শনিবার, ১৯ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০১:৩৫ পি.এম
প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খান জামায়াতে ইসলামীর আমিরের বক্তব্য এবং জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) রাজনৈতিক অবস্থান সম্পর্কে প্রশ্ন তুলেছেন।
তিনি মন্তব্য করেন, ‘পূর্বের লং মার্চে জামায়াতের আমির বলেছিলেন, “জাতির প্রয়োজনে ৬ দফা ১ দফায় পরিণত হতে পারে।” কিন্তু এবারের লংমার্চে তিনি বলেছেন, ‘জাতির প্রয়োজনে ৮ দফা ১ দফায় পরিণত হতে পারে। জাতি কি জানে, তার প্রয়োজনে কখন ৬ দফা ৮ দফায় পরিণত হলো?’
শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) সকাল ১০টার দিকে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডিতে তিনি এই প্রশ্নটি উত্থাপন করেন।
ফেসবুক পোস্টে রাশেদ খান উল্লেখ করেন, জামায়াতের আমির গত লং মার্চে বলেছিলেন, জাতির প্রয়োজনে ৬ দফা ১ দফায় পরিণত হতে পারে! আজকের লংমার্চ থেকে তিনি বলছেন, জাতির প্রয়োজনে ৮ দফা ১ দফায় পরিণত হতে পারে! কিন্তু জাতি কি জানে, তার প্রয়োজনে কখন ৬ দফা ৮ দফায় পরিণত হলো? যে নেতা দাবিদাওয়া ঠিক করতে পারে না, সেই নেতা শুধুমাত্র জামায়াতি জাতির নেতা হতে পারে, সমগ্র জাতির নেতা হতে পারে না!
তিনি আরও উল্লেখ করেন, লংমার্চে জনগণের সাড়া কেমন হবে, তা গতকাল ছুটির দিনে জাতীয় সংসদ ভবনের সামনে এনসিপি আয়োজিত কর্মসূচিতে থেকে মোটামুটি বোঝা গেছে! সেখানে নেতাকর্মীদের তুলনায় সাংবাদিকদের উপস্থিতি বেশি মনে হয়েছে! কোন বাধা নেই, তারপরও জাতি সাড়াশব্দ করছে না! এনসিপি কি কখনো এই পিছনের কারণ অনুসন্ধান করার চেষ্টা করেছে?
সবশেষে তিনি লেখেন, দেখেন এই জাতি ভুলে যায়নি যে, এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম নির্বাচনের আগে বলেছিলেন, জামায়াতের নেতৃত্বকে এই দেশের জনগণ কখনোই গ্রহণ করবে না! কিন্তু যেদিন নাহিদ ইসলাম জামায়াতের আমিরের নেতৃত্বকে গ্রহণ করলেন, সেদিন থেকে জাতির দুই নেতার আহ্বানেই জাতি আর সাড়া দিচ্ছে না!
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বিশ্বজয়ী হাফেজে কুরআনদের সম্মাননা প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে বিতর্কিত লেখক ইউভাল নোয়াহ হারারির লেখা ‘Nexus: A Brief History of Information Networks from the Stone Age to AI’ বইটি উপহার হিসেবে প্রদান করায় আন্তর্জাতিক মজলিসে তাহাফফুজে খতমে নবুওয়ত বাংলাদেশ তীব্র ক্ষোভ ও নিন্দা প্রকাশ করেছে।
১৯ সেপ্টেম্বর গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে সংগঠনটির মহাসচিব মাওলানা মুহিউদ্দীন রাব্বানী উল্লেখ করেন, প্রধানমন্ত্রী যে উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন, তা অত্যন্ত প্রশংসনীয়। তিনি বলেন, বিশ্বজয়ী হাফেজে কুরআনদের সম্মাননা দেওয়া ও তাঁদের অর্জনকে রাষ্ট্রীয়ভাবে স্বীকৃতি দেওয়ার উদ্যোগকে স্বাগত জানানো হচ্ছে। তবে, ৯২ শতাংশ মুসলমানের এই দেশে এমন একটি সম্মানজনক অনুষ্ঠানে উপহার হিসেবে বিতরণ করা বইয়ের বিষয়বস্তু ও লেখকের দৃষ্টিভঙ্গি যথাযথভাবে বিবেচনা করা আবশ্যক ছিল।
বিবৃতিতে আরও উল্লেখ করা হয়, লেখক ইউভাল নোয়াহ হারারির বিভিন্ন লেখা ও বক্তব্য ইসলামি আকিদা, ধর্মীয় বিশ্বাস ও নৈতিকতার সঙ্গে সরাসরি সাংঘর্ষিক। পবিত্র কুরআনে সমকামিতাকে অত্যন্ত নিন্দনীয় ও সীমালঙ্ঘন হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। তাই, এই লেখকের বই কুরআনের হাফেজদের উপহার হিসেবে নির্বাচন করা মোটেও যথাযথ নয়। সংগঠনটি মনে করে, এটি প্রধানমন্ত্রীর অগোচরে হয়ে থাকলেও এর পেছনে সংশ্লিষ্ট দায়িত্বশীলদের যথাযথ যাচাই-বাছাইয়ের ঘাটতি ছিল কি না, তা খতিয়ে দেখা প্রয়োজন। তাঁরা জানতে চান, কাদের পরামর্শে এবং কী ধরনের যাচাই-বাছাইয়ের মাধ্যমে এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হলো।
উদ্ভূত পরিস্থিতিতে আন্তর্জাতিক মজলিসে তাহাফফুজে খতমে নবুওয়ত বাংলাদেশের পক্ষ থেকে সরকারের কাছে চার দফা দাবি জানানো হয়েছে। প্রথমত, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের যেসব কর্মকর্তা বইটি নির্বাচনের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন, তাঁদের ভূমিকা যাচাই করে তদন্ত করতে হবে। দ্বিতীয়ত, বিতরণকৃত বইটি প্রত্যাহার করে হাফেজদের উপযুক্ত ও গ্রহণযোগ্য ইসলামি ঐতিহ্যবাহী গ্রন্থ উপহার হিসেবে দিতে হবে। তৃতীয়ত, ভবিষ্যতে সরকারি ইসলামিক অনুষ্ঠান ও ধর্মীয় ব্যক্তিত্বদের সম্মাননায় উপহার বা প্রকাশনা নির্বাচনের জন্য স্ক্রিনিং ব্যবস্থা বা বিশেষ কমিটি গঠন করতে হবে। চতুর্থত, রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে ধর্মীয় অনুষ্ঠান আয়োজনের ক্ষেত্রে দেশের ধর্মীয় মূল্যবোধ, সংস্কৃতি ও জনগণের অনুভূতির বিষয়টি যথাযথভাবে বিবেচনায় নিতে হবে।
মহাসচিব বলেন, বিশ্বজয়ী হাফেজদের সম্মানিত করার এই মহতী উদ্যোগ যেন কোনো অনভিপ্রেত সিদ্ধান্তের কারণে প্রশ্নবিদ্ধ না হয়, সে বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে। তিনি একই সঙ্গে ঈমান, ইসলামি মূল্যবোধ ও দেশের ধর্মীয় ঐতিহ্য রক্ষায় সর্বস্তরের তাওহিদী জনতাকে সচেতন ও দায়িত্বশীল থাকার আহ্বান জানান।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
আর্জেন্টিনার বিশ্বকাপ ফাইনালে লজ্জাজনক পারফরম্যান্সের মধ্যেও তিনি ছিলেন উজ্জ্বল। স্পেনের ক্ষুরধার আক্রমণের বিরুদ্ধে দাঁড়িয়ে ছিলেন দুর্ভেদ্য দেয়াল হিসেবে। একাই ঠেকিয়ে দিয়েছেন ডজনের বেশি আক্রমণ। বিশ্বকাপ জুড়েই ছিলেন, তবে ইংলিশ প্রিমিয়ার লীগে যেন নিষ্প্রভ আর্জেন্টাইন গোলরক্ষক। গোলপোস্টে সামনে যেন ফর্মই ধরে রাখতে পারছেন না তিনি।
চেলসির হয়ে নিজের প্রথম চার ম্যাচেই তিনি হজম করেছেন ১০টি গোল। টানা এমন হতাশাজনক পারফরম্যান্সের পর দলটির সমর্থকদের কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে ক্ষমা চেয়েছেন মার্তিনেজ।
গত আগস্টের শেষ সপ্তাহে সাড়ে ৭৫ লাখ পাউন্ডের বিনিময়ে অ্যাস্টন ভিলা থেকে চেলসিতে পাড়ি জমান ৩৩ বছর বয়সী মার্তিনেজ। চেলসির নিয়মিত গোলরক্ষক রবার্ট সানচেজের অধারাবাহিকতার কারণে কোচ জাবি আলোনসো মার্তিনেজকে দলে টেনেছিলেন ভরসা হিসেবে। তবে মাঠে নেমে প্রথম চার ম্যাচের একটিতেও ‘ক্লিন শিট’ রাখতে পারেননি এই আর্জেন্টাইন প্রাচীর।
ব্লুজদের হয়ে নিজের প্রথম ম্যাচে ব্রাইটন অ্যান্ড হোভ অ্যালবিওনের বিপক্ষে তিন গোল হজম করেন মার্তিনেজ। এরপর আর ছন্দে ফিরতে পারেননি। আর্সেনালের বিপক্ষে দুই, হাল সিটির বিপক্ষে দুই এবং সর্বশেষ গত রাতে ব্রেন্টফোর্ডের বিপক্ষে আরও তিনবার তাকে পরাস্ত করে বল ঢুকেছে চেলসির জালে।
ব্রেন্টফোর্ডের বিপক্ষে চেলসির বড় হারের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সমর্থকদের উদ্দেশ্যে একটি আবেগঘন পোস্ট করেন মার্তিনেজ। সেখানে তিনি নিজের পারফরম্যান্সের দায় স্বীকার করে লিখেছেন, "ক্লাব এবং সমর্থকদের ভালোবাসা ও বিশ্বাসের যে প্রতিদান আমাদের দেওয়া উচিত ছিল, তা আমরা দিতে পারছি না। চেলসির মতো বড় ক্লাবের হয়ে নিজের প্রথম চার ম্যাচেই ১০টি গোল হজম করা আমার জন্য অত্যন্ত বেদনাদায়ক এবং হতাশাজনক।"
"প্রতি ম্যাচে সমর্থকেরা কতটা আশা এবং আবেগ নিয়ে আমাদের সমর্থন দিতে মাঠে আসেন, তা আমি বুঝি। চেলসি পরিবারের সবাইকে এই হতাশাজনক পারফরম্যান্সের জন্য আমি আন্তরিকভাবে ক্ষমা চাইছি।"
তবে কঠিন পরিস্থিতি পার করে ঘুরে দাঁড়ানোর ব্যাপারে আত্মবিশ্বাসী তিনি। ফুটবলে কঠিন সময় আসতেই পারে, তবে আমি হাল ছেড়ে দেওয়ার পাত্র নই। চেলসিকে সাফল্যের চূড়ায় নিয়ে যাওয়ার যে প্রতিশ্রুতি আমি দিয়েছিলাম, তা পূরণ করতে কঠোর পরিশ্রম করে যাবো। আমাদের ঘুরে দাঁড়াতেই হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : তুরস্ক কর্তৃপক্ষ ইরানের একটি প্রধান বেসরকারি ব্যাংক, ‘ব্যাংক মেল্লাতের’ লাইসেন্স বাতিল করেছে। শনিবার ভোরে সরকারি গেজেটে এই তথ্য প্রকাশ করা হয়।
বার্তা সংস্থা এএফপি’র তথ্য অনুযায়ী, তুরস্কের ব্যাংকিং নিয়ন্ত্রক সংস্থার সিদ্ধান্তের পর এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। ব্যাংক মেল্লাত, যা তেহরান ভিত্তিক, ইরান সরকারের জন্য আর্থিক সহায়তা প্রদান করে থাকে। ওপেনস্যাংশনস নামক একটি তথ্যভিত্তিক ডেটাবেস জানিয়েছে যে, ব্যাংকটি যুক্তরাষ্ট্র, ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) এবং যুক্তরাজ্যের নিষেধাজ্ঞার আওতায় রয়েছে।
ডেটাবেসের তথ্য অনুযায়ী, ব্যাংক মেল্লাতের সবচেয়ে বড় শেয়ারহোল্ডার হচ্ছে ইরান সরকার। লাইসেন্স বাতিলের সময় তুরস্কের নিয়ন্ত্রক সংস্থা দেশের ব্যাংকিং আইনের ৭১ (বি) ধারা উল্লেখ করেছে। ওই ধারায় উল্লেখ করা হয়েছে যে, কোনো প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম অব্যাহত থাকলে তা ‘আমানতকারী ও অংশগ্রহণ তহবিলের মালিকদের অধিকার এবং আর্থিক ব্যবস্থার নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতার জন্য হুমকি’ সৃষ্টি করতে পারে।
যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি)-এর সঙ্গে সম্পর্কিত অভিযোগে তুরস্কের একটি ব্যাংকের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপের দুই সপ্তাহ পর ব্যাংক মেল্লাতের বিরুদ্ধে এই পদক্ষেপ গ্রহণ করা হলো।
তবে, তুরস্কের ব্যাংকটির ওপর যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা এবং ব্যাংক মেল্লাতের লাইসেন্স বাতিলের মধ্যে কোনো সম্পর্ক রয়েছে কি না, তা তাৎক্ষণিকভাবে স্পষ্ট হয়নি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে ককটেল বিস্ফোরণ ও বাসে অগ্নিসংযোগের ঘটনার পর আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনী নিরাপত্তা ব্যবস্থা শক্তিশালী করেছে। শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) রাত থেকে গুরুত্বপূর্ণ সড়কগুলোতে দুই শতাধিক চেকপোস্ট স্থাপন করে সন্দেহভাজন ব্যক্তি ও যানবাহনে তল্লাশি করা হচ্ছে।
ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) জানিয়েছে, ঢাকায় প্রবেশের চারটি পথে পুলিশ কার্যক্রম পরিচালনা করছে। দুই শতাধিক চেকপোস্ট স্থাপন করে তল্লাশি চলছে। শুক্রবারের ককটেল বিস্ফোরণ ও বাসে অগ্নিসংযোগের ঘটনায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) ও মামলা দায়ের করা হয়েছে। ঘটনার স্থান থেকে সিসি ক্যামেরার ফুটেজ সংগ্রহ করে জড়িতদের চিহ্নিত ও গ্রেপ্তারের জন্য পুলিশ কাজ করছে।
আরো পড়ুন
সাগরে লঘুচাপের শঙ্কা, বৃষ্টি ঝরবে টানা ৫ দিন
পুলিশের পাশাপাশি স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি) রাত থেকে রাজধানীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়কে চেকপোস্ট স্থাপন করে তল্লাশি কার্যক্রম পরিচালনা করেছে। টহলও বৃদ্ধি করা হয়েছে।
এদিকে, গত ২৪ ঘণ্টার মধ্যে রাজধানীতে পৃথক অভিযানে ৫১৫ জনকে গ্রেপ্তার করেছে ডিএমপি। এই সময়ের মধ্যে ৪৭টি মামলা দায়ের করা হয়েছে। গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে রমনা বিভাগে ৩০ জন, লালবাগে ৩৪, ওয়ারীতে ৬৪, মতিঝিলে ৭৬, তেজগাঁওয়ে ৯২, মিরপুরে ১২০, গুলশানে ৩৭, উত্তরা বিভাগে ৪৬ এবং গোয়েন্দা বিভাগে ১৬ জন রয়েছেন।
অভিযানের ফলস্বরূপ দুটি বিদেশি পিস্তল, দুটি ম্যাগাজিন, ১০টি গুলি, তিনটি চাপাতি, পাঁচটি চাকু, বিস্ফোরিত ককটেলের অংশবিশেষ, ৫৩টি লোহার পেরেক, ৯৪ কেজি ৩৫০ গ্রাম গাঁজা, ১১ হাজার ১৬৭টি ইয়াবা ও ১২১ দশমিক ৩ গ্রাম হেরোইন উদ্ধার করা হয়েছে। এছাড়া তিন বোতল বিদেশি মদ, ২০ ক্যান বিয়ার, একটি প্রাইভেট কার, পাঁচটি মোবাইল ফোন এবং ৭ হাজার ২০০ টাকা উদ্ধার করা হয়েছে।
ডিএমপির জনসংযোগ ও গণমাধ্যম শাখার এডিসি নিয়াজ মেহেদী গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ