ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২২শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৬ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১১ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বৃহস্পতিবার, ২২শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৬ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

তুরস্কে ইরানের ব্যাংক মেল্লাতের লাইসেন্স বাতিল


তুরস্কে ইরানের ব্যাংক মেল্লাতের লাইসেন্স বাতিল

ঢাকা, ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : তুরস্ক কর্তৃপক্ষ ইরানের একটি প্রধান বেসরকারি ব্যাংক, ‘ব্যাংক মেল্লাতের’ লাইসেন্স বাতিল করেছে। শনিবার ভোরে সরকারি গেজেটে এই তথ্য প্রকাশ করা হয়।

বার্তা সংস্থা এএফপি’র তথ্য অনুযায়ী, তুরস্কের ব্যাংকিং নিয়ন্ত্রক সংস্থার সিদ্ধান্তের পর এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। ব্যাংক মেল্লাত, যা তেহরান ভিত্তিক, ইরান সরকারের জন্য আর্থিক সহায়তা প্রদান করে থাকে। ওপেনস্যাংশনস নামক একটি তথ্যভিত্তিক ডেটাবেস জানিয়েছে যে, ব্যাংকটি যুক্তরাষ্ট্র, ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) এবং যুক্তরাজ্যের নিষেধাজ্ঞার আওতায় রয়েছে।

ডেটাবেসের তথ্য অনুযায়ী, ব্যাংক মেল্লাতের সবচেয়ে বড় শেয়ারহোল্ডার হচ্ছে ইরান সরকার। লাইসেন্স বাতিলের সময় তুরস্কের নিয়ন্ত্রক সংস্থা দেশের ব্যাংকিং আইনের ৭১ (বি) ধারা উল্লেখ করেছে। ওই ধারায় উল্লেখ করা হয়েছে যে, কোনো প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম অব্যাহত থাকলে তা ‘আমানতকারী ও অংশগ্রহণ তহবিলের মালিকদের অধিকার এবং আর্থিক ব্যবস্থার নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতার জন্য হুমকি’ সৃষ্টি করতে পারে।

আরও পড়ুন: দক্ষিণ কোরিয়াকে ভয়ংকর পরিণতির হুঁশিয়ারি দিল উত্তর কোরিয়া

যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি)-এর সঙ্গে সম্পর্কিত অভিযোগে তুরস্কের একটি ব্যাংকের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপের দুই সপ্তাহ পর ব্যাংক মেল্লাতের বিরুদ্ধে এই পদক্ষেপ গ্রহণ করা হলো।

তবে, তুরস্কের ব্যাংকটির ওপর যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা এবং ব্যাংক মেল্লাতের লাইসেন্স বাতিলের মধ্যে কোনো সম্পর্ক রয়েছে কি না, তা তাৎক্ষণিকভাবে স্পষ্ট হয়নি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রাজধানীতে দুই শতাধিক চেকপোস্টে তল্লাশি, নিরাপত্তা জোরদার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ১৯ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০১:৪৬ পি.এম


রাজধানীতে দুই শতাধিক চেকপোস্টে তল্লাশি, নিরাপত্তা জোরদার

রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে ককটেল বিস্ফোরণ ও বাসে অগ্নিসংযোগের ঘটনার পর আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনী নিরাপত্তা ব্যবস্থা শক্তিশালী করেছে। শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) রাত থেকে গুরুত্বপূর্ণ সড়কগুলোতে দুই শতাধিক চেকপোস্ট স্থাপন করে সন্দেহভাজন ব্যক্তি ও যানবাহনে তল্লাশি করা হচ্ছে।

ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) জানিয়েছে, ঢাকায় প্রবেশের চারটি পথে পুলিশ কার্যক্রম পরিচালনা করছে। দুই শতাধিক চেকপোস্ট স্থাপন করে তল্লাশি চলছে। শুক্রবারের ককটেল বিস্ফোরণ ও বাসে অগ্নিসংযোগের ঘটনায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) ও মামলা দায়ের করা হয়েছে। ঘটনার স্থান থেকে সিসি ক্যামেরার ফুটেজ সংগ্রহ করে জড়িতদের চিহ্নিত ও গ্রেপ্তারের জন্য পুলিশ কাজ করছে।

আরো পড়ুন

সাগরে লঘুচাপের শঙ্কা, বৃষ্টি ঝরবে টানা ৫ দিন

পুলিশের পাশাপাশি স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি) রাত থেকে রাজধানীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়কে চেকপোস্ট স্থাপন করে তল্লাশি কার্যক্রম পরিচালনা করেছে। টহলও বৃদ্ধি করা হয়েছে।

এদিকে, গত ২৪ ঘণ্টার মধ্যে রাজধানীতে পৃথক অভিযানে ৫১৫ জনকে গ্রেপ্তার করেছে ডিএমপি। এই সময়ের মধ্যে ৪৭টি মামলা দায়ের করা হয়েছে। গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে রমনা বিভাগে ৩০ জন, লালবাগে ৩৪, ওয়ারীতে ৬৪, মতিঝিলে ৭৬, তেজগাঁওয়ে ৯২, মিরপুরে ১২০, গুলশানে ৩৭, উত্তরা বিভাগে ৪৬ এবং গোয়েন্দা বিভাগে ১৬ জন রয়েছেন।

অভিযানের ফলস্বরূপ দুটি বিদেশি পিস্তল, দুটি ম্যাগাজিন, ১০টি গুলি, তিনটি চাপাতি, পাঁচটি চাকু, বিস্ফোরিত ককটেলের অংশবিশেষ, ৫৩টি লোহার পেরেক, ৯৪ কেজি ৩৫০ গ্রাম গাঁজা, ১১ হাজার ১৬৭টি ইয়াবা ও ১২১ দশমিক ৩ গ্রাম হেরোইন উদ্ধার করা হয়েছে। এছাড়া তিন বোতল বিদেশি মদ, ২০ ক্যান বিয়ার, একটি প্রাইভেট কার, পাঁচটি মোবাইল ফোন এবং ৭ হাজার ২০০ টাকা উদ্ধার করা হয়েছে।

ডিএমপির জনসংযোগ ও গণমাধ্যম শাখার এডিসি নিয়াজ মেহেদী গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নেসলের সম্পদ জব্দ করল রাশিয়া, নেপথ্যে যে কারণ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শনিবার, ১৯ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০১:৪৬ পি.এম


নেসলের সম্পদ জব্দ করল রাশিয়া, নেপথ্যে যে কারণ

রাশিয়ার ক্রেমলিন নেসলে এবং ফ্রান্সের খুচরা বিক্রেতা প্রতিষ্ঠান অশাঁনের সম্পদ জব্দ করেছে। এই পদক্ষেপটি দেশের বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের ওপর সরকারের নিয়ন্ত্রণ বৃদ্ধি করার অংশ হিসেবে নেওয়া হয়েছে।

শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) ক্রেমলিনের মুখপাত্র দিমিত্রি পেসকভ মন্তব্য করেন যে, অশাঁন এবং নেসলে ‘বন্ধুত্বহীন দেশের ইউরোপীয় প্রতিষ্ঠান’। তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে যে, তারা রাশিয়ার সঙ্গে সংঘাতে সক্রিয়ভাবে যুক্ত রয়েছে। প্রেসিডেন্টের জারি করা এক ডিক্রিতে এক দিন আগে এই দুই প্রতিষ্ঠানের সম্পদ জব্দের ঘোষণা দেওয়া হয়।

ডিক্রির আওতায়, নেসলে এবং অশাঁনের রাশিয়ায় অবস্থিত সম্পদ দেশটির স্থানীয় প্রতিষ্ঠান এলইভি ম্যানেজমেন্টের সাময়িক নিয়ন্ত্রণে স্থানান্তরিত করা হয়েছে।

কিটক্যাট চকলেট এবং নেসক্যাফে কফির উৎপাদক নেসলে জানিয়েছে, তারা পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে পরবর্তী পদক্ষেপ নির্ধারণ করবে। বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ খাদ্য ও পানীয় উৎপাদক প্রতিষ্ঠানটির রাশিয়ায় বর্তমানে ছয়টি স্থাপনা রয়েছে, যেখানে ৭ হাজারের বেশি কর্মী কাজ করেন।

২০২১ সালে, নেসলের রাশিয়ার বাজার থেকে মোট বিক্রির প্রায় ২ শতাংশ এসেছে। ওই বছর প্রতিষ্ঠানটির বিক্রির পরিমাণ ছিল প্রায় ২০০ কোটি সুইস ফ্রাঁ, যা প্রায় ২৪০ কোটি মার্কিন ডলারের সমান।

এক বিবৃতিতে নেসলে জানায়, তারা নিজেদের অধিকার রক্ষা এবং ব্যবসার কার্যক্রম চালু রাখতে প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ নেবে। বিশেষ করে কর্মীদের স্বার্থ রক্ষার বিষয়টিকে তারা গুরুত্ব দিচ্ছে। এদিকে, রাশিয়ায় সম্পদ জব্দের খবর প্রকাশিত হওয়ার পর জুরিখের শেয়ারবাজারে নেসলের শেয়ারের দাম ২ শতাংশ কমে গেছে।

অশাঁন রাশিয়ায় খাবার, পোশাক, গৃহস্থালি পণ্য এবং ইলেকট্রনিকস বিক্রি করে। প্রতিষ্ঠানটি এ বিষয়ে মন্তব্যের জন্য কোনো উত্তর দেয়নি। তাদের ওয়েবসাইটের তথ্য অনুযায়ী, রাশিয়ায় অশাঁনের ২৩০টি দোকান রয়েছে এবং তারা অনলাইন ব্যবসাও পরিচালনা করে। দেশটিতে তাদের প্রায় ৩০ হাজার কর্মী রয়েছে।

২০২২ সালে ইউক্রেনে রাশিয়ার সামরিক অভিযান শুরু হওয়ার পর থেকেই বিদেশি মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠানের ওপর নিয়ন্ত্রণ বাড়িয়েছে মস্কো। পরবর্তী বছর প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন একটি ডিক্রিতে সই করেন, যার মাধ্যমে ‘বন্ধুত্বহীন’ দেশের প্রতিষ্ঠানগুলোর সম্পদ সাময়িকভাবে সরকারি নিয়ন্ত্রণে নেওয়ার ক্ষমতা সরকারকে দেওয়া হয়।

এর কিছুদিন পর ফ্রান্সের দই উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান দানোন এবং ডেনমার্কের বিয়ার উৎপাদক কার্লসবার্গের রাশিয়ার ব্যবসা নিয়ন্ত্রণে নেয় মস্কো।

ইউক্রেনে যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর নেসলে রাশিয়ায় নিজেদের পণ্যের পরিমাণ উল্লেখযোগ্যভাবে কমিয়ে দিয়েছে। তবে দেশটিতে ব্যবসা চালিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণে প্রতিষ্ঠানটি সমালোচনার সম্মুখীন হয়েছে। ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির জেলেনস্কি সহ বিভিন্ন পক্ষ নেসলের বিরুদ্ধে সমালোচনা করেছে।

নেসলে তাদের অবস্থানের পক্ষে যুক্তি দিয়ে বলেছে, রাশিয়ার সাধারণ মানুষের জন্য প্রয়োজনীয় খাদ্য সরবরাহ করতেই তারা সীমিত আকারে ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে। প্রতিষ্ঠানটির দাবি, রাশিয়ায় তাদের উল্লেখযোগ্যভাবে কমিয়ে আনা কার্যক্রম থেকে কোনো মুনাফা হচ্ছে না।

তবে রাশিয়ার বেসরকারি খাতে সরকারি নিয়ন্ত্রণ বিদেশি প্রতিষ্ঠানগুলোতেই সীমাবদ্ধ নয়। দেশীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর ওপরও চাপ বাড়ছে। সোভিয়েত ইউনিয়ন ভেঙে যাওয়ার পর এমন বড় পরিসরে সম্পদ পুনর্বণ্টনের ঘটনা আর দেখা যায়নি।

বার্লিনভিত্তিক কার্নেগি রাশিয়া ইউরেশিয়া সেন্টারের জ্যেষ্ঠ গবেষক আলেক্সান্দ্রা প্রোকোপেঙ্কো শুক্রবার নিউইয়র্ক টাইমসে লেখেন, রাশিয়ার প্রসিকিউটর জেনারেল কার্যালয় ধারাবাহিকভাবে জাতীয়করণ কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে। ১৯৯০-এর দশকে বেসরকারীকরণের সময় করা বিভিন্ন চুক্তিও নতুন করে খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এসব চুক্তি দেশের অর্থনৈতিক সার্বভৌমত্ব লঙ্ঘন করেছে—এমন অভিযোগে সম্পদ রাষ্ট্রের নিয়ন্ত্রণে নেওয়া হচ্ছে।

এদিকে চলতি সপ্তাহে রাশিয়ার পার্লামেন্টের নিম্নকক্ষ স্টেট ডুমার নির্বাচনে প্রেসিডেন্ট পুতিনের ইউনাইটেড রাশিয়া পার্টি বড় ব্যবধানে জয় পাবে বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে। ২০২২ সালে ইউক্রেনে রাশিয়ার সামরিক অভিযান শুরু হওয়ার পর এটি হবে দেশটির প্রথম জাতীয় সংসদ নির্বাচন।

সূত্র: সিএনএন

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

লন্ডনে বাড়ির দামে ধস! চার এলাকায় ১০ শতাংশের বেশি কমেছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শনিবার, ১৯ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০১:৪৭ পি.এম


লন্ডনে বাড়ির দামে ধস! চার এলাকায় ১০ শতাংশের বেশি কমেছে

লন্ডনের ২০টি প্রশাসনিক এলাকায় গত এক বছরে বাড়ির দাম কমার ঘটনা ঘটেছে। এর মধ্যে চারটি এলাকায় গড় বাড়ির দাম ১০ শতাংশের বেশি কমেছে। সবচেয়ে বড় পতন লক্ষ্য করা গেছে ওয়েস্টমিনস্টারে, যেখানে এক বছরে গড় বাড়ির দাম ২০ দশমিক ৭ শতাংশ কমেছে।

অফিস ফর ন্যাশনাল স্ট্যাটিস্টিকসের (ওএনএস) প্রকাশিত পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ২০২৫ সালের জুলাই মাসে ওয়েস্টমিনস্টারে একটি বাড়ির গড় দাম ছিল ১১ লাখ ৬ হাজার পাউন্ড। চলতি বছরের জুলাই মাসে তা কমে ৮ লাখ ৭৭ হাজার পাউন্ডে পৌঁছেছে।

লন্ডনের কেন্দ্রীয় এই প্রশাসনিক এলাকায় বাড়ির দামের পতন আগের মাসের তুলনায় কিছুটা কমেছে। জুন পর্যন্ত এক বছরের হিসাবে সেখানে বাড়ির দাম কমেছিল প্রায় ২৫ শতাংশ।

১০ শতাংশের বেশি পতন হয়েছে অন্য তিনটি এলাকায়ও। টাওয়ার হ্যামলেটসে চলতি বছরের জুলাই মাসে বাড়ির গড় দাম ছিল ৪ লাখ ৪৮ হাজার পাউন্ড। এক বছর আগে একই সময়ে তা ছিল ৫ লাখ ২৩ হাজার পাউন্ড, অর্থাৎ এক বছরে দাম কমেছে ১৪ দশমিক ৪ শতাংশ।

কেনসিংটন অ্যান্ড চেলসিতে বাড়ির গড় দাম ১৪ দশমিক ১ শতাংশ কমেছে। সেখানে দাম ১৪ লাখ ৩৫ হাজার পাউন্ড থেকে কমে ১২ লাখ ৩৩ হাজার পাউন্ড হয়েছে। ক্যামডেনে কমেছে ১০ দশমিক ১ শতাংশ—৯ লাখ ৭ হাজার পাউন্ড থেকে ৮ লাখ ১৫ হাজার পাউন্ডে।

এছাড়া, হ্যামারস্মিথ অ্যান্ড ফুলহ্যামে বাড়ির দাম ৯ শতাংশ কমেছে। ল্যামবেথে ৬ দশমিক ৩ শতাংশ, ওয়ান্ডসওয়ার্থে ৫ দশমিক ৫ শতাংশ, নিউহ্যামে ৫ শতাংশ এবং বার্নেটে ৪ দশমিক ৯ শতাংশ কমেছে।

তবে লন্ডনের সব প্রশাসনিক এলাকায় বাড়ির দাম কমেনি। ১১টি এলাকায় গড় বাড়ির দাম বেড়েছে। সবচেয়ে বেশি বেড়েছে বার্কিং অ্যান্ড ড্যাগেনহ্যামে-৫ দশমিক ৩ শতাংশ। সেখানে বাড়ির গড় দাম ৩ লাখ ৫৭ হাজার পাউন্ড থেকে বেড়ে ৩ লাখ ৭৬ হাজার পাউন্ড হয়েছে।

বাড়ির দাম কমলেও বেড়েছে ভাড়া

বাড়ির দাম কমলেও লন্ডনের প্রায় সব প্রশাসনিক এলাকায় ভাড়া বেড়েছে। আগস্ট পর্যন্ত এক বছরে ভাড়া সবচেয়ে বেশি বেড়েছে ইস্লিংটনে-৬ দশমিক ২ শতাংশ। গ্রিনউইচে বেড়েছে ৬ দশমিক ১ শতাংশ। সাউথওয়ার্ক ও মার্টনে বেড়েছে ৫ দশমিক ৪ শতাংশ করে। এনফিল্ডে ভাড়া বেড়েছে ৫ দশমিক ১ শতাংশ।

পুরো লন্ডনের হিসাবে, জুলাই পর্যন্ত এক বছরে বাড়ির গড় দাম কমেছে ৩ দশমিক ৩ শতাংশ। অন্যদিকে আগস্ট পর্যন্ত ১২ মাসে গড় ভাড়া বেড়েছে ৩ দশমিক ৬ শতাংশ।

ভাড়া বাড়ার পেছনে বাড়িওয়ালাদের কেউ কেউ রেন্টার্স রাইটস অ্যাক্টের কারণে বাড়তি ব্যয়কে দায়ী করছেন।

সুদের হার অপরিবর্তিত, বাড়ছে বন্ধকি ঋণের খরচ

বাড়ির দামে এই পতনের মধ্যে অর্থনীতি নিয়ে অনিশ্চয়তা বেড়েছে। ডোনাল্ড ট্রাম্পের ইরান যুদ্ধের কারণে মূল্যস্ফীতি ও জ্বালানির দাম বেড়েছে- এমন পরিস্থিতির মধ্যে বৃহস্পতিবার ব্যাংক অব ইংল্যান্ডের মুদ্রানীতি কমিটি সুদের হার ৩ দশমিক ৭৫ শতাংশে অপরিবর্তিত রেখেছে।

তবে সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে নির্দিষ্ট সুদের হারের বন্ধকি ঋণের হার বেড়েছে। লন্ডনের বাড়ির মালিকদের সতর্ক করে বলা হয়েছে, চলতি বছর ও ২০২৭ সালে সুদের হার চারবার বাড়লে তাঁদের বার্ষিক বন্ধকি ঋণের খরচ ২ হাজার ৬০০ পাউন্ড পর্যন্ত বাড়তে পারে।

এলঅ্যান্ডসি মর্টগেজেসের সহযোগী পরিচালক ডেভিড হলিংওর্থ বলেন, মূল্যস্ফীতি প্রত্যাশার চেয়ে দীর্ঘস্থায়ী হতে পারে—এমন ইঙ্গিতের প্রতি বাজার এখন আরও সংবেদনশীল হয়ে উঠছে। চলমান ভূরাজনৈতিক অনিশ্চয়তা এবং জ্বালানি ও বিদ্যুতের বাড়তি দামও এতে প্রভাব ফেলছে।

তিনি বলেন, এর ফলে বাড়ির মালিকদের কয়েক মাস আগের তুলনায় বেশি বন্ধকি ঋণের সুদ এবং তুলনামূলক প্রতিকূল ঋণবাজারের সঙ্গে মানিয়ে নিতে হচ্ছে।

অন্যদিকে লন্ডনভিত্তিক আবাসন প্রতিষ্ঠান অ্যান্টনি রবার্টসের বিক্রয় বিভাগের প্রধান অ্যামি রেনল্ডস বলেন, ভাড়ার বাজারে বাড়ির সরবরাহ এখনো সীমিত। বাড়িওয়ালারা বাজার ছাড়তে থাকায় ভালো বাসার জন্য ভাড়াটিয়াদের মধ্যে প্রতিযোগিতা বাড়ছে। তাঁর মতে, শরৎকালেও পরিস্থিতির বড় পরিবর্তন হওয়ার সম্ভাবনা নেই।

এদিকে লন্ডনের ১০ লাখের বেশি বাসিন্দার কাউন্সিল ট্যাক্সও উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়তে পারে। ওয়েস্টমিনস্টার ও ওয়ান্ডসওয়ার্থসহ কয়েকটি প্রশাসনিক এলাকার জন্য কেন্দ্রীয় সরকারের অর্থায়ন কমে যাওয়াকে এর অন্যতম কারণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।

এমএসএন অবলম্বনে

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ঈর্ষার জায়গা নিল মুগ্ধতা, হলেন টাবুর অনুরাগী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বিনোদন ডেস্ক

শনিবার, ১৯ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০১:৫৩ পি.এম


ঈর্ষার জায়গা নিল মুগ্ধতা, হলেন টাবুর অনুরাগী

বলিউড বা চলচ্চিত্র ইন্ডাস্ট্রিতে সহকর্মীদের প্রতি অকপটে প্রশংসা করা কিংবা নিজের মনের ঈর্ষা প্রকাশ করা খুব কম অভিনেতার পক্ষেই সম্ভব। তবে অভিনেত্রী সোনালী কুলকার্নি এই ক্ষেত্রে ব্যতিক্রম। সম্প্রতি একটি সাক্ষাৎকারে তিনি খুব সহজ ও মজার ছলে নিজের ক্যারিয়ারের শুরুর দিকের অনুভূতির কথা শেয়ার করেছেন, যিনি ‘দিল চাহতা হ্যায়’ ছবির জন্য পরিচিত।

সোনালী জানান, ১৯৯৭ সালে যখন অভিনেত্রী টাবু ১৯৯৬ সালের ‘মাচিস’ ছবির জন্য শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রী হিসেবে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার লাভ করেন, তখন তিনি বেশ ঈর্ষান্বিত হয়ে পড়েছিলেন। এনডিটিভি-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, “আমার সেই অনুভূতিটা পুরোপুরি ঈর্ষা থেকেই এসেছিল। আমি সত্যিই একটি জাতীয় পুরস্কার পেতে চেয়েছিলাম, কারণ সেখান থেকেই প্রকৃত সাফল্যের যাত্রা শুরু হয়।”

পরবর্তীতে ২০০২ সালে ৪৯তম জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারে মারাঠি স্বল্পদৈর্ঘ্য ছবি ‘চৈত্র’-র জন্য বিশেষ জুরি পুরস্কার লাভ করেন সোনালী। তবে তিনি জানান, তার আসল লক্ষ্য ও উচ্চাকাঙ্ক্ষা আরো অনেক উঁচুতে। তিনি বলেন, “আমার এখনো অনেক পথ চলা বাকি। দেশকে নিজের অভিনয়ের মাধ্যমে গর্বিত করতে চাই। আর সে কারণেই তখন টাবুর অভিনয় দেখতে গিয়েছিলাম।”

টাবুর সঙ্গে নিজের প্রথম দেখার একটি বিরল স্মৃতি শেয়ার করেন সোনালী। সোনালী তখন ‘মিশন কাশ্মীর’ ছবির শুটিং করছিলেন এবং টাবু শুটিং করছিলেন ‘চাঁদনি বার’-এর। মুম্বাইয়ের ফিল্ম সিটির সিঁড়িতে দাঁড়িয়ে টাবুর জন্য অপেক্ষা করার কথা স্মরণ করে সোনালী বলেন, “তাকে দেখতে রাজহাঁসের মতো লাগছিল। আমি একজন ভক্ত হিসেবে গিয়ে নিজের পরিচয় দিই এবং তার প্রশংসায় পঞ্চমুখ হই। টাবু খুব ধৈর্য ধরে আমার কথা শোনেন এবং ধন্যবাদ জানান। ওই ঘটনাটি আমাকে উপলব্ধি করিয়েছিল যে এত বড় তারকারাও আসলে কত সাধারণ ও মানবিক।”

শুধু টাবু নন, ঐশ্বরিয়া রাই বচ্চনের সঙ্গে কাটানো একটি মিষ্টি মুহূর্তের কথাও জানান সোনালী। এক দীপাবলির দিনে ঐশ্বরিয়ার পোশাকের প্রশংসা করতেই ঐশ্বরিয়া অত্যন্ত আনন্দের সঙ্গে জানান যে পোশাকটি তার নিজেরই ডিজাইন করা। সহকর্মীদের এই ধরনের আচরণ সোনালীকে বারবার মুগ্ধ করেছে।

উল্লেখ্য, বহু ভাষায় নিজের অভিনয় দক্ষতার ছাপ রাখা সোনালী কুলকার্নিকে খুব শিগগিরই দেখা যাবে তেলেগু সিনেমা ‘দ্য প্যারাডাইস’-এ, যেখানে তার সঙ্গে রয়েছেন অভিনেতা নানি। আগামী ২৪ সেপ্টেম্বর ছবিটি প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পেতে যাচ্ছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১১ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৩
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫০
মাগরিব ০৫:২৭
ইশা ০৬:৩৮
সূর্যোদয় : ০৫:৫৯ সূর্যাস্ত : ০৫:২৭
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%