ঢাকা সোমবার, ১৯ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
সোমবার, ১৯ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

ইতিহাস বলছে, নকআউট পর্বে কখনও গোল করতে পারেননি রোনালদো


ইতিহাস বলছে, নকআউট পর্বে কখনও গোল করতে পারেননি রোনালদো

পর্তুগালের অধিনায়ক ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো ছয়টি বিশ্বকাপে অংশগ্রহণের একটি বিরল কীর্তি গড়েছেন। তিনি যে গোল করাই তার পরিচয়, সেই তারকাই নকআউট পর্বে এখন পর্যন্ত একটি গোলও করতে পারেননি। ফলে ২০২৬ বিশ্বকাপের নকআউটে ক্রোয়েশিয়ার বিপক্ষে ম্যাচকে ঘিরে নতুন করে আলোচনায় উঠে এসেছে রোনালদোর দীর্ঘদিনের এই গোলখরা।

বিশ্বকাপের ইতিহাসে রোনালদোর মোট গোলসংখ্যা ১০। তবে বিস্ময়কর বিষয় হলো, তার সবকটি গোলই এসেছে গ্রুপ পর্বে। নকআউট পর্বে তিনি বহু ম্যাচ খেললেও এখন পর্যন্ত জালের দেখা পাননি পর্তুগিজ এই সুপারস্টার।

২০০৬ সালে রোনালদো প্রথম বিশ্বকাপ খেলেন। অভিষেক আসরে তিনি ইরানের বিপক্ষে একটি গোল করেন। এরপর ২০১০ ও ২০১৪ বিশ্বকাপেও করেন একটি করে গোল। ২০১৮ সালের রাশিয়া বিশ্বকাপ ছিল তার সবচেয়ে সফল আসর। স্পেনের বিপক্ষে দুর্দান্ত হ্যাটট্রিকসহ মোট চারটি গোল করেছিলেন তিনি। ২০২২ সালের কাতার বিশ্বকাপে তার নামের পাশে যোগ হয় আরও একটি গোল।

আরও পড়ুন: দুই সন্তানকে হত্যার পর মায়ের আত্মহত্যা, ওড়না পেঁচিয়ে

চলমান ২০২৬ বিশ্বকাপেও গ্রুপ পর্বে তিনটি ম্যাচ খেলেছেন রোনালদো। প্রথম ম্যাচে গোল না পেলেও উজবেকিস্তানের বিরুদ্ধে জোড়া গোল করে নিজের উপস্থিতি জানান দেন। তবে গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচে আর গোলের দেখা পাননি তিনি।

এবার রাউন্ড অব ৩২-এ পর্তুগালের প্রতিপক্ষ হচ্ছে লুকা মদ্রিচের ক্রোয়েশিয়া। কাগজে-কলমে পর্তুগালকে এগিয়ে রাখা হলেও অভিজ্ঞ ও শক্তিশালী ক্রোয়েশিয়ার বিরুদ্ধে কঠিন লড়াইয়ের আভাস মিলছে। শিরোপার স্বপ্ন বাঁচিয়ে রাখতে হলে দলের সবচেয়ে বড় ভরসা রোনালদোকেই সামনে থেকে নেতৃত্ব দিতে হবে।

এখন দেখার বিষয়, বিশ্বকাপের নকআউটে দীর্ঘদিনের গোলখরা কাটিয়ে অবশেষে ইতিহাস বদলাতে পারেন কি না ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো।

আরও পড়ুন: ককরোচদের মোকাবিলায় এবার ‘লাল হিট’

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

এমবাপ্পের উড়ন্ত চুমু, বিশেষ কারও উদ্দেশেই কি?

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ২ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১১:৪৯ পি.এম


এমবাপ্পের উড়ন্ত চুমু, বিশেষ কারও উদ্দেশেই কি?

একবার নয়, এই বিশ্বকাপে এখন পর্যন্ত ৪টি ম্যাচে ছয়বার জালের দেখা পেয়েছেন কিলিয়ান এমবাপ্পে। শেষের ৩২-এ সুইডেনের বিপক্ষে তিনি করেছেন জোড়া গোল। দুই গোলের মধ্যে একটি গোলের পর গ্যালারির দিকে তাকিয়ে তিনি ফ্লাইং কিস করেন। সেই মুহূর্তের চুমু কি বিশেষ কারো উদ্দেশে ছিল?

স্প্যানিশ অভিনেত্রী এস্তার এক্সপোসিতোর সঙ্গে এমবাপ্পের প্রেমের গুজব ছড়িয়েছে। এক্সপোসিতো সুইডেন-ফ্রান্সের ম্যাচের সময় গ্যালারিতে উপস্থিত ছিলেন। এর ফলে এমবাপ্পের ফ্লাইং কিসের ঘটনা নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়।

সাম্প্রতিক মাসগুলোতে এমবাপ্পের একাধিক ম্যাচে এক্সপোসিতোকে গ্যালারিতে দেখা গেছে, যা তাদের ঘনিষ্ঠতার আলোচনা আরও বেড়েছে। এমনকি এক্সপোসিতো সম্প্রতি হাসতে হাসতে স্বীকার করেছেন যে, তিনি আগে ফুটবলের বড় ভক্ত ছিলেন না। তবে এখন এমবাপ্পের ম্যাচগুলো তিনি আগ্রহ নিয়ে দেখছেন।

এমবাপ্পে এবং এক্সপোসিতোকে একসঙ্গে বিভিন্ন স্থানে দেখা গেছে। গত এপ্রিলে একটি স্টারবাকস কফিশপ থেকে এক্সপোসিতো বেরিয়ে এমবাপ্পের গাড়িতে উঠেন। তার হাতে ছিল কফি। ফরাসি তারকার গাড়িটি কিছুটা দূরে দাঁড়িয়ে ছিল। এক্সপোসিতো সেটিকে লক্ষ্য করে হেঁটে যান। কালোরঙা গাড়ি নিয়ে আসেন এমবাপ্পে। চালকের আসন থেকে তিনি দরজা খুলে দেন এবং সেই নারী সেখানে প্রবেশ করেন। তার পাশের সিটে বসেন। এই ঘটনার ভিডিও এল মুন্ডোর সোশ্যাল হ্যান্ডেলে শেয়ার করা হয়।

২৬ বছর বয়সি এই অভিনেত্রী দেড় ডজন খানেক সিনেমা ও টেলিভিশন সিরিজে অভিনয় করেছেন। তবে এই স্প্যানিশ অভিনেত্রী সবচেয়ে বেশি পরিচিতি পেয়েছেন নেটফ্লিক্সের ড্রামা সিরিজ ‘এলিট’-এর মাধ্যমে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সাঁতার শিখতে গিয়ে চতুর্থ শ্রেণির ছাত্রের মৃত্যু

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

নোয়াখালী প্রতিনিধি

বৃহস্পতিবার, ২ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১১:৪৯ পি.এম


সাঁতার শিখতে গিয়ে চতুর্থ শ্রেণির ছাত্রের মৃত্যু

নোয়াখালীর সেনবাগ উপজেলায় সাঁতার শিখতে গিয়ে পুকুরের পানিতে ডুবে নিহত হয়েছেন রমজান হাওলাদার (১১), যিনি একটি চতুর্থ শ্রেণির ছাত্র।

এটি ঘটেছে বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে ডমুরুয়া ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের হাওলাদার বাড়িতে। রমজান হাওলাদার একই এলাকার মো. রাসেল হাওলাদারের ছেলে এবং স্থানীয় মতইন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের চতুর্থ শ্রেণির ছাত্র ছিলেন।

রমজানের বাবা রাসেল হাওলাদার জানিয়েছেন, স্কুল শেষে তিনি বিকেলে বাড়ি ফিরে রমজান জানায় যে, সে পুকুরে সাঁতার শিখতে যাবে। তখন সে দুটি প্লাস্টিকের বোতল নিয়ে ঘর থেকে বের হয়। তবে হঠাৎ একটি মোবাইল ফোনকল আসায় তার মা ফোনে ব্যস্ত হয়ে পড়েন এবং ছেলের সঙ্গে যেতে পারেননি। পরে রমজান একাই পুকুরে চলে যায়। সাঁতার শেখার সময় অসাবধানতায় সে পানিতে ডুবে যায়। কিছুক্ষণ পর তার মা পুকুরঘাটে গিয়ে তাকে দেখতে না পেয়ে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। শেষপর্যন্ত রমজানকে পুকুর থেকে উদ্ধার করা হলে ততোক্ষণে তার মৃত্যু ঘটে।

সেনবাগ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুর রহিম সরকার জানিয়েছেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। এ ঘটনার পর থানায় একটি অপমৃত্যুর মামলা দায়ের করা হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ভৈরব বাজার সংলগ্ন মেঘনা নদীর ভাঙন রোধে জিও ব্যাগ ডাম্পিং কাজের উদ্বোধন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শাহিন আলম, ভৈরব (কিশোরগঞ্জ)

বৃহস্পতিবার, ২ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১১:৫১ পি.এম


ভৈরব বাজার সংলগ্ন মেঘনা নদীর ভাঙন রোধে জিও ব্যাগ ডাম্পিং কাজের উদ্বোধন

কিশোরগঞ্জের ভৈরব বাজার সংলগ্ন মেঘনা নদীর তীর রক্ষায় জরুরি ভিত্তিতে জিও ব্যাগ ডাম্পিং কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়েছে।

নদীভাঙনের ঝুঁকিতে থাকা এ গুরুত্বপূর্ণ এলাকাকে সুরক্ষিত রাখতে বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের উদ্যোগে আপৎকালীন এ কার্যক্রম শুরু হয়।

শনিবার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে কাজের উদ্বোধন করেন ভৈরব উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আরিফুল ইসলাম।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব আরিফুল হক সুজন, পৌর স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব মীর রাজন আহমেদ, উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক তানভীর আহমেদ, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা ফোরকান চৌধুরী, পৌর স্বেচ্ছাসেবক দলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক মো. কাউছার আহমেদসহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ ও এলাকাবাসী।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, ভৈরব-কুলিয়ারচর আসনের সংসদ সদস্য এবং বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী শরিফুল আলমের নির্দেশনায় পানি উন্নয়ন বোর্ড জরুরি ভিত্তিতে এ আপৎকালীন জিও ব্যাগ ডাম্পিং কার্যক্রম বাস্তবায়ন করছে। নদীর তীর সংরক্ষণ, ভাঙন প্রতিরোধ এবং ভৈরব বাজার, সড়কসহ গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা রক্ষাই এ উদ্যোগের মূল উদ্দেশ্য।

স্থানীয়দের অভিযোগ, বর্ষা মৌসুমে মেঘনা নদীর তীব্র স্রোত ও অব্যাহত ভাঙনের কারণে ভৈরব বাজার সংলগ্ন এলাকা দীর্ঘদিন ধরে হুমকির মুখে রয়েছে।

সময়মতো প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ না করলে বাজার, ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ও জনবসতির ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা ছিল।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, আপৎকালীন জিও ব্যাগ ডাম্পিং কার্যক্রম তাৎক্ষণিকভাবে নদীভাঙন প্রতিরোধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। একই সঙ্গে ভৈরব বাজার ও আশপাশের এলাকা স্থায়ীভাবে সুরক্ষিত রাখতে একটি টেকসই নদীশাসন প্রকল্প বাস্তবায়নেরও দাবি জানান তারা।

এদিকে, কার্যক্রম শুরু হওয়ায় স্থানীয় ব্যবসায়ী ও সাধারণ মানুষের মধ্যে স্বস্তি ফিরে এসেছে। তাদের আশা, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কাজ সম্পন্ন হলে ভৈরব বাজারসহ আশপাশের গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা ও জনবসতি নদীভাঙনের ঝুঁকি থেকে অনেকাংশে নিরাপদ থাকবে। 

 

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কঠিন বিপদে যে ৪ আমল করতে বলেছেন শায়খ আহমাদুল্লাহ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ২ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১১:৫৮ পি.এম


কঠিন বিপদে যে ৪ আমল করতে বলেছেন শায়খ আহমাদুল্লাহ

সুখ ও দুঃখ মানুষের জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ। জীবন থাকলে সুখ ও দুঃখ থাকবেই। পৃথিবীর প্রতিটি মানুষের জীবনে কিছু না কিছু কষ্ট আছে। জীবনে কষ্টে পড়লে আমাদের ধৈর্য ধরতে হবে এবং আল্লাহর কাছে আশ্রয় চাওয়া উচিত। কোন অবস্থাতেই আমরা ভেঙে পড়তে পারি না।

কঠিন বিপদের মুহূর্তে যখন দেয়ালে পিঠ ঠেকে যায়, তখন চারটি আমল করার জন্য বলেন আস-সুন্নাহ ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান শায়খ আহমাদুল্লাহ।

সম্প্রতি ইউটিউবে অনুষ্ঠিত একটি আলোচনায় তিনি এই চারটি আমল করার পরামর্শ দেন। তিনি বলেন, ‘আমি এই চারটি আমল করার পরামর্শ অনেক লোককে দিয়েছি। যারা এই আমল করেছেন, তারা সুফল পেয়েছেন। যদি এই আমল করার পরও বিপদ দূর না হয়, তাহলে বুঝতে হবে যে, আমলে হয়তো কোনো ত্রুটি আছে অথবা বিপদ দূর না হওয়ার মধ্যেই আল্লাহর আরেকটি কল্যাণ রয়েছে।

চারটি আমল হলো—

১. ইস্তেগফার: বিপদ আসলে বা কোথাও ফেঁসে গেলে বেশি বেশি ইস্তেগফার পড়া উচিত। আল্লাহর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করতে হবে। হাদিসে কুদসিতে আল্লাহ বলেছেন, ‘যে আমার কাছে ক্ষমা চাইবে, আমি তাকে ক্ষমা করব। যারা আমার কাছে কিছু চাইবে, আমি তাদের তা দেব।’ রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘যে ইস্তেগফার পড়তে থাকবে, আল্লাহ তার জন্য সব দুশ্চিন্তা থেকে বের হওয়ার পথ অলৌকিকভাবে খুলে দেবেন।’

ইস্তেগফার হিসেবে নিচেরগুলো পড়া যেতে পারে:

ক. আসতাগ ফিরুল্লাহ (আমি আল্লাহর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করছি)।

খ. আসতাগ ফিরুল্লাহা ওয়া আতুবু ইলাহি (আমি আল্লাহর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করছি এবং তাঁর কাছে ফিরে আসছি)।

গ. রাব্বিগ ফিরলি ওয়া তুব আলাইয়া, ইন্নাকা আংতাত তাউয়াবুর রাহিম। (হে আমার প্রভু, আপনি আমাকে ক্ষমা করুন এবং আমার তওবা কবুল করুন। নিশ্চয় আপনি মহান তওবা কবুলকারী, করুণাময়।’ এছাড়া অন্যান্য ইস্তেগফারও পড়া যেতে পারে।

২. দরুদ পড়া: কোরআনে বলা হয়েছে, ‘নিশ্চয়ই আল্লাহ এবং তাঁর ফেরেশতারা নবীর প্রতি দরুদ পাঠ করেন। হে বিশ্বাসীরা, তোমরাও তাঁর প্রতি দরুদ পাঠ করো এবং বেশি পরিমাণে সালাম পাঠ করো।’ (সুরা আহজাব, আয়াত: ৫৬)। হজরত মুহাম্মদ (সা.) এর ওপর দরুদ পাঠের মাধ্যমে আমাদের বিপদ দূর হয়ে যায়। রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, দরুদ পাঠের মাধ্যমে ব্যক্তির সব বিপদ দূর হবে। দরুদ পাঠ করলেই ব্যক্তি সবকিছু পেয়ে যাবে। হাদিসে বিভিন্ন দরুদ পাঠ করার বর্ণনা রয়েছে। সংক্ষিপ্ত দরুদ হলো—ক. আল্লাহুম্মা সাল্লি আলা মুহাম্মাদিন, ওয়া আলা আলি মুহাম্মাদ। খ. সাল্লাল্লাহু আলা মুহাম্মাদ। গ. আল্লাহুম্মা সাল্লি আলা মুহাম্মাদিনিন নাবিইয়িল উম্মিইয়ি, ওয়া আলা আলি মুহাম্মাদিন।

৩. দোয়া ইউনুস: যে কোনো সংকট ও অস্থিতিশীল সময়ের জন্য দোয়া ইউনুস পড়া সুন্নত। এটি দুশ্চিন্তা ও মানসিক চাপ দূর করে। বিপদ-আপদ দূর করে। হজরত ইউনুস (আ.) বিপদে পড়ার পর বারবার এই দোয়া পড়েছিলেন। এরপর আল্লাহ তার দোয়া কবুল করে তাকে সংকট থেকে মুক্তি দিয়েছেন। রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘যে এই দোয়া পড়ে, আল্লাহ তার দুশ্চিন্তা দূর করে দেবেন।’ সুনানে তিরমিজি, হাদিস: ৩৫০৫)

dোয়া ইউনুস হলো—লা ইলাহা ইল্লা আনটা সুবহানাকা ইন্নি কুনতু মিনাজ জালিমিন।

৪. ‘ইয়া জাল জালালি ওয়াল ইকরাম’ এই দোয়াটি বেশি বেশি পড়া। রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘ইয়া জাল জালালি ওয়াল ইকরাম’ দোয়াটি তোমরা আঁকড়ে ধরবে।’ এই দোয়া পাঠের মাধ্যমে আমরা নিজেদের আল্লাহর কাছে নিবেদন করি। আল্লাহর কাছে নিজেদের সমার্পণ করি। এছাড়া তাহাজ্জুদ ও বিভিন্ন নফল নামাজ পড়ারও পরামর্শ রয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%