বৃহস্পতিবার, ১৫ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০৯:২৮ এম
ইরান সমর্থিত হুথি বিদ্রোহীরা বর্তমানে আরও শক্তিশালী এবং দূরপাল্লার ব্যালিস্টিক মিসাইল তৈরির কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে। মার্কিন সংবাদমাধ্যম ‘দ্য ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল’-এর একটি প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে যে, চীন থেকে আমদানি করা বিভিন্ন যন্ত্রাংশ ব্যবহার করে এমন মিসাইল তৈরির চেষ্টা চলছে, যা সরাসরি সৌদি আরব ও ইসরাইলে হামলা চালানোর সক্ষমতা রাখে।
যুদ্ধক্ষেত্রের অস্ত্রশস্ত্র এবং সরবরাহ চেইন নিয়ে কাজ করা গবেষণা সংস্থা ‘কনফ্লিক্ট আর্মামেন্ট রিসার্চ’ (সিএআর)-এর একটি অনুসন্ধানে এই চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রকাশিত হয়েছে।
তথ্য অনুযায়ী, এই অস্ত্রগুলো মূলত ইরানের তৈরি ‘খাইবার শেকান’ মিসাইলের আদলে তৈরি হচ্ছে। এটি একটি অত্যন্ত নিখুঁত নিশানাভেদী ব্যালিস্টিক মিসাইল, যা শত্রুর আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে ফাঁকি দিতে সক্ষম এবং সহজেই দিক পরিবর্তন করতে পারে।
এই ইরানি ডিজাইনের ওপর ভিত্তি করে তৈরি মিসাইলগুলো প্রায় ১ হাজার ২০০ মাইল পর্যন্ত পথ পাড়ি দিতে সক্ষম। এর ফলে পুরো সৌদি আরব এবং ইসরাইল এই মিসাইলের আওতার মধ্যে চলে আসবে।
এই প্রযুক্তির বিস্তার ঘটেছে এমন এক সময়ে, যখন গত কয়েক সপ্তাহ ধরে সৌদি আরবের ওপর হুথিদের হামলার সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়ে গেছে। পাশাপাশি, হরমুজ প্রণালিতে বাণিজ্যিক জাহাজের ওপর ইরানের লাগাতার হামলা বিশ্ববাজারে তেলের দাম বৃদ্ধি করেছে। এই পরিস্থিতিতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তার সোশ্যাল ট্রুথ প্ল্যাটফর্মে হুথিদের আচরণকে ‘খুবই বাজে’ বলে তীব্র সমালোচনা করেছেন।
চীনা যন্ত্রাংশ যেভাবে হুথিদের শক্তি বাড়াচ্ছে
গত বছর দুটি চালান আটকের পর ইয়েমেনি কর্তৃপক্ষ চলতি বছরের জুলাই মাসে সিএআর-এর কাছে কিছু তথ্য প্রদান করে। সেই তথ্যের ভিত্তিতে এই প্রতিবেদনটি তৈরি করা হয়েছে। ওই সময় অন্যান্য পণ্যের আড়ালে সুকৌশলে মিসাইল তৈরির বিভিন্ন সরঞ্জাম পাচার করা হচ্ছিল।
আটককৃত সামগ্রীর মধ্যে ছিল মিসাইলের মোটর এবং এয়ারফ্রেমের জন্য বিশেষভাবে তৈরি ধাতব যন্ত্রাংশ এবং ফ্লাইট চলাকালীন মিসাইলকে স্থিতিশীল রাখতে সহায়তা করা লেজ বা ফিন। গবেষকরা ‘খাইবার শেকান’ মিসাইল সিরিজের সলিড-প্রপেল্লান্ট রকেট মোটরের সঙ্গে যুক্ত বিভিন্ন যন্ত্রাংশও শনাক্ত করেছেন।
সিএআর-কে প্রদর্শিত শিপিং নথিপত্র অনুযায়ী, এই যন্ত্রাংশগুলো সরবরাহ করেছে চীনের একটি নির্ভুল ধাতু প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠান, যারা নিজেদের কাস্টম অ্যারোস্পেস যন্ত্রাংশ তৈরির বিশেষজ্ঞ হিসেবে দাবি করে। তবে প্রতিবেদনে সেই কোম্পানির নাম উল্লেখ করা হয়নি।
আমদানিকৃত যন্ত্রাংশগুলোর কিছু অংশ সাধারণ বেসামরিক কাজে ব্যবহৃত হতে পারে। তবে বেশ কিছু যন্ত্রাংশ বিশেষভাবে কেবল মিসাইলের জন্য তৈরি করা হয়েছে। এতে প্রশ্ন উঠেছে যে, এই সরঞ্জামগুলো কীভাবে এবং কোন উৎস থেকে সরবরাহ করা হলো।
‘খাইবার শেকান’ কেন এত বিপজ্জনক অস্ত্র?
২০২২ সালে তেহরানে প্রথম প্রকাশ্যে আসা খাইবার শেকান একটি তুলনামূলকভাবে কম খরচে তৈরি অস্ত্র। এর চলার পথ বদলানোর অদ্ভুত ক্ষমতার কারণে প্রচলিত ব্যালিস্টিক মিসাইলের তুলনায় একে আটকে দেওয়া এয়ার ডিফেন্স সিস্টেমগুলোর জন্য বেশ কঠিন হয়ে দাঁড়ায়।
জাতিসংঘের ইয়েমেন নিষেধাজ্ঞা প্যানেলের সাবেক বিশেষজ্ঞ হেনরি থম্পসন জানান, প্রমাণ পাওয়া যাচ্ছে যে, হুথিরা অন্তত গত দুই বছর ধরে চীন থেকে সলিড-ফ্যুল ব্যালিস্টিক মিসাইলের যন্ত্রাংশ আমদানি করে আসছে।
তিনি আরও বলেন, মাঝারি পাল্লার এই ব্যালিস্টিক মিসাইলগুলোর মাধ্যমে ক্রুজ মিসাইল বা ড্রোনের চেয়ে অনেক বড় পে-লোড বা বিস্ফোরক নিয়ে হুথিরা সৌদি আরবের গভীরে আঘাত হানতে সক্ষম হবে। ফলে তারা এক আরও বড় ও মারাত্মক হুমকিতে পরিণত হতে চলেছে।
হুথিদের অস্ত্র সরবরাহে চীনের ভূমিকা
হুথিদের অস্ত্র কর্মসূচিকে টিকিয়ে রাখতে বিদেশি সরবরাহকারীদের একটি বিশাল নেটওয়ার্ক কাজ করে যাচ্ছে। জাতিসংঘের প্রতিবেদন এবং অস্ত্র বিশেষজ্ঞদের সংগৃহীত তথ্য অনুযায়ী, বিদ্রোহী এই গোষ্ঠীর কাছে যাওয়া আটককৃত পণ্যের সবচেয়ে বড় উৎস হয়ে উঠেছে চীনা কোম্পানিগুলো। তথ্যে আরও দেখা যায়, হুথিদের সঙ্গে সম্পৃক্ততার অভিযোগে মার্কিন নিষেধাজ্ঞার মুখে পড়া ড্রোন যন্ত্রাংশের বেশিরভাগ সরবরাহকারীই চীনের মাটিতে অবস্থিত।
হুথিরা গত কয়েক বছরে চীন এবং অন্যান্য সরবরাহকারীদের সঙ্গে তাদের বাণিজ্যিক সম্পর্ক আরও জোরদার করেছে।
গত বছর যুক্তরাষ্ট্র লোহিত সাগরে মার্কিন জাহাজে হামলা চালাতে সাহায্য করার অভিযোগে একটি চীনা কোম্পানির বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ এনেছিল।
অন্যদিকে বেইজিং সবসময়ই দাবি করে আসছে যে, ইয়েমেনি এই গোষ্ঠীর কাছে অস্ত্র বিক্রির ওপর জাতিসংঘের নিষেধাজ্ঞা তারা পুরোপুরি মেনে চলে। তবে বেসামরিক ও সামরিক ব্যবহারের মধ্যে সীমারেখাটি বেশ সূক্ষ্ম, কারণ হুথিদের আমদানি করা কিছু পণ্য উভয় কাজেই ব্যবহার করা যেতে পারে, আবার কিছু পণ্য সরাসরি কেবল অস্ত্র সিস্টেমে ব্যবহারের জন্য তৈরি।
হুথিরা যে বিদেশ থেকে বিশেষায়িত মিসাইল যন্ত্রাংশ সংগ্রহ করে আসছে, সাম্প্রতিক এই আটক কেবল তারই প্রথম ইঙ্গিত নয়।
২০২৪ সালের শেষের দিকে সিএআর-এর বিশেষজ্ঞরা তুলনামূলক কম পাল্লার ‘সদর’ মিসাইলের সঙ্গে সম্পর্কিত একই ধরনের কাস্টম-মেশিনযুক্ত যন্ত্রাংশের আমদানি নথিপত্রও নথিভুক্ত করেছিলেন। যদিও সেই যন্ত্রাংশগুলোর সরবরাহকারী কে ছিল, তা আজও অজানা রয়ে গেছে।
তবে নতুন এই আবিষ্কারগুলো ইঙ্গিত দিচ্ছে যে, এই গোষ্ঠীর অস্ত্র সংগ্রহের প্রচেষ্টা এখন আরও উন্নত মিসাইল সিস্টেমের সরঞ্জাম সংগ্রহের পর্যায়ে পৌঁছে গেছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
দেশের তিনটি বিভাগে বৃষ্টি অথবা বজ্রবৃষ্টির সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে। অন্যদিকে, দেশের অন্যান্য অঞ্চলে আকাশ আংশিক মেঘলা থাকার পরেও আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকতে পারে বলে জানিয়েছেন আবহাওয়া অফিস।
বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত আবহাওয়ার পূর্বাভাসে এই তথ্য প্রকাশ করেছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।
এতে উল্লেখ করা হয়েছে, চট্টগ্রাম বিভাগের কিছু কিছু স্থানে এবং খুলনা ও বরিশাল বিভাগের দু-এক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়ার সঙ্গে হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি অথবা বজ্রবৃষ্টি হতে পারে। অন্যদিকে, দেশের অন্যান্য স্থানে আকাশ আংশিক মেঘলা থাকলেও আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকতে পারে।
এ সময় সারা দেশে দিনের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে। রাতের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে বলে জানানো হয়েছে।
বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৬টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের দু-এক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়ার সঙ্গে হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি অথবা বজ্রবৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। দেশের অন্যান্য অঞ্চলে আকাশ আংশিক মেঘলা থাকলেও আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকতে পারে। এ সময় সারা দেশে দিন ও রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।
আবহাওয়া অধিদফতর জানায়, লঘুচাপের বর্ধিতাংশ উত্তর বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাণিজ্য নিয়ে মতপার্থক্য এবং রাশিয়া থেকে ভারতের তেল ক্রয়ের বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের অসন্তোষের প্রেক্ষাপটে আগামী সপ্তাহে ভারত সফরে যাচ্ছেন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও। সফরের সময় তিনি দুই দেশের মধ্যে জ্বালানি সহযোগিতা, কৌশলগত সম্পর্ক এবং বাণিজ্যিক যোগাযোগের উন্নয়ন নিয়ে আলোচনা করবেন।
মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) জানিয়েছে, ভারত সফরের আগে রুবিও উজবেকিস্তানের সমরকন্দে যাবেন। সেখানে তিনি মধ্য এশিয়ার পাঁচটি দেশের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের ‘সি৫+১’ মন্ত্রী পর্যায়ের বৈঠকে অংশগ্রহণ করবেন। এরপর তিনি ভারতের মুম্বাই ও গুজরাটের জামনগর সফর করবেন।
গত মে মাসে নয়াদিল্লিতে ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্করের আয়োজনে কোয়াডের পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের বৈঠকে রুবিও অংশগ্রহণ করেছিলেন। আগামী সপ্তাহের সফরটি হবে ভারতে তার দ্বিতীয় সফর।
ভারতে অবস্থানকালে রুবিও দেশটির জ্যেষ্ঠ সরকারি কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করবেন। আলোচনায় দুই দেশের কৌশলগত অংশীদারত্ব, আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক পরিস্থিতি এবং জ্বালানি খাতে সহযোগিতা সম্প্রসারণের বিষয়গুলো গুরুত্ব পাবে। এছাড়া, বিনিয়োগ ও অর্থনৈতিক সম্পর্ক বাড়াতে ব্যবসায়ী নেতাদের সঙ্গেও তিনি আলোচনা করবেন বলে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর জানিয়েছে।
রুবিওর ভারত সফরের ঘোষণা এমন এক সময়ে এসেছে, যখন ভারত ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে চলমান বাণিজ্য আলোচনা সমাধানের দিকে এগোচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর।
মঙ্গলবার নয়াদিল্লিতে ব্লুমবার্গ নিউ ইকোনমি ফোরামে ব্লুমবার্গ নিউজের প্রধান সম্পাদক জন মিকলথওয়েটের সঙ্গে আলোচনায় জয়শঙ্কর জানান, তার ধারণা, বিষয়টি একটি সমাধানের কাছাকাছি পৌঁছাচ্ছে।
জয়শঙ্কর বলেন, যুক্তরাষ্ট্র নিজেদের শিল্প খাতকে পুনর্গঠন করতে চাইছে। একই সঙ্গে অন্যান্য দেশ কী শর্তে মার্কিন বাজারে প্রবেশ করতে পারবে, সেই নিয়মও নতুন করে নির্ধারণের চেষ্টা করছে ওয়াশিংটন।
তিনি ইঙ্গিত দেন, যুক্তরাষ্ট্র অন্যান্য বাণিজ্যিক অংশীদারকে যেসব শর্ত দিচ্ছে, সেগুলোর সঙ্গে তুলনা করেই প্রস্তাবিত চুক্তিটি মূল্যায়ন করছে ভারত।
জয়শঙ্করের ভাষায়, ‘যুক্তরাষ্ট্র নিজেদের অবস্থান নতুনভাবে সাজিয়েছে।’ এ পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে ওয়াশিংটনের সঙ্গে সম্পর্কের হিসাব নতুন করে করা এবং সম্পর্কের শর্ত পুনর্নির্ধারণ করা অন্যান্য দেশের জন্যও জরুরি বলে মন্তব্য করেন তিনি।
ভারত-যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য আলোচনায় শুল্ক, বাজারে প্রবেশাধিকার এবং মার্কিন বাজারে ভারতীয় পণ্যের প্রতিযোগিতামূলক অবস্থান নিয়ে নতুন করে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্রের পরিবর্তিত বাণিজ্যনীতির কারণে বিভিন্ন দেশকে নিজেদের অর্থনৈতিক সম্পর্ক নতুন করে পর্যালোচনা করতে হচ্ছে। ভারতও প্রস্তাবিত বাণিজ্য চুক্তির শর্তগুলো বিবেচনা করে এগোতে চাইছে।
এমন পরিস্থিতিতে রুবিওর আসন্ন ভারত সফর দুই দেশের কৌশলগত ও অর্থনৈতিক সম্পর্ক এগিয়ে নেওয়ার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ বলে বিবেচিত হচ্ছে। তবে বাণিজ্য নিয়ে মতপার্থক্য এবং রাশিয়ার তেল কেনার বিষয়টি দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের আলোচনায় কতটা প্রভাব ফেলবে, তা এখনো দেখার বিষয়।
তথ্যসূত্র: ইন্ডিয়া টুডে
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জরুরি রক্ষণাবেক্ষণ কাজের জন্য বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) নাটোরের বড়াইগ্রাম উপজেলার কিছু এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ টানা ৮ ঘণ্টা বন্ধ থাকবে।
বুধবার (১৪ অক্টোবর) নাটোর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-২-এর প্রকাশিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে যে, নাটোর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-২-এর বড়াইগ্রাম-১ (বনপাড়া) উপকেন্দ্রের ২ নম্বর ফিডারের আওতাধীন বিদ্যুৎ সঞ্চালন লাইনের পাশে গাছের ডালপালা কর্তন ও রক্ষণাবেক্ষণ কাজ করা হবে। এজন্য বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৮টা থেকে বিকাল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত মোট ৮ ঘণ্টা বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকবে।
বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকার আওতাধীন এলাকা হিসেবে আগ্রান, পারকোল ও এর আশপাশের এলাকা চিহ্নিত করা হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়েছে যে, নির্ধারিত সময়ের আগে রক্ষণাবেক্ষণ কাজ শেষ হলে তাৎক্ষণিকভাবে বিদ্যুৎ সরবরাহ পুনরায় চালু করা হবে।
সাময়িক এ অসুবিধার জন্য নাটোর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-২ কর্তৃপক্ষ সংশ্লিষ্ট এলাকার গ্রাহকদের কাছে আন্তরিকভাবে দুঃখ প্রকাশ করেছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প আবারও দাবি করেছেন যে, ইরানের বিরুদ্ধে চলমান যুদ্ধ খুব শিগগিরই শেষ হবে। তিনি যুক্তরাষ্ট্রের অ্যারিজোনা অঙ্গরাজ্যের বুলহেড সিটিতে এক জনসভায় এই বক্তব্য দেন। যদিও হরমুজ প্রণালিতে বাণিজ্যিক জাহাজে হামলার সংখ্যা বৃদ্ধি পাওয়ায় সংঘাতের পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠেছে।
ট্রাম্প বক্তব্য দেওয়ার সময় বলেন, যুক্তরাষ্ট্র কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালির ওপর ‘সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ’ প্রতিষ্ঠা করেছে। তিনি দাবি করেন, ইরান ইতোমধ্যে তাদের নৌবাহিনী, বিমানবাহিনী, রাডার ব্যবস্থা ও আকাশ প্রতিরক্ষাব্যবস্থা হারিয়েছে।
ট্রাম্প ইরানের নেতৃত্বের ক্ষয়ক্ষতি তুলে ধরে জানান, দেশটির প্রথম সারির নেতাদের নিহত হওয়ার পর দ্বিতীয় সারির নেতৃত্ব দায়িত্ব গ্রহণ করে। পরবর্তীতে তাদের অনেককেও হত্যা করা হয়। এরপর তৃতীয় সারির নেতৃত্ব সামনে আসে।
তিনি বলেন, ‘তাদের প্রথম সারির নেতারা চলে গেছেন। এরপর তারা দ্বিতীয় সারির নেতাদের বেছে নেয়। তারাও চলে গেছেন। এরপর তৃতীয় সারির নেতাদের বেছে নেয়। তাদের অর্ধেকও শেষ হয়ে গেছে। তারা আমাকে আর কাউকে হত্যা না করার প্রতিশ্রুতি দিতে বলেছিল। আমি প্রতিশ্রুতি দিয়েছি।’
ট্রাম্প যুদ্ধের কারণে ইরানের সঙ্গে আলোচনা জটিল হয়ে পড়ার বিষয়েও ইঙ্গিত দেন। তিনি বলেন, ‘সম্ভবত আমি একটু বেশিই দূর এগিয়ে গেছি। এ জন্য আমি দুঃখিত। কারণ, এখন আমরা আসলে কার সঙ্গে আলোচনা করছি, তা-ই জানি না।’
এদিকে, যুদ্ধের প্রভাবে জ্বালানির দাম বেড়ে যাওয়ার বিষয়টিও স্বীকার করেছেন ট্রাম্প। তবে তিনি আশা প্রকাশ করেন যে, সংঘাত শেষ হলে তেলের দাম ও পেট্রল-গ্যাসের মূল্য দ্রুত কমে আসবে।
ট্রাম্প বলেন, ‘আমি জানতাম, পেট্রোলের দাম বাড়বে। তবে সত্যি বলতে, আমি ভেবেছিলাম দাম আরও অনেক বেশি বাড়বে।’
তিনি যুদ্ধ শেষ হওয়ার পরপরই জ্বালানির দাম কমতে শুরু করবে বলেও আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
তথ্যসূত্র: আল জাজিরা
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ