিনি বলেন, র্যাব বিলুপ্তির নীতিগত সিদ্ধান্ত নিঃসন্দেহে বহু প্রতীক্ষিত এবং এটিকে ইতিবাচক পদক্ষেপ হিসেবে দেখতে চেয়েছিল টিআইবি। তবে, একটি বাহিনীর নাম পরিবর্তন করলেই প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কার ঘটে না।
ড. ইফতেখারুজ্জামান র্যাবের বিরুদ্ধে বিচারবহির্ভূত হত্যা, গুম ও নির্যাতনের গুরুতর অভিযোগ ও প্রমাণের কথা উল্লেখ করে বলেন, এসব ঘটনার পুনরাবৃত্তি রোধে নতুন বাহিনীর কাঠামো, জনবল, ক্ষমতা, বলপ্রয়োগের বিধান এবং জবাবদিহির ব্যবস্থায় মৌলিক পরিবর্তন আনতে হবে। যদি তা না হয়, তাহলে র্যাবের বদলে ‘এসআরবি’ নামে একই ধরনের ক্ষমতা ও সংস্কৃতির একটি বাহিনী গড়ে উঠতে পারে।
তিনি আরও বলেন, প্রস্তাবিত বিলে এসআরবিকে গোয়েন্দা নজরদারি, অভিযান, তল্লাশি ও সাধারণ তদন্তের মতো বহুমুখী ক্ষমতা দেওয়ার প্রস্তাব রয়েছে। এর পাশাপাশি ‘অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা রক্ষা’ এবং ‘সরকার কর্তৃক নির্দেশিত অন্যান্য দায়িত্ব’-এর মতো অস্পষ্ট শব্দবন্ধ রাখা হয়েছে।
এসব বিধান রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে ভিন্নমত দমন ও বলপ্রয়োগের সুযোগ তৈরি করতে পারে। একইসঙ্গে অতীতের মতো বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডকে আইনগত বৈধতা দেওয়ার ঝুঁকিও তৈরি হতে পারে। সন্দেহের ভিত্তিতে পরোয়ানা ছাড়া তল্লাশি ও গ্রেপ্তারের সুযোগ এবং বাহিনীর নিজস্ব হাজতখানা ও জিজ্ঞাসাবাদ কক্ষ রাখার বিধানও উদ্বেগজনক।
টিআইবির মতে, এসব বিধান নাগরিক ও রাজনৈতিক অধিকারবিষয়ক আন্তর্জাতিক চুক্তি (আইসিসিপিআর) এবং সংবিধানের মৌলিক অধিকারের সঙ্গে সাংঘর্ষিক।
নতুন বাহিনীতে র্যাবের জনবল স্থানান্তরের প্রস্তাব নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেছে টিআইবি। সংস্থাটির দাবি, কোনো ধরনের যাচাই-বাছাই ছাড়া র্যাবের সদস্যদের ঢালাওভাবে এসআরবিতে স্থানান্তর করা হলে অতীতের মানবাধিকার লঙ্ঘনের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদেরও নতুন বাহিনীতে অন্তর্ভুক্ত হওয়ার সুযোগ তৈরি হবে।
এ কারণে স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষ ‘ভেটিং’ প্রক্রিয়া চালুর দাবি জানিয়েছে টিআইবি। জাতিসংঘের সিকিউরিটি সেক্টর রিফর্ম (এসএসআর) ও ডিডিআর মানদণ্ড অনুসরণ করে বিচারবহির্ভূত হত্যা, নির্যাতন বা গুমের মতো গুরুতর অপরাধে অভিযুক্ত বা জড়িত সদস্যদের নতুন বাহিনীতে অন্তর্ভুক্ত না করার ব্যবস্থা রাখার আহ্বান জানিয়েছে সংস্থাটি।
প্রস্তাবিত এসআরবি বিলের ২২ ধারায় অভিযোগ নিষ্পত্তির যে ব্যবস্থা রাখা হয়েছে, সেটিও প্রশ্নবিদ্ধ বলে উল্লেখ করেন টিআইবির নির্বাহী পরিচালক। বিল অনুযায়ী, বাহিনীর অতিরিক্ত মহাপরিচালক ও অন্যান্য পুলিশ কর্মকর্তাদের নিয়ে ‘অভিযোগ প্রতিকার কমিটি’ গঠনের প্রস্তাব রয়েছে। বাহিনীর সদস্যদের বিরুদ্ধে গুরুতর মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ তাদেরই সহকর্মীদের দিয়ে তদন্ত করানোর ব্যবস্থা স্বার্থের দ্বন্দ্ব তৈরি করবে এবং তা নিরপেক্ষ তদন্ত নিশ্চিত করতে পারবে না। এর পরিবর্তে পুলিশ ও নির্বাহী বিভাগের প্রভাবমুক্ত মানবাধিকার ও আইন বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে একটি সম্পূর্ণ স্বাধীন, নিরপেক্ষ ও স্বার্থের দ্বন্দ্বমুক্ত তদারকি কর্তৃপক্ষ গঠন করা জরুরি।
এছাড়া, তদন্ত প্রতিবেদন জনসমক্ষে প্রকাশ এবং ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তিদের ক্ষতিপূরণ ও পুনর্বাসনের অধিকার নিশ্চিত করার আইনি সুরক্ষার বিধান রাখারও দাবি করেছে টিআইবি।
ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেন, র্যাব বিলুপ্তি শুধুমাত্র একটি বাহিনীর নাম ও খোলস পরিবর্তনের প্রক্রিয়ায় সীমাবদ্ধ থাকা উচিত নয়। এর মাধ্যমে মানবাধিকার লঙ্ঘন ও দায়মুক্তির সংস্কৃতির অবসান ঘটিয়ে আইনের শাসন, নাগরিকের অধিকার এবং কার্যকর জবাবদিহির ভিত্তিতে নতুন আইন প্রয়োগকারী ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার সূচনা করতে হবে। শুধুমাত্র ‘কসমেটিক মেকওভার’-এর মাধ্যমে দেশের নাগরিক বা আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে বিভ্রান্ত করা যাবে না।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মোহাম্মদ হোসেন (৩৪) নামের এক ঠিকাদার নিহত হয়েছেন কাভার্ড ভ্যানের চাপায়, যখন তিনি অটোরিকশা থেকে নেমে ভাড়া দিচ্ছিলেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন অটোরিকশাচালক সাইফুল ইসলাম (৩৫)।
চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ে জাতীয় অর্থনৈতিক অঞ্চল সড়কে রবিবার (৬ সেপ্টেম্বর) দুপুরে সিপি মোড় এলাকায় এই দুর্ঘটনাটি ঘটে। নিহত মোহাম্মদ হোসেন ফেনী জেলার সোনাগাজী উপজেলার চর চান্দিয়া ইউনিয়নের সওদাগরহাট এলাকার এনামুল হকের পুত্র। তিনি মিরসরাই জাতীয় অর্থনৈতিক অঞ্চলে ঠিকাদারি ব্যবসার পাশাপাশি স্কেভেটর ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন।
স্থানীয় সূত্র এবং প্রত্যক্ষদর্শীদের তথ্য অনুযায়ী, মোহাম্মদ হোসেন একটি সিএনজিচালিত অটোরিকশা ব্যবহার করে সিপি মোড়ে পৌঁছান এবং সড়কের ডান পাশে নেমে যান।
ভাড়া পরিশোধ করার সময়, পেছন থেকে আসা একটি কাভার্ড ভ্যান সিএনজি অটোরিকশাটিকে চাপা দেয়। এই ঘটনায় মোহাম্মদ হোসেন এবং অটোরিকশাচালক সাইফুল ইসলাম উভয়েই আহত হন। গুরুতর অবস্থায় মোহাম্মদ হোসেনকে প্রথমে মিরসরাই সেবা আধুনিক হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে পাঠানো হয়।
চিকিৎসাধীন অবস্থায় সেখানে তার মৃত্যু ঘটে। মিরসরাই সেবা আধুনিক হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক নুর নবী রাহাত জানান, ‘মোহাম্মদ হোসেনের অবস্থা অত্যন্ত সংকটাপন্ন ছিল। প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে রেফার করা হয়।’
আহত সিএনজিচালক সাইফুল ইসলাম বলেন, ‘জাতীয় বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলের প্রবেশমুখে সিপি মোড়ে যাত্রী নামানোর পর ভাড়া নিয়ে গাড়ি স্টার্ট করার প্রস্তুতি নিচ্ছিলাম। এ সময় পেছন থেকে একটি কাভার্ড ভ্যান আমার গাড়িতে চাপা দেয়।
এতে যাত্রী মোহাম্মদ হোসেনসহ আমি আহত হই।’ জাতীয় বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ লুৎফর রহমান জানিয়েছেন, ‘দুর্ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে যায়। গুরুতর আহত মোহাম্মদ হোসেনকে চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সন্ধ্যার দিকে তার মৃত্যু হয়। আহত সিএনজিচালক সাইফুল ইসলাম প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছেন।’
তিনি আরও জানান, দুর্ঘটনার বিষয়টি জোরারগঞ্জ থানাকে জানানো হয়েছে। দুর্ঘটনায় জড়িত কাভার্ড ভ্যান ও এর চালক পুলিশ হেফাজতে রয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ