ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

যুদ্ধ-অবরোধে কি ইরান লাভবান হলো, সিএনএনের বিশ্লেষণে যা উঠে এলো


যুদ্ধ-অবরোধে কি ইরান লাভবান হলো, সিএনএনের বিশ্লেষণে যা উঠে এলো

মনে করা হয়েছিল যে, কয়েক মাসের টানা যুদ্ধ এবং কঠোর নৌ-অবরোধের ফলে মধ্যপ্রাচ্যের দেশ ইরান অর্থনৈতিক ও সামরিকভাবে প্রায় পঙ্গু হয়ে পড়েছে। পারস্য উপসাগরের তলদেশে তলিয়ে গেছে দেশের নৌবাহিনী, ধ্বংস হয়েছে বিমানবাহিনী এবং পুরো অর্থনীতি এখন ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। কিন্তু যুদ্ধের ধুলোবালি ও ক্ষত যখন মুছে যেতে শুরু করেছে, তখন এমন একটি অদ্ভুত সমীকরণ সামনে আসছে। চলমান এই যুদ্ধ শুরুর আগের চেয়েও হয়তো আরও শক্তিশালী ও সুবিধাজনক অর্থনৈতিক অবস্থানে গিয়ে পৌঁছাতে পারে ইরানের বর্তমান শাসকগোষ্ঠী।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে হওয়া ১৪ দফার সমঝোতা স্মারকটি (এমওইউ) যদি সত্যি কার্যকর হয়, তাহলে তা ইরানের জন্য একটি বড় জ্যাকপট হতে পারে। এই চুক্তির আওতায় বিশ্বজুড়ে আটকে থাকা ইরানের বিশাল অঙ্কের সম্পদ মুক্ত করা হবে, এবং পাশাপাশি দেশটির ওপর থেকে বড় ধরনের নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করা হবে। তাতে বিপুল পরিমাণ নগদ বিনিয়োগের সুযোগ এবং আন্তর্জাতিক বাজারে মুক্তভাবে তেল বিক্রির অনুমতি দেওয়া হবে।

এই চুক্তির সবচেয়ে বড় এবং তাৎক্ষণিক সুফল হলো ইরানের আয়ের মূল উৎস তথা তেল বিক্রির পথ আবার উন্মুক্ত হওয়া। নিষেধাজ্ঞা উঠে যাওয়ার কারণে ইরান এখন তেল ট্যাংকারে ভাসমান অবস্থায় থাকা কোটি কোটি ব্যারেল তেল কোনো বাধা ছাড়া বিক্রি করতে পারবে। বিশেষজ্ঞদের মতে, দেশটি এখন দৈনিক প্রায় ২০ লাখ ব্যারেল তেল রফতানি করতে সক্ষম হবে, যা যুদ্ধপূর্ব সময়ের চেয়ে প্রায় এক-তৃতীয়াংশ বেশি। তা ছাড়া এত দিন কালোবাজারে চড়া ছাড়ে তেল বিক্রি করতে হলেও, এখন থেকে আন্তর্জাতিক বাজারে বৈধভাবে সম্পূর্ণ মূল্যে তেল বিক্রি করতে পারবে তেহরান। গত কয়েক মাস ধরে মার্কিন ব্লকেডের কারণে পারস্য উপসাগর থেকে ইরানের তেল রফতানি সম্পূর্ণ বন্ধ ছিল। তবে চলতি সপ্তাহে যুক্তরাষ্ট্র সাময়িকভাবে অবরোধ তুলে নেওয়ার পর ইতোমধ্যেই হরমুজ প্রণালি দিয়ে ৩৮ লাখ ব্যারেল তেল সফলভাবে রফতানি করেছে ইরান।

আরও পড়ুন: সুদানে স্বর্ণের খোঁজে শ্রমিকেরা জীবন ঝুঁকিতে, খনিতে প্রাণ হারাচ্ছেন

তেল বিক্রির পাশাপাশি অন্য একটি বড় স্বস্তি আসছে জব্দ হওয়া অর্থ ফেরত পাওয়ার মাধ্যমে। বিশ্বজুড়ে বিভিন্ন ব্যাংকে ইরানের প্রায় ১০০ বিলিয়ন ডলারেরও বেশি অর্থ আটকে আছে, যা দেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের জন্য পুরোপুরি উন্মুক্ত করে দেওয়া হবে বলে চুক্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে। কিছু বিশ্লেষকের মতে, এই বৈশ্বিক তহবিলের পরিমাণ ১২৪ থেকে ১৬৭ বিলিয়ন ডলার পর্যন্ত হতে পারে, যা যুদ্ধপূর্ব ইরানের বার্ষিক অর্থনৈতিক উৎপাদনের প্রায় এক-চতুর্থাংশ। তবে মার্কিন প্রশাসন জানিয়ে দিয়েছে, ইরান তাদের প্রতিশ্রুতি পুরোপুরি রক্ষা না করা পর্যন্ত এই তহবিলের একটি ডলারও ছাড় করা হবে না।

এর বাইরে যুদ্ধবিধ্বস্ত অবকাঠামো পুনর্গঠনের জন্য ৩০০ বিলিয়ন ডলারের একটি বেসরকারি বিনিয়োগ তহবিল গঠনের প্রস্তাব রয়েছে এই চুক্তিতে। মার্কিন ও ইসরায়েলি হামলায় ইরানের ইস্পাত এবং পেট্রোকেমিক্যাল কারখানাসহ বিপুল পরিমাণ রাষ্ট্রীয় অবকাঠামো ধ্বংস হয়েছে, যার ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ প্রায় ২৭০ বিলিয়ন ডলার বলে দাবি করেছে তেহরান। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জি-৭ বৈঠকে জানিয়েছেন যে, এই তহবিলটি মার্কিন করদাতাদের টাকায় নয়, বরং বেসরকারি ও আন্তর্জাতিক অর্থায়নে গঠিত হবে। তবে বিদেশি বিনিয়োগকারীরা ইরানের আচরণ না দেখে এখনই সেখানে বিনিয়োগ করতে কতটা আগ্রহী হবেন, তা নিয়ে তিনি সন্দেহ প্রকাশ করেছেন।

নিষেধাজ্ঞা উঠে গেলে ইরানের ব্যাংক এবং ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানগুলো বিশ্ববাজারের সঙ্গে সরাসরি লেনদেন করতে পারবে। যদিও মার্কিন নিষেধাজ্ঞা পুনর্বহালের ভয়ে অনেক বিদেশি ব্যাংক এখনই ঝুঁকি নিতে চাইবে না, তবু এই চুক্তিটি মার্কিন নীতির গত পাঁচ দশকের ইতিহাসে একটি বড় পরিবর্তন। তবে ট্রাম্প প্রশাসন জোর দিয়ে বলেছে, ইরানকে তাদের পারমাণবিক কর্মসূচি বন্ধসহ সমস্ত শর্ত মেনে চলতে হবে, অন্যথা নিষেধাজ্ঞা আবার ফিরে আসবে।

সব মিলিয়ে, চুক্তিটি যদি সত্যি টিকে থাকে, তাহলে তা ইরানের আকাশচুম্বী মুদ্রাস্ফীতি ও খাদ্যপণ্যের দাম কমাতে সাহায্য করবে। তবে অনেক বিশেষজ্ঞ মনে করেন, ইরানের মূল সমস্যা কেবল নিষেধাজ্ঞা নয়, বরং অভ্যন্তরীণ দুর্নীতি ও অব্যবস্থাপনা। ফলে এই বিশাল অর্থ শেষ পর্যন্ত সাধারণ মানুষের ভাগ্যোন্নয়নে কতটা কাজে লাগবে, তা নিয়ে বড় ধরনের সংশয় রয়েই যাচ্ছে।

আরও পড়ুন: ক্যাবের সিলিন্ডার গ্যাসের দাম না বাড়ানোর দাবি, বিইআরসির গণশুনানি বৃহস্পতিবার

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জুনের ১৭ দিনে এসেছে ১৮১ কোটি ডলার রেমিট্যান্স

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ১৮ই জুন, ২০২৬ ইং

০৫:২৫ পি.এম


জুনের ১৭ দিনে এসেছে ১৮১ কোটি ডলার রেমিট্যান্স

চলতি মাসের প্রথম ১৭ দিনে, দেশে রেমিট্যান্স এসেছে ১৮১ কোটি ৬০ লাখ মার্কিন ডলার। এই হিসাব অনুযায়ী, প্রতিদিন গড়ে দেশে এসেছে ১০ কোটি ৬৮ লাখ ডলার রেমিট্যান্স।

বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান এ তথ্য জানিয়েছেন।

তিনি আরও বলেন, চলতি জুন মাসের প্রথম ১৭ দিনে দেশে রেমিট্যান্স এসেছে ১৮১ কোটি ৬০ লাখ ডলার। গত বছরের একই সময়ে এসেছিল ১৭৫ কোটি ৫০ লাখ ডলার। অর্থাৎ বছর ধরে রেমিট্যান্স প্রবাহ বৃদ্ধি পেয়েছে।

চলতি অর্থবছরের জুলাই থেকে ১৭ জুন পর্যন্ত দেশে আসা রেমিট্যান্সের পরিমাণ ৩ হাজার ৪৫৭ কোটি ৩০ লাখ ডলার। বছর ব্যবধানে যা বেড়েছে ১৮ দশমিক ১০ শতাংশ।

এর আগে, গত মে মাসে দেশে এসেছে মোট ৩৪২ কোটি ৫০ লাখ ৩০ হাজার মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স। এটি দেশের ইতিহাসে কোনো এক মাসে প্রবাসী আয় হিসেবে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ।

গত এপ্রিলে দেশে এসেছিল ৩১২ কোটি ৭৩ লাখ মার্কিন ডলার। আর গত মার্চে দেশে এসেছিল ৩৭৫ কোটি ৫০ লাখ ৫০ হাজার মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স, যা দেশের ইতিহাসে যে কোনো এক মাসের সর্বোচ্চ।

গত ফেব্রুয়ারি ও জানুয়ারি মাসে দেশে এসেছে যথাক্রমে ৩০২ কোটি ৭ লাখ ৬০ হাজার এবং ৩১৭ কোটি ৯ লাখ ৪০ হাজার মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স। গত ডিসেম্বরে দেশে এসেছিল ৩২২ কোটি ৬৭ লাখ ডলার; নভেম্বরে এসেছিল ২৮৮ কোটি ৯৫ লাখ ২০ হাজার ডলার রেমিট্যান্স।

এছাড়া, গত অক্টোবর ও সেপ্টেম্বরে দেশে এসেছিল যথাক্রমে ২৫৬ কোটি ৩৪ লাখ ৮০ হাজার এবং ২৬৮ কোটি ৫৮ লাখ ৮০ হাজার মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স। আর গত আগস্ট ও জুলাইয়ে যথাক্রমে দেশে এসেছিল ২৪২ কোটি ১৮ লাখ ৯০ হাজার এবং ২৪৭ কোটি ৮০ লাখ ডলার রেমিট্যান্স।

এদিকে, গত ২০২৪-২৫ অর্থবছর জুড়ে দেশে প্রবাসীরা পাঠিয়েছেন ৩০ দশমিক ৩২ বিলিয়ন বা ৩৩২ কোটি ৮০ লাখ মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স, যা দেশের ইতিহাসে কোনো নির্দিষ্ট অর্থবছরে সর্বোচ্চ প্রবাসী আয়ের একটি রেকর্ড।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

খাগড়াছড়িতে ৩ দিনব্যাপী ফল মেলা শুরু

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ১৮ই জুন, ২০২৬ ইং

০৫:২৭ পি.এম


খাগড়াছড়িতে ৩ দিনব্যাপী ফল মেলা শুরু

খাগড়াছড়িতে জেলা প্রশাসন ও কৃষি সম্প্রসারণের উদ্যোগে ৩ দিনব্যাপী ফল মেলা শুরু হয়েছে।

বুধবার, কৃষি সম্প্রসারণ অফিসের কার্যালয়ের সামনে এ মেলার উদ্বোধন করেন জেলা প্রশাসক মো. আনোয়ার সাদাত। এরপর, উদ্বোধন শেষে হল রুমে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভার সভাপতিত্ব করেন কৃষিসম্প্রসারণ বিভাগের উপপরিচালক নাসির উদ্দিন চৌধুরী।

এ সভায় বক্তব্য দেন এনএসআইয়ের যুগ্ম পরিচালক মো. মনজুর আলম, বিভাগীয় বন কর্মকর্তা ফরিদ মিয়া, মুক্তা চাকমা, বাগান মালিকদের পক্ষে দিবাকর চাকমা, কৃষকদলের সভাপতি প্রিয়দর্শী বড়ুয়া, এসএএওদের পক্ষে এইচ এম আমজাদ হোসেন এবং কার্যালয়ের এডিডি ও উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তারা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

দেড় লাখ টাকা ছিনতাইচেষ্টায় জনতার হাতে আটক ৩ জন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ১৮ই জুন, ২০২৬ ইং

০৫:২৯ পি.এম


দেড় লাখ টাকা ছিনতাইচেষ্টায় জনতার হাতে আটক ৩ জন

দিনাজপুরের ঘোড়াঘাটে, এক ধান ব্যবসায়ীর কাছ থেকে দেড় লাখ টাকা ছিনতাই করার চেষ্টা করার সময় তিন ছিনতাইকারীকে হাতেনাতে আটক করে পুলিশকে সোপর্দ করেছেন স্থানীয়রা।

বুধবার (১৭ জুন) সন্ধ্যায় এ ঘটনাটি ঘোড়াঘাট পৌরসভার আজাদ মোড় এলাকায় ঘটে।

আটক ব্যক্তিদের মধ্যে রয়েছেন— রংপুরের মিঠাপুকুর উপজেলার বৈরাতিপাড়া গ্রামের আমজাদ হোসেনের ছেলে শাকিল মিয়া (৩২), গাইবান্ধা সদর এলাকার ডা. শফিকুল ইসলামের ছেলে শাহজাহান (৫২) এবং গাইবান্ধার সাদুল্লাপুর উপজেলার পশ্চিম দামুরপুর গ্রামের মোবারক হোসেনের ছেলে মো. সুরুজ্জামান (৫৪)।

পুলিশ এবং স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার কাটাবাড়ী বগুড়াপাড়া এলাকার ধান ব্যবসায়ী রহমতুল্লাহ ঘোড়াঘাটের ইসলামী ব্যাংক শাখা থেকে ১ লাখ ৫০ হাজার টাকা উত্তোলন করে বাড়ির উদ্দেশ্যে রওনা দেন। এ সময় একটি সিএনজিচালিত অটোরিকশায় থাকা পাঁচ সদস্যের একটি চক্র তাকে অনুসরণ করতে থাকে।

একপর্যায়ে সিএনজিচালক কথোপকথনের অজুহাতে রহমতুল্লাহকে কাছে ডাকেন। তিনি তখন কাছে গেলে, চক্রের সদস্যরা তার পকেটে থাকা টাকা ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করেন। এ সময় রহমতুল্লাহ চিৎকার শুরু করলে আশপাশের লোকজন দ্রুত ঘটনাস্থলে ছুটে এসে সিএনজিতে থাকা তিনজনকে আটক করেন। তবে সিএনজিচালকসহ চক্রের অন্য দুই সদস্য পালিয়ে যেতে সক্ষম হন।

ঘোড়াঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শহিদুল ইসলাম জানিয়েছেন, স্থানীয়দের মাধ্যমে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে ছিনতাইয়ের কাজে ব্যবহৃত সিএনজিচালিত অটোরিকশাটি জব্দ করে এবং আটক তিনজনকে হেফাজতে নেয়।

তিনি আরো জানান, এ ঘটনায় ধান ব্যবসায়ী রহমতুল্লাহ বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামা দুইজনসহ মোট পাঁচজনকে আসামি করে ঘোড়াঘাট থানায় ছিনতাই চেষ্টার একটি মামলা দায়ের করেছেন। পলাতক আসামিদের গ্রেফতারের জন্য অভিযান চলছে।

এছাড়া, আটক তিন আসামিকে পুলিশের পক্ষ থেকে বৃহস্পতিবার আদালতে পাঠানোর পরিকল্পনা করা হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বাংলাদেশিসহ সব বিদেশির জন্য সৌদির দুঃসংবাদ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ১৮ই জুন, ২০২৬ ইং

০৫:৩০ পি.এম


বাংলাদেশিসহ সব বিদেশির জন্য সৌদির দুঃসংবাদ

বিদেশি কর্মী নিয়োগের প্রক্রিয়া নিয়ন্ত্রণ এবং বিধি মেনে চলা নিশ্চিত করতে নতুন প্রতিষ্ঠানের জন্য তাৎক্ষণিক (ইনস্ট্যান্ট) ওয়ার্ক ভিসার সর্বোচ্চ সংখ্যা পাঁচটি কমিয়ে দিয়েছে মানবসম্পদ ও সামাজিক উন্নয়ন মন্ত্রণালয়ের কিওয়া প্ল্যাটফর্ম।

বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) গালফ নিউজের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য প্রকাশিত হয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কিওয়া জানিয়েছে, দুই বছরের কম সময় ধরে পরিচালিত ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলো সর্বোচ্চ পাঁচটি তাৎক্ষণিক ওয়ার্ক ভিসা পাবে। অপরদিকে, দুই বছরের বেশি পুরোনো প্রতিষ্ঠানগুলো একবারে বা একই সপ্তাহে একাধিক আবেদনের মাধ্যমে সর্বোচ্চ ৫০টি ভিসা নিতে পারবে।

কিউয়া জানিয়েছে, ‘এস্টাবলিশমেন্ট প্রোগ্রাম’-এ অন্তর্ভুক্ত এবং নির্ধারিত শর্ত পূরণকারী প্রতিষ্ঠানগুলো শুরুতে দুটি ভিসা পাবে। পরে সৌদিকরণ হার বৃদ্ধি করলে অতিরিক্ত ভিসা বরাদ্দ পাওয়া যাবে। বিদেশ থেকে কর্মী নিয়োগের জন্য ১০টি শর্তও নির্ধারণ করেছে কিউয়া।

এসব শর্তগুলোর মধ্যে রয়েছে—প্রতিষ্ঠানের সক্রিয় ব্যবসায়িক অবস্থা বজায় রাখা, কর্মীদের বৈধ ওয়ার্ক পারমিট থাকা, বৈধ বাণিজ্যিক নিবন্ধন রাখা, সৌদিকরণ নীতিতে অন্তত ‘মিডিয়াম গ্রিন’ ক্যাটাগরিতে থাকা, মজুরি সুরক্ষা ব্যবস্থা মেনে চলা এবং ‘আবশের’ বা ‘মুকিম’-এর মতো সরকারি প্ল্যাটফর্মে পর্যাপ্ত ব্যালেন্স রাখা।

এছাড়া, ১০ বা তার বেশি কর্মী থাকা প্রতিষ্ঠানের জন্য বার্ষিক স্ব-মূল্যায়ন সম্পন্ন করা, কিউয়া প্ল্যাটফর্মে কর্মস্থল নিবন্ধন করা, নিয়োগকর্তার বয়স কমপক্ষে ১৮ বছর হওয়া এবং ভিসার ধরন অনুযায়ী পর্যাপ্ত নিয়োগ কোটা থাকা বাধ্যতামূলক।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%