মঙ্গলবার, ২২শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
১০:৩৫ পি.এম
চার বছর বয়সী শিশু রাকিবা আক্তার রুহির লাশ অবশেষে উদ্ধার করা হয়েছে। মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) ভোরে দিনাজপুর সদর উপজেলার জামতলী এলাকার আসামি রিপন টুডুর বসতবাড়ীর পাশে নারিকেল বাগান থেকে মাটি খনন করে তার গলিত লাশ উদ্ধার করা হয়। গ্রেফতারকৃত আসামিদের নিয়ে রাতভর অভিযান চালানো হয়। প্রায় সাড়ে তিন মাস আগে ঘটে যাওয়া এই ঘটনার রহস্য উদঘাটনে পুলিশ সফল হয়েছে।
মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) দুপুরে দিনাজপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম) আনোয়ার হোসেন পুলিশ সুপারের সম্মেলন কক্ষে প্রেস ব্রিফিংয়ে ঘটনার বিস্তারিত তুলে ধরেন। হত্যার অভিযোগে শিশুর মা জিন্নাতুন (১৯), তার প্রেমিক রিপন টুডু (৩৪) এবং সহযোগি সুজন টুডুকে (২০) গ্রেফতার করেছে পুলিশ। তাদের আদালতে হাজির করা হয়েছে।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আনোয়ার হোসেন জানান, জিন্নাতুনের সঙ্গে ৫ বছর আগে স্বধর্মীয় রুবেলের বিয়ে হয়েছিল। বিয়ে বিচ্ছেদের সময় ৪ বছর বয়সী রাকিবা আক্তার রুহি মায়ের সাথে নানার বাড়িতে ছিল। এর পর জিন্নাতুন নশিপুরের জামতলী এলাকায় রিপন টুডুর সাথে অনৈতিক সম্পর্ক গড়ে তুলে। সাড়ে তিন মাস আগে রুহিকে শ্বাসরুদ্ধ করে হত্যা করে তারা।
ঘটনার পর লাশ গুম করতে বাড়ির কাছে ৬ ফুট গভীর কুপ খনন করে রুহির বস্তাবন্ধী লাশ পুতে ফেলা হয়। দুর্গন্ধ এড়াতে রিপনসহ জড়িতরা একটি কুকুরকে মেরে অন্য একটি গর্তে পুতে রাখে।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার বলেন, ‘শিশুটির মায়ের অভিযোগ পাওয়ার পর থেকেই থানা পুলিশ ও গোয়েন্দা পুলিশ কাজ শুরু করে। গত সোমবার তথ্য প্রযুক্তির সাহায্যে দুজনকে আটক করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে রিপন হত্যাকাণ্ড ও লাশ গুমের কথা স্বীকার করেছে। তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে শিশুটির মরদেহ উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে।’
এদিকে ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত, লাশ উদ্ধার এবং জড়িতদের গ্রেফতারের দাবিতে গত রোববার জামতলী এলাকায় রিপন টুডুর বাড়ি-ঘরে হামলা চালায় বিক্ষুব্ধ এলাকাবাসী। তারা বাড়ির মালামাল রাস্তায় এনে আগুন ধরিয়ে দেয় এবং দিনাজপুর-রংপুর মহাসড়ক অবরোধ করে। ঘটনাস্থলে পৌঁছে স্থানীয় এমপি সৈয়দ জাহাঙ্গীর আলম দাবি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের (ইউএনজিএ) ৮১তম অধিবেশনে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের সামনে দুটি ভিন্ন পথের প্রস্তাব উপস্থাপন করেছেন।
একদিকে, তিনি যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে একটি চুক্তি করে পুনর্গঠনের সুযোগের কথা উল্লেখ করেছেন, অন্যদিকে, চুক্তি না হলে ইরানকে সম্ভাব্য ভয়াবহ সংঘাতের মুখে পড়ার সতর্কতা দিয়েছেন তিনি।
ট্রাম্প বলেন, “আমি কী তাদের এমন এক নরকের দিকে ঠেলে দেব, যেখানে টিকে থাকার কোনো সুযোগ থাকবে না। এতে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য মহান হওয়ারও কোনো আশা থাকবে না।”
তবে, এই কঠোর সতর্কতার মধ্যেও ট্রাম্প আশা প্রকাশ করেছেন যে, শেষ পর্যন্ত ইরানের সঙ্গে একটি চুক্তি হবে। তিনি উল্লেখ করেছেন, নির্বাচন শেষ হওয়ার পরপরই চুক্তি হতে পারে। তার মতে, “তেহরানের জন্য চুক্তিতে রাজি না হওয়ার কোনো যৌক্তিকতা নেই।”
ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে উত্তেজনা বাড়ার কারণে আলোচনা স্থবির হয়ে পড়েছে, ফলে কূটনৈতিক উদ্যোগ আবারও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে। এই পরিস্থিতিতে দুই দেশের মধ্যে আলোচনা পুনরায় শুরু করা সম্ভব হবে কি না, তা নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নিউইয়র্ক সিটির মেয়র জোহরান মামদানি শহরের সড়ক ব্যবস্থায় বড় ধরনের পরিবর্তনের পরিকল্পনা ঘোষণা করেছেন। ১৫ সেপ্টেম্বর প্রকাশিত ‘Vision Zero Reimagined’ পরিকল্পনায় শহরের প্রথম কিছু পথচারী-নির্ভর ও গাড়িমুক্ত জেলা তৈরির উদ্যোগ অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। নিরাপদ সড়ক নকশা, গণপরিবহন উন্নয়ন, সাইকেল অবকাঠামো সম্প্রসারণ এবং ব্যক্তিগত গাড়ির ওপর নির্ভরতা কমানোর জন্য একাধিক পদক্ষেপের কথা বলা হয়েছে।
মামদানি প্রশাসনের ১০ বছরের এই পরিকল্পনায় ১০০টির বেশি নীতিগত উদ্যোগ অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। এর মধ্যে শহরের প্রথম ‘pedestrian-only’ এবং ‘pedestrian-priority’ district তৈরি, প্রতি বছর অন্তত ১ হাজার ইন্টারসেকশনে পথচারী নিরাপত্তার উন্নয়ন, সাইকেল লেন সম্প্রসারণ এবং বাস চলাচল আরও দ্রুত ও নির্ভরযোগ্য করার উদ্যোগ রয়েছে। তবে কোন কোন এলাকায় পুরোপুরি গাড়িমুক্ত জেলা তৈরি হবে, সে বিষয়ে পরিকল্পনায় এখনো নির্দিষ্ট স্থান ঘোষণা করা হয়নি।
এই পরিকল্পনার মূল লক্ষ্য দুর্ঘটনার পরিণতি কমানো নয়, বরং সড়কের নকশা এমনভাবে পরিবর্তন করা যাতে দুর্ঘটনা ও গুরুতর আঘাতের ঝুঁকি হ্রাস পায়। মেয়রের কার্যালয় জানাচ্ছে, নিউইয়র্কে গাড়ি জড়িত দুর্ঘটনা শহরের মোট ট্রাফিক মৃত্যুর বড় অংশের জন্য দায়ী। তাই হাঁটা, পাবলিক ট্রান্সপোর্ট, সাইকেল ও অন্যান্য বিকল্প যাতায়াত ব্যবস্থাকে আরও নিরাপদ, সহজলভ্য ও আকর্ষণীয় করার ওপর জোর দেওয়া হয়েছে।
মামদানি পরিকল্পনা ঘোষণার সময় উল্লেখ করেন, নিউইয়র্কের সড়ককে আরও নিরাপদ করার জন্য শহরকে এমন নকশা গ্রহণ করতে হবে যেখানে মানুষকে কেন্দ্র করে রাস্তা ও পাবলিক স্পেস তৈরি করা হবে। পরিকল্পনায় ‘safe systems’ পদ্ধতির উল্লেখ রয়েছে। এর অর্থ হলো, শুধু চালকদের আচরণ পরিবর্তন বা আইন প্রয়োগের ওপর নির্ভর না করে সড়কের নকশা, গতি নিয়ন্ত্রণ, পথচারী অবকাঠামো এবং যানবাহনের নিরাপত্তা একসঙ্গে উন্নত করা।
নিউইয়র্কে কিছু সড়ক পুনর্নকশার কাজ ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে। সেপ্টেম্বরে প্রশাসন পার্ক অ্যাভিনিউর ১১টি ব্লকের নতুন নকশা প্রকাশ করেছে, যেখানে একটি গাড়ির লেনকে দুই দিকের সুরক্ষিত সাইকেল লেনে রূপান্তর, মিডিয়ান বড় করা এবং পথচারীদের জন্য অতিরিক্ত জায়গা তৈরির পরিকল্পনা রয়েছে। এর আগে ১১৬তম স্ট্রিটে ২ দশমিক ৫ মাইল নতুন বাস লেন ও অন্যান্য সড়ক নিরাপত্তা অবকাঠামোর নির্মাণ শুরু হয়েছে। শহরের হিসাব অনুযায়ী, ওই করিডোর দিয়ে প্রতিদিন ৬৫ হাজারের বেশি বাসযাত্রী চলাচল করেন।
নিউইয়র্কের বর্তমান ‘Vision Zero’ কর্মসূচির ওপরও নতুন পরিকল্পনাটি তৈরি করা হয়েছে। শহরের পরিবহন বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৬ সালের প্রথমার্ধে পথচারী মৃত্যুর সংখ্যা রেকর্ডের সর্বনিম্ন পর্যায়ের কাছাকাছি ছিল এবং ২০১৪ সালে Vision Zero চালুর পর থেকে পথচারী মৃত্যুর হার ৪২ শতাংশের বেশি কমেছে। প্রশাসনের দাবি, নতুন পরিকল্পনার লক্ষ্য এই অগ্রগতিকে আরও এগিয়ে নেওয়া।
গাড়িমুক্ত বা পথচারী-নির্ভর এলাকা তৈরির ধারণা নতুন নয়। বার্সেলোনা, প্যারিসসহ ইউরোপের বিভিন্ন শহরে দীর্ঘদিন ধরে পথচারী-কেন্দ্রিক সড়ক ব্যবস্থার ব্যবহার রয়েছে। তবে এসব উদ্যোগের অর্থনৈতিক প্রভাব নিয়ে গবেষণার ফল একেবারে একমুখী নয়। স্পেনের বিভিন্ন শহরের ওপর একটি গবেষণায় পথচারী-নির্ভর এলাকায় দোকানের বিক্রি বাড়ার প্রমাণ পাওয়া গেছে, তবে ২০২৬ সালে বার্সেলোনার ২০১৪ থেকে ২০২২ সালের বাণিজ্যিক তথ্য বিশ্লেষণ করা একটি গবেষণায় দেখা গেছে, পথচারীকরণ পুরোনো কিছু ব্যবসা বন্ধ হওয়া এবং খুচরা ব্যবসার বৈচিত্র্য কমার সঙ্গে সম্পর্কিত ছিল। গবেষকরা বলেছেন, শুধু পথচারীকরণকে এসব পরিবর্তনের একমাত্র কারণ হিসেবে দেখা যায় না এবং পর্যটনের চাপও বড় ভূমিকা রাখতে পারে।
ফলে, মামদানির পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হলে নিউইয়র্কের বিভিন্ন এলাকায় গাড়ি, পথচারী, সাইকেল ও পাবলিক ট্রান্সপোর্টের মধ্যে জায়গা ভাগাভাগির ধরন বদলাতে পারে। তবে কোন এলাকা কতটা গাড়িমুক্ত হবে, স্থানীয় ব্যবসা ও বাসিন্দাদের ওপর এর কী প্রভাব পড়বে এবং প্রয়োজনীয় অবকাঠামো কীভাবে তৈরি হবে, এসব গুরুত্বপূর্ণ বিষয় এখনো বাস্তবায়নের পরবর্তী ধাপে নির্ধারিত হওয়ার কথা। পরিকল্পনাটি আপাতত একটি দীর্ঘমেয়াদি নীতিগত রূপরেখা, চূড়ান্ত সড়ক নকশা নয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সাতক্ষীরা, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ : জেলা জাতীয়তাবাদী যুবদলের উদ্যোগে আজ প্রতিবাদ সমাবেশ ও মিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে, যা পরিকল্পিত সন্ত্রাসের মাধ্যমে দেশের অস্থিতিশীলতার বিরুদ্ধে ছিল।
মঙ্গলবার বিকালে শহরের মাওয়া চায়নিজ রেস্টুরেন্টের সামনে থেকে একটি মিছিল বের হয়ে প্রধান সড়কগুলো প্রদক্ষিণ করে চায়না বাংলা শপিং সেন্টারের সামনে এসে সংক্ষিপ্ত প্রতিবাদ সমাবেশে মিলিত হয়।
সমাবেশের সভাপতিত্ব করেন জেলা যুবদলের সভাপতি হাফিজুর রহমান মুকুল। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাতক্ষীরা জেলা বিএনপি'র সদস্য সচিব আবু জাহিদ ডাবলু।
জেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক মো. শফিকুল আলম বাবুর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত এই প্রতিবাদ সমাবেশে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা যুবদলের সহ-সভাপতি শেখ মনিরুজ্জামান প্রিন্স, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক মমতাজুল ইসলাম চন্দন এবং সাংগঠনিক সম্পাদক মাসুম রানা সবুজ। এছাড়া সদর থানা যুবদলের আহ্বায়ক নজরুল ইসলাম এবং পৌর যুবদলের আহ্বায়ক আলী শাহিনও উপস্থিত ছিলেন।
এ সময় জেলা যুবদলের বিভিন্ন স্তরের নেতাকর্মীরা সমাবেশে অংশগ্রহণ করেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বান্দরবান, ২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬: বান্দরবান পার্বত্য জেলাকে আন্তর্জাতিক মানের পরিবেশবান্ধব ও পরিচ্ছন্ন পর্যটন নগরীতে রূপান্তরের উদ্যোগ গ্রহণের কথা জানিয়েছেন পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী সাচিং প্রু।
আজ বান্দরবান পৌরসভার চারপাশের পরিস্থিতি সরেজমিনে পরিদর্শন করার সময় তিনি এ মন্তব্য করেন। এ সময় শহরের পরিচ্ছন্নতা ও সংস্কার কার্যক্রমের ওপরও নজর দেন তিনি।
মন্ত্রী শহরের ফায়ার সার্ভিস ও হাসপাতাল রোডের সংলগ্ন সড়কের খানাখন্দ এবং ভগ্নদশা দ্রুত মেরামতের নির্দেশনা দেন। এছাড়া ৩ নং ওয়ার্ড কালাঘাটা এলাকার চৌরাস্তা সংলগ্ন বিভিন্ন স্থানে জমা হওয়া ময়লা-আবর্জনা ও আগাছা দেখে অসন্তোষ প্রকাশ করে তাৎক্ষণিকভাবে পরিষ্কারের ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেন।
শহরের সৌন্দর্য বৃদ্ধি এবং যানজট নিরসনের লক্ষ্যে পৌরসভার বিভিন্ন ওয়ার্ডে সরকারি খাসজমি ও সড়কের ওপর অবৈধভাবে গড়ে তোলা সকল উচ্ছেদযোগ্য স্থাপনা দ্রুত অপসারণের জন্য জেলা প্রশাসকসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের প্রয়োজনীয় নির্দেশনা প্রদান করেন মন্ত্রী।
পরে, মন্ত্রী পৌরসভার রোয়াংছড়ি বাস টার্মিনাল এলাকা পরিদর্শন করেন। সেখানে বিদ্যমান সুপেয় পানির সংকট, অপরিচ্ছন্ন পরিবেশ, নিম্নমানের যাত্রীসেবা এবং সামগ্রিক অব্যবস্থাপনা দেখে তিনি দুঃখ প্রকাশ করেন। যাত্রীসাধারণের ভোগান্তি লাঘবে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের তাগিদ দেন তিনি।
এছাড়া, পর্যটক ও স্থানীয়দের সুবিধার্থে প্রধান ডাকঘরের কাছে থানচি বাস স্ট্যান্ড এবং রুমা বাস টার্মিনাল সংলগ্ন পৃথক দুটি স্থানে অত্যাধুনিক ও পরিচ্ছন্ন পাবলিক টয়লেট নির্মাণের জন্য সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোকে নির্দেশ দেন।
পরিদর্শনকালে বান্দরবান জেলার জেলা প্রশাসক মো. সানিউল ফেরদৌস, বান্দরবান স্থানীয় সরকার বিভাগের উপ-পরিচালক এস এম মনজুরুল হক, পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ড, বান্দরবান ইউনিটের নির্বাহী প্রকৌশলী আবু বিন মোহাম্মদ ইয়াসিন আরাফাতসহ জেলা প্রশাসন, বিভিন্ন সরকারি সংস্থার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং স্থানীয় প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
পরিদর্শনের শেষে মন্ত্রী বলেন, "সরকারের সঠিক পরিকল্পনা ও স্থানীয় জনগণের সর্বাত্মক সহযোগিতায় অতি দ্রুত বান্দরবান একটি পরিচ্ছন্ন, সুসংগঠিত ও মডেল পর্যটন নগরী হিসেবে আত্মপ্রকাশ করবে।"
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ